ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘আমেরিকা ও ইসরায়ালের ২০০টির বেশি বিমান ভূপাতিত করেছে ইরান’


‘আমেরিকা ও ইসরায়ালের ২০০টির বেশি বিমান ভূপাতিত করেছে ইরান’

ইরানের সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা এলহামি উল্লেখ করেছেন যে, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ২০০টির বেশি শত্রু বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষা দিবস উপলক্ষে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।

প্রতিবেদনে তিনি আরও জানান, ইরান তাদের নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি ও মোতায়েন করছে। কিছু ক্ষেত্রে যুদ্ধের সময় শত্রু বাহিনীও জানত না, ইরানের কোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাদের বিমানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে আত্মনির্ভরতার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।

আরও পড়ুন: কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের আহ্বান জানালেন শামা

এদিকে, ইরানজুড়ে ৩ হাজার ৮০০টির বেশি স্থানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে বলে একটি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপসমন্বয়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাদেকিয়ান। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মোতায়েনকৃত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অনেকগুলোই দুর্গম এলাকায় অবস্থিত।

মোহাম্মদ সাদেকিয়ান বলেন, দেশজুড়ে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চারটি প্রধান মিশন পরিচালনা করে। এগুলো হলো- শনাক্তকরণ, নজরদারি, প্রতিহতকরণ এবং আকাশপথের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা। বিমান প্রতিরক্ষার প্রধান দায়িত্ব হলো ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের আকাশসীমায়, এমনকি দেশের আকাশসীমার বাইরেও যেকোনো উড়ন্ত বস্তু শনাক্ত করা।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বড় ধরনের হামলা চালায়। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা প্রাণ হারান। এরপরই মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরাইলকে লক্ষ্য করে পাল্টা ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় তেহরান।

আরও পড়ুন: লখনউয়ের মসজিদ ও মাদরাসায় নোটিশ জারি করেছে আদালত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণায় অনুমোদনহীন ভবন ভাঙল প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


নেত্রকোণায় অনুমোদনহীন ভবন ভাঙল প্রশাসন

নেত্রকোণা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার কলমাকান্দা উপজেলা সদরের বাজার এলাকায় সরকারি জায়গা ও পুকুরের ওপর অবৈধভাবে নির্মিত একটি দুইতলা ভবন অপসারণের কাজ শুরু করেছে জেলা পরিষদ।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে জেলা পরিষদের নির্দেশে স্থাপনাটির অবৈধ অংশ অপসারণে এ অভিযান চালানো হয়।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি জমিতে নির্মিত এ ভবনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা জেলা প্রশাসনের প্রয়োজনীয় কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। পুকুরের পানিতে পিলারের মাধ্যমে ভবনের নিচের অংশ নির্মাণ করায় এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং বাজারের সৌন্দর্য ব্যাহত করছিল।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. নুরুজ্জামান নুরু বাসসকে বলেন, ‘জেলা পরিষদের জায়গায় স্থাপনা তুলতে হলে অবশ্যই অনুমতির প্রয়োজন। এ ভবনটি কোনো অনুমোদন না নিয়ে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে জলাশয়ের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আইন অনুযায়ী এটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে।’

অভিযানকালে দেখা গেছে, শ্রমিকরা ভবনের ওপরের দুইতলার অংশ ভাঙার কাজ করছেন। প্রশাসন জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে অবৈধ ওপরের অংশ অপসারণ করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে আইনি প্রক্রিয়া মেনে পুরো স্থাপনার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কলমাকান্দা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুজ্জামান আসিফসহ জেলা পরিষদ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা। 

সরকারি জলাশয় ও সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের এ কঠোর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাক পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


ডাক পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল নিহত

ঢাকার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ডাক পৌঁছে দেওয়ার পর ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে টঙ্গী-আব্দুল্লাহপুর ফ্লাইওভারের ওপর এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত পুলিশ কনস্টেবল শামীম আহমেদ (কং/৮৮১) জিএমপি হেডকোয়ার্টারের বার্তাবাহক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার মানিকদী দক্ষিণপাড়া এলাকার আঙ্গুর মিয়ার পুত্র।

জিএমপি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে গাজীপুর পুলিশ কমিশনার কার্যালয় থেকে ডাক নিয়ে ঢাকার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের উদ্দেশ্যে রওনা হন শামীম আহমেদ। ডাক পৌঁছে দেওয়ার পর ফেরার পথে দুপুর ২টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন টঙ্গী-আব্দুল্লাহপুর ফ্লাইওভারের ওপর সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর সাড়ে ২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জিএমপির টঙ্গী পূর্ব থানার পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।

দায়িত্ব পালনকালে সড়ক দুর্ঘটনায় কনস্টেবল শামীম আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জিএমপি পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশীয় পেনগানসহ ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার; অস্ত্র সরবরাহকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


