ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আখাউড়ায় অ্যালকো-ক্যামব্রিয়ান স্কলারশিপের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা


আখাউড়ায় অ্যালকো-ক্যামব্রিয়ান স্কলারশিপের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যালকো-ক্যামব্রিয়ান স্কলারশিপ পরীক্ষার আওতায় বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) আখাউড়া ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এই বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়। আটজন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি এবং ৭৬ জনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক হাজারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ শাখার কো-অর্ডিনেটর সোলেমান কবির এবং স্কুল শাখার কো-অর্ডিনেটর সাবিকুন্নাহার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রভাষক আনোয়ার হোসেন।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, এবারের অ্যালকো-ক্যামব্রিয়ান স্কলারশিপ পরীক্ষায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আশুগঞ্জ ও আখাউড়াসহ বিভিন্ন এলাকার ১৫টি কেন্দ্রে মোট ৫৪ হাজার ৪৮৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেন। এর মধ্যে ১৪ হাজার ৭২৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। বৃত্তি পেয়েছেন ৮১২ জন শিক্ষার্থী। আখাউড়া কেন্দ্রে নিবন্ধন করেন চার হাজার ৪ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অংশ নেয় এক হাজার ৭৪৬ জন, যাদের মধ্যে ৯২ জন বৃত্তি অর্জন করেন। শনিবার অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি প্রদান করা হবে।

আরও পড়ুন: এমপি নূরুল ইসলাম নূরুলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে শনিবারে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটির জুমিয়ারা পাকা ধান কাটায় ব্যস্ত, আলোচনা জুম চাষের পদ্ধতি নিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


রাঙামাটির জুমিয়ারা পাকা ধান কাটায় ব্যস্ত, আলোচনা জুম চাষের পদ্ধতি নিয়ে

রাঙামাটি, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ : সোনালি পাকা ধান সবুজ পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে শোভা পাচ্ছে। জুমের সাথি ফসলের সমাহারও রয়েছে পাকা ধানের সঙ্গে। জুমিয়ারা এখন পাকা ধান কেটে ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৩টি ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীর বাস রয়েছে। এই তিন পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের প্রাচীনতম পেশা হলো জুম চাষ, যার কারণে তাদের জুমিয়া বলা হয়। যুগ যুগ ধরে পাহাড়িরা সনাতন পদ্ধতিতে জুম চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।

পাহাড়ের ঢালে ফসল চাষের এই পদ্ধতিকে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় ‘জুম’, ত্রিপুরা ভাষায় ‘হুঁ’, মারমা ভাষায় ‘ইয়া’, পাংখোয়া ও লুসাই ভাষায় ‘ইকপ্রা’, খেয়াং ভাষায় ‘লউ’ এবং খুমি ভাষায় ‘ল’ বলা হয়। তবে পাহাড়ে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ছাড়া অন্য ভাষাভাষীদের কাছে এটি জুম চাষ নামেই পরিচিত।

রাঙামাটির আসাম বস্তি-কাপ্তাই-মোরঘোনা সড়কের পাশের জুম চাষি ননা চাকমা বাসসকে জানান, পাহাড়ের ঢালু এলাকায় প্রথমে চাষের জন্য উপযোগী জমি নির্বাচন করা হয়। পরে নির্ধারিত স্থানে জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করা হয়। চাষের জমি পরিষ্কার করে চৈত্র মাসে নির্ধারিত জমির জঙ্গল এক মাসের বেশি সময় ধরে রোদে শুকানোর পর তা আগুনে পোড়ানো হয়। এরপর চৈত্রের শেষ থেকে বৈশাখের শুরু পর্যন্ত জমির আগাছা পরিষ্কার করে সেখানে ধানসহ নানা প্রজাতির ফসলের বীজ বপন করা হয়।

রাঙামাটির বরাদম এলাকার জুম চাষি আনন্দ চাকমা বলেন, জুম চাষে ধানের পাশাপাশি পাহাড়ের মাটিতে দা দিয়ে গর্ত খুঁড়ে সাথি ফসল হিসেবে কলা, ভূট্টা, মারফা, মরিচ, ঢ্যাঁড়স, কাঁকরোল, আদা, মিষ্টি কুমড়া, তুলা, তিল, ভুট্টাসহ একসাথে বিভিন্ন প্রজাতির বীজ বপন করা হয়।

