১০:০৪ এম
ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই ব্রাজিল তাদের আধিপত্য প্রদর্শন করলেও হাইতি টুকরো টুকরো হয়ে পড়েনি। বরং তারা সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণের জন্য প্রস্তুত ছিল।
পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, সম্পূর্ণ ম্যাচে ব্রাজিল ৯টি শট নিলেও হাইতির শট ছিল ৮টি। লক্ষ্যভেদী শটের ক্ষেত্রে পার্থক্য খুব বেশি ছিল না। এতে সুস্পষ্ট, স্কোরলাইনের চেয়ে ম্যাচের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল অবিস্মরণীয়।
প্রথমার্ধে ম্যাথেউস কুনহার দুটি গোল এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি গোল হাইতিকে পিছিয়ে দিয়েছে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে, হাইতি আরও সংগঠিত হয়ে আক্রমণে মনোযোগ কেন্দ্রিত করে। কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করলেও তারা গোলের দেখা পায়নি।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী
বিশেষ করে, তাদের মধ্যমাঠ থেকে বল এগিয়ে নেওয়া এবং দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক ছিল হাইতির মূল শক্তি। ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে এই সাহসী ফুটবলই হাইতির জন্য ইতিবাচক হিসেবে স্বীকৃত হচ্ছে।
আক্রমণ বনাম আক্রমণ: পরিসংখ্যানের আড়ালে আসল লড়াই
ফুটবল মহাতারকাদের নিয়ে গড়া ব্রাজিলের আক্রমণভাগের সামনে হাইতি সহজেই হারতে পারে—এমন ধারণা ছিল ম্যাচের আগে অনেকের। কিন্তু প্রথমার্ধে ৩ গোল খেয়ে পিছিয়ে যাওয়ার পরও দমে যায়নি সেবাস্টিয়ান মিগনের শিষ্যরা। বরং দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলকে বোতলবন্দী করে তারা একের পর এক আক্রমণ করেছে।
ম্যাচ শেষে পরিসংখ্যান দেখালে, হাইতির সাহসী ফুটবলের চিত্র পরিষ্কারভাবে ফুটে ওঠে:
আরও পড়ুন: সাদমানের ফিফটির পর এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন শান্ত
মোট শট: ব্রাজিল ৯, হাইতি ৮
টার্গেটে শট: ব্রাজিল ৫, হাইতি ৪
বল দখল: ব্রাজিল ৫৭%, হাইতি ৪৩%
কর্নার: ব্রাজিল ৪, হাইতি ৪
আরও পড়ুন: আটঘরিয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস খেলোয়াড় বাছাই পর্বের উদ্বোধন
পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে বলছে, বল দখলে ব্রাজিল কিছুটা এগিয়ে থাকলেও গোলমুখে আক্রমণের ক্ষেত্রে ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্সকে ব্যস্ত রাখতে হাইতি বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়নি। বিশেষ করে কর্নার এবং অন-টার্গেট শটের ক্ষেত্রে তারা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সমকক্ষ ছিল।
ম্যাচের ৬৬তম মিনিটে হাইতিয়ান স্ট্রাইকার রুবেন প্রভিডেন্সের ১৫ মিটার দূর থেকে নেওয়া ডান পায়ের জোরালো শটটি ব্রাজিলের রক্ষণভাগে ডিফ্লেক্ট হয়ে পোস্টের সামান্য বাইরে গিয়ে পড়ে। যদি এটি গোল হত, তবে ম্যাচের ভাগ্য অন্যরকম হতে পারত। এছাড়া, জোসু ক্যাসিমির ইনজুরির সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও মাঠে ফিরে ব্রাজিলের ডিফেন্ডার মারকুইনহোস ও গ্যাব্রিয়েল মাগাহায়েসকে যে চাপে রেখেছিলেন, তা ছিল দেখার মতো।
মাঝমাঠে ড্যানলি জিন জ্যাকুয়েস এবং জিন-রিকনার বেলগার্ডেরা শারীরিক শক্তির ফুটবলে ব্রুনো গিমারায়েস ও ক্যাসেমিরোর মতো তারকাদের কঠিন পরীক্ষা নিয়েছেন। ব্রাজিলের গোলরক্ষক আলিসন বেকারকে বেশ কিছু দুর্দান্ত সেভ করতে হলে হাইতি এই ম্যাচে অন্তত ১ বা ২টি গোল পেতেই পারত।
আরও পড়ুন: জেমস অ্যান্ডারসন ইতালির টি-টেন দলের সহ-মালিক হলেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন