ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমের শোক; কুলিয়ারচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছাত্রদল নেতা শহীদ সরকারের মৃত্যু


বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমের শোক; কুলিয়ারচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছাত্রদল নেতা শহীদ সরকারের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ছাত্রদল নেতা শহীদ সরকার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গত ১৩ আগস্ট ‎বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের মাটিকাটা গ্রামের (বড়বাড়ি) নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান তিনি। শহীদ সরকার ছয়সূতী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
‎
‎সে মাটিকাটা গ্রামের মো. রতন মিয়ার ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে বাড়িতে আইপিএসের বৈদ্যুতিক ত্রুটি মেরামতের চেষ্টা করছিলেন শহীদ। কাজের একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি।

‎কিছুক্ষণ পর বড় ভাই জুবায়ের আহমেদ তাঁকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। মুহূর্তেই বাড়িতে নেমে আসে আতঙ্ক। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শহীদ সরকারকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: কমলনগরে কোরআনের আলোয় আলোকিত ৫ শিক্ষার্থী, ফয়জুল কোরআন ইসলামী একাডেমির সংবর্ধনা

‎যে তরুণ সন্ধ্যায় নিজের হাতে ঘরের বৈদ্যুতিক ত্রুটি সারানোর চেষ্টা করছিলেন, কয়েক মিনিট পর সেই তরুণের নিথর দেহ নিয়ে হাসপাতালে ছুটতে হয়েছে স্বজনদের। একটি আকস্মিক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই থামিয়ে দিয়েছে একটি পরিবারের স্বপ্ন, স্বজনদের আশা এবং রাজনৈতিক অঙ্গনের এক তরুণ কর্মীর পথচলা।
‎
‎শহীদ সরকারের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শোক ছুঁয়ে গেছে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও। তাঁর মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের সংসদ সদস্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতি মন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. কিতাব আলী মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. সাহাদাৎ হোসেন শাহ্ আলম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মুহাম্মদ শাহ্ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফারুকুল ইসলাম ফারুক, মো. রফিকুল ইসলাম আলী, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম মুছা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. আরশ মিয়া, ছয়সূতী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সালাহ উদ্দিন মুর্শেদ নিজামী বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মো. মোসলেহ উদ্দিন রতন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আজহার উদ্দিন লিটনসহ ছাত্রদলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও স্থানীয় বাসিন্দারা পৃথকভাবে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকবার্তা দিচ্ছেন।

মরহুমের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে সবাই তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন-এমন দোয়া করেছেন এলাকাবাসী।

‎স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, শহীদ সরকার ছিলেন রাজপথের সক্রিয় ও উদ্যমী তরুণ সংগঠক। সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল। মাত্র ২৮ বছর বয়সেই তাঁর এমন আকস্মিক মৃত্যুতে ছাত্রদল হারিয়েছে একজন সম্ভাবনাময় তরুণ নেতাকে।
‎
‎কিন্তু পরিবারের কাছে তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন না। তিনি ছিলেন কারও সন্তান, কারও ভাই, কারও আপনজন।
‎
‎একটি আইপিএসের ত্রুটি সারাতে গিয়ে আর ফিরলেন না শহীদ। সন্ধ্যার যে মুহূর্তে তিনি জীবনের স্বাভাবিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন, সেই মুহূর্তই হয়ে রইল তাঁর জীবনের শেষ মুহূর্ত।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে ১৮টি ভারতীয় কম্বলসহ যুবক গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের চার স্বীকৃতি পেলেন হলান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১২ এম


গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের চার স্বীকৃতি পেলেন হলান্ড

রেকর্ডময় একটি ক্যারিয়ারে নতুন এক অর্জন যুক্ত হলো আর্লিং হলান্ডের। নতুন মৌসুমের অভিযানের শুরুতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে অসাধারণ কিছু গোল করার স্বীকৃতিস্বরূপ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের পক্ষ থেকে চারটি সনদ গ্রহণ করেছেন ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান এই স্ট্রাইকার।

