ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিদেশি শিক্ষার্থীর হারানো স্মার্টফোন উদ্ধার করলো সিআইডি


বিদেশি শিক্ষার্থীর হারানো স্মার্টফোন উদ্ধার করলো সিআইডি

বাংলাদেশে অধ্যয়নরত একটি বিদেশি নারী শিক্ষার্থীর হারিয়ে যাওয়া স্মার্টফোন উদ্ধার করে তাকে ফিরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার সিআইডি সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনটি শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেই শিক্ষার্থী বাংলাদেশের আন্তরিকতায় বিদেশীদের প্রতি খুবই মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।

সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবু তালেব জানালেন, ঢাকার গ্রীন লাইফ মেডিকাল কলেজে অধ্যয়ন করে চলেছেন ইনডিয়ার নাগরিক আসমা। চলতি বছরের ৮ জুলাই, দুপুর আড়াইটার দিকে, কলাবাগান থানাধীন গ্রীন রোড এলাকায় কাজে বের হন। কিছু সময় পর তিনি বুঝতে পারেন, তার ব্যবহৃত স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ২৪ এফই মডেলের দামী স্মার্ট ফোনটি হারিয়ে গেছে। ফোনটিতে একটি বাংলাদেশী ও একটি ইনডিয়ান সিম কার্ড ব্যবহার করা হচ্ছিল। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগের মাধ্যম হারিয়ে যাওয়ায় তিনি চরম বিপাকে চলে যান এবং দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। পরে, সহপাঠী বান্ধবী রিজুয়ানা রহমান রিসার সহায়তায়, কলাবাগান থানায় ওইদিনই একটি জিডি করেন। ওই শিক্ষার্থীর হয়ে তার শিক্ষক শারমিন সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

আরও পড়ুন: শাহজালালের রানওয়ে-অ্যাপ্রোন এলাকায় যানবাহনের অবাধ চলাচল

সিআইডি কর্মকর্তা আরও জানান, সিআইডির বিশেষজ্ঞ টিম প্রযু্িক্তর সহায়তায় ফোনটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে বাগেরহাট জেলা থেকে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে আনা হয়। সোমবার, সিআইডি সদর দফতরে শিক্ষার্থীর কাছে ফোনটি হস্তান্তর করা হয়।

ওই শিক্ষার্থী বললেন, তিনি সত্যিই খুবই খুশী। তিনি রীতিমত হতবাক হয়েছেন। কারণ সামান্য একটি মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য সিআইডির যে তৎপরতা, সেটি সত্যিই নজিরবিহীন। প্রশংসা করলেও তা ছোট করে হবে না। তিনি ফোনের আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। বিদেশী হিসেবে তার সমস্যাটি সমাধান করতে সিআইডি এতটা আন্তরিকতা দেখাবে, তা তিনি ভাবতেই পারেননি। মোবাইল ফোন হাতে পেয়ে তিনি রীতিমত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বার বার সিআইডি কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে আব্দুর রহমান ও জিহাদুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বেরোবি প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ এম


বেরোবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে আব্দুর রহমান ও জিহাদুর

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে, যাকে সংক্ষেপে বেরোবি বলা হয়ে থাকে, অধ্যয়নরত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত বেরোবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান। এদিকে, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এআইএস বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদুর রহমান।

সোমবার, ২৭ জুলাই, সংগঠনের উপদেষ্টামণ্ডলীর অনুমোদনে এক বছর মেয়াদি এই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন: সিনিয়র সহ-সভাপতি সোনিয়া ইসলাম হৃদি, সহ-সভাপতি নাজমুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ আল জাবের, কোষাধ্যক্ষ সাকিব রেজা রায়হান, প্রচার সম্পাদক শাহীন মুনতাসির, সহ-প্রচার সম্পাদক নিহাদুল ইসলাম রিমন, দপ্তর সম্পাদক মোছা. মোসনা, উপ-দপ্তর সম্পাদক সঞ্জয় কর্মকার, ক্রীড়া সম্পাদক কাজী রাজীব, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রিয়াদ হাসান, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ফারজানা আক্তার সুইটি, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. মামুন মিয়া এবং আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মানছুরা জাহান অর্পা।

এছাড়া, কার্যকরী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সারোয়ার খান, খলিল আহমেদ, মো. নিয়ামত মিয়া, মো. শাহিন পাঠান এবং ইয়াসিন আরাফাত।

সভাপতি আব্দুর রহমান বললেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়া আমাদের প্রাণের মাতৃভূমি। জেলার সব শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা এবং জেলার ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে ধারণ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিহাদুর রহমান বলেন, “সকলের সহযোগিতা নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ জেলা সমিতি গড়ে তুলতে চাই। পাশাপাশি বেরোবি ক্যাম্পাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে আমরা কাজ করব।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ এম


ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক আজ

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।

এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলায় ১১টায়।

এর আগে, সোমবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ-১) মো. মনির হোসেন এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

ন্যাশনাল সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে কমিশনের সাক্ষাৎ দেশের ২৩-তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে হবে, এই তথ্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে পাওয়া গেছে।

গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। সেই দিন দুপুরে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার বরাবর তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বরাবর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র পাঠানো হয়েছে সংবিধান ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেক্সিকোয় প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের পাশে গুলির ঘটনায় একজন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ এম


মেক্সিকোয় প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের পাশে গুলির ঘটনায় একজন নিহত

মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে ঘটেছে গুলির একটি ঘটনা, যা দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ ও জোকালো পাবলিক স্কয়ারের পাশে সংঘটিত হয়েছে। এই ঘটনায় ৪২ বছর বয়সী এক পুরুষের মৃত্যু ঘটেছে। আহত হয়েছেন আরেকজন ব্যক্তি। ঘটনার দিন সন্দেহভাজন হামলাকারী শট গুলি করার পরে মোটরসাইকেলে করে দ্রুত পালিয়ে গেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এই ঘটনা সোমবার ঘটেছে। মেক্সিকো সিটির নিরাপত্তাবিষয়ক সচিবালয় এই হামলাকে ‘সরাসরি হামলা’ হিসেবে চিহ্নিত করছে।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনাটি পরিস্থিতি অনুযায়ী মেক্সিকো সিটির সান্তো ডোমিংগো চত্বরে ঘটেছে। ঔপনিবেশিক আমলের নির্মাণশৈলীর ভবনে ঘেরা এ স্থানটি জাল নথিপত্র তৈরি ও বিক্রির কারণে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনাটি মেক্সিকো সিটির সান্তো ডোমিংগো চত্বরে ঘটেছে। এ জায়গা জাল নথিপত্র তৈরি ও বিক্রির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে, বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের পাশে এমন ধরনের ঘটনা সচরাচর ঘটে না। তবে, রাজধানীতে ইউনিয়ন তেপিতো ও ফুয়ের্সা অ্যান্টি ইউনিয়নের মতো কিছু সড়কভিত্তিক অপরাধী চক্র সক্রিয় রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধের প্রতি ৩ জন আমেরিকানের মধ্যে ১ জনের সমর্থন, ট্রাম্পের লক্ষ্য নিয়ে অস্পষ্টতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ এম


ইরান যুদ্ধের প্রতি ৩ জন আমেরিকানের মধ্যে ১ জনের সমর্থন, ট্রাম্পের লক্ষ্য নিয়ে অস্পষ্টতা

যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো তিনজন নাগরিকের মধ্যে মাত্র একজন ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধকে সমর্থন করেন। পাঁচ মাস ধরে চলা এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সমর্থনের হার এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

রয়টার্স/ইপসোসের সর্বশেষ জনমত জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

জরিপে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ মার্কিন নাগরিক মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেননি, যুক্তরাষ্ট্র কেন এই যুদ্ধে জড়িয়েছে এবং যুদ্ধের মূল লক্ষ্য কী। শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত পরিচালিত এই জরিপে আরো দেখা যায়, ট্রাম্পের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে তার অনুমোদনের হার ৩৭ শতাংশ।

গত মাসের তুলনায় এটি ৩ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। তবে এই হার এখনও তার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ে কমপক্ষে নিচের দিকের অবস্থানগুলোর মধ্যে একটি। ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্য তুলে ধরেছেন। কখনও তিনি বলেছেন, ইরানের জনগণকে তাদের বর্তমান নেতৃত্বের হাত থেকে মুক্ত করতে চান। আবার কখনও বলেছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করাই উদ্দেশ্য। অন্য সময় তিনি জোর দিয়েছেন, ইরানকে যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না দেওয়া হয়।

