মোঃ সাকিব (হিলি) দিনাজপুর প্রতিনিধি
০৪:৫৬ পি.এম
সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মাননীয় মন্ত্রী প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, এমপি। তারই ধারাবাহিকতায় হাকিমপুর উপজেলায় দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ এবং দুগ্ধ উৎপাদনকারীদের মাঝে প্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে সহায়তা সামগ্রী তুলে দেন প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এমপি। এ সময় তিনি বলেন, একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ গঠনের জন্য সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব। অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার ও জনপ্রতিনিধিরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে দুগ্ধ উৎপাদনকারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের আবাসন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাকিমপুর উপজেলার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জর্জ মিত্র চাকমা, হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জাকির হোসেন, হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাখাওয়াত হোসেন শিল্পীসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তাদের বক্তব্যে বলেন, সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণের মাধ্যমে যেমন দুঃস্থ পরিবারের আবাসন সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে, তেমনি দুগ্ধ উৎপাদনকারীদের মাঝে উপকরণ বিতরণ তাদের উৎপাদন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।
অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সহায়তা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এ সময় সুবিধাভোগীরা তাদের প্রতি প্রদত্ত সহযোগিতার জন্য মাননীয় মন্ত্রী প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এমপির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং সমাজের আরও বেশি মানুষ এর সুফল ভোগ করতে পারবেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এমপি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই মানবিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং সমাজের অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের কৃষিশিক্ষক আব্দুল আজিজ নিজের আঙুর বাগান পরিচর্যা করছেন। সম্প্রতি তোলা একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে। কালের কণ্ঠের প্রকাশনায় এসেছে এ খবর।
ফল চাষের বিষয়ে কথাটি উঠলে সাধারণত সকলের মাথায় বিদেশের বিস্তীর্ণ বাগানের ছবিই ভেসে ওঠে। তবে, এই প্রচলিত ধারণা পুরোপুরি বদলে দিয়েছেন আব্দুল আজিজ।
শখের আঙুর চাষই এখন তার সাফল্যের নতুন গল্প হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
নাটোরের সিংড়া উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের কৃষিশিক্ষক আব্দুল আজিজ ছাত্রজীবন থেকেই কৃষির প্রতি আগ্রহী ছিলেন। তিনি আগেই ড্রাগন এবং আপেল কুল চাষে সাফলতা অর্জন করেছিলেন। তবে এবার তিনি নতুন স্বপ্ন দেখছেন আঙুরের কারণে।
আব্দুল আজিজ জানান, তিনি মাত্র ৯ মাস আগে বাড়ির পাশে প্রায় এক বিঘা পতিত জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি আঙুরের চারা রোপণ করেন। ইউটিউবে আঙুর চাষের কৌশল শিখে তিনি ধীরে ধীরে গাছের পরিচর্যা করতে শুরু করেন। শুরুতে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও ধৈর্য, পরিশ্রম এবং পরিকল্পনার মাধ্যমে তিনি সফলতা অর্জন করতে পেরেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রথম দিকে শখের বসে বাড়ির আঙিনায় মাত্র চারটি বাইকুনুর জাতের চারা লাগিয়েছিলেন। পরে একটি গাছ থেকে পান সাত-আট কেজি আঙুর। সেই সাফল্যই তার ভাবনায় পরিবর্তন আনে। এরপর তিনি বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষের উদ্যোগ নেন।
আজিজের বাগানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গাছে গাছে ঝুলছে এখন পাঁচ জাতের আঙুর। বাইকুনুর, সামার রয়েল, ডিক্সন, গ্রিন লং এবং ব্ল্যাক ম্যাজিক জাতের আঙুরে ভরে উঠেছে পুরো বাগান। প্রত্যেক গাছেই থোকায় থোকায় ফল ঝুলছে।
আজিজ বলেন, ‘শুরুতে এটা শুধু শখ ছিল। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে এটি একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ। সঠিক পরিচর্যা ও পরিকল্পনা থাকলে আমাদের দেশেও আঙুর চাষ সম্ভব। বাজার ভালো থাকলে এবার প্রায় ৯ লাখ টাকার আঙুর বিক্রির আশা করছি।’
এদিকে, আজিজের এই উদ্যোগ দেখতে প্রতিদিনই বাগানে ভিড় করছে স্থানীয় কৃষক এবং উৎসুক মানুষ। অনেকেই তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন এবং কিনছেন চারাও। স্থানীয়দের ভাষ্য, এভাবে আঙুর চাষ বাড়ানো হলে একসময় নাটোরের চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলায়ও সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
বাগানে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, ভিডিওতে আঙুর চাষ দেখেছি, কিন্তু এখানে এসে সরাসরি এত আঙুর ফলতে দেখে খুব ভালো লাগছে। আমরা সবাই চারা নিয়ে বাড়িতে লাগানোর চিন্তা করছি।
সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফরিদ হাসান বলেন, গত বছরও সিংড়ায় পরীক্ষামূলক আঙুর চাষে সফলতা পাওয়া গেছে। বিশেষ করে বাইকুনুর, সামার রয়েল, ডিক্সন, গ্রিন লং এবং ব্ল্যাক ম্যাজিক জাতের আঙুরের ফলন ছিল আশাব্যঞ্জক।
কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, আধুনিক এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। আব্দুল আজিজ সেটা প্রমাণ করেছেন। তার এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের অধিকৃত আজাদ কাশ্মীর অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ দমন করতে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী বলপ্রয়োগ করছে; ইতোমধ্যে গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৪ জন।
