বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৫৬ পি.এম
ফুটবলের প্রতিটি ম্যাচ নির্ধারিত সময়ে ৯০ মিনিটের হয়। এটি এতটাই পরিচিত যে বেশিরভাগ দর্শকই বিষয়টিকে স্বাভাবিক বলে ধরে নেন। তবে এই সময়সীমা কীভাবে নির্ধারিত হলো, তার পেছনে রয়েছে প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাস, ফুটবলের নিয়মের বিবর্তন এবং খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা।
আধুনিক ফুটবলের শুরুর দিকে ম্যাচের নির্দিষ্ট সময় ছিল না। বিভিন্ন অঞ্চল ও প্রতিযোগিতায় ৬০, ১০০ কিংবা ১২০ মিনিট পর্যন্তও ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতো। ফলে একক কোনো মানদণ্ড ছিল না।
১৮৬৬ সালে লন্ডন ও শেফিল্ডের একটি ঐতিহাসিক ম্যাচ ৯০ মিনিট ধরে অনুষ্ঠিত হয়। পরে ১৮৭৭ সালে দ্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (FA) এবং শেফিল্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের নিয়ম একীভূত হওয়ার পর ৪৫ মিনিটের দুটি অর্ধ মিলিয়ে ৯০ মিনিটকে ম্যাচের আনুষ্ঠানিক সময় হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ফিফা (FIFA) আন্তর্জাতিক ফুটবলেও একই নিয়ম অনুসরণ করে, যা আজও বহাল রয়েছে।
ম্যাচকে দুই দলের জন্য সমানভাবে ভাগ করার উদ্দেশ্যে ৪৫ মিনিটের দুটি অর্ধ নির্ধারণ করা হয়। মাঝখানে ১৫ মিনিটের বিরতি রাখা হয়, যাতে খেলোয়াড়রা বিশ্রাম নিতে পারেন এবং কোচরা কৌশল নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পান।
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ৯০ মিনিট
স্পোর্টস সায়েন্স বলছে, উচ্চমাত্রার প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ৯০ মিনিট এমন একটি সময়সীমা, যেখানে খেলোয়াড়রা সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারেন। এর বেশি সময় ধরে একই তীব্রতায় খেললে ক্লান্তি বাড়ে, পেশির কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং চোটের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
একজন পেশাদার ফুটবলার একটি ম্যাচে গড়ে ১০ থেকে ১৩ কিলোমিটার পর্যন্ত দৌড়ান। খেলোয়াড়ের পজিশন ও ম্যাচের গতির ওপর নির্ভর করে এই দূরত্ব আরও বাড়তে পারে।
অতিরিক্ত সময় কেন যোগ করা হয়?
ম্যাচ চলাকালে ইনজুরি, খেলোয়াড় বদলি, VAR পর্যালোচনা কিংবা সময় নষ্টের কারণে খেলা বন্ধ থাকলে সেই সময় পূরণ করতে রেফারি স্টপেজ টাইম যোগ করেন। ফলে কার্যত ৯০ মিনিটের খেলাই নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়।
নকআউট পর্বে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে স্কোর সমান থাকলে আরও ৩০ মিনিটের অতিরিক্ত সময় (এক্সট্রা টাইম) খেলা হয়। এরপরও ফল না এলে টাইব্রেকারের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। তবে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ের বিধান নেই।
অনেকের ধারণা, টেলিভিশন সম্প্রচারের সুবিধার জন্য ম্যাচ ৯০ মিনিটের করা হয়েছে। বাস্তবে বিষয়টি নয়। ৯০ মিনিটের নিয়ম চালু হয় টেলিভিশনের যুগের বহু আগে। তবে বর্তমানে প্রায় দুই ঘণ্টার সম্প্রচার কাঠামোর সঙ্গে এই সময়সীমা ভালোভাবেই মানিয়ে যায়।
সূত্র: দ্য বল বিজনেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছেন। এতে সমাজে পিছিয়ে পড়া অবহেলিত শিশু-কিশোররাও দেশের মূল স্রোতোধারার সাথে মিশে যেতে সক্ষম হবে। এজন্য তিনি দেশের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রগুলোকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত প্রকৃত সংশোধনাগার হিসেবে গড়ে তুলতে আগামী ৫০ বছরের জন্য একটি দূরদর্শী মহাপরিকল্পনা (মাস্টার প্ল্যান) তৈরি করার কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ১০ তলা বিশিষ্ট ‘শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক)-এর অ্যাকাডেমিক কাম ডরমেটরি ভবন’-এর নির্মাণ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, এই শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের অপরাধী হিসেবে নয়, বরং সংশোধনের জন্য আনা হয়। শিশুদেরকে যেন চমৎকার এবং উপযুক্ত পরিবেশের মধ্য থেকে নিজেদের ভুলত্রুটি সংশোধন করার সুযোগ পেতে পারে এবং ভবিষ্যতে সমাজের সুস্থ ও স্বাভাবিক নাগরিক হিসেবে ফিরে আসতে পারে, সেজন্য তিনি কেন্দ্রের সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
