০৭:০৭ পি.এম
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্টে রাশিয়া বড় অগ্রগতির দাবি করেছে। দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের পর দোনেৎস্ক অঞ্চলের কৌশলগত শহর কস্তিয়ানতিনিভকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও দেশের সামরিক কর্মকর্তারা। তবে ইউক্রেন এখন পর্যন্ত এই দাবির বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
রুশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধক্ষেত্রের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ব্রিফিং নিচ্ছেন। সেখানে কস্তিয়ানতিনিভকা দখলকে তিনি রাশিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন। পুতিন জানান, ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার হামলার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এবং বিশেষ করে রাশিয়ার তেলশিল্পকে লক্ষ্য করে হামলা বাড়ানোর কারণে দেশের নিরাপত্তা বলয় আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে।
তবে রাশিয়ার এই দাবির বিষয়ে ইউক্রেন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভ জানান, দক্ষিণাঞ্চলীয় বাহিনী পুরো দোনেৎস্ক অঞ্চল ‘মুক্ত’ করার লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। যুদ্ধের শুরু থেকেই পুরো ডনবাস অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়া রাশিয়ার অন্যতম প্রধান সামরিক লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। গেরাসিমভ বলেন, স্লোভিয়ানস্ক-ক্রামাতোরস্ক-কস্তিয়ানতিনিভকা প্রতিরক্ষা বলয়ের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কস্তিয়ানতিনিভকা শহর এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
এর আগে রুশ সেনাবাহিনী দাবি করেছিল, শহরটির বিভিন্ন অংশ তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কস্তিয়ানতিনিভকা দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্গনগরী হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
এদিকে, শহরটির কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে পুতিন বলেন, “আমরা সবাই জানি, এই শহরটি ডনবাস অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন ও বৃহৎ শিল্পকেন্দ্র।” পুতিন জানান, দীর্ঘদিন ধরেই দোনেৎস্ক অঞ্চলে অগ্রযাত্রার অংশ হিসেবে কস্তিয়ানতিনিভকা দখলে রুশ বাহিনী চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। সর্বশেষ তাদের এই দাবি যুদ্ধের পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তথ্য সূত্র- আলজাজিরা।
আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন