ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে: কাদের গনি চৌধুরী


সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে: কাদের গনি চৌধুরী

সাংবাদিকদের সুরক্ষা না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী।

আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

আরও পড়ুন: পূর্বধলা ভূমি অফিসে গ্রিল কেটে চুরি, সিসিটিভিতে নেই ফুটেজ

সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালীর সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এস এম আমিনুল হক চৌধুরী, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারি, সহসভাপতি কামাল হোসেন আজাদ, যুগ্ম সম্পাদক ইকরাম চৌধুরী টিপু, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাফর।

বিএফইউজের মহাসচিব বলেন, স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতা করতে না পারলে দেশ ও গণতন্ত্রের উন্নয়ন সম্ভব নয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রকে সাংবাদিক সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকদের সুরক্ষা না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে।

 

তিনি গণমাধ্যমের সুরক্ষার পাশাপাশি নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: পটুয়াখালী জেলা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে জনতার উপস্থিতি, আলোচনায় কবির শিকদার

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকরা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন। তবে চ্যালেঞ্জ শেষ হয়নি। দেশে সাংবাদিকতার পরিবেশ নানা কারণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।

 

রাজনৈতিক প্রভাব, প্রাতিষ্ঠানিক চাপ ও পেশাগত অনিরাপত্তা—সব মিলিয়ে অনেক সাংবাদিক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ যেমন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে, তেমনি অপসাংবাদিকতা ও পেশাগত দক্ষতার অভাবও বড় সমস্যা। একই সঙ্গে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও কখনো কখনো এমন চাপ তৈরি হয়, যা সাংবাদিকদের নৈতিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত করতে পারে।

আরও পড়ুন: জগন্নাথপুরে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫

বিএফইউজের মহাসচিব বলেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে হলে শুধু নিরাপত্তাই নয়, সাংবাদিকদের ন্যায্য বেতন, কর্মপরিবেশ ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। অধিকাংশ গণমাধ্যম ওয়েজবোর্ড মেনে বেতন দেয় না।

 

অনেক গণমাধ্যমে সাংবাদিকদের বেতন দেন মালিকের ড্রাইভারের বেতনের চেয়েও কম। এসব বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, “আমরা সরকারকে বলেছি ‘নো ওয়েজবোর্ড, নো মিডিয়া’ নীতি কার্যকর করতে। এটা করা গেলে গণমাধ্যমের ভেতরের অনেক নৈরাজ্য দূর করা সম্ভব হবে।”

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে উদ্ধার হলো বিদেশি পিস্তল ও ২ ম্যাগাজিন

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকতা নিছক চাকরি নয়। দেশে গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার, সব ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা এবং বৈষম্য দূর করায় সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। গণমাধ্যমের যদি উচ্চকণ্ঠ না থাকে, তাহলে সমাজে অনেক ধরনের অপরাধ ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতা স্বাধীন ও শক্তিশালী না হলে গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা যায় না। বাংলাদেশের সংবিধানে স্বাধীন বিচার বিভাগের পাশাপাশি স্বাধীন গণমাধ্যমকে আলাদা করে সুরক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত মামলা, নির্যাতন ও হেনস্তার শিকার হচ্ছেন।

সরকারের উদ্দেশে এ সাংবাদিক নেতা বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতা হচ্ছে একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যারা সরকারকে সত্য কথা বলবে। মিডিয়া যা বলছে তা যাচাইয়েরও সরকারের সুযোগ আছে।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের জাতির বিবেক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাতির বিবেক যদি সাংবাদিক হন, আর সেই বিবেকের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র যদি হয় কলম, তাহলে সেই কলম থামিয়ে দেওয়া মানে শুধু একজন সাংবাদিকের কণ্ঠ রোধ করা নয়—এটি সত্য প্রকাশের পথকে সংকুচিত করে।

আরও পড়ুন: বরিশালে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সমাবেশ ও র‌্যালির মাধ্যমে উদযাপন

