ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হরমুজের পর এবার বাব আল-মান্দেবেও চাপ বাড়াতে চায় ইরান


হরমুজের পর এবার বাব আল-মান্দেবেও চাপ বাড়াতে চায় ইরান

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার পর এবার নতুন বার্তা দিচ্ছে ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ নিয়ে। দেশটি ইঙ্গিত দিয়েছে, প্রয়োজনে ইয়েমেনের হুতি মিত্রদের মাধ্যমে লোহিত সাগরের প্রবেশপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালিতেও জাহাজ চলাচল ব্যাহত করা হতে পারে।

এমন পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে, বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়বে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে ইরানের ভেতরে সামরিক হামলা বাড়াচ্ছে এবং অন্যদিকে ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধেও অভিযান জোরদার করেছে। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে, ইরান সংঘাতকে আরো বিস্তৃত করার কৌশল নিচ্ছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

শুধু উপসাগর নয়, লোহিত সাগর এলাকাকেও সংঘাতের আওতায় এনে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরির উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটনের ওপর চাপ বাড়াতে চাইছে তেহরান। ইতোমধ্যেই ইরান তাদের অন্যতম বড় কৌশলগত শক্তির প্রভাব দেখিয়েছে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করে। বিশ্লেষকদের ধারণা, বাব আল-মান্দেব প্রণালিকে দ্বিতীয় চাপের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটি। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

সৌদি আরবের তেল রপ্তানির বড় অংশ এবং বিশ্বের বিপুল পরিমাণ পণ্যবাহী জাহাজ এই পথ দিয়েই চলাচল করে। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার ইয়েমেনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, যদি সৌদি আরব ইয়েমেনে হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তার দাবি, এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছে যেতে পারে।

হুতি আন্দোলন আনসারুল্লাহর রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-ফারাহও একই ধরনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে ইয়েমেনে হামলা চালাতে উৎসাহিত করছে। তার ভাষায়, এই নীতি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নিজেদের স্বার্থের বিরুদ্ধেই যাবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির আরো অবনতি হলে বাব আল-মান্দেব ও হরমুজ—দুই প্রণালিতেই যৌথ সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তার দাবি, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছে যেতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি হরমুজ প্রণালি ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী কৌশলগত হাতিয়ার হয়ে থাকে, তাহলে বাব আল-মান্দেব হতে পারে তাদের পরবর্তী বড় চাপ সৃষ্টির উপায়। মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক গবেষক ফাওয়াজ গেরগেস রয়টার্সকে বলেন, ইরান প্রয়োজনে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত যেতে প্রস্তুত। তার মতে, তেহরান ওয়াশিংটনকে এই বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা একই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সামুদ্রিক পথকেই ঝুঁকির মুখে ফেলতে সক্ষম। এর ফলে সংঘাত শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। গেরগেস আরো বলেন, ইরান এখন একই সঙ্গে কাছের ও দূরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। তাদের বার্তা হলো, শুধু হরমুজ নয়, বাব আল-মান্দেবও এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সবচেয়ে বড় আশঙ্কা এখনই পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হওয়া নয়। বরং এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যেখানে কোনো পক্ষ সরাসরি যুদ্ধে না গিয়েও একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে সংঘাতের পরিধি বাড়াতে থাকবে। উপসাগর থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণिज্য ও জ্বালানি সরবরাহ আরো অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে। বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি তেল পরিবহন পথ যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য ঝুঁকির মধ্যে থাকে, তাহলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠবে। এমন অবস্থায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের ওপর আবারও আলোচনায় ফেরার আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচক ডেনিস রস বলেন, ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য হলো এমন পরিস্থিতি তৈরি করা, যাতে ইরান আবার আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হয়। শুধু আলোচনা নয়, এমন একটি সমঝোতায় পৌঁছানোও গুরুত্বপূর্ণ, যা উভয়পক্ষের জন্য গ্রহণযোগ্য হবে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

হুতিরা আগেই দেখিয়েছে যে তারা বাব আল-মান্দেব প্রণালির মাধ্যমে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর, ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা শুরু করে। তাদের দাবি ছিল, ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে তারা ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করছে। এসব হামলার কারণে বিশ্বের বড় বড় জাহাজ পরিবহন কোম্পানিগুলোকে লোহিত সাগরের পরিবর্তে আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘুরে চলাচল করতে হয়। এতে পরিবহন ব্যয় ও সময় দুটিই বেড়ে যায়। পরিস্থিতি মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য হুতিদের অবস্থানে বিমান হামলা চালায়। এই সঙ্গে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বহুজাতিক নৌ অভিযানও শুরু হয়। লন্ডনের কিংস কলেজের নিরাপত্তা গবেষণা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ বলেন, হরমুজের পর বাব আল-মান্দেব নিয়ে হুতিদের সাম্প্রতিক হুমকি ইরানের আরেকটি চূড়ান্ত কৌশল হতে পারে। তার মতে, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী যদি মনে করে পূর্ণমাত্রার সংঘাত এড়ানো আর সম্ভব নয়, তখনই তারা এই পদক্ষেপ নিতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা আরো বাড়ায়, তাহলে তেহরান ইয়েমেনের হুতি মিত্রদের ব্যবহার করে বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করতে পারে। এতে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যে অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে, তা আরো বেড়ে যাবে।

