ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুনীল অর্থনীতির বিকাশে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমে গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির


সুনীল অর্থনীতির বিকাশে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমে গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিতকরণ, সামুদ্রিক সম্পদের অনুসন্ধান ও ব্যবস্থাপনা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপ্রধান আগামীকাল ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আজ এক বাণীতে এ বিষয়ে আলোকপাত করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রাঞ্চল জাতীয় অগ্রগতি, সুনীল অর্থনীতির বিকাশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধানের অপার সম্ভাবনার এক বড় ভাণ্ডার।

আরও পড়ুন: ইনানীর গ্যাসের আগুন নেভানো হচ্ছে না কেন? যা জানা গেল

তিনি উল্লেখ করেন, এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আধুনিক ও কার্যকর হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম।

রাষ্ট্রপতি যোগ করে বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগ উপকূলীয় ও সামুদ্রিক এলাকায় জরিপ পরিচালনা, নটিক্যাল চার্ট প্রণয়ন, নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

তিনি আরো বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে সমুদ্রসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। বর্তমানে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা জোরদার করা সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রশিক্ষণ, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে হামলার কারণে ঢাকা-সৌদি রুটে ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল

হাইড্রোগ্রাফি সেবা সামুদ্রিক পরিবহন ও সুনীল অর্থনীতির উন্নয়নের পাশাপাশি সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণেও কাঙ্ক্ষিত অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে দেয়াল কেটে ২০০ ভরি স্বর্ণ ও ২৫ লাখ টাকা চুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


রাজশাহীতে দেয়াল কেটে ২০০ ভরি স্বর্ণ ও ২৫ লাখ টাকা চুরি

রাজশাহী নগরীর সাহেব বাজার স্বর্ণপট্টি এলাকায় 'কারুশ্রী জুয়েলার্স' নামের একটি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা পাশের দোকানের দেয়াল কেটে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১২০০ ভরি রূপা (চাঁদি) এবং নগদ ২৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) থেকে শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাতের কোনো এক সময়ে এই চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে রাজশাহীর সব জুয়েলারির দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, সাহেববাজার এলাকার আবাসিক স্বর্ণা হোটেলের নিচতলায় 'আফিয়া জুয়েলার্স' ও 'কারুশ্রী জুয়েলার্স' পাশাপাশি অবস্থিত। দুর্বৃত্তরা প্রথমে আফিয়া জুয়েলার্সের শোরুমের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। তারপর দুটি শোরুমের মাঝখানের লাগোয়া দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সের ভেতরে ঢুকে পড়ে। সেখান থেকে তারা সিন্দুক ও শোকেসে থাকা সমস্ত স্বর্ণালংকার, চাঁদি এবং নগদ টাকা লুট করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। তবে ওই সময় পাশের আফিয়া জুয়েলার্সে কোনো মালামাল ছিল না বলেও জানা গেছে।

ভুক্তভোগী কারুশ্রী জুয়েলার্সের মালিকপক্ষ জানিয়েছে যে, দোকান থেকে আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১২০০ ভরি চাঁদি এবং নগদ ২৫ লাখ টাকা চুরি হয়েছে।

এই চুরির ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাজুস। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম অপু বলেন, 'কারুশ্রী জুয়েলার্স থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা, চাঁদি ও নগদ টাকা চুরি করা হয়েছে। এই মালামাল উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। তা না হলে রাজশাহীর সকল জুয়েলার্স দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।'

চুরির খবর পেয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সিআইডি ও ফরেনসিক দলের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, 'পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করছে। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে ফরেনসিক আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মজুরি থেকে কর: অস্ট্রেলিয়ার জুলাইয়ে আসছে পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


মজুরি থেকে কর: অস্ট্রেলিয়ার জুলাইয়ে আসছে পরিবর্তন

জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকে অস্ট্রেলিয়াজুড়ে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন অর্থবছরের সঙ্গে সঙ্গে একটি গুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

মজুরি বৃদ্ধি, পিতা-মাতার বেতনসহ ছুটি সম্প্রসারণ, প্রতারণামূলক খুদে বার্তা নিয়ন্ত্রণ, ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য কর-সুবিধা, খাদ্যপণ্যের উৎস শনাক্তকরণ এবং ভোক্তা সুরক্ষার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম কার্যকর হতে যাচ্ছে।