তিনি বলেন, সাংবাদিকের ওপর আঘাত মানে বিবেকের ওপর আঘাত। একজন সাংবাদিক যখন দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাস, অব্যবস্থাপনা কিংবা মানুষের ওপর অন্যায়ের ঘটনা তুলে ধরেন, তখন তিনি সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করেন। তার প্রতিবেদনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমস্যার বিষয়ে জানতে পারে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু সত্য প্রকাশের কারণে যদি কোনো সাংবাদিক হামলা, হুমকি বা হয়রানির শিকার হন, তাহলে এর প্রভাব শুধু তার ওপরই পড়ে না। এতে অন্য সাংবাদিকদের মধ্যেও ভয় তৈরি হয়।

এ সাংবাদিক নেতা বলেন, সাংবাদিকের হাতে থাকা কলম কোনো ধ্বংসের অস্ত্র নয়। এটি মানুষের কথা বলার, সত্য তুলে ধরার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার মাধ্যম।

তিনি বলেন, সাংবাদিকের কলম মানুষের কষ্টের কথা বলে। এই কলম অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করে। এই কলম মানবিক বাংলাদেশের কথা বলে। এই কলম থামানো যাবে না। এতে রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই সাংবাদিকের কলমকে ভয় না পেয়ে তাকে লিখতে দেওয়া, ক্ষমতাবানদের প্রশ্ন করতে দেওয়া এবং ক্ষমতাবানদের প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য করা রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণের।

তিনি আরো বলেন, ভুলে গেলে চলবে না একটি জাতির উন্নয়ন শুধু অর্থনৈতিক অগ্রগতি বা অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করে না। একটি জাতির প্রকৃত শক্তি তার ন্যায়বোধ, মানবিকতা, জবাবদিহি ও সত্য বলার সাহসের মধ্যে নিহিত। সাংবাদিকরা যদি নিরাপদে কাজ করতে না পারেন, যদি সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন, যদি প্রশ্ন করার কারণে হুমকি পান—তাহলে সমাজে ভয় ও নীরবতার সংস্কৃতি তৈরি হয়।

আরও পড়ুন: আমতলীতে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

বিএফইউজের মহাসচিব বলেন, যখন জাতির বিবেক নীরব হয়ে যায়, তখন অন্যায়কে অন্যায় বলার মানুষও কমে যায়। তাই সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু সাংবাদিকদের স্বার্থ নয়; এটি সাধারণ মানুষের জানার অধিকার রক্ষারও অংশ। কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার সমাধান হতে হবে আইন ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। হামলা, ভয়ভীতি বা চাপ প্রয়োগ করে কোনো সমস্যার সমাধান করা যায় না।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা, জানানো হলো করণীয়-বর্জনীয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা, জানানো হলো করণীয়-বর্জনীয়

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন। শনিবার (২৯ আগস্ট) হাইকমিশন তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য জানায়।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, করণীয় ও বর্জনীয় বিভিন্ন বিষয় অনুসরণের জন্য বিশেষ পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

হাইকমিশনের পোস্টে নির্দেশনা অনুযায়ী করণীয় বিষয়গুলো হলো- কর্মরত দেশের আইন, বিধি-বিধান, কর্মস্থলের নীতিমালা, স্থানীয় সাইবার আইন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিধিনিষেধ এবং ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ মেনে চলা। পরিবার, বন্ধু ও ইতিবাচক যোগাযোগের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করা এবং চাকরি, নিয়োগকর্তা বা কর্মস্থল-সংক্রান্ত তথ্য, ছবি বা ভিডিও শেয়ার করার আগে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণ করা।

 

এছাড়া, অপরিচিত ব্যক্তি, অজানা লিংক, ফাইল বা বার্তার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা এবং প্রতারণা ও ফিশিং থেকে সাবধান থাকা; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য, ছবি বা ভিডিও শেয়ার করার আগে সত্যতা যাচাই করা এবং সন্দেহজনক বা উসকানিমূলক অনলাইন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার বিষয়েও নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

করণীয় বিষয়

হাইকমিশনের পোস্টে উল্লেখিত বর্জনীয় বিষয়গুলো হলো- সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদ বা নিষিদ্ধ সংগঠন-সংশ্লিষ্ট পোস্ট, ছবি, ভিডিও বা বার্তা শেয়ার, লাইক, মন্তব্য প্রচার না করা এবং গুজব, ভুয়া তথ্য বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচার না করা। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন, ইরান-ইসরায়েল বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংঘাত নিয়ে স্থানীয় আইন লঙ্ঘন করতে পারে এমন উসকানিমূলক বা বিতর্কিত পোস্ট শেয়ার বা প্রচার না করার বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে।

