০৮:৩৭ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল: বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) পুলিশ কমিশনার মো. আশিক সাঈদ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিএমপির কাউনিয়া থানা আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তিনি থানার সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শনের শুরুতে কাউনিয়া থানার পক্ষ থেকে পুলিশ কমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এ সময় তিনি থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম, অফিসার ও ফোর্সের শৃঙ্খলা, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার এবং নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি থানার কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পুলিশ কমিশনার বিশেষভাবে মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার, মামলা তদন্তের গতি বৃদ্ধি, ওয়ারেন্ট তামিল, সিডিএমএস ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, চুরি ও দস্যুতা প্রতিরোধ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধ দমন এবং কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এ ছাড়া পলাশপুর বস্তি ও বিসিক শিল্প এলাকায় টহল কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি থানার পরিদর্শন বইয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা লিপিবদ্ধ করেন।
পরিদর্শনের সমাপ্তিতে কাউনিয়া থানার পক্ষ থেকে পুলিশ কমিশনারের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেলাল হোসাইন, পিপিএম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া) পবিত্র কুমার হালদার, কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজিৎ চন্দ্র নাথসহ থানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে উজান থেকে নেমে আসা পানির ফলে কাপ্তাই হ্রদে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে মোট ৪টি ইউনিটে বিদ্যুতের উৎপাদন বেড়ে ১২৫ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে ৪টি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ১২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১নং ইউনিটে ৩৫ মেগাওয়াট, ২নং ইউনিটে ৩৪, ৪নং ইউনিটে ২৮ এবং ৫নং ইউনিটে ২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, গত এপ্রিল মাস থেকে হ্রদে পানি স্বল্পতা থাকার কারণে কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হতে শুরু করেছিল। তবে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে হ্রদে পানির বৃদ্ধি ঘটেছে, যার ফলে উৎপাদন বেড়েছে। পানি সংকটের কারণে, দীর্ঘ ৩ মাস ধরে সচল থাকার পরও কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট একসাথে চালু করা সম্ভব হয়নি। এ সময় রেশনিং পদ্ধতিতে কেন্দ্রের ইউনিটগুলো চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন ধরে রাখা হয়েছিল। এ ফলস্বরূপ ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কেন্দ্রে সর্বশেষ ৯৬ মেগাওয়াটে নেমে আসে। তবে যদি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে এবং পানি বৃদ্ধি পায়, তাহলে কেন্দ্রের উৎপাদন আরও বাড়বে।
এদিকে, কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, গত কয়েকদিন ধরে রাঙামাটিসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অতি ভারী বর্ষণ হচ্ছে। ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পানির বৃদ্ধির কারণেই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, এ সময়ে রুলকার্ভ অনুযায়ী হ্রদে পানির পরিমাণ ৮৪ দশমিক ৯৬ ফুট মীন সি লেভেল (এমএসএল) থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে হ্রদে পানির স্তর ৭৯ দশমিক ৯ ফুট এমএসএল। হ্রদে সর্বোচ্চ পানির ধারণ ক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালন করার তথ্যও তারা জানায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেষ ষোলোর ম্যাচে ইনজুরি সময়ে মিকেল মেরিনোর একমাত্র গোলে পর্তুগালকে হারিয়ে ফাইনালের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে স্পেন। এই বিজয়ের সঙ্গে দলের পক্ষ থেকে একটি নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়েছে।
ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপে টানা ছয়টি ম্যাচে গোল হজম না করে রেকর্ড গড়েছে স্পেন। চলতি ২০২২ বিশ্বকাপে তারা ১টি ম্যাচে এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে ৫টি ম্যাচে কোনো গোল খায়নি (টাইব্রেকার বাদে)।
এক বিশ্বকাপের প্রথম পাঁচ ম্যাচে গোল হজম না করার ক্ষেত্রে ১৯৯০ সালের ইতালির পাশে নিজেদের নাম লেখাল স্পেন। ২০০৬ সালে রাউন্ড অফ ১৬-এ ফ্রান্সের কাছে হারের পর থেকে স্পেন বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নির্ধারিত সময়ে কোনো ম্যাচ হারেনি।
পেনাল্টিতে গড়ানো ম্যাচগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ড্র হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমানে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে স্পেন টানা ৩৫ ম্যাচ অপরাজিত আছে। তারা এইসময় ২৬টি ম্যাচ জিতেছে এবং ৯টি ম্যাচ ড্র করেছে। এটি স্পেনের ইতিহাসে দীর্ঘসময় ধরে অপরাজিত থাকার একটি রেকর্ড।
২০২২ বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোন টানা ৬০৯ মিনিট কোনো গোল হজম করেননি। ২০২৬ বিশ্বকাপে তিনি একমাত্র গোলরক্ষক হিসেবে তার ‘সেভ রেট’ বা গোল ঠেকানোর হার শতভাগ সফলভাবে ধরে রেখেছেন। গোলের উদ্দেশ্যে নেওয়া ৬টি শটের সবগুলোই তিনি ফলপ্রসূভাবে প্রতিহত করেছেন।
বিশ্বকাপের এক আসরে অন্তত ৫০০ মিনিট খেলা গোলরক্ষকদের মধ্যে গত ৬০ বছরের ইতিহাসে যারা গোল হজম না করেছেন তাদের মধ্যে সিমোন সর্বোচ্চ সংখ্যক ‘সেভ’ করার রেকর্ডের মালিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনের পদায়নের আদেশ বাতিলের দাবিতে স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও ও বিক্ষোভ করেছেন জুলাই আন্দোলনের পক্ষের চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মচারীরা। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা স্বাস্থ্য পরিচালকের কক্ষ অবরুদ্ধ করে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিতর্কিত এই পদায়ন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বরিশাল স্বাস্থ্য ভবনের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও ঘেরাও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
দুর্নীতির অভিযোগ ও স্বাচিপের সংশ্লেষ
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীন শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের উপপরিচালক থাকাকালে তৎকালীন পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগসাজশে বিভিন্ন অনিয়ম ও ব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন।
তারা আরও দাবি করেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার ওপর রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনার পরও ২ আগস্ট স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) ব্যানারে আয়োজিত তথাকথিত "শান্তি সমাবেশ"-এর অন্যতম প্রধান আয়োজক ছিলেন এই কর্মকর্তা। এ ছাড়া স্বাচিপের ব্যানারে একাধিক দলীয় কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
পুনরায় পদায়নে তীব্র ক্ষোভ
বিক্ষোভকারীরা জানান, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে বিতর্কিত ও নেতিবাচক ভূমিকার কারণে তৎকালীন পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের পাশাপাশি উপপরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকেও শেবাচিম হাসপাতাল থেকে অপসারণ করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি তাকে পুনরায় বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করায় জুলাই আন্দোলনের অংশীজন, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, বিএনপিসহ সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
অবরুদ্ধ কক্ষ ও লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
আজকের বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জুলাই আন্দোলনের ছাত্রনেতা প্রিন্স। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. ফয়সাল আহমেদ, ডা. ইশতিয়াক রিফাত, ডা. রাকিবুল ইসলাম মনি এবং জুলাইযোদ্ধা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশ শেষে আন্দোলনকারীরা স্বাস্থ্য ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে পরিচালকের কক্ষটি অবরুদ্ধ করেন এবং প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। তারা সাফ জানিয়ে দেন, ডা. এস এম মনিরুজ্জামানের এই বিতর্কিত পদায়নের আদেশ অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করা না হলে তাদের এই লাগাতার কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীন কিংবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কোনো কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