জেলা প্রতিনিধি:মিজানুরমিজানুর রহমান প্যাদা
০৬:৩৫ পি.এম
পটুয়াখালী জেলার ১নং পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের চান্দুখালি গ্রামে একটি হিংস্র কুকুরের কামড়ে অন্তত ৭ থেকে ৮ জন স্থানীয় বাসিন্দা মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, এলাকার বাসিন্দা মুজাহার খানের পোষা কুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে উন্মুক্ত অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং পথচারীদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুকুরের অব্যাহত আক্রমণে পথচারী ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে কোমলমতি শিশুদের রাস্তাঘাটে চলাচল নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অভিভাবকরা। গ্রামবাসী একাধিকবার কুকুরের মালিক মুজাহার খানকে কুকুরটি শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার আকুল আবেদন জানালেও তিনি বিষয়টিকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে আসছেন।
সংবাদকর্মীকে প্রাণনাশের হুমকি:
বিষয়টি নিয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধান ও সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নিলে বাধার মুখে পড়েন স্থানীয় এক সংবাদকর্মী। তথ্য সংগ্রহের সময় পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও অটোচালক আলমগীর মাঝি ওই সংবাদকর্মীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ:
পটুয়াখালীর চান্দুখালি গ্রামের সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা হিংস্র কুকুরের আক্রমণ থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং হুমকি প্রদানকারী অটোচালক আলমগীর মাঝির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মহোদয়ের আশু জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় নৌবাহিনীর এক সদস্য পাকিস্তানি এক নারী গোয়েন্দার প্রেমে পড়ে বাহিনীটির ‘গোপন তথ্য’ ফাঁস করে দিয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ভারতীয় ওই নৌসেনাকে আটক করেছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, শনিবার তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরের নৌ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আইএনএস অগ্রণী থেকে অন্ধপ্রদেশ পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট প্রদীপ মুখার্জিকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এক সপ্তাহ আগে গিয়েছিলেন।
গ্রেপ্তার হওয়া সেনার নাম প্রদীপ মুখার্জি। ৩১ বছর বয়সী প্রদীপ পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। তিনি ২০১৪ সালে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যোগদান করেন।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি পৃথক প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রদীপ বিশাখাপত্তমভিত্তিক ইস্টার্ন নেভাল কমান্ডে একজন নাবিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রদীপের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই পাকিস্তানি নারী গোয়েন্দা। এরপর তাদের মধ্যে ধীরে ধীরে গভীর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। প্রেমের অভিনয় করে বিশ্বাস অর্জনের পর, প্রদীপের কাছ থেকে বিশাখাপত্তম নৌঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর তথ্য, নৌবহর চলাচলের তথ্য এবং অন্যান্য তথ্য হাতিয়ে নেয় ওই পাকিস্তানি নারী।
প্রদীপের কাছ থেকে ওই নারী গোয়েন্দা কতটা তথ্য সংগ্রহ করেছে, তা জানার জন্য তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এছাড়া, তাকে ওই নারী কোনো ধরনের অর্থ দিয়েছেন কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশের ৭২ জন নির্বাচিত শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে বদলি, পদায়ন ও সংযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তর তাদের নির্দেশ দিয়েছে যে, প্রশিক্ষণ শেষে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা নির্ধারিত কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করবেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) পুলিশ সদরদপ্তরের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-৩ শাখা থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি ও পদায়নের তথ্য প্রকাশ করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচিত শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের নামের পাশে উল্লিখিত পদে বা স্থানে বদলি, পদায়ন ও সংযুক্ত করা হয়েছে, যা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
নথি অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের সবাই বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকায় বাস্তব প্রশিক্ষণকালীন কর্মস্থলে ছিলেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের দেশের বিভিন্ন জেলা ও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এম এম তারিক-উল্লাহকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার জামাল হোসেনকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, বিএমপি, বরিশাল; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার রাইসুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার শাওন রেজাকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার শাহেদুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশে পদায়ন করা হয়েছে।
এছাড়া শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মোকছেদুল মমিনকে সহকারী পুলিশ সুপার, সিআইডি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আশিকুর রহমানকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আশীষ কুমার বিশ্বাসকে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার রিয়াজ খানকে সহকারী পুলিশ সুপার, শিল্পাঞ্চল পুলিশ এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান আমজাদকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, কেএমপি, খুলনায় পদায়ন করা হয়েছে।
শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার হাসিবুল হাসান শিপনকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, কেএমপি, খুলনা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার শোয়েব আহমেদকে সহকারী পুলিশ সুপার, শিল্পাঞ্চল পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আবু রায়হানকে সহকারী পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার তানভীর আহমেদকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রাম এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোতাইনুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রামে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আশিককে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ আল সাদমানকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, জিএমপি, গাজীপুর; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আসাদ আহমেদ রনিকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মনজুরুল আলমকে সহকারী পুলিশ সুপার, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়, রংপুরে পদায়ন করা হয়েছে।
পরবর্তী তালিকায় শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ সালমান আশিককে সহকারী পুলিশ সুপার, শিল্পাঞ্চল পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মায়িশা ফান্নানাকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার বাপী কুমার দাশকে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার সরকার ফরহাদ আহমেদকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রামে পদায়ন করা হয়েছে।
শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার জাহেদুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ সুপার, শিল্পাঞ্চল পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামানকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাব্বির হোসেনকে সহকারী পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাশেদুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবিতে পদায়ন করা হয়েছে।
শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবু সিয়ামকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিট; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার হিমন বিশ্বাসকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. এ বি সিদ্দিককে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. রিদওয়ান-উল-ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, আরপিএমপি, রংপুর এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাব্বির হোসেনকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, জিএমপি, গাজীপুরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, জিএমপি, গাজীপুর; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার সুমন চন্দ্র ক্ষত্রিয়কে সহকারী পুলিশ সুপার, শিল্পাঞ্চল পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাব্বির আহমেদকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিট; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদেরকে সহকারী পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার নাভিদ তাসনিমকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, আরএমপি, রাজশাহী এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মিয়াজী আলিফ ইমরানকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিটে পদায়ন করা হয়েছে।
তৃতীয় অংশে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন রনিকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, এসএমপি, সিলেট; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এহসানুল করিমকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, কেএমপি, খুলনা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ খানকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার জুবায়ের আহমেদকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার তাহমিনা বেগমকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা করা হয়েছে।
শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাকসুদুল হাসানকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিট; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার তানভীর আহমেদকে সহকারী পুলিশ সুপার, সিআইডি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মইনুল হোসেন মন্ত্রীকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুল সাদাতকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিট এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. সজীব মিয়াকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, কেএমপি, খুলনায় পদায়ন করা হয়েছে।
শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার নির্জন সরকারকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার খন্দকার শফিক রহমানকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন হাওলাদারকে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাইফুল হককে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. লতিফুল হাসান বাঁধনকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিটে পদায়ন করা হয়েছে।
এ ছাড়া শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মোহসিন আহমেদকে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফাহিম ফয়সালকে সহকারী পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার প্রশান্ত ঘোষকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, বিএমপি, বরিশাল; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরাফাত হোসেনকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, এসএমপি, সিলেট এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আহমেদ সাদমান সাকিবকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শেষ অংশে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার তানজিনা সুলতানাকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রাম; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার তোফাজ্জল হোছাইন সুমনকে সহকারী পুলিশ সুপার, পিবিআই; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার রনি হাওলাদারকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার পূজা রানী দাসকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, জিএমপি, গাজীপুর এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. ওয়ারুখ ইয়াজদানীকে সহকারী পুলিশ সুপার, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়, রাজশাহীতে পদায়ন করা হয়েছে।
শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাদিউল ইসলামকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিট; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার নন্দীকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রাম; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহিন আলম শাওনকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফারহান হায়দারকে সহকারী পুলিশ সুপার, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়, ঢাকা এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার প্রকৃতি ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, জিএমপি, গাজীপুরে পদায়ন করা হয়েছে।
