ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ট্রেন্ড ছিল : পানিসম্পদ মন্ত্রী


ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ট্রেন্ড ছিল : পানিসম্পদ মন্ত্রী

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী শাসনামলে দুর্নীতি ও দুঃশাসনের একটি ট্রেন্ড ছিল।

মঙ্গলবার দুপুরে ফেনীর পরশুরামে ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, "দীর্ঘ ১৭ বছর দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ট্রেন্ড ছিল। এখন জনগণ আমাদের নির্বাচিত করেছে, আমরাও দায়িত্ব নিয়ে দেশ পরিচালনা করছি। এ মুহূর্তে জিরো টলারেন্সে চলে যাব বলব না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও চ্যালেঞ্জ থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই চ্যালেঞ্জটুকু আমরা হাতে নিয়েছি।"

আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি এম আকবর আলী

তিনি আরও বলেন, "যেহেতু আমি নিজেও বৃহত্তর নোয়াখালীর সন্তান, সেই হিসেবে এ প্রকল্পসহ দেশের সব প্রকল্প যথাযথভাবে শেষ করা, দুর্নীতি প্রতিরোধ করা এবং দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা আমার নিজেরও দায়িত্ব। দায়িত্বটুকু পালন করছি খুব সতর্কতার সাথে। কোনো ধরনের প্রভাবশালীর প্রভাব, দুর্নীতি বা কেউ যেন ক্ষতি করতে না পারে সেই বিষয়ে আমরা সজাগ থাকব।"

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্প নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, "এ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে অধিগ্রহণ নেই। দ্বিতীয় পর্যায়ে কিছু জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হলে সেটির জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের প্রাপ্যটুকু দিয়েই কাজ করা হবে। সবমিলিয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, বাঁধের ভাঙন ও বন্যায় মানুষজন যে ক্ষতির মুখে পড়েন তা থেকে রক্ষা পাবেন। সামগ্রিকভাবে এ বৃহত্তর অঞ্চলের মানুষ এটির সুফল পাবেন।"

তিনি উল্লেখ করেন, "আগামী মাসের যেকোনো সময় বা মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী ফেনী এসে এ প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করবেন। এখানকার মানুষের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন।"

মন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: সদরপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে যানজট ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা সভা

এ সময় ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এমএ খালেক, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, পানি উন্নয়ন বোর্ড ফেনী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেকে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকার ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ এখনো শুরু হয়নি।

এ প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে। পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণ এবং সিলোনিয়া নদীতেও বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘যুবদলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে’- আনোয়ার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানিকগঞ্জে আলোচিত হিরন হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


মানিকগঞ্জে আলোচিত হিরন হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

মানিকগঞ্জে ২০০৯ সালের আলোচিত হিরন হত্যা মামলায় ৮ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাছিম বিল্ল্যাহ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মর্জিনা, ফালানী, মিজান খান, রুস্তম খান, সবুজ আহমেদ, সেলিম মিয়া, আনিস ও রফিক।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পিপি বুলবুল আহমেদ গোলাপ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর রাতে সাটুরিয়ার রাইল্যা গ্রামের আব্দুল মজিদ হিরন নামাজ ও খাওয়া শেষে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরদিন ধলেশ্বরী নদীর পশ্চিম পাড়ের একটি মেহগনি বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এজাহারে হিরনকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ করা হয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ৮ আসামিকে যাবজ্জীবন ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। এ মামলায় অন্য ৭ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও মামলা চলাকালে মারা গেছেন আরও ২ আসামি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদরাসা ভবন থেকে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার যুবকের মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


মাদরাসা ভবন থেকে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার যুবকের মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজা

মাদরাসা ভবন থেকে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার যুবককে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৫৩

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের একটি মাদরাসা ভবন থেকে ২০০ বোতল ফেনসিডিল ও ৬ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার হওয়া মোরসালিন (২০) কে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। পাশাপাশি, তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে এই রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক আব্দুস সামাদ। এর আগে, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত ২৯ মার্চ সোনারগাঁ থানাধীন সোনাপুর এলাকার আহম্মেদনগর টিনশেড পরিত্যক্ত মাদ্রাসার একটি কক্ষ থেকে পুলিশ মোরসালিনের হেফাজতে থাকা ২০০ বোতল ফেনসিডিল ও ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।

 

উদ্ধার করা ফেনসিডিলের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ টাকা এবং গাঁজার মূল্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

এই ঘটনায় সোনারগাঁ থানার এসআই অংকুর কুমার ভট্টাচার্য বাদী হয়ে ২৯ মার্চ ২০২৫ তারিখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। পরে তদন্ত শেষে ২ জুলাই ২০২৫ তারিখে মোরসালিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক আব্দুস সামাদ বলেন, ‘বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত ফেনসিডিল রাখার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মোরসালিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

 

একই সঙ্গে, ছয় কেজি গাঁজা রাখার অপরাধে তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কম ভাড়ায় নিয়মবহির্ভূতভাবে ‘ব্যাচেলরস কোয়ার্টারে’ জাবি অধ্যাপকের বসবাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


কম ভাড়ায় নিয়মবহির্ভূতভাবে ‘ব্যাচেলরস কোয়ার্টারে’ জাবি অধ্যাপকের বসবাস

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম নিয়মবহির্ভূতভাবে ব্যাচেলরস কোয়ার্টারে বসবাস করছেন। তিনি আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, জরুরি প্রয়োজনে একজন বিবাহিত শিক্ষককে সর্বোচ্চ ছয় মাস ব্যাচেলরস কোয়ার্টারে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়।