প্রিমিয়ার লিগ, ইউয়েফা নেশনস লিগ এবং ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের অন্তর্ভুক্ত অসাধারণ কীর্তি গড়ার স্বীকৃতি হিসেবে ৪টি সনদ পেয়েছেন হলান্ড।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাদের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানিয়েছে, ‘নতুন মৌসুম শুরুর প্রাক্কালে একাধিক রেকর্ডের মালিক আর্লিং হলান্ডের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে অত্যাশ্চর্য ফুটবল ক্যারিয়ারের অর্জিত সেরা কীর্তিগুলোর জন্য সনদ।’

স্বীকৃতি পাওয়া রেকর্ডগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে সবচেয়ে কম ম্যাচে প্রিমিয়ার লিগে ১০০ গোল করার কীর্তি। তিনি গত বছরের ২ ডিসেম্বর ফুলহ্যামের বিরুদ্ধে গোল করে মাত্র ১১১ ম্যাচে পৌঁছান এই মাইলফলকে।

২০২২-২৩ মৌসুমের শুরুতে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার তিন বছরের একটু বেশি সময়ের মধ্যে এই অসাধারণ অর্জন তাঁর পায়ে আসে।

এছাড়া, প্রিমিয়ার লিগে নিজের প্রথম মৌসুমেই গড়া গোল করার রেকর্ডের জন্যও আরেকটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের খেতাব অর্জন করেছেন হলান্ড।

২০২২-২৩ মৌসুমের ৩৮ ম্যাচের প্রিমিয়ার লিগ সংস্করণের মধ্যে এক মৌসুমে সর্বাধিক ৩৬ গোল করার বিরল রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি।

নরওয়েজিয়ান তারকার তৃতীয় রেকর্ড এসেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে, যেখানে ইউয়েফা নেশনস লিগে ১৯ গোল করে হলান্ড হয়েছেন এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ২০২০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বরের মধ্যে তাঁর গোলগুলোকে এই রেকর্ডের জন্য গণনা করেছে।

হলান্ডের চতুর্থ সনদটি এসেছে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে একটি ম্যাচে পাঁচ গোল করার অনবদ্য পারফরম্যান্সের জন্য।

২০২৩ সালের ১৪ মার্চ আরবি লাইপজিগের বিরুদ্ধে ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে পাঁচ গোল করেছিলেন হলান্ড।

এই কৃতিত্বের মাধ্যমে হলান্ড হয়েছেন চ্যাম্পিয়নস লিগের এক ম্যাচে পাঁচ গোল করার মাত্র তৃতীয় খেলোয়াড়।

এছাড়া, এর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগে এক ম্যাচে পাঁচ গোল করার এই অবস্থানে ছিলেন কেবল লিওনেল মেসি এবং লুইজ আদ্রিয়ানো, সেই অভিজাত ক্লাবের সদস্য হয়ে উঠলেন হলান্ডও।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ফুটবল রেকর্ডের সমৃদ্ধ ভাণ্ডারে এই চারটি অসাধারণ অর্জন তুলে ধরেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক ব্যবসায়ীর রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২৫ এম


মাদক ব্যবসায়ীর রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না

মাদক ব্যবসায়ীর রাজনৈতিক পরিচয়কে কোনভাবেই বিবেচনায় নেওয়া হবে না। সে যে দলেরই হোক, বা যত প্রভাবশালীই হোক, মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কাউকে কোনোভাবে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের শিকড় উপড়ে ফেলা হবে এবং এ বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদু কুদ্দুছ চৌধুরী।

এ নিয়ে অনুষ্ঠিত নোয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের হলরুমে বুধবার অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এদিকে, ১৬ আগস্ট থেকে আগামীতে মাদকবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাপক পরিসরে শুরু হবে বলে বৃহস্পতিবার রাতে জানান নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন।