 

কর্মরত দেশে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক বা অনলাইন প্রচারণায় অংশগ্রহণ না করা এবং যথাযথ যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা অনলাইন তহবিলে অনুদান না দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

একইসঙ্গে, কর্মস্থল, বিমানবন্দর, বন্দর, সরকারি স্থাপনা বা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত স্থানের ছবি বা ভিডিও ধারণ বা প্রকাশ না করা; নিজের বা অন্যের পাসপোর্ট, ভিসা, জাতীয় পরিচয়পত্র বা আইডি, ব্যাংক তথ্য বা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ না করা; ধর্মীয়, জাতিগত বা বর্ণগত বিদ্বেষ উসকে দিতে পারে এমন পোস্ট, মন্তব্য বা বিতর্কে অংশ না নেওয়া; ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন, অবৈধ ভিসা, দ্রুত আয়ের প্রলোভন বা সন্দেহজনক বিনিয়োগ বা ক্রিপ্টোকারেন্সি-সংক্রান্ত প্রতারণায় জড়িত না হওয়া এবং কোনো অপরাধ, সহিংসতা বা অবৈধ কার্যক্রমকে সমর্থন বা প্রশংসা করে পোস্ট, মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া না দেয়ার বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

 

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য অন্যতম বড় সমস্যা হলো প্রতারণামূলক ও অতিরিক্ত ব্যয়বহুল নিয়োগপ্রক্রিয়া। অনেকের বিরুদ্ধে বৈধ কাগজপত্রের জটিলতার অভিযোগও উঠেছে।

 

বৈধ কাগজপত্র না থাকা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় নিয়মিত অভিযান ও আটকের ঘটনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডার্বির আগে সান্তোসের অনুশীলনে নেই নেইমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


ডার্বির আগে সান্তোসের অনুশীলনে নেই নেইমার

করিন্থিয়ান্সের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ডার্বির আগে সান্তোসের অনুশীলনে নেইমার জুনিয়রকে দেখা যায়নি। ফ্লুর মতো উপসর্গ দেখা দেওয়ার কারণে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটি তাকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রবিবার নিও কুইমিকা এরেনায় করিন্থিয়ান্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে সান্তোস। যদিও নেইমারের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, ক্লাব কর্তৃপক্ষ তার ব্যাপারে আশাবাদী।

সান্তোস একটি বিবৃতিতে জানায়, নেইমারের ফ্লুর মতো উপসর্গের কারণে স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী শুক্রবারের অনুশীলন থেকে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দলের অনুশীলনে ফিরে আসার কথা রয়েছে নেইমারের। এরপরই করিন্থিয়ান্সের বিরুদ্ধে ডার্বির স্কোয়াডে তাকে রাখা হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

চলতি মৌসুমে সান্তোসের আক্রমণভাগে নেইমার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি এখন পর্যন্ত ২৪ ম্যাচে ৯টি গোল করেছেন এবং ৮টি অ্যাসিস্ট প্রদান করেছেন।

নেইমারকে ছাড়া সাম্প্রতিক ম্যাচে সান্তোস কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল। কোপা দো ব্রাসিলের ম্যাচে পালমেইরাসের কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছিল তারা।

কাম্পেওনাতো ব্রাসিলেইরোতে রেলিগেশন অঞ্চল থেকে নিরাপদ থাকতে করিন্থিয়ান্সের মাঠে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের প্রয়োজন সান্তোসের। তাই এই ডার্বিতে নেইমারের উপস্থিতি দলের জন্য একটি বড় স্বস্তি হতে পারে।

করিন্থিয়ান্স ম্যাচের পর সান্তোস কোপা দো ব্রাসিলের কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে পালমেইরাসের মুখোমুখি হবে। প্রথম লেগের ঘাটতি পূরণ করে পরের পর্বে ওঠার লড়াইয়ে নেইমারকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোনারগাঁয়ে অভিযানে গ্রেফতার ১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


সোনারগাঁয়ে অভিযানে গ্রেফতার ১৯

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে পুলিশ ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক দল পৃথক অভিযানে তাদের আটক করে।

পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত ১৯ জনের মধ্যে একজন মাদক মামলায়, ১২ জন মাদকসংক্রান্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলায়, চারজন গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত এবং একজন ছিনতাইয়ের অভিযোগে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক মন্তব্য করেন, অপরাধ দমনের লক্ষ্যে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ওসি আরও জানান, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুংফুতে দাপট দেখালেও কারখানার কাজে এখনও পিছিয়ে চীনা রোবট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


কুংফুতে দাপট দেখালেও কারখানার কাজে এখনও পিছিয়ে চীনা রোবট

কুংফু ও নাচের ক্ষেত্রে চীনা রোবটগুলো চমক দেখালেও, কারখানার বেশিরভাগ কাজে তারা এখনও পিছিয়ে রয়েছে। চীন দ্রুত রোবট তৈরি করছে, তবে বাজারে এর চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে।

 

ফলে, প্রয়োজনের তুলনায় অধিক রোবট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ চীনের একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে শতাধিক হিউম্যানয়েড রোবটকে বিভিন্ন কাজ শেখানো হচ্ছে। প্রশিক্ষকেরা রোবটগুলোকে বাক্স গোছানো, নুডলস প্যাকেট করা এবং কফি তৈরির মতো কাজ শেখাচ্ছেন। তবে, রোবটগুলো এখনও ধীর এবং কিছুটা আনাড়ি।

 

রোবটগুলোকে প্রশিক্ষণ দিতে কন্ট্রোলার ব্যবহার করা হচ্ছে। রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউবিটেক এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের সরকারি চুক্তি পেয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো রোবটকে বাস্তব জগতের কাজ শেখানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ডেটা তৈরি করা।

চীনে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ভবিষ্যতে শ্রমনির্ভর কাজে হিউম্যানয়েড রোবটের চাহিদা বৃদ্ধি পেতে পারে।

 

তবে, এসব রোবট এখনও সাধারণ কাজের জন্য প্রয়োজনীয় বুদ্ধিমত্তা সম্পূর্ণরূপে অর্জন করতে পারেনি। পূর্বনির্ধারিত কাজের বাইরে নতুন পরিস্থিতি তৈরি হলে তারা সমস্যায় পড়ে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের রোবট নির্মাতারা উন্নত হার্ডওয়্যার তৈরি করলেও, রোবটের বুদ্ধিমত্তা এবং বাস্তব কাজের সক্ষমতা এখনও সীমিত। অনেক প্রদর্শনীতে রোবটের নাচ বা বিভিন্ন কৌশল দেখা গেলেও, এসব কাজ আগে থেকেই প্রোগ্রাম করা থাকে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বিশ্বে প্রায় ২০ হাজার হিউম্যানয়েড রোবট সরবরাহ করা হয়েছে।

 

এর ৯৫ শতাংশই ছিল চীনা কোম্পানির তৈরি। চীন এ বছর ১ লাখের বেশি হিউম্যানয়েড রোবট তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে। তবে, প্রযুক্তিটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় এর বুদ্ধিমত্তা, নির্ভরযোগ্যতা, কর্মদক্ষতা এবং উৎপাদন খরচ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সরকারি ভর্তুকি এবং বিনিয়োগের কারণে উৎপাদন দ্রুত বাড়লেও, প্রকৃত বাজার চাহিদা এখনও সীমিত।

কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, মানুষের মতো দেখতে হিউম্যানয়েড রোবট সব কাজের জন্য অর্থনৈতিকভাবে কার্যকর নয়। নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি রোবটিক হাত তুলনামূলকভাবে সস্তা, নির্ভরযোগ্য এবং শিল্পকারখানায় ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিশ্লেষক পো ঝাও বলেন, বর্তমানে হিউম্যানয়েড রোবট ব্যাপকভাবে ব্যবহারের মতো অর্থনৈতিক সুবিধা তৈরি হয়নি। তবে, বিনিয়োগকারীরা ভবিষ্যতে এসব রোবটের ব্যবহার বাড়বে, এই আশায় বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছেন।

মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইন্টারকানেক্টেড ক্যাপিটালের কেভিন শু বলেন, ভবিষ্যতে এই খাতে অনেক কোম্পানি টিকে থাকতে না পারায় একীভূতকরণ বা কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে।

