ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

কুলিয়ারচরে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১০ বছরের সাজা প্রাপ্তসহ গ্রেপ্তার ৭


কুলিয়ারচরে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১০ বছরের সাজা প্রাপ্তসহ গ্রেপ্তার ৭

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে থানা পুলিশের নেওয়া এক নিয়মিত বিশেষ অভিযানে একটি হত্যা মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত একটি পলাতক আসামিসহ মোট ৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনভর সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একটি সেরা হলেন হত্যা মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সোহাগ মিয়া। তিনি উপজেলার চৌহদ্দি এলাকার ছিদ্দিক মিয়ার ছেলে।

আরও পড়ুন: সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীর বেড়িবাঁধ ধসে মানুষের চরম দুর্ভোগ

এছাড়া বড়ছয়সুতি এলাকার মৃত সবুজ মিয়ার ছেলে মামুন নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় মামুনের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটও উদ্ধার করে পুলিশ।

অভিযানের সময় নিয়মিত মামলার আরও তিনজন এবং বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোঁয়ানাভুক্ত (ওয়ারেন্টভুক্ত) দুইজনসহ মোট সাতজন আসামিকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন বলেন, "অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় এনে নেয়ার লক্ষ্যে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ নিয়মিত এই অভিযান অব্যাহত রেখেছে। উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।"

অন্যদিকে, এলাকার সচেতন মহল পুলিশের এই তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং একই সঙ্গে এই ধরনের মাদক ও অপরাধবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি জানাল ৫০০ জনের মানববন্ধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়া গোপের পরিবারকে নাসিক প্রশাসকের আর্থিক সহায়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ পি.এম


রিয়া গোপের পরিবারকে নাসিক প্রশাসকের আর্থিক সহায়তা

নারায়ণগঞ্জের প্রতিনিধি জানান, জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ছয় বছর বয়সী শিশু রিয়া গোপের পরিবারের হাতে এক লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেল বেলায় নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় রিয়ার বাবা দীপক কুমার গোপ এবং মা বিউটি ঘোপের হাতে তাদের নিজ বসতবাড়িতে গিয়ে এই চেকটি তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান মন্তব্য করেন, রিয়া হত্যা মামলার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে। বর্তমান সরকারের উদ্দেশ্য হল দ্রুত, স্বচ্ছ এবং ন্যায়ভিত্তিক বিচার নিশ্চিত করা। তিনি আরও জানান, এই মামলায় সাক্ষী হিসেবেও তিনি যুক্ত আছেন এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রিয়া হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে তারা আশাবাদী।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় শহরের মণ্ডলপাড়া থেকে ২ নম্বর রেলগেট এলাকার মাঝে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। সেই সময় নয়ামাটিতে নিজ বাসার পাঁচতলার ছাদে খেলাধুলা করছিল রিয়া গোপ। আচমকা গুলিবিদ্ধ হয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন পরে, ২৪ জুলাই, তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে, সন্তান হারানোর শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি রিয়ার বাবা-মা। তার মায়ের অভিব্যক্তি ছিল, "অনেক কষ্টের বিনিময়ে আমি এই সন্তানটি পেয়েছিলাম। আমি আর মা ডাক শুনতে পারব না। মেয়ের অসংখ্য স্মৃতি নিয়েই আমাদের প্রতিটি দিন কাটছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ কাশ্মীর, দাবি ভারতীয় সেনাপ্রধানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ পি.এম


ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ কাশ্মীর, দাবি ভারতীয় সেনাপ্রধানের

ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী দাবি করেছেন, পাকিস্তান শাসিত আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার বক্তব্য অনুসারে, পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই অঞ্চলটি এখনও সন্ত্রাসী অবকাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ এবং ভারতশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।

তিনি একইসঙ্গে এখানে চীনের সামরিক ও অবকাঠামোগত তৎপরতাও ভারতের জন্য উদ্বেগের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী এসব কথা বলেন এনডিটিভির জ্যেষ্ঠ নির্বাহী সম্পাদক আদিত্য রাজ কৌলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে।

তিনি বলেন, ভারত-চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর বর্তমানে পরিস্থিতি স্থিতিশীল, তবে এটি এখনও সংবেদনশীল রয়েছে।

জেনারেল দ্বিবেদী উল্লেখ করেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল মানে এই নয় যে ভারত আত্মতুষ্টিতে ভুগছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী সম্ভাব্য যেকোনও হুমকি মোকাবিলা করতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে শক্তিশালী মোতায়েন ব্যবস্থা বজায় রেখেছে।

ভারতীয় সেনাপ্রধান আগামী ৩০ জুন অবসরে যাচ্ছ SCHRICKS

प्रदेश।

তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন, উত্তর সীমান্তে ভারত ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা কমেছে। উভয় দেশ এখন একে অপরের উদ্বেগের বিষয়ে আরও সংবেদনশীল এবং ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, 'উত্তর সীমান্তের পরিস্থিতি স্থিতিশীল, তবে সংবেদনশীল। সেনা প্রত্যাহার সংক্রান্ত চুক্তিগুলো সীমান্তে স্থিতিশীলতা বাড়িয়েছে। গত এক বছরে কূটনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ে নতুন করে যোগাযোগ শুরু হওয়াতে উত্তেজনা কমেছে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনার নিয়মিত বিষয়গুলোর সমাধান হয়েছে, এবং পারস্পরিক আস্থাও কিছুটা বেড়েছে।'

উপেন্দ্র দ্বিবেদী জানান, ধীরে ধীরে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সীমান্ত নির্ধারণের বিভিন্ন বিকল্প খতিয়ে দেখতে ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশনের অধীনে বিশেষজ্ঞ দল গঠন।

এছাড়া কৈলাশ মানস সরোবর যাত্রা এবং সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় চালুর উদ্যোগ, তিনটি সীমান্তপথ দিয়ে বাণিজ্যে ঐকমত্য এবং ভিসা সহজ করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনীর গঠনমূলক পর্যায়েও নিয়মিত আস্থা তৈরির নানা উদ্যোগ চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, 'প্রতি বছর দুই পক্ষের মধ্যে ১ হাজার ১০০টির বেশি মাঠপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। হটলাইন, পতাকা বৈঠক এবং কমান্ডার পর্যায়ের আলোচনার কৌশলগুলোর মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যाओं সমাধান করা হচ্ছে।'

কিন্তু তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী কোনোভাবেই আত্মতুষ্টিতে ভুগছে না। সীমান্তে অবকাঠামো উন্নয়ন, নজরদারি, রসদ সরবরাহ এবং সেনা চলাচলের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, 'স্থিতিশীলতা মানে আত্মতুষ্টি নয়। যেকোনও হুমকি প্রতিহত করা এবং যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতীয় সেনাবাহিনী শক্তিশালী মোতায়েন ব্যবস্থা বজায় রেখেছে। উত্তর সীমান্তে অবকাঠামো উন্নয়ন, নজরদারি, রসদ, চলাচলের সক্ষমতা ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি বর্তমানে বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।'

ভারতীয় সেনাবাহিনীর দীর্ঘমেয়াদি কৌশল সম্পর্কেও বক্তব্য রাখেন উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেন, 'আমাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল পরিষ্কার— সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সংলাপের মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যার সমাধান করা এবং আমাদের প্রস্তুতি, মোতায়েন ও অবকাঠামোকে কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য অবস্থায় রাখা।'

তিনি পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের চীনা অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেন।

উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, 'পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই বিষয়টি ভারতের দীর্ঘদিনের স্পষ্ট অবস্থান। সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমাদের প্রধান উদ্বেগ হলো, পাকিস্তানের ‘অবৈধ দখলে’ থাকা অঞ্চলগুলো সন্ত্রাসী অবকাঠামো গড়ে তোলা, প্রশিক্ষণ দেয়া এবং জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি এখনো নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ এবং আমাদের সামরিক পরিকল্পনায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।'

তিনি আরও বলেন, এই অঞ্চলে বিদেশি সামরিক ও অবকাঠামোগত তৎপরতার কৌশলগত গুরুত্ব সম্পর্কেও ভারত সচেতন।

সামরিক প্রস্তুতি বজায় রাখতে হচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে। এসব কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। সে অনুযায়ী সেনা মোতায়েন, নজরদারি, গোয়েন্দা তৎপরতা ও সামরিক প্রস্তুতি বজায় রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের জাতির কর্ণধার: নওশীন হেলাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ পি.এম


শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের জাতির কর্ণধার: নওশীন হেলাল

শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের বাংলাদেশ গঠন এবং দেশের উৎকর্ষ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান নাজিরহাট কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ও শিক্ষানুরাগী নওশীন আরজান হেলাল।

তিনি সোমবার উত্তর চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাজিরহাট কলেজে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

নওশীন আরজান হেলাল বলেন, "আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের জাতির কর্ণধার।" তিনি আরও জানান, "একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে শিক্ষার্থীদের প্রথমে নিজেদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।" তিনি জোর দেন যে সুশিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তার উপরও গুরুত্ব প্রদান করেন।

মানবিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম ও নৈতিকতা অর্জনের মাধ্যমে যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পরিচালনা পরিষদ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।" তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জহির উদ্দীন ছিদ্দিকী শাহীনের সভাপতিত্বে, অধ্যাপক ড. দোলন কান্তি ভট্টাচার্য এবং প্রভাষক মিসেস মোসফেকা চৌধুরীর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গভর্নিং বডির সদস্য ও অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহাবুদ্দীন, গভর্নিং বডির সদস্য কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল, উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, গভর্নিং বডির সদস্য জাহেদা ইকবাল চৌধুরী, সেলিম জাহাঙ্গীর, অধ্যাপক মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, অধ্যাপক লিটন ভট্টাচার্য এবং অধ্যাপক এস. এম. কাউছার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গভর্নিং বডির সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ নুরুল আলম, কাজী কামাল উদ্দীন, মো. মঞ্জুর মিয়াসহ কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

দিনের কর্মসূচির শুরুতে, সকাল সাড়ে ১০টায় কলেজ প্রাঙ্গণে একটি ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। পরে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের মাধ্যমে বিদায় সংবর্ধনা শুরু হয়। স্টাফ কাউন্সিলের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

প্রভাষক দেলাওয়ার হোসেনের পরিচালনায় দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে প্রথম পর্বটি শেষ হয়। পরে অধ্যাপক রোজী মজুমদারের নির্দেশনায় এবং প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌসের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শক্তিশালী পুঁজিবাজার গড়ার ওপর জোর গভর্নরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


শক্তিশালী পুঁজিবাজার গড়ার ওপর জোর গভর্নরের

দেশের কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য পুঁজিবাজার গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেন, বেসরকারি খাতের ঋণ ও বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি ধাপে ধাপে ১০ শতাংশে উন্নীত করতে একটি শক্তিশালী, গভীর ও গতিশক্তি সম্পন্ন পুঁজিবাজার প্রয়োজন।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, পিএলসি (সিএসই)-এর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে সিএসই চেয়ারম্যান এ কে এম হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

গভর্নর বলেন, পুঁজিবাজারের সম্প্রসারণ হলে উদ্যোক্তাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইকুইটি অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে, ব্যাংক ঋণের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমবে এবং বেসরকারি খাতের ক্রমবর্ধমান অর্থায়নের চাহিদা পূরণে কার্যকর বিকল্প উৎস গড়ে উঠবে।

তিনি আশা করেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পুঁজিবাজারের বাজার মূলধন অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেলে ও পরবর্তী বছরগুলোতে এই ধারা অব্যাহত থাকলে, পুঁজিবাজার হবে বেসরকারি খাতের অর্থায়নের একটি শক্তিশালী উৎস। এটির ফলে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ কমবে, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রক্রিয়া সহজ হবে।

গভর্নর আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬ সালের ২০ মে জারি করা এফইআইডি সার্কুলার নং-০২ এর মাধ্যমে ‘নন-রেসিডেন্ট ইনভেস্টরস’ টাকা অ্যাকাউন্ট (নিটা) পরিচালনার বিধিমালা সংশোধন করেছে। সংশোধিত নির্দেশনার মাধ্যমে বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট নিটা হিসাবে জমা হবে এবং অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো প্রযোজ্য মূলধনী মুনাফা কর কর্তন ও সরকারি কোষাগারে জমা দেবে। এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অর্থ প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত এবং ব্যয়-সাশ্রয়ী হবে।

এ সময় সিএসই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার, মহাব্যবস্থাপক মোর্তূজা আলম এবং মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মনিরুল হক। বৈঠকের সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%