দেশীয় পেনগানসহ ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার; অস্ত্র সরবরাহকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সিএনজি অটোরিকশা ওয়ার্কশপের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে হাটহাজারী থানা পুলিশ। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত ধারাবাহিক অভিযানে দেশীয় পেনগানসহ ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি এবং অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অস্ত্র সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অস্ত্র তৈরি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর হাটহাজারী থানা পুলিশ নজরদারি ও তথ্য যাচাই শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩১ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাত আনুমানিক ২টায় জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মোঃ তারেক আজিজের নেতৃত্বে এসআই ফখরুল ইসলাম, এসআই আশিকুর রহমান ও এসআই নাজমুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার-ফোর্সসহ মির্জাপুর ইউনিয়নের মনসুরাবাদ কলোনি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানকালে মোঃ জামাল হোসেন প্রকাশ জামাল মিস্ত্রি (৪৪) ও মোঃ কবির (৪৭)-কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ১টি অত্যাধুনিক পেনগান, ৪টি দেশীয় পিস্তল, ১৮টি পেনগানের গুলি ও ২টি পিস্তলের বুলেট উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, হাটহাজারীর সরকারহাট বাজারে ওসমানের সিএনজি অটোরিকশা ওয়ার্কশপের আড়ালে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করা হতো। পরবর্তীতে এসব অস্ত্র বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হতো।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত সরকারহাট বাজারে অবস্থিত ওই ওয়ার্কশপে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সেখানে অস্ত্র তৈরির কার্যক্রমের বিভিন্ন আলামত পাওয়া যায় এবং অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসের সন্ধান পাওয়ার পাশাপাশি অস্ত্র সরবরাহকারী চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় পলাতক ওসমানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং অস্ত্রের উৎস নির্মূলে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযান ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসিনার শাসনে গুম ও ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল: স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


হাসিনার শাসনে গুম ও ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন, শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনকালে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন এবং ভিন্নমত দমনের মাধ্যমে দেশে ভয়ের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই সময় বিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শের নেতা-কর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের নিপীড়ন, গুম ও হত্যার মাধ্যমে মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে।

 

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি অ্যান্ডা ফিলিপসহ প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।

স্পিকার আরও বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বাংলাদেশের মানুষ আর কখনো এ ধরনের গুম ও নিপীড়নের সংস্কৃতির শিকার হয়নি। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের কণ্ঠরোধ করতে ক্ষমতা ধরে রাখা হয়েছে।

 

গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, আয়নাঘরের মতো গোপন বন্দিশালা এবং ডিজিটাল ও সাইবার নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগের মাধ্যমে দেশে ভয়াবহ রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যরা তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অভিজ্ঞতার আলোকে গুম ও নির্যাতনের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরেন।

‘নিপীড়ন থেকে বিপ্লব : রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত মানবাধিকার লঙ্ঘন উন্মোচন’ শীর্ষক ডকুমেন্টেশনের মাধ্যমে বিগত শাসনামলে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর সংঘটিত গুম ও দমন-পীড়নের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হয়। সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তার ভাই সাজেদুল ইসলাম সুমনের দীর্ঘদিন গুম থাকার মর্মস্পর্শী বিবরণ তুলে ধরেন।

 

সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান তার আয়নাঘরে বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। অন্যদিকে সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার গোপন বন্দিশালায় প্রায় সাত মাস আটকে থাকার সময়ের অমানবিক নির্যাতনের বর্ণনা দেন।

সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল তার স্বামী বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার পর বাংলাদেশের মানুষের কাছে ‘গুম’ শব্দটি ব্যাপকভাবে পরিচিতি পায়। তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ইলিয়াস আলীকে গুম করেছিল। বিচারবহির্ভূত এসব গুম ও হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

 

আইপিইউ মহাসচিব মিজ অ্যান্ডা ফিলিপ বলেন, বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, গুম এবং বিরোধী মতাদর্শের অনুসারীদের ওপর নিপীড়ন অমানবিক ও জঘন্য। তিনি বাংলাদেশের তৎকালীন সরকারপ্রধানের শাসনামলের সঙ্গে তার নিজ দেশ রোমানিয়ার সাবেক শাসক নিকোলায়ে চউশেস্কুর নির্মম দমননীতির মিল খুঁজে পান।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সফর শেষে তিনি এ দেশের স্বৈরাচারী শাসনামলে সংঘটিত গুম, হত্যাকাণ্ড ও নিপীড়নের বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আইপিইউর গভর্নিং বডির কাছে উপস্থাপন করবেন।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, জহরত আদিব চৌধুরী, তাহসিনা রুশদীর, হুমাম কাদের চৌধুরী, মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, আনিসুর রহমান, সানজিদা ইসলাম, মাধবী মারমাসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%