বর্তমানে কেন্দ্রটিতে প্রায় ৭৬০ জন শিশু ও কিশোর অবস্থান করছে। তাদেরকে বিভিন্ন বৃত্তিমূলক ও কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র পরিসরে কৃষি কাজও শেখানো হচ্ছে, যাতে তারা ভবিষ্যতে সমাজের কর্মক্ষম জনবল হিসেবে অবদান রাখতে সক্ষম হতে পারে।
পরিদর্শন ও পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী কেন্দ্রের আধুনিকায়ন, শিশুদের নিরাপত্তা এবং পুষ্টি নিশ্চিতকরণে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি নির্মাণাধীন ভবনের নকশা পর্যালোচনাকালে প্রতিবন্ধী শিশুদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশেষ ‘র্যাম্প’ নির্মাণ, নতুন ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন এবং যেকোনো ধরনের জরুরি অগ্নি-দুর্ঘটনা মোকাবেলার জন্য ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন করার নির্দেশনা দেন। এছাড়া তিনি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত খেলার মাঠ তৈরি এবং শিশুদের আনন্দের মাধ্যমে সময় কাটানোর জন্য বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের তাগিদ দেন। তিনি একই সাথে শিশুদের মাঝে ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং নৈতিক শিক্ষার প্রসারেও গুরুত্বারোপ করেন।
শিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়ে জোর দিয়ে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন নির্দেশ দেন যে, শিশুদের সামনে কোনো অবস্থাতেই কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র (আনসার সদস্যদের) বা ভীতি ছড়াতে পারে এমন জিনিসপত্র রাখা না হয়। তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রে অবস্থানরত শিশুরা যাতে প্রাথমিক চিকিৎসা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উন্নত চিকিৎসা পায়, সে লক্ষ্যে কেন্দ্রকে নিকটস্থ হাসপাতালের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করারসহ বিদ্যমান চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নতির লক্ষ্যে ডাক্তারদের সম্মানি বৃদ্ধির পরামর্শ দেন। এছাড়া, তিনি নির্দেশ দেন যে, শিশুরা যাতে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাট সমৃদ্ধ সুষম খাবার পায়, তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র প্রধানকে নির্দেশ দেন। প্রয়োজনে, শিশুদের জন্য সরকার হতে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তা যেন বর্তমান বাজারের মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তিনি সভায় উপস্থিত সমাজকল্যাণ সচিবকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
উক্ত পর্যালোচনা সভায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহ্বুবসহ স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় আলোচিত শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পরে নদীতে ফেলে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণা করেছে আদালত। রায়ে জানতে পারা গেছে যে, তিনজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। একই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকা এক কিশোর আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সুদীপ্তা সরকার প্রাপ্তবয়স্ক আসামি আরিফ, রাকিব এবং সাইমের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন। সেই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে অর্থদণ্ড হিসেবে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ঘটনার সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আসামি মারুফের বিচার আলাদা করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় চার আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বজলুল করিম চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ রায়ের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন সরকার। তিনি জানান, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
