বৃহস্পতিবার, ১৩ই নভেম্বর, ২০২৫ ইং
০৮:১৭ পি.এম
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পান্থকুঞ্জ পার্কের সামনে একটি রিকশা থেকে ককটেলটি উদ্ধার করা হয়। এরপর পুলিশ সহযোগিতায় পার্কের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
এই ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ১টার পর।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পান্থকুঞ্জ পার্কের সামনে একটি রিকশায় ককটেলটি পাওয়া যায়। পরে কারওয়ান বাজার সার্ক ফোয়ারার সামনে পুলিশকে ডাকা হয়। পুলিশ বোম ডিসপোজাল টিমকে খবর দেয়। ডিসপোজাল টিম এসে দেড়টার পর পান্থকুঞ্জ পার্কের ভিতর ককটেলের বিস্ফোরণ করে।
কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, "বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি এখনই ঘটনাস্থলে গিয়ে খবর নিয়ে জানাচ্ছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মহারানি’ ও ‘দিল্লি ক্রাইম’-এ হুমা কুরেশির অভিনয় সত্যিই দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। এর আগে তিনি বলিউডে তাঁর অভিনয় দক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেছেন।
তবে অভিনয়ের প্রথম সুযোগ গ্রহণ করা হুমার জন্য অতটা সহজ ছিল না। হুমা কুরেশির বাবা-মায়ের মনে সন্দেহের মেঘ ছিল। তাঁরা ভেবেছিলেন, তাঁদের মেয়েকে সম্ভবত কোনো খারাপ চক্র যৌনকর্মী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, হুমা এই পারিবারিক বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
মেয়ের অভিনয় প্রতিভা নিয়ে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না হুমার বাবা-মা। তাঁরা ভেবেছিলেন, “কেনই বা তাঁদের মেয়েকে কেউ ছবিতে নেবে?” হুমা এ সম্পর্কে বলেছেন, “আমার বাবা-মা বিশ্বাসই করতে চাননি। তাঁরা মনে করতেন, আমাকে নিশ্চয়ই যৌনকর্ম সংক্রান্ত কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।”
এখন হুমা অতীতের দিকে ফিরে তাকিয়ে অবাক হন। তিনি জানিয়েছেন, “আমার বাবা-মা বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে আমি নিজে কিছু করতে পারব। আমি তাঁদের অনেকভাবে বোঝাতে চেয়েছিলাম। আসলে, আমার বাবা-মা এই ইন্ডাস্ট্রির মানুষ নন, তাই এ ব্যাপারে তাঁরা সেভাবে জানেন না।”
বলিউডে প্রথম অভিষেক নিয়ে হুমা আরো অনুভব প্রকাশ করেন, “আমি নির্মাতাদের অফিসে গিয়েছিলাম, চিত্রনাট্য পড়েছিলাম। পরের দিন আমার স্ক্রিন টেস্ট হয়েছিল এবং আমি সুযোগটি পাই। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সে ছবি আর নির্মিত হয়নি। অথচ বাবামাকে রাজি করানোর জন্য কাজটা ঠিক সহজ ছিল না।”
সেই ছবি যদিও শেষ পর্যন্ত হয়নি, কিন্তু হুমা প্রথমবার ‘গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর’-এর মাধ্যমে দর্শকদের সামনে আসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরে একটি টয়লেটে যাওয়ার পথে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার বেড়া চিকন্দী এলাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি হলেন মৃত আনু সিকদারের ছেলে ইকবাল সিকদার (৩৫) এবং মৃত হাফেজ বেপারীর ছেলে আফসের বেপারী (৪০)। তারা দুজন পেশায় কৃষক।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) গভীর রাতে ওই নারী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হন। টয়লেটের পথে অভিযুক্ত ইকবাল এবং আফসের তাকে জোরপূর্বক ঘরের পেছনের একটি পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে গিয়ে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন, তখন তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরিবার ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বুধবার (১২ নভেম্বর) সকালে তার জ্ঞান ফিরলে বিকেলে তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পালং মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
অভিযুক্ত ইকবাল সিকদার তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমরা ওই নারীকে ধর্ষণ করিনি। পরে জানতে পারি আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।"
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সুস্মিতা জানিয়েছেন, নারীর 'ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ' পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে কি না।
পালং মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, মামলা দায়েরের সঙ্গে সঙ্গে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ভুক্তভোগী নারীর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের বাসায় ঢুকে হামলার একটি ঘটনায় বিচারপতির ছোট ছেলে তাওসিফ রহমান নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরের পরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে এই হামলা সংগঠিত হয়েছে।
পুলিশ জানায়, নগরীর ডাবতলা এলাকায় বিচারক আব্দুর রহমানের বাড়িতে হামলা করার সময় দুর্বৃত্তরা এসে উপস্থিত হয়। তারা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে বিচারকের স্ত্রী এবং ছেলেকে গুরুতর আঘাত করে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় নবম শ্রেণির ছাত্র তাওসিফ রহমান জীবন হারায়। এই ঘটনার পর একজনকে আটক করা হয়েছে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান জানান, হামলাকারী লিমন ঐ পরিবারের সঙ্গে পূর্বপরিচিত। তাদের মধ্যে পূর্বে কিছু বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। হামলাকারীও বর্তমানে আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
তিনি আরো বলেন, অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। এর আগে বিচারক লিমনের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের পটিয়া থানার পুলিশ বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুই জন নেতাকে আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বাদামতল ও শান্তিরহাটের এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম রুবেল (২৭) এবং সহসম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসেন রকি (২৬)।
পটিয়া থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পেনাল কোডসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতুর সার্বিক তত্ত্বাবধানে, পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোমান আহমদের নির্দেশনায় এবং পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, "গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় নাশকতা সৃষ্টি এবং সংঘবদ্ধ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে নজরদারিতে ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
তিনি আরও জানিয়েছেন, "জনগণের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পটিয়া থানার অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