ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিসরের বিপক্ষে খেলছেন না নেইমার


মিসরের বিপক্ষে খেলছেন না নেইমার

বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার নতুন করে চোটের সমস্যায় পড়েছেন। ফলে শনিবার মিসরের বিপক্ষে ব্রাজিলের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন না।

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) জানিয়েছে, কাফ মাসলের চোটের কারণে নেইমার দলের সঙ্গে ক্লিভল্যান্ড সফরে যাবেন না। তিনি নিউ জার্সির ট্রেনিং ক্যাম্পেই থেকে যাবেন এবং সেখানে চিকিৎসা চালিয়ে যাবেন।

৩৪ বছর বয়সী নেইমার পুরো মৌসুমজুড়েই চোটের সঙ্গে লড়াই করেছেন। তবু কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে বিশ্বকাপ দলে অন্তর্ভুক্ত করায় বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

বিশ্বকাপের আগে মিসরের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল ব্রাজিলের শেষ প্রস্তুতি। তবে সেখানে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ তারকাকে না পাওয়ায় কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সেলেসাও শিবিরে।

আগামী ১৩ জুন নিউ জার্সিতে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ব্রাজিল বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। এরপর গ্রুপ পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।

নেইমারের চোট কতটা গুরুতর এবং তিনি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুইটি বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ এম


দুইটি বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২৫

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে দুইটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে এবং অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত ১২টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার রাগদি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার আমিরাবাদ গ্রামের অমলেন্দু হাওলাদারের ছেলে অমিতাভ হাওলাদার (৪২) এবং শেরপুর জেলার আব্দুস সামাদের ছেলে কালাম (৩০)।

পুলিশ জানায় যে, ঢাকাগামী বিআরটিসির একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাগদি ব্রিজে ধাক্কা দেয়। এ সময় পেছন থেকে আসা হিমেল সীমান্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বিআরটিসি বাসটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে দুটি বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন।

দুর্ঘটনার পর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য এবং স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের উদ্ধার করে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় দুইজনকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।

আহতদের মধ্যে আরো একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ার কারণে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার এসআই মো. সোহেল খান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানুষের ওপর চাপ বাড়বেই: সিপিডি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ এম


মানুষের ওপর চাপ বাড়বেই: সিপিডি

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও তীব্র হয়েছে। নতুন করে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে গত বুধবার।

ফলে সাধারণ মানুষের পারিবারিক খরচ চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ‘২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি: উত্তরণকালীন সময়ে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ’ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডির নিজস্ব কার্যালয়ে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেখানে সংস্থাটির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান এবং নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের চলতি অর্থবছরের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়, যাতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক নানা ধাক্কার কারণে অর্থনীতি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

এর মধ্যে উচ্চ মূল্যস্ফীতি অন্যতম। তিনি উল্লেখ করেন, “সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ হলেও, জ্বালানি মূল্যস্ফীতি প্রায় ১৫ শতাংশ।”

জ্বালানি, পরিবহন ও সেবা খাতের খরচ বৃদ্ধির কারণে উচ্চ মূল্যস্ফীতি হয়েছে। অন্যদিকে, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তুলনায় মানুষের মজুরি বৃদ্ধির হার কম। ফলে সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে সীমিত ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।

সিপিডি মনে করে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাও মূল্যস্ফীতির একটি বড় কারণ। সংবাদ সম্মেলনে তারা সাম্প্রতিক এক জরিপের তথ্য তুলে ধরে জানায়, বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের একাধিক স্তর থাকার কারণে খুচরা পর্যায়ে পণ্যের দাম ৭০ থেকে ১১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, “আমাদের খাদ্য মূল্যস্ফীতি মূলত সরবরাহচালিত, চাহিদাচালিত নয়। তাই সরবরাহ ঠিক রাখাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি বলেন, এর জন্য কৌশলগত মজুত বাড়ানোর পাশাপাশি বাজার তদারকি জোরদার করা জরুরি।

সরবরাহ শৃঙ্খলে মধ্যস্বত্বভোগীদের সংখ্যা কমিয়ে কৃষক ও খুচরা পর্যায়ের দামের ব্যবধান কমাতে হবে। নিম্ন আয়ের মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টিও জরুরি।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানিসংকটের কারণে সম্প্রতি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে, যা হয়তো সাময়িকভাবে মূল্যস্ফীতির ওপর বড় ধাক্কা দেবে, কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে দীর্ঘ সময়ের জন্য শ্লথ বা সংকুচিত করে দিতে পারে।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী হেলেন মাশিয়াত বলেন, বৈশ্বিক মূল্য পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিদ্যুতের দাম কিছুটা সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল। তবে এই বৃদ্ধি অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে কঠোরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত।

সিপিডি জানায়, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশে প্রবাসী আয়ে ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে, লেনদেন ভারসাম্যে উন্নতি এসেছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। তবে রপ্তানি খাতে এখনো চাপ রয়েছে। দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগের চাহিদা বেশ দুর্বল।

