বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৫৮ পি.এম
সুখ ও দুঃখ মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জীবন থাকলে সুখ ও দুঃখ থাকবেই। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের জীবনে কিছু না কিছু কষ্ট আছে। জীবনে কষ্টে পড়লে আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে এবং আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া উচিত। কোন অবস্থাতেই আমরা ভেঙে পড়তে পারি না।
কঠিন বিপদের মুহূর্তে যখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়, তখন চারটি আমল করার জন্য বলেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।
সম্প্রতি ইউটিউবে অনুষ্ঠিত একটি আলোচনায় তিনি এই চারটি আমল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘আমি এই চারটি আমল করার পরামর্শ অনেক লোককে দিয়েছি। যারা এই আমল করেছেন, তারা সুফল পেয়েছেন। যদি এই আমল করার পরও বিপদ দূর না হয়, তাহলে বুঝতে হবে যে, আমলে হয়তো কোনো ত্রুটি আছে অথবা বিপদ দূর না হওয়ার মধ্যেই আল্লাহর আরেকটি কল্যাণ রয়েছে।
চারটি আমল হলো—
১. ইস্তেগফার: বিপদ আসলে বা কোথাও ফেঁসে গেলে বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া উচিত। আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেছেন, ‘যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব। যারা আমার কাছে কিছু চাইবে, আমি তাদের তা দেব।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ইস্তেগফার পড়তে থাকবে, আল্লাহ তার জন্য সব দুশ্চিন্তা থেকে বের হওয়ার পথ অলৌকিকভাবে খুলে দেবেন।’
ইস্তেগফার হিসেবে নিচেরগুলো পড়া যেতে পারে:
ক. আসতাগ ফিরুল্লাহ (আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি)।
খ. আসতাগ ফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাহি (আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর কাছে ফিরে আসছি)।
গ. রাব্বিগ ফিরলি ওয়া তুব আলাইয়া, ইন্নাকা আংতাত তাউয়াবুর রাহিম। (হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তওবা কবুলকারী, করুণাময়।’ এছাড়া অন্যান্য ইস্তেগফারও পড়া যেতে পারে।
২. দরুদ পড়া: কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে বিশ্বাসীরা, তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং বেশি পরিমাণে সালাম পাঠ করো।’ (সুরা আহজাব, আয়াত: ৫৬)। হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর ওপর দরুদ পাঠের মাধ্যমে আমাদের বিপদ দূর হয়ে যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, দরুদ পাঠের মাধ্যমে ব্যক্তির সব বিপদ দূর হবে। দরুদ পাঠ করলেই ব্যক্তি সবকিছু পেয়ে যাবে। হাদিসে বিভিন্ন দরুদ পাঠ করার বর্ণনা রয়েছে। সংক্ষিপ্ত দরুদ হলো—ক. আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন, ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ। খ. সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদ। গ. আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিইয়িল উম্মিইয়ি, ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন।
৩. দোয়া ইউনুস: যে কোনো সংকট ও অস্থিতিশীল সময়ের জন্য দোয়া ইউনুস পড়া সুন্নত। এটি দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করে। বিপদ-আপদ দূর করে। হজরত ইউনুস (আ.) বিপদে পড়ার পর বারবার এই দোয়া পড়েছিলেন। এরপর আল্লাহ তার দোয়া কবুল করে তাকে সংকট থেকে মুক্তি দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে এই দোয়া পড়ে, আল্লাহ তার দুশ্চিন্তা দূর করে দেবেন।’ সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৫০৫)
dোয়া ইউনুস হলো—লা ইলাহা ইল্লা আনটা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমিন।
৪. ‘ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম’ এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়া। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম’ দোয়াটি তোমরা আঁকড়ে ধরবে।’ এই দোয়া পাঠের মাধ্যমে আমরা নিজেদের আল্লাহর কাছে নিবেদন করি। আল্লাহর কাছে নিজেদের সমার্পণ করি। এছাড়া তাহাজ্জুদ ও বিভিন্ন নফল নামাজ পড়ারও পরামর্শ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প (তৃতীয় পর্যায়) এর আওতায় স্থানীয় মৎস্য চাষিদের মাঝে মাছের পোনা, মাছের খাদ্য, এ্যারেটর, ফল ও সবজির বীজ, বিভিন্ন ফলদ ও বনজ চারা এবং কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রনজিৎ কুমারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ হাবিবুল্লাহ। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার সেফাইনুল আরেফিন এবং উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এফ. এম. শামীম আহসান।
মৎস্য অধিদপ্তরের এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত ৯ জন উপকারভোগী মৎস্য চাষির মধ্যে গৃহস্থালি পুকুরে আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক উপকারভোগীকে প্রায় আড়াই হাজারটি করে মনোসেক্স তেলাপিয়ার পোনা, দুটি করে নারকেল চারা, দুই জাতের বেগুনের চারা, সাত ধরনের ফল ও শাকসবজির বীজ, প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ এবং মোট ৮০ কেজি মাছের খাদ্য প্রদান করা হয়। এছাড়া দেশীয় প্রজাতির প্রায় পাঁচ হাজার টেংরা মাছের পোনাও বিতরণ করা হয়। এর আগে একই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন মৎস্য চাষির মাঝে টেংরা, বাইন ও কার্পের মিশ্র জাতের পোনা বিতরণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি চিংড়ি চাষে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পানির গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে চারজন চাষিকে চারটি এ্যারেটর প্রদান করা হয়েছে। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পের আওতায় চারজন মৎস্য চাষির জন্য প্রযুক্তিনির্ভর চারটি প্রদর্শনী খামার এবং উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ৯ জন চাষির জন্য গৃহস্থালি পুকুরে দেশীয় প্রজাতির টেংরা, মনোসেক্স তেলাপিয়া ও ভেটকি মাছ চাষের মোট নয়টি প্রদর্শনী খামার স্থাপন করা হচ্ছে। এসব প্রদর্শনী খামারের জন্য মাছের পোনা, এ্যারেটর, মাছের খাদ্য, বিভিন্ন সবজির বীজ, ফলদ ও বনজ চারা এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, এ প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর মাছ চাষে স্থানীয় চাষিদের উদ্বুদ্ধ করা, গৃহস্থালি পুকুরের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা, দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পুষ্টি ও পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় কবি গোলাম মোস্তফা একাডেমি এবং স্মৃতি গণপাঠাগারের আয়োজনে মনোহরপুর মোস্তফা মঞ্জিলে মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। ২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় গ্রামের আব্দুল ওহাব মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবীর মোল্লা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক ফরিদ রেজা এবং সদস্য সচিব আবুল হাশেম। মতবিনিময় সভায় অতিথিরা মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলেন মনোহরপুর কবি গোলাম মোস্তফা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ফিরোজ খান নুন, ঢাকাস্থ শৈলকুপার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল আলম কোটন, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, গোলাম মোস্তফা একাডেমির সভাপতি আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। বক্তারা মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে এবং মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে অভিভাবক, শিক্ষক মন্ডলী ও মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং খুলনা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন, জীবনযাত্রার যে কয়দিন আমি বেঁচে আছি, সেই কয়টা দিন আমি কয়রার মানুষকে ছাড়া কোথাও যাব না। আমি আজীবন কয়রার মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। তিনি আরও জানান, দুর্যোগ প্রতিরোধে বর্তমান সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে এবং দ্রুতই এসব কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকাল ৪ টায় খুলনা জেলা পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কার ১ম ধাপের অনুষ্ঠানে, উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কয়রা উপজেলার সকল প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্ত চিঠি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু।
অনুষ্ঠানটিতে বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান বেল্টু, আলহাজ্ব আবু সাইদ বিশ্বাস, বিএনপি নেতা জিএম মাওলা বকস, মোঃ শরিফুল আলম, এস এম আঃ রহিম, সরদার মতিয়ার রহমান, প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ, শেখ সিরাজুল ইসলাম, এ্যাডঃ মঞ্জুরুল আলম নান্নু, গাজী সিরাজুল ইসলাম, জিএম রফিকুল ইসলাম, কোহিনূর ইসলাম, ডিএম নুরুল ইসলাম, নাজমুল হুদা, মোস্তাখুলনাফিজুর রহমান, ফয়জুল করিম খোকন, মহররম হোসেন, ডাঃ নুর ইসলাম খোকন, আবুল বাশার ডাবলু, মঞ্জুর মোর্শেদ, জেলা যুবদল নেতা রুবেল মীর, ইঞ্জিঃ জাহিদুর রহমান শোভন, কয়রার যুবদল নেতা মোতাসিম বিল্যাহ, ইহছানুর রহমান, আকবার হোসেন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আহাদুর রহমান লিটন, আছাদুল ইসলাম, ইউনুস আলী, আনারুল ইসলাম ডাবলু, হাফিজুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নুর ইসলাম খোকা, ডিএম হেলাল উদ্দিন, রবিউল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, কৃষক দল নেতা এস এম গোলাম রসুল, ছাত্রদল নেতা আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মাহমুদ হাসান, আলমগীর হোসেন, মেহেদী হাসান সবুজ, ইমরান হোসেন প্রমুখ। পরে তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করার পাশাপাশি বৃক্ষ রোপণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেবহাটায় অসহায় মহিলাদেরকে সেলাই মেশিন ও মেধাবী এবং দুঃস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য বাই সাইকেল বিতরণের পাশাপাশি অসহায়দের জন্য ভ্যান এবং স্কুলে বেঞ্চ বিতরণ করা হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-২ আসনের এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বৃহস্পতিবার ২ জুলাই বিকাল ৪টায় উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ওমর ফারুক, দেবহাটা উপজেলা প্রকৌশলী দ্যূতি মন্ডল, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওঃ অলিউল ইসলাম এবং উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ এমদাদুল হক।
এসময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা ও ইউনিয়ন জামায়াতের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ এবং উপকারভোগী সাধারণ মানুষেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, "গরীব অসহায় মানুষদের জীবন জীবিকার উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে।" সরকারের যে উন্নয়নমূলক কাজ করা হচ্ছে সেগুলো তদারকি করে যেন মানুষের কল্যাণে কাজ করে সেদিকে নজর দিতে হবে। তিনি বলে ওঠেন, "সাতক্ষীরাসহ সারাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, রাস্তা-ঘাট ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে সরকার বদ্ধপরিকর।"
সেজন্য তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান। শেষে উপস্থিত থাকা ১৪ জন অসহায় মহিলাদেরকে সেলাই মেশিন, ১৬ জন মেধাবী ও দুঃস্থ শিক্ষার্থীকে বাই সাইকেল, ৫ জন অসহায়কে ভ্যান এবং স্কুলে ৮০ জোড়া বেঞ্চ বিতরণ করেন এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