চীনের জাতীয় উন্নয়ন ও সংস্কার কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে ১৫০টির বেশি হিউম্যানয়েড রোবট কোম্পানি রয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে চীনের বিভিন্ন পর্যায়ের সরকার হিউম্যানয়েড রোবট এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম কিনতে অন্তত ২৩ কোটি ডলার খরচ করেছে। এক বছর আগে একই সময়ে এই ব্যয় ছিল ৬ কোটি ২০ লাখ ডলার।

চীন বিভিন্ন এলাকায় হিউম্যানয়েড রোবটের প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান স্টেট গ্রিডও বিদ্যুৎ সঞ্চালনব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজে হিউম্যানয়েড রোবট, রোবটিক ব্যবস্থা এবং রোবট কুকুর ব্যবহারে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

শেনঝেন শহর আগামী বছরের মধ্যে হিউম্যানয়েড ও ‘এমবডিড এআই’ প্রযুক্তি নিয়ে ১ হাজার ২০০টির বেশি কোম্পানির একটি ১৫ বিলিয়ন ডলারের শিল্পকেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে।

চীনে হিউম্যানয়েড রোবট খাতে বড় বিনিয়োগের ফলে কম খরচে সরবরাহব্যবস্থা তৈরি এবং দ্রুত প্রশিক্ষণ ডেটা সংগ্রহের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তবে, অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে ভবিষ্যতে বাজারে বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

নিউইয়র্কের এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউটের গবেষক লিজ্জি লি বলেন, সরকারি ভর্তুকি এবং অতিরিক্ত উৎপাদনের ফলে প্রতিযোগিতা বাড়ে এবং দাম কমে যায়। এতে অনেক কোম্পানি শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউবিটেক এবং ইউনিট্রির মতো কয়েকটি চীনা কোম্পানি এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ভালো অবস্থানে রয়েছে। ইউনিট্রি ১৯ আগস্ট সাংহাই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর প্রথম দিনেই এর শেয়ারের দাম পাঁচ গুণের বেশি বেড়ে যায়। এতে কোম্পানিটির বাজারমূল্য প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। পরে অবশ্য দাম কিছুটা কমে।

চীনে হিউম্যানয়েড রোবটের বাজার এখনো অনেকটাই সরকারি ক্রয় এবং ভর্তুকির ওপর নির্ভরশীল। বেইজিংয়ের ই-টাউন এলাকায় রোবট কোম্পানিগুলোকে বিক্রয় ভর্তুকি, বিনামূল্যে কর্মস্থল এবং অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তবে, সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ডিপ রোবোটিক্সের গত বছরের ৪২ লাখ ডলার নিট লাভের প্রায় ৪২ শতাংশই এসেছিল সরকারি ভর্তুকি থেকে।

এদিকে, ইউবিটেক গত বছরের শেষ তিন মাসে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে অন্তত ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলারের নতুন চুক্তি পেয়েছে। প্রতিযোগিতা বাড়ায় হিউম্যানয়েড রোবটের দামও কমছে। মরগ্যান স্ট্যানলির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে রোবটের গড় দাম আরো ১৫ শতাংশ কমতে পারে।

নাচের রোবটের ভাড়াও কমেছে। প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত এসব রোবট এখন দিনে ৪৪০ থেকে ৬০০ ডলারে ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে গত বছর ভাড়া ছিল প্রায় ১ হাজার ৫০০ ডলার।

চীনে হিউম্যানয়েড রোবটের ব্যবহার এবং উৎপাদন দ্রুত বাড়ছে। নাচ এবং বক্সিংয়ের মতো প্রদর্শনীর মাধ্যমে এসব রোবট জনপ্রিয় হলেও, বাস্তব কর্মক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতা নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক কাজে প্রচলিত রোবটিক আর্ম এখনও হিউম্যানয়েডের চেয়ে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য।

শাওমির বেইজিংয়ের বৈদ্যুতিক গাড়ির কারখানায় অ্যাসেম্বলি কাজের ৯১ শতাংশ স্বয়ংক্রিয়। সেখানে ৭০০টির বেশি শিল্প রোবট কাজ করছে। শাওমি হিউম্যানয়েড রোবটকে নাট লাগানোর মতো কাজে প্রশিক্ষণ দিলেও, উৎপাদন লাইনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখনও প্রচলিত রোবট এবং স্বয়ংক্রিয় যানবাহনই করছে।