সৌদি আরবভিত্তিক গালফ রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান আবদুলআজিজ সাগের বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো ক্রমেই মনে করছে, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সীমা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। তবে একই সঙ্গে তারা এটাও বুঝতে পারছে যে, বড় ধরনের যুদ্ধ পুরো অঞ্চলের জন্যই অত্যন্ত ব্যয়বহুল হবে। তার ভাষায়, ইরান জিতুক বা হারুক—দুই ক্ষেত্রেই পুরো অঞ্চলের জন্য বড় ধরনের পরিণতি থাকবে। তবে কিছু উপসাগরীয় দেশ মনে করতে পারে, যদি ইরানের পরাজয়ের ফলে ভবিষ্যতে আরো স্থিতিশীল আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে সেই মূল্য মেনে নেওয়া যেতে পারে। সাগের আরো বলেন, বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করার সক্ষমতা এখনো হুতিদের রয়েছে। তবে তেহরানের সরাসরি নির্দেশনা ছাড়া তারা বড় ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি করবে বলে মনে হয় না। তার মতে, হুতিরা যদি আবার আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্ররা আরো বড় সামরিক অভিযান চালাতে পারে। এর উদ্দেশ্য হবে হুতি গোষ্ঠীর সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেওয়া।

এদিকে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে সামরিক অভিযান শুরু করে, তার পর থেকে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বেড়েছে। সংঘাত ধীরে ধীরে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানও বিভিন্ন দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে। চলমান এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই ইরান ও লেবাননের নাগরিক।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় না বসলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ এম


যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় না বসলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, আগামী সপ্তাহে ইরান যদি কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুর ওপর মার্কিন হামলার পরিধি আরো বাড়ানোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’-কে তিনি এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়টি জানান।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আগামী সপ্তাহে সত্যিই খারাপ হতে যাচ্ছে। কারণ সে সময় থেকেই বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলোর ওপর হামলা শুরু হবে। তিনি ইরানকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে আরো বলেন, ‘যদি তারা আলোচনায় না বসে, তবে আমরা তাদের সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেব এবং সব সেতুও ভেঙে দেব।’ মার্কিন হামলা কতদিন ধরে চলবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ‘আমি নিজে না থামা পর্যন্ত এই হামলা চলতে থাকবে।’

গত ১৭ জুনের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণ ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখাই প্রধান লড়াই হয়ে উঠেছে দুই পক্ষের মধ্যে। ইতিমধ্যেই টানা চতুর্থ দিনের মতো ইরানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা চালানো হয়েছে। একইসাথে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোতে নতুন করে নৌ অবরোধ আরোপ করা হয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী থেকে। এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই ট্রাম্পের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ অবকাঠামো ধ্বংসের নতুন হুমকি এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ এম


বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে

মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু যদি কেউ তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে দেখতে পায় যে সব দোকানপাট বন্ধ, তাতে তার প্রচেষ্টা বিফলে যাবে।

সেজন্য চলুন দেখে নিই, বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাট এবং মার্কেটগুলো কোথায় বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক এবং উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু পর্যন্ত।

আবার যেসব মার্কেট থাকবে বন্ধ, সেগুলো হচ্ছে যমুনা ফিউচার পার্ক, নুরুনবী সুপার মার্কেট, পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, ইউনাইটেড প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমির কমপ্লেক্স এবং মাসকট প্লাজা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আদমজী ইপিজেডের আগুন নিয়ন্ত্রণে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ এম


তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আদমজী ইপিজেডের আগুন নিয়ন্ত্রণে

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত আদমজী ইপিজেডের অন্তত অ্যাপারেলস লিমিটেড নামে একটি পোশাক কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার (১৫ জুলাই) ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে কারখানাটির গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং ৭টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিস জানায়, ভোর রাতে হঠাৎ করে কারখানার গোডাউনে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে আদমজী, কাঁচপুর, শিবু মার্কেট ও নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের মোট ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং ৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন বলেন, "আগুন নিয়ন্ত্রণে আমাদের ৯টি ইউনিট কাজ করছে। অতিরিক্ত আরও দুইটি ইউনিট উপস্থিত ছিল।" তিনি আরও জানান, "ইতোমধ্যে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছি। তবে আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা সম্ভব নয়।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা কোন মাসে হবে জানালেন মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা কোন মাসে হবে জানালেন মন্ত্রী

বর্তমান সরকার শিক্ষাবর্ষকে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে অধিকতর সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এ পরিকল্পনার আওতায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা এবং জুন মাসে অনুষ্ঠিত হবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা, এমন তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সংসদে কক্সবাজার-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য লুৎফুর রহমানের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য প্রদান করেছেন।

মন্ত্রী এ সম্বন্ধে আরো বলেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ধাপে ধাপে শিক্ষাবর্ষের শুরু এবং পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচির মধ্যে সামঞ্জস্য আনা সম্ভব হবে এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সময়ের অপচয় কমানো যাবে।

এছাড়া তিনি আরো জানান, সরকার ধীরেধীরে পাবলিক পরীক্ষা আরও আগাম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ক্রমাগত কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%