ফেডারেল সরকার, ফেয়ার ওয়ার্ক কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ঘোষণার ধারাবাহিকতায় এ পরিবর্তনগুলোর কার্যকারিতা শুরু হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে সংস্থাগুলোর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসছে। ফেয়ার ওয়ার্ক কমিশন ২ জুন বার্ষিক মজুরি পর্যালোচনার রায় ঘোষণা করে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ঘণ্টাপ্রতি ২৬ ডলার ৪৪ সেন্টে উন্নীত হচ্ছে।

এর ফলে পূর্ণকালীন কর্মীদের সাপ্তাহিক আয় কর-পূর্ব ১ হাজার ৪ ডলার ৯০ সেন্টে পৌঁছাবে। পুরস্কারভিত্তিক মজুরি কাঠামোর আওতাভুক্ত লাখো কর্মীর ন্যূনতম মজুরিও বাড়বে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা কর্মীদের জন্য এটি স্বস্তির খবর হলেও কিছু ক্ষুদ্র ব্যবসা বাড়তি শ্রম ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিবারকেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আসছে।

সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত পিতা-মাতার বেতনসহ ছুটির সুবিধা ১২০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১৩০ দিনে উন্নীত করা হচ্ছে। অর্থাৎ নতুন বাবা-মায়েরা সর্বোচ্চ ২৬ সপ্তাহ পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন। সঙ্গীর জন্য সংরক্ষিত ছুটির পরিমাণও বাড়ছে। ১ জুলাই বা এর পরে জন্ম নেওয়া কিংবা দত্তক নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। সরকারের ভাষ্য, এটি পরিবারকে সন্তান জন্মের পর অধিক সময় একসাথে থাকার সুযোগ করে দেবে এবং কর্মজীবী অভিভাবকদের আর্থিক চাপ কমাতে সহায়তা করবে।

মোবাইল ফোনে প্রতারণামূলক খুদে বার্তার বিস্তার ঠেকাতে প্রেরক পরিচয় নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। এর অধীনে নিবন্ধিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো অনুমোদিত নাম ব্যবহার করে গ্রাহকদের কাছে বার্তা পাঠাতে পারবে। নিবন্ধনবিহীন প্রেরকদের পাঠানো বার্তা ‘অযাচাইকৃত’ হিসেবে প্রদর্শিত হবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারি সংস্থা, ডাকসেবা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা আরো জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ব্যবসা খাতেও কয়েকটি পরিবর্তন কার্যকর হচ্ছে। ব্যবসা নিবন্ধন, নবায়ন এবং কোম্পানির বার্ষিক পর্যালোচনা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশাসনিক ফি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নতুন কম্পানি নিবন্ধন এবং ব্যবসা পরিচালনার কিছু খরচ বাড়বে। তবে অন্যদিকে ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলোর জন্য তাৎক্ষণিক সম্পদ ব্যয় করছাড় সুবিধা অব্যাহত রাখা হয়েছে। নির্ধারিত সীমার মধ্যে যোগ্য সম্পদের খরচ তাৎক্ষণিকভাবে কর ছাড় হিসেবে দাবি করা যাবে, যা নতুন বিনিয়োগে উৎসাহ যোগাতে পারে।

কর ব্যবস্থায়ও পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। ফেডারেল সরকারের ঘোষিত আয়কর সংস্কার কর্মসূচির আওতায়, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের জন্য ধাপে ধাপে করহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আগামী বছরগুলোতে বহু কর্মজীবী মানুষ অতিরিক্ত কর সাশ্রয়ের সুযোগ পেতে পারেন। পাশাপাশি কর্মসংক্রান্ত কিছু ব্যয়ের ক্ষেত্রে সহজ করছাড় সুবিধা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষার অংশ হিসেবে রেস্তোরাঁ, ক্যাফে, খাবার বিক্রয়কেন্দ্র ও বহনযোগ্য খাদ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সামুদ্রিক খাদ্যের উৎস স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। খাদ্যটি অস্ট্রেলিয়ান, আমদানিকৃত না মিশ্র উৎস সেটি গ্রাহকদের জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে ক্রেতারা আরো সচেতনভাবে খাদ্য নির্বাচন করতে পারবেন।

এ ছাড়া ভোক্তা সুরক্ষা জোরদারে জ্বালানি খাতেও কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ সংক্রান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে, যাতে আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারগুলো অতিরিক্ত সহায়তা পেতে পারে।