পাহাড়ে বিভিন্ন জাতের জুম ধান চাষ হয়ে থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে; হরিণ বিনি, পাধাতটারা, আমেই, কালা কবরক, লঙ লঙ, মেলে (কুকী), কামারাঙ, তোর্গী, বাধেইয়া, কবরক, লেঙদাচিকন, গেলঙ, পাত্তেগী, গুরি, বিনি, কবাবিনি ও লোবাবিনি।

তিনি জানান, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসেই জুমের ধান পাকা শুরু হয়। ভাদ্র -আশ্বিন মাস থেকেই ঘরে তোলা শুরু হয় জুমের সোনালি ফসল। এ বছর জুমে পোকামাকড়ের উপদ্রব না থাকায় জুমের ফলন ভালো হয়েছে বলে তিনি জানান।

রাঙামাটির কাপ্তাই ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড়ে পাহাড়ে শোভা পাচ্ছে জুমের সোনালি ফসলের রঙিন আভা।

রাঙামাটি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বাসসকে বলেন, চলতি বছর রাঙামাটি জেলায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে জুম চাষ হয়েছে। এতে ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১২ হাজার মেট্রিক টন এবং অন্যান্য সবজির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২৫ হাজার মেট্রিক টন।

তিনি বলেন, পাহাড়ের একই জমিতে বারবার জুম চাষ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ঘনঘন জুম চাষে সামগ্রিক ফলন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিয়ে জুম চাষের আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে নালিতাবাড়ীতে বারোমারীতে জেলা পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে ফাতেমা রাণী মা মারীয়ার তীর্থোৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ ওসমান গনি, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


শেরপুরে নালিতাবাড়ীতে বারোমারীতে জেলা পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে ফাতেমা রাণী মা মারীয়ার তীর্থোৎসব

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী থানাধীন বারোমারী সাধু লিওর খ্রিস্টান ধর্মপল্লীতে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পূর্ণ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে দুই দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ‘ফাতেমা রাণী মা মারীয়ার তীর্থোৎসব-২০২৬’। জেলা পুলিশের সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত খ্রিষ্টভক্তরা নির্বিঘ্নে তাঁদের প্রার্থনা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

তীর্থোৎসব উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান ও বারোমারী মিশনের ধর্মীয় কার্যক্রম এবং পুরো উৎসব প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন শেরপুর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব এ, কে, এম জহিরুল ইসলাম।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহোদয় তীর্থোৎসব পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত খ্রিষ্টভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। পাশাপাশি তিনি সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং তীর্থযাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে প্রার্থনা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে বিষয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

ভারতের মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা গারো পাহাড়ের সবুজ কোলে, পর্তুগালের ঐতিহাসিক 'ফাতেমা নগর'-এর আদলে ১৯৯৭ সালে গড়ে ওঠে এই বারোমারী খ্রিস্টান ধর্মপল্লী। প্রতি বছর অক্টোবরের শেষ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশ-বিদেশের হাজার হাজার পুণ্যার্থীর ভক্তি আর প্রার্থনায় মুখরিত হয়ে ওঠে প্রকৃতির কোলে ডানা মেলা শান্ত এই পাহাড়ি জনপদ।

এ সময় শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁঞা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ২ এপিবিএন জনাব মান্না দে, সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) জনাব আফসান আল-আলম, নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, রেভারেন্ট ফাদার তরুণ বনোয়ারি, তীর্থোৎসব পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাগণ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা পুলিশের পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় তীর্থোৎসব শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়। এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজনে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা পুলিশ সর্বদা দায়িত্বশীল ও আন্তরিক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনায় ঘরের শত্রু বিভীষণ, বিশ্বকাপে একাদশ ফাঁস করেছিলেন মেসির সতীর্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


আর্জেন্টিনায় ঘরের শত্রু বিভীষণ, বিশ্বকাপে একাদশ ফাঁস করেছিলেন মেসির সতীর্থ

আর্জেন্টিনার সাংবাদিক ফেদে রদাস একটি উল্লেখযোগ্য দাবি উত্থাপন করেছেন। তার মতে, ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালের পূর্বে মেসির এক সতীর্থ দলের গোপন তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। সেই খেলোয়াড় শুরুর একাদশে স্থান পাননি, ফলে তিনি কোচ লিওনেল স্কালোনির একাদশের তথ্য জানিয়ে দেন।

