ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুনাফা ২৬ হাজার কোটি টাকা, কর্মকর্তারা পাচ্ছেন ৬ মাসের বোনাস


বাংলাদেশ ব্যাংকের মুনাফা ২৬ হাজার কোটি টাকা, কর্মকর্তারা পাচ্ছেন ৬ মাসের বোনাস

দেশের অর্থনীতির নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিপুল মুনাফা অর্জন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত এক বছরে বাংলাদেশ ব্যাংক নিট বা প্রকৃত মুনাফা করেছে ২৫ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের তুলনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নিট মুনাফা বেড়েছে ৩ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা।

রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে গত অর্থবছরের চূড়ান্ত আর্থিক বিবরণী অনুমোদন করা হয়। বৈঠকে পর্ষদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। একই সভায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মূল বেতনের ছয় গুণ সমপরিমাণ 'পারফরম্যান্স বোনাস' বা প্রণোদনা বোনাস অনুমোদন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সংস্থাটির নিট মুনাফার পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। সেই তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মুনাফায় বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা গ্রস মুনাফা করেছিল, যার মধ্যে নিট মুনাফা ছিল ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা, মোহাম্মদ মসিউর রহমানকে জনপ্রশাসনে ন্যস্ত

জানা গেছে, অর্থনীতিতে মন্দাভাব বিরাজ করলেও গত অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ছিল বেশ চাঙা। ব্যাংকগুলোতে তারল্যসংকট থাকায় অনেক ব্যাংক দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে আগের চেয়ে বেশি হারে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ধার করেছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে দেওয়া এই ঋণের বিপরীতে বড় অংকের সুদ আয় করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ও আন্তর্জাতিক বন্ডে বিনিয়োগ করা আছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় সেই বিনিয়োগ থেকেও এবার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মুনাফা এসেছে।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিপুল মুনাফাকে ভিন্নভাবে দেখছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারাও। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা টিবিএসকে বলেন, 'কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল কাজ মুনাফা করা নয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ব্যাংক খাতের তদারকি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই এর মূল দায়িত্ব।'

তিনি আরও বলেন, 'মূলত অর্থনীতি ও ব্যাংক খাতের অস্থিরতার কারণেই বাংলাদেশ ব্যাংকের মুনাফা এতটা বেড়েছে। তবে মুনাফা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেন তার মূল লক্ষ্য অর্থাৎ মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখা থেকে বিচ্যুত না হয়, সেদিকে নজর রাখা প্রয়োজন।'
পর্ষদ সভায় জানানো হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই মুনাফার বড় একটি অংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে, যা সরকারের রাজস্ব ঘাটতি পূরণে সহায়তা করবে।

আরও পড়ুন: সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও সংহতি দিবস ৭ নভেম্বর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার হাইকোর্টের রায় আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ এম


মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার হাইকোর্টের রায় আজ

মাগুরার বহুল আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলার হাইকোর্টের রায় আজ (৩০ আগস্ট) ঘোষণা করা হবে।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার রায় প্রকাশ করবেন।

আগে ২৫ আগস্ট এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারিত ছিল, তবে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের কারণে তা পিছিয়ে আজকের তারিখে নির্ধারণ করা হয়েছে। আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স এবং আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায়ের তারিখ নির্ধারণ করে।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক জানান, আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সাক্ষীদের জবানবন্দি, হিটু শেখের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং মেডিকেল রিপোর্টসহ প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আশা, বিচারিক আদালতের রায় হাইকোর্টেও বহাল থাকবে। তবে, আসামি হিটু শেখের পক্ষে খালাস চেয়েছেন রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।

আছিয়ার মৃত্যুর পর আছিয়ার বোনের শ্বশুর হিটু শেখসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় আছিয়ার বড়বোন হামিদাসহ মোট ২৯ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন।

এছাড়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন হিটু শেখ। মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে ২০২৫ সালের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে আদালত। একই রায়ে মামলার অন্য তিন আসামি, আছিয়ার বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেয় ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইবুনালের রায়ের ৪ দিন পর মামলার সকল নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কামাল হোসেনকে স্বাধীনতা পুরস্কার না দেওয়ায় রেহমান সোবহানের ‘আক্ষেপ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ এম


কামাল হোসেনকে স্বাধীনতা পুরস্কার না দেওয়ায় রেহমান সোবহানের ‘আক্ষেপ’

প্রবীণ আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে স্বাধীনতা পুরস্কার না দেওয়ার বিষয়ে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, কামাল হোসেনের দেশের সংবিধান প্রণয়নে অবদান থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয়ভাবে তাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি।

শনিবার ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গণফোরামের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও দলের প্রতিষ্ঠাতা কামাল হোসেনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রেহমান সোবহান বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় থেকেই কামাল হোসেনের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আইনজীবী হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছেন।

তিনি মন্তব্য করেন, ‘মাঝে মাঝে কথা হয়েছে, কামালকে স্বাধীনতা পদক দেওয়া উচিত ছিল কি না। বিগত সরকার সংবিধানের যে ড্রাফটসম্যান ছিলেন, অর্থাৎ যিনি হাতে লিখে সংবিধানের খসড়া তৈরি করেছিলেন, তাঁকে স্বাধীনতা পদক দিয়েছে। কিন্তু সংবিধানের মেইন অথর (প্রধান রচয়িতা) যিনি ছিলেন, তাঁকে কোনো পরিচয় দেওয়া হয়নি। দুর্ভাগ্যবশত এভাবেই দেশের ইতিহাস চলে।’

