ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম মেলার উদ্বোধন


চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম মেলার উদ্বোধন

জেলায় তিন দিনব্যাপী আম মেলার উদ্বোধন আয়োজন করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী মেলার উদ্বোধন করেন।

জেলা প্রশাসক তার বক্তৃতায় বলেন, দেশের কৃষি অর্থনীতিতে আম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফল। দেশে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের চাহিদা ব্যাপক। এই চাহিদা আরও বৃদ্ধি করতে হলে কৃষকদের নিরাপদ ও রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনে সচেতনতা বাড়াতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং উন্নত পরিচর্যার মাধ্যমে আমের গুণগত মান বহুগুণে বৃদ্ধি করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: নারায়ণ জেলার গার্মেন্টস সেক্টরে আন্দোলনের শিথিল রাখার অঙ্গীকার জেলা প্রশাসক

জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে মঞ্চের সামনে জেলা কৃষি অধিদপ্তর আয়োজিত মেলায় ১১টি স্টলে ২ শতাধিক বিভিন্ন জাতের আমসহ অন্যান্য বিভিন্ন জাতের ফল প্রদর্শন করা হয়।

পরে, মঞ্চে রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলী। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুনাইন বিন জামান।

এসময়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বিপ্লব কুমার মজুমদার, জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম জাকারিয়াসহ কৃষি অফিসের কর্মকর্তাসহ কৃষক ও কৃষানীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় তরুণদের নেতৃত্বকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে: চসিক প্রশাসক

আয়োজকরা জানান যে, তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্দেশ্য হলো দেশীয় ফল সবার কাছে পরিচিত করা এবং পাশাপাশি উন্নত জাতের ফল চাষাবাদে কৃষকরা উপকৃত হবে। মেলায় হর্টিকালচার থেকে উৎপাদিত বিভিন্ন ফলের চারা ও আচার প্রদর্শন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে কৃষকদের মাঝে নারকেল চারা ও সার বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


গোপালগঞ্জে কৃষকদের মাঝে নারকেল চারা ও সার বিতরণ

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, জেলা মুকসুদপুরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে নারকেল গাছের চারা ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

মুকসুদপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে, আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবিরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আয়শা সিদ্দিকা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছালাম খান।

বক্তারা বলেন, উন্নত জাতের এ চারা ও সার বিতরণের ফলে বিনামূল্যে অঞ্চলের কৃষকরা দারুণভাবে উপকৃত হবেন।

এটি দীর্ঘমেয়াদে দেশের ফলজ উৎপাদন বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারেকুল ইসলাম রাজু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান মিন্টু, উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ রুহুল কুদ্দুস আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায়, উন্নত জাতের ফসল ও ওষুধি বৃক্ষের আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

উপজেলার মোট ৩৬০ জন কৃষক ও উপকারভোগীর মাঝে ১ হাজার ৮শ উন্নত জাতের নারকেল গাছের চারা ও প্রয়োজনীয় সার বিতরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘২২ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে প্রাথমিক গোল্ড কাপ ফুটবল, ৫০ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


‘২২ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে প্রাথমিক গোল্ড কাপ ফুটবল, ৫০ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা’

প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে এবার সারা দেশের ২২ লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এই তথ্য জানিয়েছেন। আগামী ২০ জুন জাতীয় আর্মি স্টেডিয়ামে এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ফাইনাল ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র এসব তথ্য তুলে ধরেন। মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন অনুযায়ী পাঠ্যক্রমের বাইরেও শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে এমন বহুমুখী কর্মকাণ্ড শুরু করা হয়েছে। গত ৬ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে আড়াই মাসব্যাপী চলা এই প্রতিযোগিতায় দেশের ৬৫ হাজার ৩৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১১ লাখের বেশি ছেলে ও ১১ লাখের বেশি মেয়ে শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে।

তৃণমূল তথা গ্রাম পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় অতিক্রম করে শিক্ষার্থীরা এখন ঢাকার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সরকারের লক্ষ্য হলো, আগামীতে এই সংখ্যা বাড়িয়ে অন্তত ৫০ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। শিশুদের এই ক্রীড়া কার্যক্রমে অনুপ্রাণিত করতে সংবাদমাধ্যমকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন সংস্কারের কথা তুলে ধরে, উপদেষ্টা জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ শ্রেণি থেকে ‘স্পোর্টস’ (ক্রীড়া) ও ‘কালচার’ (সংস্কৃতি) নামে দুটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং তাদের মধ্যে টিম স্কিল, ডিসিপ্লিন ও ইন্টারপার্সোনাল স্কিল তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করা।