নতুন অর্থবছরের এসব পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় সুফল পাবেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মী, নতুন বাবা-মা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং সাধারণ ভোক্তারা। মজুরি বৃদ্ধির ফলে কর্মীদের আয় বাড়বে, পিতা-মাতার বেতনসহ ছুটি সম্প্রসারণ পরিবারকে বাড়তি সহায়তা দেবে এবং প্রতারণামূলক বার্তা নিয়ন্ত্রণে মোবাইল ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা আরো জোরদার হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলো কর-সুবিধার মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগে উৎসাহ পেলেও ব্যবসা নিবন্ধন ও পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কিছু প্রতিষ্ঠানের খরচ বাড়তে পারে। তবে সার্বিকভাবে জীবনযাত্রার ব্যয় ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে কর্মী, পরিবার ও ভোক্তাদের আর্থিক সুরক্ষা জোরদার করাই নতুন অর্থবছরের এসব পরিবর্তনের প্রধান লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাটখিলে নববধূর মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


চাটখিলে নববধূর মরদেহ উদ্ধার

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় ফাহিমা আক্তার রিফা (১৮) নামে এক নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের দাবি, তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের সোমপাড়া গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মার্চ সাহাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের তফদার বাড়ির মো. সালাউদ্দীনের মেয়ে ফাহিমা আক্তার রিফার সঙ্গে একই ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের আমজাদ বেপারী বাড়ির মৃত কবির হোসেনের ছেলে সৌদি প্রবাসী ফয়সাল আহমেদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ চলছিল। শুক্রবার রাতে শ্বশুরবাড়ির নিজ কক্ষে রিফাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে দরজা ভেঙ্গে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  

নিহতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাত। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে ফয়সাল শ্বশুর বাড়রি লোকজনকে রিফাকে দ্রুত নিয়ে যেতে বলে। পরে মেয়ের সঙ্গে তারা কথা বললে সে আতঙ্কিত ছিল। কিছুক্ষণ পর সেখানে গিয়ে দেখে তাদের মেয়ে আর বেঁচে নেই।

নিহতের দেবর আকাশ জানান, ঘটনার সময় সৌদি প্রবাসী ভাই ফয়সালের ফোন পেয়ে তিনি রিফার কক্ষের সামনে যান। সেখানে গিয়ে ঘরের উভয় দরজা বন্ধ দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে রিফাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূ আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

vপ্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: ড. খন্দকার মারুফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


vপ্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: ড. খন্দকার মারুফ

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ফলে দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। মালয়েশিয়া ও চীন আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার।

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের এটিই তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। কুটনৈতিকভাবে এই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সফরের ফলে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হবে এবং চীন ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

শনিবার (২০ জুন) দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ রা.বি হাইস্কুল মাঠে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুল আল আকসা জামে মসজিদের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াবে। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তুপ থেকে দেশকে দ্রুত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেমনিভাবে 'তলাবিহীন ঝুড়ি'র দেশকে ব্যাপক উন্নয়ন ও উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়েছেন এবং দেশকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র সুসংহত এবং সর্বক্ষেত্রে যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছেন।

তাদের সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তাঁর পিতা-মাতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একইভাবে বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

ড. খন্দকার মারুফ বলেন, আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি,বর্তমান ও আগামীর রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতীব গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কোনো বিকল্প নেই এবং তাঁর হাত ধরেই দেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ হবে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই জনগণের স্বপ্ন পূরণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, দেশের স্বার্থরক্ষায় বিএনপি সরকার সর্বদাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে নিরলসভাবে কাজ করছে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় ও সংস্কৃতির আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে নিরাপদে পালন করতে পারে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ধর্মীয় নেতা এবং প্রখ্যাত আলেম ওলামাদের আয়নাঘরে বন্দি রেখে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। মিথ্যা মামলায় তাদের কারান্তরীণ রাখা হয়েছে এবং পবিত্র কুরআন তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠান করতে দেয়া হয়নি। তারা সকল ক্ষেত্রে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলো।

দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে জাতীয়তাবাদী আদর্শের পতাকাতলে শামিল হতে সকলের প্রতি ড.খন্দকার মারুফ উদাত্ত আহবান জানান।

ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা.মো.মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল হাশেম, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এম.এ লতিফ ভূঁইয়া, সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ, যূগ্ম আহবায়ক এনামুল হক সফর তালুকদার, দাউদকান্দি উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহ আলম সরকার, কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন আনন্দ, চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক এস.এম মিজান পাপ্পু, দাউদকান্দি স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মহিউদ্দিন সরকার ও সাবেক সভাপতি জি.এস কামরুজ্জামান ফকির, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আবদুল বাসেদ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%