রদাস আরও উল্লেখ করেছেন, ওই খেলোয়াড় একটি অতিরিক্ত তথ্যও দিয়েছিলেন। ফাইনালের প্রস্তুতির সময় অনুশীলনে একজন আহত খেলোয়াড়কে নিয়ে একটি ঘটনা ঘটে, সেই খবরও তিনি জানিয়েছিলেন। তবে সাংবাদিক ওই খেলোয়াড়ের নাম প্রকাশ করেননি। তিনি শুধুমাত্র বলেছেন, তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের শীর্ষ মানের খেলোয়াড়। দলের অন্য সদস্যদের চেয়ে তার অবস্থান নিচে থাকতে তিনি রাজি ছিলেন না।

রদাস বলেন, ‘আর্জেন্টিনার স্কোয়াডে একজন বিশ্বমানের খেলোয়াড় ছিলেন। তিনি অসন্তুষ্ট ছিলেন, কারণ তিনি যতটা খেলার সুযোগ পেতে চেয়েছিলেন, তা পাচ্ছিলেন না।

‘ওই খেলোয়াড় আমাকে বিশ্বকাপ ফাইনালের শুরুর একাদশ জানিয়ে দিয়েছিলেন। অনুশীলনে এক আহত খেলোয়াড়কে নিয়ে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার খবরও তিনি আমাকে দিয়েছিলেন।

তিনি ছিলেন একজন দারুণ খেলোয়াড়। কিন্তু তার চেয়ে ভালো কিছু খেলোয়াড় ছিল। এটি তিনি মেনে নিতে পারেননি। তার মনোভাব ছিল মোটামুটি এমন: ‘ও, আমাকে খেলাবে না? তাহলে আমি তোমার লাইনআপ ফাঁস করে দেব।’

ফাইনালে স্কালোনি মাত্র একটি পরিবর্তন করেছিলেন। লুসাইলে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের পরিবর্তে আনহেল দি মারিয়া মাঠে নামেন। ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল জয়ের দলের সঙ্গে এটি ছিল একমাত্র পার্থক্য।

ম্যাচের শুরুতে আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে এগিয়ে যায়। মেসি পেনাল্টি থেকে গোল করেন এবং দি মারিয়াও একটি গোল করেন। পরে কিলিয়ান এমবাপ্পে দুটি গোল করে ম্যাচ ২-২ করে দেন। অতিরিক্ত সময়ে মেসি আবার গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। কিন্তু এমবাপে হ্যাটট্রিক করে ম্যাচ টাইব্রেকারে নিয়ে যান। সেখানে এমিলিয়ানো মার্তিনেসের দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ে আর্জেন্টিনা ৪-২ ব্যবধানে জিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়।

ওই বিশ্বকাপে মেসির পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। তিনি সাত ম্যাচে সাত গোল ও তিনটি অ্যাসিস্ট করেন। তিনি গোল্ডেন বল জিতেন। ছয়টি ম্যাচে তিনি গোল করেছেন এবং ফাইনালে দুটি গোল করেন। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে টাইব্রেকারেও তিনি গোল করেন। এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়।

মেসি ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালেও খেলেছেন। তবে অতিরিক্ত সময়ে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে পরাজিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রহমতের বৃষ্টির আশায় রায় বাঙালি জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিল, পঞ্চায়েতি সিন্নি বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


রহমতের বৃষ্টির আশায় রায় বাঙালি জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিল, পঞ্চায়েতি সিন্নি বিতরণ

দীর্ঘদিনের অনাবৃষ্টি ও পানির সংকটে অতিষ্ঠ কৃষকসহ সাধারণ মানুষের স্বস্তি কামনায় মহান আল্লাহর রহমতের বৃষ্টি চেয়ে রায় বাঙালি জামে মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজের পর বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জুমার নামাজ আদায়ের পর মসজিদের মুসল্লিরা সম্মিলিতভাবে মহান আল্লাহর দরবারে রহমত, বরকত ও পর্যাপ্ত বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেন।

এ সময় মোনাজাতে এলাকার কৃষকদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে কৃষিজমিতে পর্যাপ্ত পানি, ফসলের সুরক্ষা এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরে আসার জন্য দোয়া করা হয়। পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সকলের সুস্থতা কামনা করা হয়।

দোয়া শেষে পঞ্চায়েতের উদ্যোগে পঞ্চায়েতি সিন্নি বিতরণ করা হয়। মুসল্লি ও উপস্থিত লোকজনের মধ্যে সিন্নি বিতরণের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির এক সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, মহান আল্লাহর রহমতের আশায় এলাকার মানুষের সম্মিলিত এই দোয়া ও সিন্নি বিতরণ ছিল একটি ধর্মীয় উদ্যোগ। সবাই মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%