ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু


হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘন্টায় দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে মোট আক্রন্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৩৪ জন। 

আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৯২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩৬২ জন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ওষুধের মূল্য যৌক্তিকীকরণের প্রক্রিয়া ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বিশ্লেষণ

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৪২ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ১৩৬ জন।

১৫ মার্চ থেকে ২ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৯ হাজার ১০৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮১২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।  

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৫০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন: খাদ্যপণ্যে মেশানো হচ্ছে নিষিদ্ধ টেক্সটাইল রং ও হাইড্রোজ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৩৪ হাজার ৪৯৭ জন হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৩৮১ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করে উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করে উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করে একটি গণতান্ত্রিক, উৎপাদনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেছেন, অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে হলে সরকারি কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা এবং বাজারভিত্তিক নীতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

মঙ্গলবার, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬-২৭ : প্রত্যাশা ও বাস্তবায়ন’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য তিনি প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইআরএফের সভাপতি দৌলত আক্তার মালা। বিশেষ অতিথির আসন অলংকৃত করেন সিপিডি নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী, বিটিএমএর প্রেসিডেন্ট শওকত আজিজ রাসেল।

অর্থমন্ত্রী স্বচ্ছতা সম্পর্কে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতিতে জমে থাকা বিভিন্ন কাঠামোগত দুর্বলতা শোধরাতে একটি জনকল্যাণমুখী বাজেট প্রয়োজন। যেখানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বার্থকে।

আমীর খসরু আরও বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে সাধারণ মানুষকে থাকতে হবে। বিশেষ করে নারী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক এবং নিম্ন আয়ের জনগণের জন্য সরাসরি আর্থিক সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করা জরুরি। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল যাতে সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেই দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং সৃজনশীল শিল্পের মতো খাতে সরকারের একক ভূমিকার পরিবর্তে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। এতে সেবার মান উন্নত হবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং সরকারি ব্যয়ের ওপর চাপ কমবে।

পুঁজিবাজার প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বাজার ব্যবস্থাপনায় আমূল সংস্কার প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতার অভাব, দুর্বল নিয়ন্ত্রণ এবং কারসাজির অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে।

তার মতে, অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তিতে দাঁড় করাতে হবে মূলত উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও আয়ের বৃদ্ধি সাধন করা প্রয়োজন।

তিনি জানান, দুর্নীতি ও অনিয়ম অর্থনীতির অন্যতম বড় বাধা। ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় প্রতিবন্ধকতা দূর করে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নীতিগত ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আমীর খসরু আরও বলেন, গণতান্ত্রিক অর্থনীতি গড়ে তোলার অর্থ হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে বাজারে প্রতিযোগিতা থাকবে, সম্পদের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত হবে এবং অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় থাকবে। এর ফলে উৎপাদনশীলতা বেড়ে যাবে এবং প্রবৃদ্ধির সুফল বৃহত্তর জনগণের কাছে পৌঁছে যাবে।

দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রায় জনগণের ধৈর্য ও গঠনমূলক সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সংস্কারের ফল তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান নাও হতে পারে। তবে সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং সঠিক অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আবারও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে সক্ষম হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, আমীর খসরুর বক্তৃতায় যে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সামাজিক সুরক্ষা, পুঁজিবাজার সংস্কার, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ এবং সুশাসনভিত্তিক প্রবৃদ্ধির রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে, তা ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নীতি ও বাজেট আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থনৈতিক উন্নয়নে অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ কমানো জরুরি : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


অর্থনৈতিক উন্নয়নে অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ কমানো জরুরি : অর্থমন্ত্রী