তবে, অধ্যাপক রাশিদুল আলম প্রায় দুই বছর ধরে সেখানে অবস্থান করছেন। যদিও তার জন্য প্রভোস্ট বাংলোতে বরাদ্দ রয়েছে, তিনি সেখানে উঠেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মঙ্গলবার জানান, প্রশাসনের অনেক সদস্য নির্ধারিত বাংলোয় না থেকে বাইরে অবস্থান করছেন, যা নিয়মের পরিপন্থী ও অনুচিত।

এস্টেট শাখার সূত্রে জানা যায়, অধ্যাপক রাশিদুল আলম ব্যাচেলরস কোয়ার্টারের ১৩ নম্বর ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন। তিনি ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, প্রভোস্টদের জন্য আবাসিক বাংলো বরাদ্দের ব্যবস্থা রয়েছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং এক মাস পর অক্টোবরে প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ পান।

প্রক্টরের দায়িত্ব পালনকালে তিনি ব্যাচেলরস কোয়ার্টারে ওঠেন বলে জানা গেছে। তবে গত ৩০ জুলাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে প্রক্টরের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার পরও তিনি ওই কোয়ার্টারেই অবস্থান করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট শাখার নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাচেলরস কোয়ার্টারের একটি ফ্ল্যাটে দুজন শিক্ষক থাকলে প্রত্যেকের মূল বেতনের ৯ শতাংশ হারে বাসাভাড়া কর্তন করা হয়। যদি কোনো শিক্ষক একা একটি ফ্ল্যাটে থাকেন, তবে মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে বাসাভাড়া কর্তনের বিধান রয়েছে। বিবাহিত শিক্ষকদের জন্য নির্ধারিত আবাসিক কোয়ার্টারে বাসাভাড়া বাবদ মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কর্তনের বিধান রয়েছে।

অধ্যাপক রাশিদুল আলমের বেতন স্কেল অনুযায়ী, ব্যাচেলরস কোয়ার্টারে তার মাসিক বাসাভাড়া ৬ হাজার ৮৮৪ টাকা। অন্যদিকে, প্রভোস্ট বাংলোয় থাকলে ৫০ শতাংশ হারে বাসাভাড়া বাবদ ৩৮ হাজার ২৪৫ টাকা কাটা হয়। ফলে, ব্যাচেলরস কোয়ার্টারের ভাড়া দেওয়ার কারণে প্রতি মাসে প্রায় ৩১ হাজার ৩৬১ টাকা কম কর্তন হচ্ছে। ভাড়া কম হওয়ার কারণে অধ্যাপক রাশিদুল আলম ব্যাচেলরস কোয়ার্টারেই অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এস্টেট অফিস সূত্রে জানা গেছে, জরুরি প্রয়োজনে একজন বিবাহিত শিক্ষক সর্বোচ্চ ছয় মাস ব্যাচেলরস কোয়ার্টারে থাকতে পারেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের দাবি, অধ্যাপক রাশিদুল আলম ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ওই কোয়ার্টারে অবস্থান করছেন। এ কারণে তিনি নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে বসবাস করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, প্রভোস্ট বাংলোয় বসবাসের উপযোগী করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজের আবেদনও অধ্যাপক রাশিদুল আলম করেননি বলে জানা গেছে।

প্রভোস্ট হিসেবে বাংলো বরাদ্দ থাকার পরও ব্যাচেলরস কোয়ার্টারে অবস্থানের কারণ জানতে অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনে কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে তিনি সরাসরি সাক্ষাৎ করে কথা বলার জন্য এক দিন পর যোগাযোগ করতে বলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রক্টর অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত কোয়ার্টারে থাকাই সঠিক। এভাবে নির্ধারিত বাসা খালি থাকলে সরকারের রাজস্বের ক্ষতি হচ্ছে।’

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থাভাবে থমকে যাওয়া শ্রমিক দল নেতার চিকিৎসায় পাশে রফিকুল ইসলাম রুবেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম। ভৈরব প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


অর্থাভাবে থমকে যাওয়া শ্রমিক দল নেতার চিকিৎসায় পাশে রফিকুল ইসলাম রুবেল

মো. শাহজাহান (৬৮) দীর্ঘদিন ধরে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্টসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল (বিএনপিপন্থী শ্রমিক সংগঠন) ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন শাখার সহ-সভাপতি। চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর কথা থাকলেও অর্থের অভাবে একপর্যায়ে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম থমকে যায়।

শাহজাহানের চিকিৎসা নিয়ে এমন পরিস্থিতির কথা জানার পর ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রুবেল তাঁর পাশে দাঁড়ান।

গত ২৪ আগস্ট রাতে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক মো. হাবিব মিয়া বিষয়টি রফিকুল ইসলাম রুবেলকে জানান। এরপর ২৫ আগস্ট দুপুরে তিনি ভৈরব মাতৃকা জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন মুহাম্মদ কামাল হোসেন এবং মেঘনা জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিমল বিশ্বাসের সঙ্গে আলোচনা করে শাহজাহানের চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

এই সময় রফিকুল ইসলাম রুবেল নিজ অর্থায়নে শাহজাহানের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা করেন। পাশাপাশি তিনি শাহজাহানের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধও সরবরাহ করেন।

শ্রমিক দল নেতাকর্মীরা জানান, রফিকুল ইসলাম রুবেল দীর্ঘদিন ধরে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন শ্রমিক দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটে সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা প্রদান করে আসছেন। অসুস্থ সহকর্মীর চিকিৎসায় তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

এদিকে, চিকিৎসা সহায়তা পাওয়ায় মো. শাহজাহান ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে রফিকুল ইসলাম রুবেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

মানবিক এই উদ্যোগের ফলে অর্থাভাবে থমকে যাওয়া একজন শ্রমিক দল নেতার চিকিৎসা আবারও শুরু হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%