বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০২ পি.এম
সিরাজগঞ্জে কথিত ভুয়া ডাক্তার হিসেবে পরিচিত নাজমুল ইসলাম মিঠুকে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছেন। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ মাসের কারাদ-ের আদেশও দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে সিরাজগঞ্জের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এ দ-াদেশ প্রদান করা হয়।
এ বিষয়ে জানা গেছে, মামলার নম্বর ৯৬/২০২৬। মামলায় প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিরাজগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তাসলিমা জান্নাত। বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ২২ ধারায় নাজমুল ইসলাম মিঠুকে দোষী সাব্যস্ত করে ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদ- এবং পাঁচ মাসের কারাদ-ের আদেশ দেওয়া হয়।
নাজমুল ইসলাম মিঠু সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের আব্দুল লতিফের ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে ‘মিঠু ডাক্তার’ নামে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকের স্বীকৃত ডিগ্রি বা বৈধতা ছাড়াই তিনি রোগী দেখছেন এবং চিকিৎসার নামে অর্থ আদায় করছেন।
এর আগে চলতি বছরের ৯ মার্চ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এক অভিযানে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এহসান আহমেদ খান কথিত ভুয়া ডাক্তার নাজমুল ইসলাম মিঠুকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মিঠু প্রতিদিন প্রায় ৮০ থেকে ৯০ জন রোগী দেখতেন এবং রোগীপ্রতি ফি নিতেন। স্থানীয়দের দাবি, এতে প্রতিদিন প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা আয় করতেন তিনি। এছাড়া, তার নিজস্ব ফার্মেসি থেকে প্রেসক্রিপশনে লেখা ওষুধ কিনতে রোগীদের বাধ্য করা হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ফার্মেসি থেকে মাসে প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা আয় করতেন মিঠু।
রোগী রহিমা বেগম বলেন, "ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে না পেরে বাড়ি বিক্রির টাকা দিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি। প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১ থেকে ২ হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হয়।"
আরেক রোগী আলতাফ অভিযোগ করে বলেন, "বুকের ব্যথা নিয়ে মিঠুর কাছে গেলে তার ফার্মেসি থেকে জ্বর ও মাথাব্যথার ওষুধ দেওয়া হয়। এতে ওই ব্যক্তির চিকিৎসক পরিচয় নিয়ে তার সন্দেহ হয়।"
এদিকে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে কয়েকজন রোগীর প্রেসক্রিপশন পর্যালোচনা করা হলে জানা যায়, মিঠুর কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ডিগ্রি নেই এবং তার প্রেসক্রিপশন দেওয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পুলিশের বিশেষ চেকপোস্টে দেহ তল্লাশি করে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ দুইজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলারোয়া বাজারের গরুর হাট মোড় সংলগ্ন ব্রিজের ওপর পুলিশের বিশেষ চেকপোস্টে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের দেহ তল্লাশি করা হয়। এ সময় মো. বেলাল হোসেন ও মো. সাজু সানাকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খান ৪১ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার মা হতে চলেছেন। ১৭ বছর পর তিনি আবারও মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিতে যাচ্ছেন। সম্প্রতি কানাডার টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনার পাশাপাশি এই নতুন জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি।
মাহিরা প্রথমবার মা হন ২৪ বছর বয়সে। তার প্রথম স্বামী আলি আসকারির সঙ্গে তাদের ছেলে আজলানের জন্ম হয়। তারা ২০০৭ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং পরে ২০১৫ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর ২০২৩ সালে ব্যবসায়ী সেলিম করিমকে বিয়ে করেন মাহিরা। দ্বিতীয় বিয়ের প্রায় তিন বছর পর এবার তাদের ঘরে নতুন অতিথি আসতে চলেছে।
টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মাহিরা শুধুমাত্র চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা করেননি, বরং সেখানে তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টিও সবার সামনে আসে। উৎসবের একটি আলোচনায় তিনি দক্ষিণ এশিয়ার গল্প ও শিল্পীদের বিশ্ব চলচ্চিত্রে আরও বেশি জায়গা পাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেন।
তবে ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত তার জন্য সহজ ছিল না। মাহিরা জানান, তিনি সাধারণত ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি কথা বলতে পছন্দ করেন না। তাই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনা নিয়ে তার কিছুটা অস্বস্তি ছিল।
এছাড়া পোশাক নিয়েও চিন্তায় ছিলেন তিনি। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় লালগালিচায় হাঁটার অভিজ্ঞতা তার জন্য একেবারেই নতুন। শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের পরিবর্তিত শরীরকে লুকিয়ে রাখার পরিবর্তে সেটিকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন।
উৎসবে মাহিরা গাঢ় রঙের শাড়ি পরেছিলেন, যার নকশায় ছিল সূক্ষ্ম কারুকাজ। সঙ্গে ছিল কাজ করা ওড়না, বড় কানের দুল, সাজসজ্জা এবং খোলা বেণি।
নিজের দুইবারের মাতৃত্বের অভিজ্ঞতার তুলনা করে মাহিরা বলেন, এবারের অভিজ্ঞতা অনেকটাই ভিন্ন। ২৪ বছর বয়সে প্রথমবার মা হওয়ার সময় তার মধ্যে এক ধরনের সরলতা ছিল। স্বাস্থ্যও ভালো ছিল এবং ভবিষ্যতে কী হতে পারে, তা নিয়ে তিনি খুব বেশি ভাবতেন না।
কিন্তু এবার বয়স ৪১। ফলে শারীরিক ও মানসিক—দুই দিক থেকেই বিষয়টি তার কাছে বেশি কঠিন মনে হচ্ছে। মাহিরার ভাষায়, এখন এমন অনেক দিন আসে যখন তার শরীর সেভাবে সাড়া দেয় না, যেভাবে তার মন কাজ করতে চায়। অথচ তিনি নিয়মিত কাজ, ভ্রমণ ও ব্যস্ত জীবনে অভ্যস্ত।
শুধু শারীরিক পরিবর্তন নয়, মানসিকভাবেও এবারের অভিজ্ঞতা আলাদা বলে জানান তিনি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবনের মূল্য ও ভঙ্গুরতা সম্পর্কে তার সচেতনতা বেড়েছে। ফলে আনন্দের পাশাপাশি ভয়, ক্লান্তি ও দুর্বলতার অনুভূতিও কাজ করছে।
মাহিরা বলেন, দ্বিতীয়বার মা হওয়ার এই সময়টিতে তার জীবন আগে থেকেই অনেকটা গুছানো ছিল। বড় হয়ে যাওয়া ছেলে, নিজের কাজ, দৈনন্দিন জীবন ও স্বাধীনতা—সবকিছুর সঙ্গে তিনি অভ্যস্ত ছিলেন। জীবনের এই পর্যায়টি কেমন হবে, সে সম্পর্কে তার নিজের একটি ধারণাও ছিল।
কিন্তু এত বছর পর আবার মাতৃত্বের পথে হাঁটবেন—এটি তিনি আগে থেকে ভাবেননি। তবে এই অপ্রত্যাশিত পরিবর্তনকে এখন জীবনের একটি শিক্ষা হিসেবে দেখছেন মাহিরা। তার উপলব্ধি, জীবনের সবকিছু আগে থেকে পরিকল্পনা করে রাখা সম্ভব নয়। অনেক সময় মানুষ একভাবে পরিকল্পনা করে, কিন্তু জীবন অন্যভাবে এগিয়ে যায়।
নিজের এই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে মাহিরা বলেন, সবকিছু নিজের মতো করে নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন নেই—জীবন যেদিকে নিয়ে যায়, সেটিও গ্রহণ করতে হয়।
টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মাহিরার উপস্থিতি তাই একই সঙ্গে তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়ে উঠেছে—একদিকে বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানি ও দক্ষিণ এশীয় চলচ্চিত্রের প্রতিনিধিত্ব, অন্যদিকে ১৭ বছর পর আবার মাতৃত্বের পথে যাত্রা।
সূত্র: ডাউন নিউজ, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের লক্ষ্যে জেলা পুলিশ ভোলার ১০টি থানায় একযোগে চেকপোস্ট পরিচালনা করেছে।
গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোলা জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকায় এই চেকপোস্ট কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় বিভিন্ন যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশির পাশাপাশি সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন পুলিশের সদস্যরা।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জেলা পুলিশের উদ্যোগে নিয়মিত নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। চেকপোস্টে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, মাদকদ্রব্যের বিস্তার, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদের ব্যবহার এবং সহিংসতা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ আরও জানায়, মাদকের সরবরাহ, পরিবহন ও বিস্তার রোধে নিয়মিত তল্লাশি ও নজরদারি চালানো হচ্ছে। অপরাধ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওসার জানিয়েছেন, জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট, তল্লাশি ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরগোপালপুর ও আলিমাবাদ ইউনিয়নের নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
আজ বুধবার নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও সমস্যার কথা শোনেন।
চরগোপালপুর ইউনিয়নে গত ৩-৪ দিনের মধ্যে সৈয়দ মাস্টার বাড়ির ৫টি, নীলগাজি বাড়ির ৮টি, রাড়ি বাড়ির ৭টি, তালুকদার বাড়ির ৪টি, বেপারী বাড়ির ৩টি, ধোপাবাড়ির পানির বরজসহ ২টি, মাধবপুর বাড়ির ৪টি এবং গণি রাড়ি বাড়ির ৮টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
একই সময়ে ঢোলের হাট বাজারের প্রায় ৩০টি দোকানও নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। জিও ব্যাগ ফেলার পরও ভাঙন অব্যাহত থাকায় লেঙ্গুটিয়া মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, লেঙ্গুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের জনবসতি হুমকির মুখে রয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনার লেঙ্গুটিয়া মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও লেঙ্গুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ভাঙনপ্রবণ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরে চরগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামসুল বারী মনির, পার্শ্ববর্তী আলিমাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং দুই ইউনিয়নের ইউপি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
মতবিনিময়কালে জনপ্রতিনিধিরা জানান, ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে এ এলাকায় প্রায় এক লাখ জিও ব্যাগ ফেলা হলেও নদীভাঙন প্রতিরোধে তা কার্যকর সুরক্ষা দিতে পারেনি। এ এলাকায় এখন পর্যন্ত কোনো ব্লক স্থাপন করা হয়নি। তাই তারা নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকায় ব্লক স্থাপনের ওপর জোর দেন।
এসময় বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, নদীভাঙন চলাকালীন সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর মূল্যবান সম্পদ দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণকে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নদীর পানি ও স্রোত কমে পরিস্থিতি শান্ত হলে শুষ্ক মৌসুমে, বিশেষ করে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে বিদ্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে ব্লক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন রয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে চাল, ডাল, তেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলেদের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় জাল সরবরাহ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