হিউম্যানয়েড রোবটের কিছু বাণিজ্যিক ব্যবহারও শুরু হয়েছে। চীনা প্রতিষ্ঠান গ্যালবট দুই ডজনের বেশি শহরের ফার্মেসিতে রোবট ব্যবহার করছে। বেইজিংয়ের একটি ফার্মেসিতে রোবট ডিজিটাল অর্ডার পাওয়ার পর শেলফ থেকে ওষুধ তুলে প্রস্তুত করে। কোম্পানির দাবি, এসব রোবটের সফলতার হার ৯৫ শতাংশের বেশি।

তবে, হিউম্যানয়েড রোবটের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। আলো, বস্তু বা সরঞ্জামের অবস্থান সামান্য বদলালেই অনেক সময় রোবট কাজটি ঠিকভাবে করতে পারে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের মতো পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করার সক্ষমতা তৈরি করতে আরও অনেক উন্নত প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। এ জন্য চীন বিপুল পরিমাণ প্রশিক্ষণ ডেটা সংগ্রহের চেষ্টা করছে। বিশ্লেষক পো ঝাওয়ের মতে, বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ ঘণ্টার উচ্চমানের প্রশিক্ষণ ডেটা রয়েছে, অথচ উন্নত শারীরিক বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রায় ১০ কোটি ঘণ্টার ডেটা প্রয়োজন।

চীনে রোবটের সংখ্যা বাড়লেও, বাজারে অতিরিক্ত উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। অনেক বিনিয়োগকারী এবং উদ্যোক্তা মনে করছেন, ২০২৬ সালের শেষ দিকে বা ২০২৭ সালে এ খাতে বড় ধরনের একত্রীকরণ শুরু হতে পারে। সরকারি ভর্তুকি কমে গেলে দুর্বল কোম্পানিগুলো টিকে থাকতে নাও পারে।

চীনের শক্তিশালী সরবরাহব্যবস্থা এবং সরকারি সহায়তার কারণে রোবটের যন্ত্রাংশের দাম দ্রুত কমছে। তবে, এর ফলে কোম্পানিগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, অনেক কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলেও চীনের রোবটের সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী থাকতে পারে।

চীনের হিউম্যানয়েড রোবটের বাজার এখনো অনেকটাই সরকারি ক্রয় এবং ভর্তুকির ওপর নির্ভরশীল। বেইজিংসহ বিভিন্ন শহর রোবট কোম্পানিকে বিক্রয় ভর্তুকি, বিনামূল্যে কর্মস্থল এবং অন্যান্য সুবিধা দিচ্ছে।

সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরতার বিষয়টি কোম্পানিগুলোর আর্থিক তথ্যেও দেখা যাচ্ছে। ডিপ রোবোটিক্সের গত বছরের ৪২ লাখ ডলার নিট লাভের প্রায় ৪২ শতাংশ এসেছে সরকারি ভর্তুকি থেকে। অন্যদিকে, ইউবিটেক গত বছরের শেষ তিন মাসে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে অন্তত ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলারের নতুন চুক্তি পেয়েছে।

প্রতিযোগিতা বাড়ায় হিউম্যানয়েড রোবটের দামও কমছে। মরগ্যান স্ট্যানলির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে রোবটের গড় দাম আরো ১৫ শতাংশ কমতে পারে। প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত নাচের রোবটের ভাড়াও গত বছরের প্রায় ১ হাজার ৫০০ ডলার থেকে কমে বর্তমানে দিনে ৪৪০ থেকে ৬০০ ডলারে নেমেছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের হিউম্যানয়েড রোবট এখনো ধীর এবং ত্রুটিপ্রবণ। লিউঝৌর একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের এক কর্মীর দাবি, সাধারণ কাজে রোবটগুলো এখনো মানুষের গতি এবং দক্ষতার প্রায় ২০ শতাংশে কাজ করতে পারে। তবে, আগামী দুই থেকে তিন বছরে এই ব্যবধান অনেকটাই কমে আসতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%