শনিবার (২০ জুন) এএফপি, স্কাই নিউজ ও রয়টার্সের পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালে জম্মু-কাশ্মিরের দু’টি অঞ্চল পাকিস্তান দখল করে—আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিট-বাল্টিস্তান। দেশের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে দুটিতেই প্রাদেশিক আইনসভা বা বিধানসভা রয়েছে। আজাদ কাশ্মীরের বিধানসভায় মোট ৪৫টি আসন রয়েছে। এই ৪২টি আসনের মধ্যে ১২টি আসন ভারতের জম্মু-কাশ্মীর থেকে আগত উদ্বাস্তুদের জন্য সংরক্ষিত।
বিধানসভায় সংরক্ষণ ব্যবস্থা তুলে দেওয়া এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবি নিয়ে গত ৫ জুন থেকে আন্দোলন শুরু করছে আজাদ কাশ্মীরভিত্তিক রাজনৈতিক দল জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএকে)। আন্দোলনের অংশ হিসেবে ৯ জুন হরতাল ডাকেন জেএএকে। মূলত, এই হরতাল থেকেই পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত শুরু হয় জেএএকে’র।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে গত প্রায় দুই সপ্তাহে অন্তত ২৪ জন নিহত ও বহু লোক আহত হয়েছেন। পাশাপাশি, বিক্ষোভে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এ পর্যন্ত জেএএকের ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া, গত দুই সপ্তাহের মধ্যে বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইট-পাটকেলে ৯৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আজাদ কাশ্মিরের পুলিশপ্রধান লিয়াকত আলী মালিক এএফপিকে জানিয়েছেন, বিক্ষোভের মূল কেন্দ্র এখন রাওয়ালকোট শহরে। এটি আজাদ কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত।
বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ইতোমধ্যে কারফিউ জারি করেছে। শহরের প্রধান সড়কগুলো এবং ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিও ব্যাপকভাবে সীমিত করা হয়েছে।
বিক্ষোভ, সংঘর্ষ ও কারফিউয়ের কারণে আজাদ কাশ্মির কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ অত্যন্ত বিঘ্নিত হচ্ছে।
মুহম্মদ মাসকিন নামে মুজাফফরাবাদের এক বাসিন্দা এএফপিকে জানিয়েছেন, "আমি ওষুধের জন্য গত কয়েকদিন ধরে ঘুরছি, এখনও পাইনি। অনেক বড় ওষুধের দোকানগুলো পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। খোলা দোকানগুলোর সরবরাহ শেষ হয়ে গেছে।"
সাবার হোসেন নামে আরেক বাসিন্দা জানান, "অত্যন্ত কঠিন সময় পার করছি। গত আটদিন ধরে বাজারগুলো বন্ধ রয়েছে। শাক-সবজি ছাড়া কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও কালকিনি পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন বেপারী। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও পৌরবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
শনিবার সকালে কালকিনি উপজেলা বিএনপির আঞ্চলিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কামাল হোসেন বেপারী। এক পর্যায়ে তিনি কেঁদে ফেলেন। তিনি বলেন, “দলের দুর্দিনে আমি সবসময় বিএনপির পাশে ছিলাম। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নানা প্রতিকূলতা ও চাপের মধ্যেও আমি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছি। দল ও আদর্শের প্রতি আমার আনুগত্য কখনো নষ্ট হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, ত্যাগ ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মূল্যায়ন করে দল আমাকে যোগ্যতা অনুযায়ী মনোনয়ন দেবে। আমি পৌরবাসীর সেবা করতে চাই এবং একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব পৌরসভা গঠনে কাজ করতে চাই।”
কামাল হোসেন বেপারী বলেন, নির্বাচিত হলে নাগরিক সেবার মান উন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পৌরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবেন।
এ সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই সমর্থকদের আবেগ, উন্মাদনা এবং নানা ব্যতিক্রমী কাণ্ড। সেই উন্মাদনার একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার একজন আর্জেন্টিনা সমর্থক।
ব্রাজিলের জয়ের পর মাথা ন্যাড়া করতে হয়েছে ফয়সাল আহমেদ জুম্মান (২৩)-কে, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া চ্যালেঞ্জ রক্ষা করেছেন।
ফয়সাল বকশীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাধুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনা দলের একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
গত শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে তিনি ঘোষণা করেন, যদি হাইতির বিরুদ্ধে ম্যাচে ব্রাজিল জয়ী হয়, তাহলে তিনি মাথা ন্যাড়া করে এলাকায় ঘুরবেন।
শনিবার (২০ জুন) সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিল, হাইতিকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর, ফয়সাল নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এগিয়ে আসেন। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে তিনি সাধুরপাড়া এলাকায় মাথা ন্যাড়া করেন। এই সময় স্থানীয় ফুটবলপ্রেমী ও কৌতূহলী মানুষজন ঘটনাটি দেখতে ভিড় করেন। মুহূর্তেই বিষয়টি এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। অনেকেই ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।
স্থানীয়দের মতে, বিশ্বকাপকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবলপ্রেমের এক বিশেষ বহিঃপ্রকাশ। ফয়সালের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এলাকায় আনন্দ এবং কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
চ্যালেঞ্জ পূরণের পর ফয়সাল আহমেদ জুম্মান বলেন, "খেলাধুলা বিনোদনের একটি বড় মাধ্যম। আমি মজা করেই এই চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম। ব্রাজিল জিতেছে, তাই কথা অনুযায়ী মাথা ন্যাড়া করেছি। প্রতিশ্রুতি দিলে তা রাখতে হয়।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