এ ছাড়া ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকা বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ অর্থনীতিকে সংকটে ফেলছে।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, রেমিট্যান্স বাড়লেও কেন এত ঘন ঘন ওঠানামা হচ্ছে, তার মূল কারণ খুঁজে বের করার পরামর্শ দেওয়ার সময় তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, রপ্তানিমুখী কার্যক্রম যাতে কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে এবং দেশীয় মূল্য সংযোজনকে উৎসাহিত করার ওপর জোর দিতে হবে।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, “শ্রম অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি এখন আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে এ বিষয়ে নেতিবাচক ইঙ্গিত পাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, সময়মতো মজুরি প্রদান, কারখানার নিরাপত্তা এবং ট্রেড ইউনিয়নের স্বীকৃতি দেওয়ার মতো বিষয়গুলোতে জোর দিতে হবে। প্রয়োজনে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে শ্রম অধিকার নিশ্চিতকরণের শর্ত যুক্ত করা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কয়লা শিল্পের উন্নয়নে ট্রাম্পের বিশাল তহবিলের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫২ এম


কয়লা শিল্পের উন্নয়নে ট্রাম্পের বিশাল তহবিলের ঘোষণা

আমেরিকার কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর আধুনিকায়ন এবং এশিয়ায় কয়লা রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক কোটি ডলারের বিশাল তহবিল ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ওভাল অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।

এই তহবিলের বড় অংশই আসবে স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি বিশেষ জরুরি আইন থেকে। তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

ট্রাম্প ১৩টি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আধুনিকায়নের জন্য ৪২৫ মিলিয়ন (৪২ কোটি ৫০ লাখ) ডলার এবং ক্যালিফোর্নিয়ার একটি কয়লা রপ্তানি টার্মিনালের জন্য ৭৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছেন। এ অর্থায়নের জন্য তিনি ১৯৫০ সালের ‘ডিফেন্স প্রোডাকশন অ্যাক্ট’ নামক একটি বিশেষ আইন প্রয়োগ করছেন, যা জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে রাষ্ট্রপতিকে শিল্প খাতের ওপর ব্যাপক ক্ষমতা দেয়।

এ ছাড়া আলাস্কা ও ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার নতুন প্রকল্পসহ চারটি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উন্নয়নে আরো ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল চূড়ান্ত করার বিষয়টি মার্কিন জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ডেটা সেন্টারগুলোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে এবং অন্য দেশের ওপর নির্ভরতা কমাতে এই পদক্ষেপটি নিয়েছে।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পর পরই পরিবেশবাদীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাদের দৃষ্টিতে, কয়লার দূষণ মানুষের হৃদরোগ ও ফুসফুসের রোগ বাড়ায়, যা মানুষের আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে।

পরিবেশবাদী সংগঠন সিয়েরা ক্লাব-এর জলবায়ু নীতি পরিচালক প্যাট্রিক ড্রাপ এটিকে করদাতাদের অর্থের অপচয় হিসাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা আদালতে লড়াই করবেন।

আমেরিকায় নবায়নযোগ্য শক্তি এবং সস্তা প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় কয়লা বিদ্যুৎ এর ওপর নির্ভরতা অনেক কমেছে। ১৯৯০ সালে আমেরিকার অর্ধেকের বেশি বিদ্যুৎ কয়লা থেকে এলেও এখন তা এক-পঞ্চমাংশেরও নিচে নেমে গেছে। এমনকি ট্রাম্পের নানামুখী চেষ্টা সত্ত্বেও দেশটিতে কয়লা খনি শ্রমিকের সংখ্যা ২০১৭ সালের ৫১,৫০০ থেকে কমে গত বছর প্রায় ৩৯,৮০০-তে এসে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন বাণিজ্যচুক্তির পর্যালোচনা প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ এম


মার্কিন বাণিজ্যচুক্তির পর্যালোচনা প্রয়োজন

মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি (শুল্কসংক্রান্ত চুক্তি) পর্যালোচনা করা দরকার, এ মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন করে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে, তবে জোরপূর্বক শ্রম সমস্যা সমাধান হবে না। বরং এর ফলে জোরপূর্বক শ্রম আরও বেশি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

গত মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় বা ইউএসটিআর বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেয়। তারা জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যমালার আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপে ব্যর্থতার অভিযোগ করে। এসব দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত ১০ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে আগ্রহী। বাজেটকে সামনে রেখে সিপিডির পক্ষ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন।

জবাবে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, উভয় দেশের বাস্তবতা প্রতিফলিত হয় না। অনেক সময় যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের দেশের পরিস্থিতিকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে না। মতো, আমাদের ইটভাটা ও অন্যান্য স্থানে শিশুশ্রম বিদ্যমান। তবে বাস্তবতা হলো, সত্যিকার অর্থে অনেক সময়ে পরিবারগত প্রয়োজনেই শিশুরা কাজে যায়। তাই, শিশুশ্রম কমাতে সহায়তা তহবিল না দিলে এবং উল্টো রপ্তানির ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

মোস্তাফিজুর রহমান জানালেন, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা শুল্ক বসিয়েছিল ৬০টি দেশের ওপর, যার মধ্যে মাত্র ৯টি দেশ চুক্তি করেছে। বাংলাদেশের গড় শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ১৫ শতাংশ। এর ওপর অতিরিক্ত ১৯ শতাংশসহ মোট ৩৪ শতাংশ শুল্ক বসে। আমরা এর জন্য চুক্তি করেছি। পুরোনো শুল্কের সঙ্গে নতুনভাবে ১০ শতাংশ শুল্ক যোগ হলে মোট শুল্ক দাঁড়াবে ৪৪ শতাংশ। এই শুল্ক আরোপ হলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কোথায় দাঁড়াবে, সেটি ভালো করে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

উত্থিত পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে মার্কিন শুল্ক চুক্তিটি পর্যালোচনা করা খুবই দরকার। এই চুক্তি এখন পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%