বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:১৫ পি.এম
প্রায় ৭৪ বছর পরে আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতায় খুঁজে পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান সংস্থা প্যান অ্যামের বহুদিনের হারিয়ে যাওয়া বিমান প্যান অ্যাম ফ্লাইট ৫২৬এ-এর ধ্বংসাবশেষ। ১৯৫২ সালের মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় ৬৪ জন যাত্রী এবং পাঁচজন বিমানকর্মীর মধ্যে মাত্র ১৭ জন বেঁচে ছিলেন। বাকি সবাই সমুদ্রে প্রাণ হারান।
উদ্ধারকারী দলের তথ্য অনুযায়ী, পুয়ের্তো রিকোর উত্তর উপকূল থেকে কিছু দূরে, সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ২ হাজার ফুট গভীরে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে একাধিক অনুসন্ধান পরিচালিত হলেও, এবারই প্রথম আধুনিক উচ্চ-রেজোলিউশনের সোনার প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় পানির নিচের ড্রোন ব্যবহার করে এ সফলতা অর্জিত হয়েছে।
এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার/সি হেরিটেজ ফাউন্ডেশন এবং ডিপ সি ভিশন। সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট রাস ম্যাথিউস বলেন, "এটি অত্যন্ত বিস্ময়কর ও আবেগঘন একটি আবিষ্কার। বহু বছর আগে এখানে ঘটে যাওয়া সেই ট্র্যাজেডিকে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।"
তদন্তে জানা যায়, উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটির তৃতীয় ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। তখন বিমানটি মাত্র ৩৫০ ফুট উচ্চতায় ছিল। পাইলট ক্যাপ্টেন জন সি. বার্ন বিমানটিকে পুয়ের্তো রিকোতে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই চতুর্থ ইঞ্জিনও বিকল হয়ে পড়ে। ফলে বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারিয়ে সমুদ্রে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়।
স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে বিমানটি সমুদ্রে অবতরণের সময় দু’টুকরো হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর বহু যাত্রী বিমানের ধ্বংসাবশেষ আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার চেষ্টা করলেও উত্তাল সমুদ্র ও হিমশীতল পানির কারণে অধিকাংশকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এই দুর্ঘটনার পর আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক পরিবর্তন আনে। যাত্রীদের জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা নির্দেশনা, জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে প্রশিক্ষণ এবং বিমানের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক অভিযানে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসাবশেষের প্রায় সাড়ে তিন লাখ ছবি তোলেন। তবে দুর্ঘটনায় নিহতদের দেহাবশেষ উদ্ধারের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী বাংলাদেশের মধ্যে কোনো রোগাক্রান্ত গ্রামবাসী যেন চিকিৎসার অভাবে প্রাণ না হারান, তা নিশ্চিত করার জন্য মানবিক ও কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে, রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল ও কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।
ডা. জুবাইদা বলেছেন, ডাক্তারদের দিকে তাকিয়ে আছে দেশ। তারা নিশ্চয়ই মেধা, শ্রম, অধ্যবসায় ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সকলের কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। দেশের গ্রামাঞ্চলে চিকিৎসকের অভাবে গ্রামবাসীরা সঠিক সময়ে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তবে যদি দেশবাসী সেবার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যান, তাহলে নিশ্চয়ই এই সমস্যার সমাধান আছে।
বলেন, দেশে প্রতি ১ হাজার মানুষের বিপরীতে চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ০ দশমিক ৮৩। এর মানে হল একজন চিকিৎসককে গড়পড়তা ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ রোগীর সেবা দিতে হয়। গ্রামাঞ্চলে এই অনুপাত আরও বৈষম্যপূর্ণ। কিন্তু আমরা যদি শিক্ষাজীবন থেকেই দেশসেবার অঙ্গীকারে দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, তাহলে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ চিকিৎসক শহরাঞ্চলে কর্মরত, অথচ দেশের ৭৮ শতাংশ মানুষ গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাস করেন। এছাড়া প্রতি ১ হাজার মানুষের বিপরীতে নার্সের সংখ্যা মাত্র ০ দশমিক ৫৪৯। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ড অনুযায়ী, প্রতি ১ হাজার মানুষের জন্য ২ দশমিক ২৮ জন চিকিৎসক এবং ১ দশমিক ৪৮ জন নার্স থাকা উচিত। কিন্তু দেশে সরকারি চিকিৎসকের অনুপাত প্রতি ৬ হাজার ৫০০ জনে মাত্র একজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় আলেম ও ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ সরকারকে রেলপথে নিরাপত্তা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এ আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৪টা ৬ মিনিটে তিনি এ বিষয়ে একটি স্টাটাস দেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, এই দেশে পাথর ছুড়ে অন্ধ করে দেওয়াও কিছু মানুষের কাছে বিনোদন! কী অমানবিক এবং ভয়ানক অসুস্থ সমাজে আমরা বসবাস করছি। চলন্ত ট্রেনে প্রায়ই পাথর নিক্ষেপ এবং অন্ধ হওয়ার মতো নির্মম ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়। যারা এই অমানবিক অপরাধের সাথে জড়িত, তাদের অধিকাংশই ঝরে পড়া কিশোর।