অন্যদিকে, রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত নিছামনির বাবা-মা। একই সঙ্গে তারা দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলায় শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পরে নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। পরদিন তার বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ঘটনার মাত্র নয় দিনের মাথায় ২৩ জুন চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরবর্তীতে দ্রুত বিচার কার্যক্রম শেষে উভয় পক্ষের শুনানি গ্রহণের পর ঘটনার ২৫ দিনের মাথায় আদালত এ রায় ঘোষণা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধকে ঝুঁকিমুক্ত করার লক্ষ্যে এবং সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে জোরদার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টা থেকে নগরীর কেশবপুর দক্ষিণপাড়া টি-বাঁধ এলাকায় এই যৌথ অভিযান শুরু হয়।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন রাজশাহী জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার অভিজিৎ সরকার।
অভিযান চলাকালে কেশবপুর দক্ষিণপাড়া টি-বাঁধের ওপর অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হাফিজুর রহমান নামক একজন দখলদারের নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা। এই বাঁধের স্থায়িত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে সেই সঙ্গে এর ওপর গড়ে ওঠা সকল ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অঙ্কুর জানান, রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধকে ঝুঁকিমুক্ত রাখার জন্য এবং সরকারি স্থাপনা সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং রাজশাহী জেলা প্রশাসনের যৌথ তত্ত্বাবধানে বর্তমানে নগরীর কেশবপুর এলাকায় এই কাজ চলমান রয়েছে। এবং পর্যায়ক্রমে পুরো জেলার চিহ্নিত এলাকাগুলোতে এই অভিযান চালানো হবে।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ সরকার বলেন, 'আমরা এর আগে একাধিকবার নোটিশ ও মাইকিং করেছি। কিন্তু তারা নিজ উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। সেই কারণেই পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। শ্রীরামপুর বাঁধের পুরো অংশ জুড়ে এই উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে সংঘটিত পাল্টাপাল্টি হামলার মাঝে পারস্য উপসাগরে প্রায় ৬,০০০ নাবিক আটকা পড়েছেন। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) প্রধান বুধবার (৮ জুলাই) সর্বোচ্চ সংযম ও উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন।
আইএমও মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গেজ বেশ কিছু বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, ‘এই হামলাগুলো পারস্য উপসাগর থেকে নিরাপদে যাত্রা করতে না পারা জাহাজগুলোর কারণে আটকা পড়া প্রায় ৬,০০০ নাবিকের ভয়, অনিশ্চয়তা এবং মানসিক চাপকে আরও তীব্র করে তুলেছে।’
মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজের ওপর ইরানি হামলার ফলে সৃষ্ট সংঘর্ষের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু তিনি আবারও আলোচনার সুযোগ রেখেছেন। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছে। পরে তেহরানের পাল্টা হামলায় আবারও সংঘাত শুরু হয়।
এই কৌশলগত নৌপথটি সংঘাতের একটি কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে এবং এটি ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ব্যাপক হামলার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল।
তেহরান এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার দাবিতে অটল রয়েছে এবং তারা যাতায়াতের জন্য মাশুল ধার্য করবে ও অনুমোদিত পথ থেকে বিচ্যুত হওয়া জাহাজগুলোর ওপর হামলাও হুমকি দিয়েছে।
এদিকে, ডোমিঙ্গেজ আরও জানান, ‘আমি হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি জাহাজের ওপর গত দুই দিনের হামলার নিন্দা জানাই।’
তিনি আবারও উল্লেখ করেছেন, ‘নিরীহ নাবিকেরা মারাত্মক বিপদের’ মধ্যে রয়েছেন।
তিনি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করতে, অবিলম্বে পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে উপসাগরে এখনো আটকে থাকা জাহাজগুলোর নিরাপদ প্রস্থানের ব্যবস্থা করতে আহ্বান জানান।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