গণতন্ত্রের পাশাপাশি ন্যায্য সমাজ প্রতিষ্ঠা কামাল হোসেনের রাজনৈতিক বিশ্বাসের অংশ বলেও মন্তব্য করেন রেহমান সোবহান।

অনুষ্ঠানে গণফোরামের এমিরেটাস সভাপতি কামাল হোসেনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করার দাবি জানানো হয়।

কামাল হোসেন তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ বলা হলেও বিগত সময়ে জনগণই ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত ও উপেক্ষিত হয়েছে।’

গণফোরাম প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই দলটির লক্ষ্য। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে।’

চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সন্ত্রাস, সংঘর্ষ, খুনোখুনি ও মব সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে। ভবিষ্যতে সরকার এই অশুভ শক্তিকে দমন করতে ব্যর্থ হলে দেশে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে।’

৮৮ বছর বয়সী কামাল হোসেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী, আইনি পরামর্শক ও আর্বিট্রেটর। পেট্রোলিয়াম নীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি কয়েকটি দেশের সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান ছিলেন কামাল হোসেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তেল ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে ১৯৯২ সালে কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গণফোরাম প্রতিষ্ঠিত হয়। পাঁচ দশকের রাজনৈতিক জীবনের ইতি টানেন ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর। ২০২৪ সালে দলের নতুন কমিটিতে তাঁকে এমিরেটাস সভাপতি করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আব্দুল মঈন খান, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, বাসদের উপদেষ্টা খালেকুজ্জামান, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বক্তব্য দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিদিন ৭ বিলিয়ন ডলার করে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ এম


প্রতিদিন ৭ বিলিয়ন ডলার করে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ হিসেবে পরিচিত। ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশটি বর্তমানে শীর্ষস্থানীয় দেশের মধ্যে একটি।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারকে অতিক্রম করেছে। প্রতিদিন ঋণের পরিমাণ সাত বিলিয়ন ডলার করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতি দেশের আর্থিক ইতিহাসে একটি উদ্বেগজনক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। কয়েক বছর আগে করা পূর্বাভাসের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের বোঝা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এর পেছনে দীর্ঘমেয়াদী বাজেট ঘাটতি এবং ঊর্ধ্বমুখী সুদের ব্যয় রয়েছে।

আর্থিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান পেটের জি. পেটারসন ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ প্রতিদিন প্রায় সাত বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের পরিমাণ ২০১৬ সালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ২০১৬ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের মোট জাতীয় ঋণ ছিল ২০ ট্রিলিয়ন ডলারের কিছুটা কম।

গত এক দশকে এই ঋণ দ্বিগুণ হয়ে ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার আসলে কত বিশাল? এটি এক বিলিয়ন ডলারের ৪০ হাজার গুণ এবং এক মিলিয়ন ডলারের ৪০ মিলিয়ন গুণ।

কমিটি ফর রেসপনসিবল ফেডারেল বাজেটের প্রেসিডেন্ট মায়া ম্যাকগিনিয়াস মন্তব্য করেছেন, “এত বড় মাত্রায় টেকসই নয় এমন ঋণ গ্রহণ পুরো অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এটি জীবনযাত্রার ব্যয় ও সামর্থ্যসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টাকে কঠিন করে তোলে এবং আইন প্রণেতারা পদক্ষেপ না নিলে একটি বিপজ্জনক ঋণচক্রের ঝুঁকি তৈরি করবে।”

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের পরিমাণ দেশের অর্থনীতিতে উৎপাদিত সমস্ত পণ্য ও সেবার মোট মূল্যের চেয়েও বেশি। ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালিসিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আকার, যা মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) দিয়ে পরিমাপ করা হয়, ৩২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ ঘিরে ফের উত্তেজনা, ইরানের লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ এম


হরমুজ ঘিরে ফের উত্তেজনা, ইরানের লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, রবিবারের এই হামলাটি জুলাই মাসের শেষের পর ইরানের ভূখণ্ডে প্রথম পরিচিত মার্কিন হামলা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্র-মাইন নিক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এই প্রেক্ষাপটে, লারাক দ্বীপে অবস্থিত দুটি লঞ্চারকে লক্ষ্য করে হামলা পরিচালনা করা হয়।

ইরানের আইআরজিসি হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, এই হামলায় বেশ কয়েকজন সেনা ও বেসামরিক ব্যক্তি নিহত এবং আহত হয়েছেন। তারা হামলার জবাব দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে। তবে, হতাহতের সঠিক সংখ্যা ইরান প্রকাশ করেনি। দেশটির আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হামলাটি ড্রোনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত। যুদ্ধ শুরুর পূর্বে, বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো। ফলে, সেখানে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের স্থাপন করা সব মাইন নিষ্ক্রিয় বা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন যে, নতুন করে কোনো জাহাজ বা নৌযান মাইন স্থাপনের চেষ্টা করলে সেটি ধ্বংস করা হবে।

লারাক দ্বীপে সাম্প্রতিক হামলার ফলে, দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের তুলনামূলক স্থবিরতার পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা হামলার হুমকি দেওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%