এই নৃশংসতা থামাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। রেলপথে নিরাপত্তা জোরদার করা, ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিতকরণ ও নজরদারি বাড়ানো, দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা এবং ঝরে পড়া শিশু-কিশোরদের শিক্ষা ও পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ উল্লেখ করেন, রেললাইনের পাশের মসজিদের ইমাম, আলেম ও সচেতন নাগরিক সমাজেরও এই বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা জরুরি। প্রয়োজনে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে উদ্যমী তরুণেরা মাঝে মাঝে পাহারার ব্যবস্থা করতে পারে।
তিনি বলেন, রেল তুলনামূলক নিরাপদ ও সাশ্রয়ী যাতায়াত মাধ্যম। লক্ষ লক্ষ যাত্রীর নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে রেলপথকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করা এখন সময়ের অন্যতম দাবি।
একই পোস্টের কমেন্ট বক্সে তিনি আরও লেখেন, পাথর ছোড়া শুধু একটি অপরাধ নয়; এটি সামাজিক অবক্ষয়ের গভীর লক্ষণ। যখন একটি কিশোর অন্যের চোখ নষ্ট করে আনন্দ খুঁজে পায়; তখন বুঝতে হবে সমস্যা শুধু আইনশৃঙ্খলার নয়—পরিবার, শিক্ষা, নৈতিকতা ও সামাজিক পরিবেশেও বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও উল্লেখ করেন, একই সমাজে আমরা কিশোর গ্যাং, মাদক, পর্নোগ্রাফির প্রভাব, আত্মহত্যার প্রবণতা, সহিংসতা ও নানা বিকৃত আচরণের উত্থানও দেখছি। এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; একই অবক্ষয়ের ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশ।
তিনি সতর্ক করে বলেন, তাই শুধু অপরাধীকে শাস্তি দিলেই হবে না। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্র—সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। যদি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা, মানসিক সুস্থতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ঝরে পড়া শিশু-কিশোরদের পুনর্বাসনে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তাহলে এই সংকট থেকে বের হওয়া কঠিন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় প্রায় ৫২ বছর ধরে ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত আছে। ১৯৭৪ সাল থেকে মালয়েশিয়া মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ ইসরায়েলের সঙ্গে কোন ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে এবং ইসরায়েলি নাগরিকদের দেশের ভেতর প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে মালয়েশিয়া সরকারের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে চাপ দেওয়া হয়েছে। আটজন মার্কিন আইনপ্রণেতা মালয়েশিয়াকে একটি হুমকি দিয়ে বলেছে, যদি কুয়ালালামপুর ইসরায়েলি নাগরিকদের ওপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা বাতিল করতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক প্রশিক্ষণ তহবিল স্থগিত করবে।
কিন্তু এই মার্কিন হুমকির প্রতি মালয়েশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, ‘‘মালয়েশিয়া প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তার সার্বভৌম অধিকার প্রয়োগ করছে’’। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলি নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। একইসাথে, যারা মালয়েশিয়ায় বসবাসরত ইসরায়েলি নাগরিক তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে খুঁজে বের করা হবে। খবর দ্য সাউথ চায়না পোস্টের।
মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মতে, মালয়েশিয়ার সরকার আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে তাদের নির্বাসিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সেরেম্বানে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, ‘‘এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক’’। তিনি বলেন, ‘‘আমরা এখানে যেকোনও ইসরায়েলি নাগরিকের উপস্থিতির বিরুদ্ধে; ইহুদিদের বিরুদ্ধে নয়’’। কারণ তিনি দাবি করেন, ‘‘ইসরায়েলি নাগরিকরা ফিলিস্তিন ও গাজায় হত্যা, অপরাধ এবং নিপীড়ন ও উপনিবেশায়নে জড়িত’’।
এর আগে, মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে একটি চিঠি পাঠান ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেস সদস্যরা, যেখানে বলা হয় যে আনোয়ার ইব্রাহিম শুধুমাত্র জাতীয়তার কারণে আমেরিকার এক ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশের নাগরিকদের ‘খুঁজে বের করে বহিষ্কার’ করার অঙ্গীকার করেছেন। এই আইনপ্রণেতারা রুবিওকে জানান, আন্তর্জাতিক সামরিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির (International Military Education and Training programme) মাধ্যমে মালয়েশিয়া মার্কিন প্রযুক্তি ও বাজারে প্রবেশাধিকার ও নিরাপত্তা সহায়তা লাভ করেছে।