ডিআইজি আবদু কুদ্দুছ বলেন, মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে ধ্বংসই করে না, বরং এটি একটি পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দল, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সাধারণ জনগণকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা কোন দলের সদস্য সেটা বিবেচ্য নয়। মাদক ব্যবসায়ী মানেই অপরাধী। তাদের রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান বা প্রভাব কিছুই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

ডিআইজি আবদু কুদ্দুছ যোগ করে বলেন, মাদকের সঙ্গে যারা সরাসরি জড়িত, তাদের পাশাপাশি অর্থদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদেরও চিহ্নিত করতে হবে। কেবল ছোটখাটো বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করলেই মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। বরং মাদকের সরবরাহব্যবস্থা, অর্থের উৎস এবং যারা বিভিন্নভাবে মাদক ব্যবসাকে সহযোগিতা করে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

ডিআইজি আরও বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান কখনোই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে একটি প্রতিপক্ষকে দমন করার হাতিয়ার হয়ে দাঁড়াবে না। অপরাধের সঙ্গে যার সম্পর্ক পাওয়া যাবে, তাকে তদন্ত এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আইনের আওতায় আনা হবে। একইভাবে নিরপরাধ কাউকে কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না।

সভাটির সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার এম. এন. নাসিরুদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুন অর রশীদ আজাদ, নোয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন, জেলা বিএনপি'র সদস্য শহিদুল ইসলাম কিরণ, জেলা জামায়াত আমির ইসহাক খন্দকার, সেক্রেটারি মাওলানা মো. বোরহানউদ্দিন, নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি লিয়াকত আলি খান, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু প্রমুখ। পাশাপাশি জেলার সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম, আইনজীবী এবং চেম্বার অব কমার্সের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও যোগ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রদ্রিকে পেতে বার্সার দ্বিতীয় প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিল সিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩১ এম


রদ্রিকে পেতে বার্সার দ্বিতীয় প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিল সিটি

বার্সেলোনার জন্য নতুন বাধার সম্মুখীন হয়ে পড়েছে তারা স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিকে দলে ভেড়ানোর প্রক্রিয়ায়। কাতালান ক্লাবটির পক্ষ থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে পাঠানো দ্বিতীয় প্রস্তাবটিও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৬০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও ইংলিশ ক্লাবটি একে পর্যাপ্ত মনে করেনি।

এর আগে স্প্যানিশ তারকার জন্য প্রথম দফায় বার্সেলোনা ৪৫ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব করেছিল, যা সিটি কর্তৃপক্ষ সরাসরি নাকচ করে দেয়। পরবর্তী সময়ে সেই প্রস্তাবটিকে বাড়িয়ে ৬০ মিলিয়ন ইউরো করা হলে সিটির মন গলাতে পারেনি। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রদ্রির ট্রান্সফার ফি বাবদ অন্তত ৭০ মিলিয়ন ইউরো এবং অতিরিক্ত অ্যাড-অনস দাবি করছে ম্যানচেস্টার সিটি।

বার্সেলোনা তাদের প্রস্তাব উন্নত করলেও সিটির দাবীকৃত ৭০ মিলিয়ন ইউরো এবং অ্যাড-অনসের অঙ্কের সঙ্গে কিছুটা ব্যবধান রয়ে গেছে। বর্তমানে রদ্রির সঙ্গে ম্যানচেস্টার সিটির চুক্তির মেয়াদ আর মাত্র এক বছর বাকি রয়েছে। যদি দুই পক্ষ নতুন চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে আগামী গ্রীষ্মে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে কোন ট্রান্সফার ফি ছাড়াই ক্লাব ছাড়তে পারবেন এই স্প্যানিশ তারকা।

চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চললেও রদ্রির মূল্য কমাতে নারাজ সিটি। ক্লাবের কাছে তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। মাঠের অভিজ্ঞতা ও দলের সাফল্যে অবদানের কারণে ইংলিশ ক্লাবটি কাঙ্ক্ষিত অর্থ আদায়ে অনড় রয়েছে। দুই ক্লাবের চাওয়ার মধ্যে আর্থিক ব্যবধান থাকলেও রদ্রিকে নিয়ে হানসি ফ্লিকের দলের আগ্রহ একটুও কমেনি। বরং এই ট্রান্সফারে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো খেলোয়াড়ের নিজের অবস্থান। স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডার নিজে বার্সেলোনাতে যোগ দিতে অত্যন্ত আগ্রহী।

চুক্তির শেষ ১২ মাসে প্রবেশ করার কারণে এবং রদ্রির ব্যক্তিগত ইচ্ছা—এই দুই বিষয় বার্সেলোনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। কাতালান ক্লাবটি আশা করছে, খেলোয়াড়ের নিজে ইচ্ছা শেষ পর্যন্ত ম্যানচেস্টার সিটির অবস্থান নরম করতে এবং ট্রান্সফার সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা, জাতিসংঘের উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ এম


বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা, জাতিসংঘের উদ্বেগ

সম্প্রতি বাংলাদেশের আল-কায়েদার সেল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ সংস্থাটির নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’-এর এক প্রতিবেদনে এ উদ্বেগ তুলে ধরা হয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আফগানিস্তানে আল-কায়েদার অবস্থান ও সক্ষমতা এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। সংগঠনটির ভারতীয় উপমহাদেশীয় শাখা ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ (একিউআইএস)ও খণ্ডিত গোষ্ঠী থেকে ধীরে ধীরে আঞ্চলিক সংগঠনে রূপ নিয়েছে। তারা বড় ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ও বিচ্ছিন্ন সেল গঠন করে রসদ সরবরাহ এবং আর্থিক নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টা করছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মূল্যায়নের ভিত্তিতে এতে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৯ জুন পর্যন্ত আল-কায়েদা ও সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম ও পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আল-কায়েদা ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস)-এর কর্মকাণ্ডের একটি উদাহরণ হিসেবে দিল্লির লাল কেল্লায় হামলার কথা বলা হয়েছে। গত বছরের নভেম্বরের ওই হামলার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটিকে দায়ী করা হয়।

এ প্রসঙ্গে বর্ণনার এক পর্যায়ে বাংলাদেশেও একিউআইএস-এর সেল বা ছোট সাংগঠনিক ইউনিট প্রতিষ্ঠার চেষ্টা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সংগঠনটি বাংলাদেশকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের চেষ্টা করছে।

একিউআইএস এখনও নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত নয় বলে উল্লেখ করেছে স্যাংশনস মনিটরিং টিম। তারা লিখেছে, একিউআইএস ‘ইত্তিহাদ-উল-মুজাহিদিন পাকিস্তান’ বা আইএমপি-এর মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। এই গোষ্ঠীটি বেশ কয়েকটি হামলার জন্য দায়ী। এর মধ্যে গত ৯ মে’র একটি ঘটনা অন্যতম। সেদিন পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বান্নুতে একটি নিরাপত্তা চৌকির কাছে আত্মঘাতী বোমা হামলা ও বিস্ফোরকভর্তি যান বিস্ফোরিত হয়। এতে নিহত হন ২১ জন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, একিউআইএস-এর শীর্ষ নেতৃত্ব আফগানিস্তানের কাবুলে অবস্থান করছে। তাদের তাজকিরা (তালেবানের দেওয়া পরিচয়পত্র) দেওয়া হয়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয়, তালেবান ও একিউআইএস-এর মধ্যে সহযোগিতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে।

মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে হামলা অব্যাহত থাকায় দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক উত্তেজনা বহাল আছে। তালেবান সরকার ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ বা টিটিপিকে সমর্থন দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু প্রকাশ্যে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার কথা অস্বীকার করে আসছে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর উদ্বেগ, এই সংঘাত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। যা এই অঞ্চলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%