তবে জরিপে দেখা গেছে, ৬৯ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের উদ্দেশ্য পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেননি। এমনকি রিপাবলিকান দলের সমর্থকদের মধ্যেও এই মত রয়েছে। প্রতি ১০ জন রিপাবলিকান সমর্থকের মধ্যে চারজনও একই কথা বলেছেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জনমত জরিপ দেখে সিদ্ধান্ত নেন না। তার ভাষ্য, ট্রাম্পের অবস্থান পরিষ্কার—ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এমন একজন প্রেসিডেন্ট থাকা, যিনি দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে যুদ্ধের প্রতি জনসমর্থন কখনোই ৪০ শতাংশে পৌঁছায়নি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বড় যুদ্ধগুলোর তুলনায় অনেক কম। ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় প্রায় ৭০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক সেই যুদ্ধকে সমর্থন করেছিলেন। আর ২০০১ সালে আফগানিস্তান যুদ্ধ শুরুর সময় সমর্থনের হার ছিল প্রায় ৯০ শতাংশ। গ্যালাপের জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। যুদ্ধের প্রতি মানুষের অনীহা আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্প এবং তার রিপাবলিকান পার্টির জন্য নতুন রাজনৈতিক চাপ তৈরি করছে। ওই নির্বাচনে কংগ্রেসে তাদের অল্প ব্যবধানের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চেষ্টা করবে দলটি।

জর্জিয়ার স্টকব্রিজ শহরের বাসিন্দা এবং অবসরপ্রাপ্ত টারবাইন মেরামত বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ওম্যাক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কেন এই যুদ্ধে জড়িয়েছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। তার ভাষায়, 'আমরা কেন যুদ্ধ শুরু করেছি, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই।' ওম্যাক একসময় যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন কোরে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি জানান, ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশের নেতৃত্ব পছন্দ হওয়ায় তিনি রিপাবলিকান রাজনীতির প্রতি আগ্রহী হয়েছিলেন। তবে বর্তমান ইরান যুদ্ধ নিয়ে তিনি ট্রাম্পের ওপর আগের মতো আস্থা রাখতে পারছেন না। তার মতে, ট্রাম্প এই পরিস্থিতি ভালোভাবে সামাল দিতে পারছেন না।

এ পর্যন্ত এই যুদ্ধে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইরান ও লেবাননে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। লেবাননে ইরান-সমর্থিত যোদ্ধারা ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতেও। দেশজুড়ে পেট্রলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি গ্যালন পেট্রলের গড় দাম ৪ ডলারের কিছু বেশি। যুদ্ধ শুরুর আগে এই দাম ছিল প্রায় ৩ ডলার। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে এবং অনেক পরিবার আর্থিক চাপে পড়েছে।

রিপাবলিকান রাজনৈতিক কৌশলবিদ এবং সাবেক হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যালেক্স কোন্যান্ট বলেছেন, এই যুদ্ধ রিপাবলিকান দলের জন্য নানা ধরনের রাজনৈতিক চাপ তৈরি করছে। তার মতে, বছরের শুরু থেকে হোয়াইট হাউস অর্থনীতি নিয়ে জনমত নিজেদের পক্ষে রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু এখন মানুষের মূল মনোযোগ চলে গেছে পররাষ্ট্রনীতি ও যুদ্ধের দিকে। ফলে অর্থনীতি নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরা কঠিন হয়ে পড়ছে। রয়টার্স/ইপসোসের জরিপে দেখা গেছে, নিবন্ধিত স্বতন্ত্র ভোটারদের ৩৬ শতাংশ আগামী কংগ্রেস নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ভোট দিতে চান। রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থনের কথা বলেছেন ২০ শতাংশ। অর্থনৈতিক নীতির ক্ষেত্রেও স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সমর্থন রিপাবলিকানদের তুলনায় বেশিরভাগ দেখা গেছে।

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণায় ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি কোনো যুদ্ধে জড়াবেন না। শুরুতে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাত চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে। তবে পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধ চলছে। এ কারণেই তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ট্রাম্প অতীতে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করা হলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, প্রায় দুই দশক ধরে চলা ভিয়েতনাম যুদ্ধে ৫৮ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%