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করে একটি গণতান্ত্রিক, উৎপাদনমুখী ও অন্তভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলছেন, অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে হলে অপ্রয়োজনীয় সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমাতে হবে। একই সঙ্গে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও বাজারভিত্তিক নীতিকে গুরুত্ব দিতে হবে। বাজেট ২০২৬-২৭ : প্রত্যাশা ও বাস্তবতা শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আরএফএলের সভাপতি দৌলত আক্তার মালা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী এবং বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল। আমির খসরু বলেন, দীর্ঘদিনের বিনিয়োগ স্থবিরতা, আস্থার সংকট ও কাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে জনকল্যাণমুখী বাজেট প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তার মতে, অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে সাধারণ মানুষকে। নারী, কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানমুখী কর্মসূচি বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সৃজনশীল শিল্প খাতে বেসরকারি খাত এবং এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। এতে সেবার মান উন্নত হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং সরকারের ব্যয়ের চাপ কমবে। পুঁজিবাজার নিয়ে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। স্বচ্ছতা, পেশাদারি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো ছাড়া বাজারের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি আরো বলেন, টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। দুর্নীতি ও অনিয়মকে অর্থনীতির বড় বাধা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যবসা ও বিনিয়োগের পথে অপ্রয়োজনীয় প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। পাশাপাশি নীতিগত ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি। আমির খসরুর ভাষায়, গণতান্ত্রিক অর্থনীতি মানে এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে প্রতিযোগিতা থাকবে, সম্পদের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত হবে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। তিনি বলেছেন, অর্থনৈতিক সংস্কারের সুফল রাতারাতি পাওয়া যাবে না। তবে সুশাসন, জবাবদিহিতা ও সঠিক নীতি অনুসরণ করা গেলে দেশের অর্থনীতি আবারও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহাম্মদপুরের সন্ত্রাসী সমস্যা রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


মোহাম্মদপুরের সন্ত্রাসী সমস্যা রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ঢাকার মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসী সমস্যা রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়। সেখানে মাদক ও জুয়ার প্রভাব বেশি রয়েছে। অপরাধীদের আটক করে দীর্ঘ সময় জেলে রাখা যাচ্ছে না। এটির জন্য আইনের দুর্বলতা দায়ী। এজন্য আধুনিক আইন তৈরির মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।

মঙ্গলবার (০২ জুন) সচিবালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে শিশু রামিসা হত্যার বিচারকাজ নিয়ে তিনি বলেন, এটি নিয়ে তিনি কোনো কথা বলতে চান না, কারণ এটি আদালতের বিষয়। তবে তিনি জানান, সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে যেন বিচারকাজ সম্পন্ন হয় সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতালে এসির গ্যাসের কারণে শ্বাসকষ্টে নবজাতকদের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে সকল ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এবং সেই তদন্ত চলছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ও বিষয়টি দেখছে।

ঢাকাসহ বাংলাদেশে যানজট কিছুটা নিরসন করা সম্ভব হয়েছে। ঢাকায় এআই প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে সফল হয়েছে। অন্যান্য শহরের সড়কের সব পয়েন্টে যান্ত্রিক অটোমেশন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী ১ থেকে ২ মাসের মধ্যে যানজট আরও কমে আসবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে পুশব্যাক ঠেকাতে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) অ্যালার্ট রয়েছে। সরকার যে কোনো ধরনের পুশব্যাকের বিরুদ্ধে। তবে বাংলাদেশি কোনো নাগরিক যদি অবৈধভাবে অন্য দেশে অবস্থান করে, তাহলে সরকারিভাবে সেটি দেখা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবারও উল্লেখ করেন, ঢাকার মোহাম্মদপুরের সন্ত্রাসী সমস্যা রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়। সেখানে মাদক ও জুয়ার প্রভাব বেশি রয়েছে। অপরাধীদের আটক করে দীর্ঘ সময় জেলে রাখা সম্ভব নয় আইনের দুর্বলতার কারণে। আধুনিক আইন তৈরির মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতা থেকে অপসারণ করা হলো মেসির ৭০ ফুট ভাস্কর্য, উঠে এলো কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


কলকাতা থেকে অপসারণ করা হলো মেসির ৭০ ফুট ভাস্কর্য, উঠে এলো কারণ

কলকাতা থেকে আর্জেন্টিনার ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির সোনালি রঙের ৭০ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্যটি সরানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তাসংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসন সোমবার (১ জুন) ভাস্কর্যটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে মেসির কলকাতা সফরের সময় বিশাল ওই ভাস্কর্যটি শহরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছিল। ভাস্কর্যে মেসিকে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে উদযাপনরত অবস্থায় দেখা যায়। স্বয়ং মেসি অনলাইনে যোগ দিয়ে ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও করেছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গের আইনপ্রণেতা শারদ্বত মুখার্জি এএফপি-কে জানিয়েছেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার বিকালে মেসির ভাস্কর্যটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আপাতত এটি সরকারি গুদামে রাখা হবে এবং পরবর্তীতে নতুন কোনো স্থানে স্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপ্যাধায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত মেসির ভাস্কর্যটি সম্প্রতি দায়িত্ব নেওয়া ক্রীড়ামন্ত্রী নিতিশ প্রামাণিক ইতিমধ্যে ‘দৃষ্টিকটু’ মন্তব্য করেছিলেন। তার মন্তব্যের পর খুব দ্রুত নিরাপত্তার কারণে ভাস্কর্যটি সরানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%