চিঠিতে তারা মালয়েশিয়ার সঙ্গে ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক পর্যালোচনা করার আহ্বান জানান। এছাড়া কুয়ালালামপুরকে ১৫ দিনের মধ্যে তার নীতি পরিবর্তন না হলে ওই কর্মসূচির অর্থায়ন স্থগিত করারও অনুরোধ জানান। চিঠিতে বলা হয়, ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে মালয়েশিয়ার অস্বীকৃতি উদ্বেগজনক।
যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা আনোয়ার ইব্রাহিমের সরকারকে হামাসের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন। তারা বলেন, ‘‘হামাস হলো একটি ফিলিস্তিনি জঙ্গি গোষ্ঠী’’। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে তারা জানান, হামাসের যোদ্ধারা মালয়েশিয়ার মাটিতে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। আনোয়ার ইব্রাহিম এই অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলেন। তিনি বলেন, ‘‘মার্কিন আইনপ্রণেতারা হুমকি দিতে পারে, কিন্তু আমি মালয়েশিয়ার জনগণের অধিকার কঠোরভাবে রক্ষা করব’’।
এছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘‘মালয়েশিয়া একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। আমরা আমাদের অধিকার প্রয়োগ করি’’। তিনি বলেন, ‘‘আমরা গর্বের সাথে বলতে পারি যে মালয়েশীয়রা নারী-পুরুষের মর্যাদাকে সম্মান করে’’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফরেস্ট সিটির প্রযুক্তি ও ডিজিটাল নোম্যাড কমিউনিটি 'নেটওয়ার্ক স্কুল'কে কেন্দ্র করে একটি তদন্তের সূত্রে বিতর্কের সূচনা হয়। অনলাইনে অভিযোগ ওঠে যে, ইসরায়েলিরা দ্বিতীয় দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে সেখানে বসবাস করছে। আনোয়ার ইব্রাহিম তখন বলেন, যদি ওই প্রযুক্তি কমিউনিটিতে কোনও ইসরায়েলি নাগরিক পাওয়া যায় তাকে অবিলম্বে বহিষ্কার করা হবে।
পরে মালয়েশিয়ার অভিবাসন কর্মকর্তারা ৪০টি দেশের ২৬৬ জন বিদেশিকে তদন্ত করে প্রথমে দেখে যে, সকলের কাছে বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। তবে, তদন্ত অব্যাহত রয়েছে ১১ জনের ক্ষেত্রে, যাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। জোহর কর্তৃপক্ষ নেটওয়ার্ক স্কুলের লাইসেন্স বাতিল করে এবং কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। তারা জানায়, এই পদক্ষেপটি আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নেওয়া হয়েছে।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাধারণত ইসরায়েলি পাসপোর্টধারীদের প্রবেশের জন্য বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। কিন্তু দ্বিতীয় দেশের পাসপোর্ট নিয়ে প্রয়োগ প্রক্রিয়া জটিল। এই সাম্প্রতিক বিতর্কটি ২০২৩ সালের অক্টোবরে উত্তেজনাকে পুনরজ্জীবিত করেছে, যখন আনোয়ার ইব্রাহিম সংসদে বলেন হমাসকে নিন্দার বিষয়ে অস্বীকৃতির কারণে মালয়েশিয়া তিনটি মার্কিন কূটনৈতিক প্রতিবাদপত্র পেয়েছে। ১৩ ও ৩০ অক্টোবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিবাদপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল এবং মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে ওয়াশিংটনে তলব করা হয়েছিল।
আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, এই বিতর্ক কুয়ালালামপুরের বৃহত্তর সম্পর্ককে ক্ষতি করবে না। তিনি বলেন, ‘‘ফিলিস্তিন ও গাজায় নিরীহ মানুষ হত্যার নিন্দা জানাতে ভীত হওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়’’।
এদিকে, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ের মতে, ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ার সঙ্গে মার্কিন পণ্য বাণিজ্য ৮৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে, যেখানে মালয়েশিয়া থেকে আমদানি ১৩.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। টেলর’স ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সিনিয়র লেকচারার জুলিয়া রকনিফার্ড বলেন, শুধুমাত্র এই বিরোধ বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সম্পর্কে ফাটল ধরানোর সম্ভাবনা কম। কারণ, এই সম্পর্কগুলো বৃহত্তর কৌশলগত বিবেচনার দ্বারা গঠিত হয়। তবে, রোকনিফার্ড ক্ষতিটা বলছেন, এই বিরোধ ফিলিস্তিন ও গাজাসহ আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনের চেষ্টায় অংশগ্রহণের জন্য মালয়েশিয়ার আমন্ত্রণ পাওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দিতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ৮ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই কথা বলা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে, আবহওয়া অফিসের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের সব বিভাগে আগামী কয়েক দিন দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও অতি ভারি বর্ষণও হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