সবশেষে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার রূপম দেবনাথকে সহকারী পুলিশ সুপার, পিবিআই; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার ত্রয়ী চাকমাকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাজহারুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকায় পদায়ন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, উল্লিখিত সহকারী পুলিশ সুপাররা সংশ্লিষ্ট জেলায় বাস্তব প্রশিক্ষণ সন্তোষজনকভাবে শেষ করার পর বদলি হওয়া কর্মস্থলে যোগদান করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের ঐতিহ্যবাহী ডাকসেবাকে আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত অবকাঠামো ও কার্যকর গ্রাহকসেবার সঙ্গে যুক্ত করে একটি সমন্বিত, স্মার্ট ও জনবান্ধব লজিস্টিকস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম।
আজ ‘বিশ্ব ডাক দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আগারগাঁওয়ের ডাক ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বক্তব্য রাখেন।
মহাপরিচালক আরও বলেন, বিস্তৃত নেটওয়ার্ক এবং জনগণের দীর্ঘদিনের আস্থাই ডাক বিভাগের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই ভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত, সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও বহুমুখী সেবা পৌঁছে দেওয়াই বর্তমানে প্রধান লক্ষ্য।
আগামী ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক দিবস পালিত হবে। ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়নের (ইউপিইউ) ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য হল- ‘সম্মিলিত ডাক নেটওয়ার্ক সীমাহীন সম্ভাবনা’। এই ভাবনাকে সামনে রেখে প্রথাগত চিঠিপত্রের পাশাপাশি ই-কমার্স, পার্সেল, লজিস্টিকস ও ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মতো আধুনিক সেবার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে।
দিবসটি উপলক্ষে আগামী ৯ ও ১০ অক্টোবর ডাক বিভাগের বিভিন্ন কার্যালয়ে রাতভর সেবা দেওয়া হবে। এছাড়া ৯ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী পালিত হবে ‘ডাকসেবা সপ্তাহ’। এই সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি উৎসব, ফিলাটেলিক (ডাকটিকিট) প্রদর্শনী ও ডাক মেলার আয়োজন করা হবে, যাতে তরুণ প্রজন্ম ডাক বিভাগের ইতিহাস ও আধুনিক রূপান্তর সম্পর্কে জানতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৬ সালের মার্চ থেকে এ পর্যন্ত স্পিড পোস্টের মাধ্যমে প্রায় ৮১১ টন পণ্য পরিবহন করা হয়েছে। ই-কমার্স ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কৃষকদের পণ্য এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পাঠাতে সেবাটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পার্সেল সেবাতেও ভালো অগ্রগতি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিদেশগামী পার্সেল পরিবহন করা হয়েছিল ২৪০ টন। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১৬ টনে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক পার্সেল পরিবহন বেড়েছে ৭৬ টন, যা প্রবাসী বাংলাদেশি ও রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সুবিধা তৈরি করছে।
উল্লেখ্য, ১৮৭৪ সালের ৯ অক্টোবর ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (ইউপিইউ) গঠিত হয়। ১৯৬৯ সালের টোকিও কংগ্রেসে দিনটিকে ‘বিশ্ব ডাক দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি পালিত হয়ে আসছে।
বাংলাদেশে এবার দিবসটি এমন সময়ে পালিত হচ্ছে, যখন ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস, স্পিড পোস্ট, আন্তর্জাতিক পার্সেল, ই-কমার্স সহায়তা, কৃষিপণ্য পরিবহন, ডিজিটাল ট্রান্সফার ও ট্রেসিংসহ স্মার্ট লজিস্টিকস উদ্যোগের মাধ্যমে ডাক বিভাগ একটি আধুনিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন সালমান খানের বন্ধু এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার ছেলে সুফিয়ান নাদিয়াদওয়ালা। তার চেহারা এবং স্টাইল যেন তরুণ বয়সের ‘ভাইজান’-এর প্রতিচ্ছবি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা।
মুম্বাইয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার পর সালমান খানের সঙ্গে তার চেহারা ও স্টাইলের তুলনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে, অনেক নেটিজেন সুফিয়ানের লুকে ৯০ দশকের সালমান খানের ছাপ খুঁজে পেয়েছেন।
সম্প্রতি ‘প্রেম কীতানু’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে বাবা সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা এবং মা ওয়ার্দা খান নাদিয়াদওয়ালার সঙ্গে হাজির ছিলেন সুফিয়ান।
অনুষ্ঠানের প্রবেশপথে সালমান খানের সঙ্গে তার দেখা হওয়ার পর বিষয়টি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে আরও বেশি নজর কাড়ে।
সুফিয়ানের চেহারা নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে তার কয়েকটি ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।
তখনও অনেকেই তার মুখের গড়ন, চুলের স্টাইল এবং শারীরিক গঠনের সঙ্গে সালমান খানের তরুণ বয়সের মিল খুঁজে পেয়েছিলেন।
সম্প্রতি নতুন করে সুফিয়ানের ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর সেই পুরনো আলোচনা আবারও সামনে এসেছে। সামাজিক মাধ্যমে কেউ তাকে সালমান খানের ‘ইয়ঙ্গার ভার্সন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
কেউ আবার সরাসরি তাকে ‘৯০ দশকের সালমান খান’ বলেও উল্লেখ করেছেন। তার স্টাইল এবং শারীরিক গঠন নিয়েও প্রশংসা করেছেন অনেকে।
এক নেটিজেন মজা করে লিখেছেন, সুফিয়ান নাকি সালমান খানের চেয়েও বেশি সালমান খানের মতো মনে হচ্ছে। এমন মন্তব্যের পর তার ছবি ও ভিডিও দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
সুফিয়ান সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা এবং ওয়ার্দা খান নাদিয়াদওয়ালার ছোট ছেলে। তার বাবা সাজিদ বলিউডের পরিচিত প্রযোজক এবং সালমান খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবেও পরিচিত। এই কারণে সুফিয়ানের সঙ্গে সালমানের ছবি বা উপস্থিতি নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
তবে সুফিয়ান ভবিষ্যতে বাবার পথ অনুসরণ করে বলিউডে অভিনয়ে আসবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য জানা যায়নি।
এদিকে সালমান খান বর্তমানে রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’-এর ২০তম আসর নিয়ে ব্যস্ত। এর মধ্যেই সাজিদপুত্র সুফিয়ানকে ঘিরে শুরু হওয়া এই আলোচনা আবারও সামনে এনেছে সালমান খানের তরুণ বয়সের জনপ্রিয় লুকের প্রসঙ্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