ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেট্রোরেল ডিপোর ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে কর্মী আটক


মেট্রোরেল ডিপোর ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে কর্মী আটক

মেট্রোরেল ডিপোর সংরক্ষিত এলাকার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে এমআরটি লাইন-৫ (নর্দার্ন রুট) প্রকল্পের একটি আউটসোর্সিং কর্মীকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মেট্রোরেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমটিসিএল কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কেপিআইভুক্ত ডিপোর অভ্যন্তরীণ সংরক্ষিত এলাকার গোপনীয়তা ভঙ্গ করা হয়েছে, অনুমতি ছাড়া স্থিরচিত্র ও ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং এসব বিষয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাড়িয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার অভিযোগে ওই কর্মীকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

ডিএমটিসিএল জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় তুরাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুবিতে ছাত্রীদের টয়লেটে গোপনে ফোন রাখার তোলপাড় অভিযোগ ক্যান্টিনকর্মীর বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ এম


খুবিতে ছাত্রীদের টয়লেটে গোপনে ফোন রাখার তোলপাড় অভিযোগ ক্যান্টিনকর্মীর বিরুদ্ধে

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) একটি হলের ছাত্রীদের টয়লেটে গোপনে মোবাইল ফোন রাখার অভিযোগে হলের ক্যান্টিনকর্মীকে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে বিজয় ২৪ হলে এ ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, টয়লেটে একটি সন্দেহজনক মোবাইল ফোন দেখতে পেয়ে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পরে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে হলের ক্যান্টিনে কর্মরত ইমাম হাসান নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেন তারা। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে বিজয় ২৪ হলের ক্যান্টিনে কর্মরত রয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হলের বিভিন্ন ব্লকের শিক্ষার্থীরা সেখানে জড়ো হন। পরে অভিযুক্তকে হলের ভেতরে আটকে রাখা হয় এবং বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। ঘটনার পর থেকে আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এদিকে, কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিক ভিডিও পাওয়া গেছে। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে হলের টয়লেটের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ করতেন এবং সেসব ভিডিও বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে পাঠাতেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, নারী আবাসিক হলের মতো একটি সংরক্ষিত স্থানে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা আরও দাবি করেন, নারী আবাসিক হলে বহিরাগত ও বিভিন্ন সেবাদানকারী কর্মীদের প্রবেশে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয় ২৪ হলের প্রভোস্ট বলেন, ঘটনাটির তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিদস্যুতা প্রতিরোধে পটুয়াখালীতে রেকর্ডীয় মালিকদের মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ এম


ভূমিদস্যুতা প্রতিরোধে পটুয়াখালীতে রেকর্ডীয় মালিকদের মানববন্ধন

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় রেকর্ডীয় ভূমির মালিকদের শান্তিপূর্ণ চাষাবাদে বাধা, ভয়ভীতি, হামলা ও হয়রানির অভিযোগে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার ভুক্তভোগী পরিবার মানববন্ধন করেছেন। মানববন্ধনের পর তারা সংশ্লিষ্ট এবং স্থানীয় মন্ত্রী ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসকের বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এই মানববন্ধন বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলার জে.এল. নং-৯৬ চরভূপেন্দ্র, জে.এল. নং-৯৭ ভোলাইশিংয়ের চর ত্রৈলোক্য এবং জে.এল. নং-৯৮ পাঁচখালী মৌজার রেকর্ডীয় ভূমির মালিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এতে অংশ নেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সবাই ধানের অঙ্কুরিত বীজভর্তি ঝুড়ি প্রদর্শন করে জানান যে, ভূমিদস্যুদের বাধার কারণে সময়মতো বীজ রোপণ করতে না পারায় তাদের প্রায় ৪০ মণ ধানের বীজ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্মারকলিপিতে ভুক্তভোগীরা উল্লেখ করেন, নদীভাঙনের পর পুনরায় চর জেগে উঠলে তারা আইন অনুযায়ী নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করেন এবং ওই জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ ও কৃষিকাজ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু কিছু প্রভাবশালী ভূমিদস্যু, দালাল ও সন্ত্রাসীচক্র অবৈধভাবে জমি দখল করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে তাদের বৈধ চাষাবাদে বাধা সৃষ্টি করছে। প্রতিবাদ করলে তারা মারধর, প্রাণনাশের হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের জমিতে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এর ফলে কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং হাজারো পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানববন্ধনে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দশমিনা সদরের মোল্লা পরিবারের রুহুল মোল্লার নেতৃত্বে সৈয়দ জাফর, আরজবেগী এলাকার জাহিদ শিকদার, তহিদ শিকদার, এনায়েত গাজী ও সাকুসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে চরাঞ্চলের জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হামলা এবং শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

ভুক্তভোগীরা আরও বলেন, "আমরা রেকর্ডীয় ও প্রকৃত ভূমির মালিক। অথচ আজ নিজেদের জমিতে ধানের বীজ রোপণ করতে পারছি না। প্রায় ৪০ মণ ধানের বীজ নষ্ট হওয়ার পথে। ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম্যে হাজারো পরিবার আজ নিঃস্ব হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরাপদে চাষাবাদের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।"

