০২:৩৩ পি.এম
ভারতের রাজস্থানের জয়পুরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাদের ওপর হামলা করেছে একটি দল দুর্বৃত্ত।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) জয়পুরের বাগরু এলাকার একটি সরকারি স্কুলের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে যাওয়ার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা যায়, সিজেপির সহপ্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কার নেতৃত্বে একটি দল স্কুল পরিদর্শনে বাগরু গ্রামে যাচ্ছিল। এসময় তাদের বহনকারী গাড়িটি ঘিরে ধরে দুর্বৃত্তরা। তারা দলীয় নেতাদের লক্ষ্য করে ‘শহুরে নকশাল’, ‘জাতীয়তাবিরোধী’ ও ‘পাকিস্তানি’ বলে স্লোগান দিতে শুরু করে। একপর্যায়ে সিজেপির বেশ কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয়, যার ফলে তারা স্কুলে না গিয়ে সেখান থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হন।
আরও পড়ুন: কংগ্রেসকে পরজীবী ও রাহুলকে ব্যর্থ পণ্য আখ্যা দিলেন নরেন্দ্র মোদি
এই হামলার পেছনে ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলে সিজেপি। দলের নেতা আশুতোষ রাঙ্কা জানান, স্থানীয় গ্রামবাসীদের অনুরোধে তারা সেখানে গিয়েছিলেন। কারণ দীর্ঘদিন ধরে একটি গোয়ালঘরের ভেতর ওই সরকারি স্কুলের পাঠদান কার্যক্রম চলছে।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের রাঙ্কা বলেন, “স্কুল পরিদর্শনের বিষয়ে আমরা আগেই পুলিশকে অবহিত করেছিলাম। কিন্তু বিজেপির সন্ত্রাসী বাহিনী সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নিচ্ছিল। আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের মারধর করা হয়েছে, গাড়ি ও মোবাইল ভেঙে পড়েছে। এমনকি এক নারী কর্মীকেও হেনস্তা করা হয়। এই হামলায় আমাদের একজন সদস্যের হাতে গুরুতর চোট লেগেছে এবং আমার শার্ট ছিঁড়ে গেছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিজেপির স্থানীয় এক কাউন্সিলর বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে এনে এই হামলা চালিয়েছে এবং হামলাকারীদের মধ্যে অর্থ বিতরণ করেছেন। তবে এই ঘটনার জন্য তিনি স্থানীয় গ্রামবাসীদের দায়ী না করার অনুরোধ জানান।
অন্যদিকে, স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক (এমএলএ) স্বামী বালমুকুন্দাচার্য সিজেপির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, মূলত স্থানীয় গ্রামবাসীই এই সফরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। সিজেপির নেতারা শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে চাইছিলেন বলেই গ্রামবাসী তাদের প্রতিহত করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের গোয়াদরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ৩ সন্ত্রাসী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন