ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধ্যপ্রাচ্যের ১৪ দেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভ্রমণ সতর্কতা জারি


মধ্যপ্রাচ্যের ১৪ দেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভ্রমণ সতর্কতা জারি

মধ্যপ্রাচ্যের ১৪টি দেশে নতুন করে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। অঞ্চলটিতে বিরাজমান তীব্র উত্তেজনা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির যেকোনো মুহূর্তে অবনতি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। চলমান অস্থিতিশীলতার অঙ্গীকারে যুক্তরাষ্ট্র তাদের নাগরিকদের এসব এলাকায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (স্টেট ডিপার্টমেন্ট) এর বরাত দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলো এই জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে।

ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অঞ্চলে উচ্চমাত্রার উত্তেজনার কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল এবং এটি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকার এবং ব্রেকিং নিউজের দিকে নজর রাখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, যেকোনো সময় বৈরি পরিস্থিতি বা হামলা হতে পারে। এমন জরুরি অবস্থার মধ্যে মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত নিকটবর্তী নিরাপদ আশ্রয়ের অবস্থান জানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট তাদের এই ভ্রমণ সতর্কতাকে প্রধানত দুটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছে।

এর মধ্যে লেভেল-৩ সতর্কতায় রয়েছেন বাহরাইন, ইসরায়েল, পশ্চিম তীর, জর্ডান, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এই দেশগুলোতে ভ্রমণের সিদ্ধান্ত পুনরায় ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

তবে এগুলোর মধ্যে সরাসরি ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা নেই।

আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

লেভেল-৪ সতর্কতায় রয়েছে ইরান, ইরাক, লেবানন, সিরিয়া, গাজা এবং ইয়েমেন। চলমান সশস্ত্র সংঘাত এবং চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে এই এলাকাগুলোতে মার্কিন নাগরিকদের কোনোভাবেই ভ্রমণ না করার সর্বোচ্চ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

কূটনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমেনি। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কিছু সামরিক হামলা এই অঞ্চলের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা এবং বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

বিশেষ করে, গত বুধবার কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় এক ভারতীয় নাগরিক নিহত এবং অন্তত ৬৮ জন আহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ও সতর্কতা জারির তোড়জোড় শুরু হয়।

আরও পড়ুন: ভারতে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালাতে চায় জাপান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ এম


জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।  বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী আজ জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সাথে সাক্ষাৎকালে এই আশ্বাস দিয়েছেন।  

বৈঠকের সময় উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলাপ-আলোচনা হয়।  

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশের অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য উৎস হয়ে রয়েছে।  তিনি রাষ্ট্রদূতের কাছে পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বা আকস্মিক ধাক্কা থেকে নিজেদেরকে সামলে নিতে বাংলাদেশ 'বাংলাদেশ ফার্স্ট' নীতি কাঠামোর আওতায় আনার উপর গুরুত্বারোপ করেছে।  

এছাড়া, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, স্পট মার্কেটের অস্থিরতা এড়ানো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি গ্রিড আধুনিকীকরণ, কার্বন নির্গমন হ্রাস, স্বয়ংক্রিয় সাব-স্টেশন এবং বন্দরের কাছাকাছি জ্বালানি বাঙ্কানিং সুবিধা তৈরিতে সহযোগিতা করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেছেন।  

বিশেষ করে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সেভাবে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের জন্য একটি কেন্দ্র তৈরি করছে, তেমনিভাবে বাংলাদেশ সরকার সার কারখানা এবং ভারী ইস্পাত শিল্পকে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে গ্রিন হাইড্রোজেন বা গ্রিন অ্যামোনিয়াতে রূপান্তর করার জন্য সহযোগিতা প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।  

রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আগ্রহ এবং সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আশ্বাস দেন।  

তিনি দুই দেশের এই ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।  

সাক্ষাৎকালে আরো উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাসের কর্মকর্তা আলতাপ হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধের পর প্রথম প্রতিবেদন: আইএইএ ইরানের মজুদ ইউরেনিয়ামের হদিস পাচ্ছে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ এম


যুদ্ধের পর প্রথম প্রতিবেদন: আইএইএ ইরানের মজুদ ইউরেনিয়ামের হদিস পাচ্ছে না

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সামরিক হামলার কয়েক মাস পরও, জাতিসংঘের পরমাণু তদারকি সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ইরানের পরমাণু কর্মসূচির মূল্যায়নে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পায়নি।

বৃহস্পতিবার, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে পাঠানো সংস্থাটির সর্বশেষ গোপন প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা শুরু করার পর এটি আইএইএ’র ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন।

প্রতিবেদনে, সংস্থাটি আবারও তেহরানের কাছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের অবস্থান সম্পর্কে ব্যাখ্যা চেয়েছে, যার একটি অংশের হিসাব অন্তত এক বছর ধরে পাওয়া যায়নি।

আইএইএর মতে, গত বছরের যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলায় ইরানের প্রধান কয়েকটি পরমাণু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের একটি বড় অংশের অবস্থান যাচাই করা সম্ভব হয়নি, নিম্নমাত্রায় এবং উচ্চমাত্রায়।

পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস ছিল হামলার অন্যতম লক্ষ্য। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বারবার বলেছেন যে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করাই সামরিক অভিযানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

তবে, আইএইএ’র সর্বশেষ মূল্যায়নে দেখা গেছে, যুদ্ধ এবং বিমান হামলার পরও সংস্থাটির পূর্ববর্তী পর্যবেক্ষণের তুলনায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন শনাক্ত হয়নি।

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার একটি প্রধান অচলাবস্থার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন চায় ইরান সম্পূর্ণভাবে এ মজুদ ত্যাগ করুক। তবে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছানোর দিকে কেন্দ্রীভূত আছে, যেখানে পরমাণু বিষয়গুলো পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনার জন্য রাখা হতে পারে।

আইএইএ’র উদ্বেগ: ইউরেনিয়ামের অবস্থান অজানা। আগামী সপ্তাহে আইএইএ’র ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট বোর্ড অব গভর্নরসের ত্রৈমাসিক বৈঠকের আগে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনের একটিতে বলা হয়েছে, ইরানকে অবশ্যই পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) অনুযায়ী তার নিরাপত্তা এবং তদারকি সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, “আইএইএ’র মহাপরিচালক ইরানকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, এনপিটি সুরক্ষা চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়ন অপরিহার্য এবং জরুরি। কোনও পরিস্থিতিতেই ইরান একতরফাভাবে এর বাস্তবায়ন স্থগিত করতে পারে না।”

আইএইএ জানিয়েছে, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরমাণু স্থাপনাগুলোতে সংস্থাটির পরিদর্শকরা এখনও ফিরে যেতে পারেননি। ফলে সেখানে থাকা ইউরেনিয়ামের প্রকৃত অবস্থান যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বিশেষ করে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামকে অস্ত্রমানের (প্রায় ৯০ শতাংশ) ইউরেনিয়াম তৈরির জন্য একটি সংক্ষিপ্ত প্রযুক্তিগত ধাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

‘প্রসারণ ঝুঁকি’ নিয়ে সতর্কবার্তা। প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, প্রায় এক বছর ধরে আইএইএ পূর্বঘোষিত ইউরেনিয়াম মজুদ যাচাই করতে না পারায় এটি পরমাণু অস্ত্র বিস্তারসংক্রান্ত গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং এনপিটি সুরক্ষা চুক্তি পালনের প্রশ্নও সামনে এনেছে।

সংস্থাটি বলছে, দীর্ঘ সময় ধরে পর্যবেক্ষণ এবং যাচাই কার্যক্রম বন্ধ থাকলে সংশ্লিষ্ট উপাদানের অবস্থান সম্পর্কে ধারাবাহিক জ্ঞান হারিয়ে যায়। এর ফলে, পরমাণু উপকরণের গতিপ্রকৃতি এবং ব্যবহার সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

আইএইএর ভাষ্য, “ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোতে পূর্বে ঘোষিত পরমাণু উপাদান সম্পর্কিত ধারাবাহিক তথ্য ও তদারকির যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা সর্বোচ্চ জরুরি ভিত্তিতে সমাধান করা প্রয়োজন।”

বিশ্লেষকদের মতে, সর্বশেষ প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত করছে যে, সামরিক হামলার পরও ইরানের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের প্রকৃত অবস্থান সম্পর্কে অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলছে। সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজ শেষে ফিরেছেন ২৯৬৯৪ বাংলাদেশি যাত্রী, মারা গেছেন ৪৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪০ এম


হজ শেষে ফিরেছেন ২৯৬৯৪ বাংলাদেশি যাত্রী, মারা গেছেন ৪৬

হজ পালন শেষে মোট ৭১টি ফিরতি ফ্লাইটে সৌদি আরব থেকে বর্তমানে দেশে ফিরেছেন ২৯ হাজার ৬৯৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। এভাবে, ৪৬ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যাদের মধ্যে ৩০ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন এবং মদিনায় ১১ জন ইন্তেকাল করেছেন। আজ শুক্রবার (৫ জুন) পর্যন্ত এ তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। হজ-পরবর্তী ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম এখন পুরোদমে চলমান রয়েছে এবং আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে ৩ হাজার ৩২৮ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ২৬ হাজার ৩৬৬ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯ হাজার ৯৮১ জন, সৌদি এয়ারলাইনস ১১ হাজার ৩৩১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৭ হাজার ৭০০ জন হাজিকে দেশে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়াও অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে সৌদি আরব ছেড়েছেন আরো ৬৮২ জন হজযাত্রী। হজ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এবছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি হজযাত্রীর জন্য কোটা নির্ধারণ করা হয়েছিল। হজযাত্রীদের সৌদি আরবের যাত্রা শুরু হয় ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট যায় ২১ মে। অন্যদিকে, সৌদি আরবে অবস্থানরত হাজিদের চিকিৎসা ও সেবাদান কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ হজ মিশনের চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে ৫৬ হাজার ৩১২টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৫ হাজার ৭১০টি সেবা প্রদান করা হয়েছে। হজ বুলেটিন জানায়, সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ২৬২ জন হজযাত্রী। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ২৪ জন হাজি ভর্তি রয়েছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, হজযাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ হজ মিশন, বিমান সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ৩০ জুন শেষ ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে হজযাত্রীদের দেশে ফেরার কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিসরের বিপক্ষে খেলছেন না নেইমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


মিসরের বিপক্ষে খেলছেন না নেইমার

বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার নতুন করে চোটের সমস্যায় পড়েছেন। ফলে শনিবার মিসরের বিপক্ষে ব্রাজিলের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন না।

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) জানিয়েছে, কাফ মাসলের চোটের কারণে নেইমার দলের সঙ্গে ক্লিভল্যান্ড সফরে যাবেন না। তিনি নিউ জার্সির ট্রেনিং ক্যাম্পেই থেকে যাবেন এবং সেখানে চিকিৎসা চালিয়ে যাবেন।

৩৪ বছর বয়সী নেইমার পুরো মৌসুমজুড়েই চোটের সঙ্গে লড়াই করেছেন। তবু কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে বিশ্বকাপ দলে অন্তর্ভুক্ত করায় বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

বিশ্বকাপের আগে মিসরের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল ব্রাজিলের শেষ প্রস্তুতি। তবে সেখানে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ তারকাকে না পাওয়ায় কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সেলেসাও শিবিরে।

আগামী ১৩ জুন নিউ জার্সিতে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ব্রাজিল বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। এরপর গ্রুপ পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।

নেইমারের চোট কতটা গুরুতর এবং তিনি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%