ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বড় ছেলের বিরুদ্ধে জমি আত্মসাতের অভিযোগ, শেষ সম্বল ফিরে পেতে বৃদ্ধা মায়ের আকুতি


বড় ছেলের বিরুদ্ধে জমি আত্মসাতের অভিযোগ, শেষ সম্বল ফিরে পেতে বৃদ্ধা মায়ের আকুতি
জীবনের শেষ বয়সে এসে নিজের শেষ সম্বল তিন কাঠা জমি ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর খুটিপাড়া এলাকার বৃদ্ধা শহর বানু। তার অভিযোগ, অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে বড় ছেলে আলম জোরপূর্বক টিপসই নিয়ে তার নামে থাকা জমি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করে নিয়েছেন। জমি ফেরতের দাবি জানাতে গিয়ে এখন মেয়ে ও পরিবারের সদস্যরা হামলা, মিথ্যা মামলা এবং প্রাণনাশের হুমকির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন শহর বানু। তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পুত্রবধূ মুক্তি খাতুন।
শহর বানু বলেন, তিনি অসুস্থ থাকাকালে বড় ছেলে আলম জোর করে তার টিপসই নেন। পরে সেই টিপসই ব্যবহার করে তার শেষ সম্বল তিন কাঠা জমি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করে নেন। তিনি বলেন, "আমার শেষ সম্বল ছিল ওই জমি। আমি আমার জমি ফেরত চাই।"
বৃদ্ধার মেয়ে সুফিয়া বেগম বলেন, তাদের মা আগেই সন্তানদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ করে দিয়েছিলেন। কেবল তিন কাঠা জমি তার নিজের নামে ছিল, যা ছিল তার শেষ ভরসা। কিন্তু অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে কৌশলে সেই জমি রেজিস্ট্রি করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে হামলা, মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে মুক্তি খাতুন জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাদের পরিবার হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অপপ্রচারের শিকার হচ্ছে। একই এলাকার সুজন, নুসরাত জাহান বিউটি ও আলমের সঙ্গে তাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলমান রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ১০ জুন তাদের বাড়িতে প্লাস্টারের কাজ চলাকালে মিস্ত্রি জমির পাশের কাঁটা সরাতে গেলে প্রতিপক্ষ বাধা দেয় এবং বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় সুফিয়া বেগমের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তার মাথায় একাধিক সেলাই দিতে হয়। এ সময় মুক্তি খাতুনসহ পরিবারের অন্য সদস্যদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এ ছাড়া হামলার সময় সুফিয়া বেগমের গলায় থাকা প্রায় আট আনি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া, শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
মুক্তি খাতুন বলেন, ঘটনার পর পুঠিয়া থানায় অভিযোগ করেও কার্যকর প্রতিকার না পেয়ে তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। জমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে বর্তমানে পুঠিয়া উপজেলা ভূমি অফিসে একটি মিসকেসও চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, "আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইন অনুযায়ী যে সিদ্ধান্ত হবে, আমরা তা মেনে নেব। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হচ্ছে।"
লিখিত বক্তব্যে আরো অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্তদের মধ্যে প্রেমতলী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষিকা নুসরাত জাহান বিউটিও রয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, গত ২৮ জুন বিভিন্ন গণমাধ্যমে নুসরাত জাহান বিউটি ও তার চতুর্থ স্বামীকে জড়িয়ে তার মেয়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। মেয়ের অভিযোগের বরাত দিয়ে বলা হয়, দেনমোহরের অর্থের লোভে অন্যত্র বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়, জোর করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় এবং পেটে লাথি মারার ফলে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। ওই ঘটনায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া এবং একটি মামলা দায়েরের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।
মুক্তি খাতুন বলেন, একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলন থেকে হামলার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উভয় পক্ষের দায়ের করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আলমের ছেলে সুজন বলেন, জমি নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তিনবার সালিশ হয়েছে। তার দাবি, সংশ্লিষ্ট জমির কোনো অস্তিত্ব হোল্ডিং রেকর্ডে নেই। তিনি বলেন, "সুফিয়া বেগম আমার আপন ফুফু। তারা জোরপূর্বক জায়গাটি দখল করতে চাইছেন।"
সুফিয়া বেগমের ওপর হামলার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। তবে নুসরাত জাহান বিউটির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ এবং শহর বানুর টিপসই নিয়ে জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বানেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক দুলাল বলেন, বিষয়টি তাকে আগে কেউ জানাননি। তবে দুই দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে ওই পরিবারের সদস্যরা তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। তিনি বলেন, বৃদ্ধা শহর বানু প্রয়োজনীয় পারিবারিক সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলেও তার কাছে অভিযোগ করা হয়েছে।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, থানায় কেউ আইনি সহযোগিতা চাইলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিষয়টি পারিবারিক ও জমি-সংক্রান্ত বিরোধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউনিয়া থানা আকস্মিক পরিদর্শনে বিএমপি কমিশনার, আইন-শৃঙ্খলা জোরদারে দিলেন একাধিক নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


কাউনিয়া থানা আকস্মিক পরিদর্শনে বিএমপি কমিশনার, আইন-শৃঙ্খলা জোরদারে দিলেন একাধিক নির্দেশনা

বরিশাল: বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) পুলিশ কমিশনার মো. আশিক সাঈদ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিএমপির কাউনিয়া থানা আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তিনি থানার সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শনের শুরুতে কাউনিয়া থানার পক্ষ থেকে পুলিশ কমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এ সময় তিনি থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম, অফিসার ও ফোর্সের শৃঙ্খলা, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার এবং নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি থানার কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পুলিশ কমিশনার বিশেষভাবে মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার, মামলা তদন্তের গতি বৃদ্ধি, ওয়ারেন্ট তামিল, সিডিএমএস ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, চুরি ও দস্যুতা প্রতিরোধ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধ দমন এবং কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এ ছাড়া পলাশপুর বস্তি ও বিসিক শিল্প এলাকায় টহল কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি থানার পরিদর্শন বইয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা লিপিবদ্ধ করেন।
পরিদর্শনের সমাপ্তিতে কাউনিয়া থানার পক্ষ থেকে পুলিশ কমিশনারের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেলাল হোসাইন, পিপিএম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া) পবিত্র কুমার হালদার, কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজিৎ চন্দ্র নাথসহ থানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারী বর্ষণে বৃদ্ধি পেয়েছে কাপ্তাই হ্রদের পানি, বিদ্যুতের উৎপাদন বেড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


ভারী বর্ষণে বৃদ্ধি পেয়েছে কাপ্তাই হ্রদের পানি, বিদ্যুতের উৎপাদন বেড়েছে

কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে উজান থেকে নেমে আসা পানির ফলে কাপ্তাই হ্রদে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে মোট ৪টি ইউনিটে বিদ্যুতের উৎপাদন বেড়ে ১২৫ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে ৪টি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ১২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১নং ইউনিটে ৩৫ মেগাওয়াট, ২নং ইউনিটে ৩৪, ৪নং ইউনিটে ২৮ এবং ৫নং ইউনিটে ২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, গত এপ্রিল মাস থেকে হ্রদে পানি স্বল্পতা থাকার কারণে কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হতে শুরু করেছিল। তবে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে হ্রদে পানির বৃদ্ধি ঘটেছে, যার ফলে উৎপাদন বেড়েছে। পানি সংকটের কারণে, দীর্ঘ ৩ মাস ধরে সচল থাকার পরও কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট একসাথে চালু করা সম্ভব হয়নি। এ সময় রেশনিং পদ্ধতিতে কেন্দ্রের ইউনিটগুলো চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন ধরে রাখা হয়েছিল। এ ফলস্বরূপ ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কেন্দ্রে সর্বশেষ ৯৬ মেগাওয়াটে নেমে আসে। তবে যদি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে এবং পানি বৃদ্ধি পায়, তাহলে কেন্দ্রের উৎপাদন আরও বাড়বে।

এদিকে, কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, গত কয়েকদিন ধরে রাঙামাটিসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অতি ভারী বর্ষণ হচ্ছে। ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পানির বৃদ্ধির কারণেই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, এ সময়ে রুলকার্ভ অনুযায়ী হ্রদে পানির পরিমাণ ৮৪ দশমিক ৯৬ ফুট মীন সি লেভেল (এমএসএল) থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে হ্রদে পানির স্তর ৭৯ দশমিক ৯ ফুট এমএসএল। হ্রদে সর্বোচ্চ পানির ধারণ ক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালন করার তথ্যও তারা জানায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পেন গড়লো নতুন বিশ্বরেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


স্পেন গড়লো নতুন বিশ্বরেকর্ড

শেষ ষোলোর ম্যাচে ইনজুরি সময়ে মিকেল মেরিনোর একমাত্র গোলে পর্তুগালকে হারিয়ে ফাইনালের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে স্পেন। এই বিজয়ের সঙ্গে দলের পক্ষ থেকে একটি নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়েছে।

ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপে টানা ছয়টি ম্যাচে গোল হজম না করে রেকর্ড গড়েছে স্পেন। চলতি ২০২২ বিশ্বকাপে তারা ১টি ম্যাচে এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে ৫টি ম্যাচে কোনো গোল খায়নি (টাইব্রেকার বাদে)।

এক বিশ্বকাপের প্রথম পাঁচ ম্যাচে গোল হজম না করার ক্ষেত্রে ১৯৯০ সালের ইতালির পাশে নিজেদের নাম লেখাল স্পেন। ২০০৬ সালে রাউন্ড অফ ১৬-এ ফ্রান্সের কাছে হারের পর থেকে স্পেন বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নির্ধারিত সময়ে কোনো ম্যাচ হারেনি।

পেনাল্টিতে গড়ানো ম্যাচগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ড্র হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমানে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে স্পেন টানা ৩৫ ম্যাচ অপরাজিত আছে। তারা এইসময় ২৬টি ম্যাচ জিতেছে এবং ৯টি ম্যাচ ড্র করেছে। এটি স্পেনের ইতিহাসে দীর্ঘসময় ধরে অপরাজিত থাকার একটি রেকর্ড।

২০২২ বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোন টানা ৬০৯ মিনিট কোনো গোল হজম করেননি। ২০২৬ বিশ্বকাপে তিনি একমাত্র গোলরক্ষক হিসেবে তার ‘সেভ রেট’ বা গোল ঠেকানোর হার শতভাগ সফলভাবে ধরে রেখেছেন। গোলের উদ্দেশ্যে নেওয়া ৬টি শটের সবগুলোই তিনি ফলপ্রসূভাবে প্রতিহত করেছেন।

বিশ্বকাপের এক আসরে অন্তত ৫০০ মিনিট খেলা গোলরক্ষকদের মধ্যে গত ৬০ বছরের ইতিহাসে যারা গোল হজম না করেছেন তাদের মধ্যে সিমোন সর্বোচ্চ সংখ্যক ‘সেভ’ করার রেকর্ডের মালিক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিস্ট' পদায়ন বাতিলের দাবিতে বরিশালে স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, পরিচালকের কক্ষে তালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


ফ্যাসিস্ট

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনের পদায়নের আদেশ বাতিলের দাবিতে স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও ও বিক্ষোভ করেছেন জুলাই আন্দোলনের পক্ষের চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মচারীরা। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা স্বাস্থ্য পরিচালকের কক্ষ অবরুদ্ধ করে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিতর্কিত এই পদায়ন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বরিশাল স্বাস্থ্য ভবনের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও ঘেরাও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

দুর্নীতির অভিযোগ ও স্বাচিপের সংশ্লেষ

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীন শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের উপপরিচালক থাকাকালে তৎকালীন পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগসাজশে বিভিন্ন অনিয়ম ও ব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন।

তারা আরও দাবি করেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার ওপর রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনার পরও ২ আগস্ট স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) ব্যানারে আয়োজিত তথাকথিত "শান্তি সমাবেশ"-এর অন্যতম প্রধান আয়োজক ছিলেন এই কর্মকর্তা। এ ছাড়া স্বাচিপের ব্যানারে একাধিক দলীয় কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পুনরায় পদায়নে তীব্র ক্ষোভ

বিক্ষোভকারীরা জানান, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে বিতর্কিত ও নেতিবাচক ভূমিকার কারণে তৎকালীন পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের পাশাপাশি উপপরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকেও শেবাচিম হাসপাতাল থেকে অপসারণ করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি তাকে পুনরায় বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করায় জুলাই আন্দোলনের অংশীজন, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, বিএনপিসহ সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

অবরুদ্ধ কক্ষ ও লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

আজকের বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জুলাই আন্দোলনের ছাত্রনেতা প্রিন্স। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. ফয়সাল আহমেদ, ডা. ইশতিয়াক রিফাত, ডা. রাকিবুল ইসলাম মনি এবং জুলাইযোদ্ধা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশ শেষে আন্দোলনকারীরা স্বাস্থ্য ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে পরিচালকের কক্ষটি অবরুদ্ধ করেন এবং প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। তারা সাফ জানিয়ে দেন, ডা. এস এম মনিরুজ্জামানের এই বিতর্কিত পদায়নের আদেশ অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করা না হলে তাদের এই লাগাতার কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীন কিংবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কোনো কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%