তারা অভিযোগ করেন, কয়েকদিন আগে প্রতিপক্ষের একটি মানববন্ধনের পর থেকে তাদের ওপর হুমকি-ধমকি আরও বেড়েছে। অনেকেই ভয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা এবং বাজারে যেতেও সাহস পাচ্ছেন না। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা "সন্ত্রাসের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও, অবৈধভাবে জমি বিক্রি করে তরমুজ চাষ করতে দেওয়া যাবে না, আমরা আমাদের জমিতে ধানের বীজ রোপণ করতে চাই" এসব স্লোগান দেন। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, রেকর্ডীয় মালিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বৈধ মালিকদের শান্তিপূর্ণভাবে জমি ভোগদখল ও কৃষিকাজের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও সম্ভাবনা নিয়ে পটুয়াখালীতে সেমিনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ এম


উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও সম্ভাবনা নিয়ে পটুয়াখালীতে সেমিনার

বুধবার বিকালে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাডাং, ইন্দোনেশিয়া এর সাথে গড়ট ও "উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও সম্ভাবনা" শীর্ষক সেমিনার ভাইস চ্যান্সেলর কার্যালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অব দি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স এর তত্ত্বাবধানে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এফেয়ার্স এর পরিচালক ড. হাচিব মোহাম্মদ তুষার এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস - চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাডাং ইন্দোনেশিয়া এর ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়ন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ইউকিফলি, এগ্রোইন্ডাস্ট্রি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. রেস্টি ফেবরিয়া।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার এর পরিচালক প্রফেসর ড. খোকন হোসেন। অনুষ্ঠানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রভোস্ট, প্রক্টর, অধ্যাপক, বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, ছাত্র-ছাত্রী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন যে, এই এমওইউ এর মাধ্যমে দুইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। আশা করি ভবিষ্যতে এই দুই বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষক শিক্ষার্থী বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় বিশ্ববিদ্যালয় উপকৃত হবে।

ইউনিভার্সিটি নেগেরি পাডাং এর ডিন ড. ইউকিফলি বলেন যে, ভবিষ্যতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ছাত্রছাত্রী বিনিময় প্রোগ্রামের মাধ্যমে গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে। অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটি নেগেরি পাডাং এর গবেষক রনি জারলিস, শান্তি ডিয়ানাও উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এ তথ্য জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবার ধসে পড়ল পায়রা বন্দরের আবাসিক এলাকার সীমানা দেয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ এম


আবার ধসে পড়ল পায়রা বন্দরের আবাসিক এলাকার সীমানা দেয়াল

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা সমুদ্রবন্দরের প্রশাসনিক এলাকায় অবস্থিত আবাসিক ভবন কম্পাউন্ডের প্রায় ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের দুটি সীমানা দেয়াল আবার ধসে পড়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে আবাসিক এলাকার উত্তর পাশে ছ'আনি খালের মধ্যে এই দুটি দেয়াল ধসে পড়ে। এই ঘটনার কারণে এলাকায় তোলপাড় চলছে। মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে বলছেন যে দুর্নীতির কারণে এমনটি ঘটেছে।

আশপাশের বাসীন্দাদের অভিযোগ রয়েছে যে, সীমানা দেয়াল নির্মাণের জন্য নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই একই এলাকার প্রায় ১০০ ফুট দীর্ঘ একটি সীমানা দেয়াল খালের দিকে হেলে পড়ে। এ ছাড়া একই বছরের ৩০ জুন নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগে আরও একটি সীমানা দেয়াল ধসে পড়ে এবং সাথে সাথে তিনটি দেয়াল হেলে গেছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বর্তমানে প্রায় তিন হাজার ফুট দীর্ঘ গাইড ওয়াল ঝুঁকির সম্মুখীন রয়েছে। তিন বছরের মধ্যে ফের সীমানা দেয়াল ধসে পড়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জানা গেছে, ২০২৩ সাল থেকে এবিএম ওয়াটার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন হাজার ফুট দীর্ঘ সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে আসছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্দরের কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে নিম্নমানের এবং অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। তারা দাবি করছেন যে, বিগত সরকারের সময়ে একটা নির্দিষ্ট সিন্ডিকেট এখানে সকল ধরনের উন্নয়ন কাজ নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। এর সঙ্গে বন্দরের প্রকৌশল বিভাগের একটি চক্রও জড়িত রয়েছে।

পায়রা সমুদ্রবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক), মো. আজিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি পূরকৌশল বিভাগে কথা বলেছি। পূরকৌশল বিভাগ জানিয়েছে, বিষয়টি তাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে দেয়ালের নীচের মাটি সরে গিয়ে এটা ঘটেছে। বৃষ্টি বন্ধ হলে এটা ঠিকাদার কর্তৃক দ্রুত মেরামত করা হবে।’ তিনি পায়রা বন্দরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তফা আশিক আলির সঙ্গে কথা বলে এমন মতামত ব্যক্ত করেন।

এ বিষয়ে এবিএম ওয়াটার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনও ধরনের বক্তব্য দিতে নারাজ হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%