এছাড়া আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষা কার্যক্রম চালু হবে। এই কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা পুথিগত বিদ্যার বাইরের আনন্দঘন পরিবেশে শিখে যাবে। একই সঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে সবার জন্য ‘টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন’ বা কারিগরি শিক্ষা তাত্ত্বিকভাবে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। যা অষ্টম শ্রেণি থেকে ল্যাব স্থাপনের মাধ্যমে ব্যবহারিক রূপ পাবে।

তিনি আরও জানান, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত ‘স্টার্ট-আপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ প্রতিযোগিতায় ইতিমধ্যে ৩৬ হাজার শিক্ষার্থী ও ২৪ হাজার শিক্ষকের সমন্বয়ে ১২ হাজার টিম অংশগ্রহণ করেছে। এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব আগামী ২৯ জুন বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী সেখানেও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেরা ১০০টি টিমকে মূল্যায়ন ও পুরস্কৃত করবেন। একই অনুষ্ঠানে একযোগে দেশের ২৯ হাজার ৬৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভার্চুয়ালি ও ফিজিক্যালি বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তায় এবং বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী জাতি বিনির্মাণের ইতিবাচক উদ্যোগ, যেমন—বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, গণশিক্ষা ও শিশু-কিশোরদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। সরকার একটি সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা চায় না, বরং এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নাগরিক মূল্যবোধ, সামাজিকতা, নৈতিকতা ও বলিষ্ঠ চরিত্র সৃষ্টি হবে। এই লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গার্লস গাইড, বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিতর্ক, বিজ্ঞান উৎসব ও নতুন কুঁড়ির মতো দেশব্যাপী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শহর ও গ্রামের শিক্ষার বৈষম্য কমিয়ে আনতে দুই মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“আইওএমের নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


“আইওএমের নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশন ড. লরা টম্ বন্দ। এ সাক্ষাৎকালে, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেন।

এই সাক্ষাৎ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) অনুষ্ঠিত হয়।

এতে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মন্তব্য করেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে ড. লরা টম্ বন্দকে বাংলাদেশে আইওএম-এর চিফ অব মিশন হিসেবে স্বাগত জানাই। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও আইওএম-এর মধ্যকার দৃঢ় অংশীদারি আরো এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করি।’

ড. টম্ বন্দ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করছেন, যখন বাংলাদেশ বহুমাত্রিক অভিবাসন বাস্তবতার মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে।

একদিকে নিরাপদ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসনের সুযোগ সম্প্রসারিত হচ্ছে, অন্যদিকে মায়ানমারে সহিংসতার কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে পালিয়ে আসা ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ, যা বিশ্বের দীর্ঘমেয়াদি বাস্তুচ্যুতি সংকটগুলোর মধ্যে অন্যতম।

ড. টম্ বন্দ বলেন, ‘বাংলাদেশের সামগ্রিক অভিবাসন পরিস্থিতি অত্যন্ত গতিশীল এবং এতে যেমন সুযোগ রয়েছে, তেমনি চ্যালেঞ্জও রয়েছে। আমি সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী, যাতে অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষিত থাকে এবং সুশাসিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অভিবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে অভিবাসন টেকসই উন্নয়নে অর্থবহ অবদান রাখতে পারে।’

বাংলাদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা ও লবণাক্ততার অনুপ্রবেশসহ জলবায়ুজনিত বিভিন্ন ঝুঁকি বিদ্যমান রয়েছে।

এ কারণেই সৃষ্ট বাস্তুচ্যুতি ও দুর্যোগের বিষয়টি উল্লেখ করে নতুন চিফ অব মিশন নিয়মিত অভিবাসনের পথ সম্প্রসারণের পাশাপাশি জলবায়ুজনিত অভিবাসন মোকাবেলায় সমন্বিত সরকারি ও আঞ্চলিক উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে আইওএম-এর সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

আইওএম-এর চিফ অব মিশন অভিবাসনের পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা প্রদানে সংস্থাটির অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে নিরাপদ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসন জোরদার করা, স্বাস্থ্য ও প্রাক-বহির্গমন সেবা উন্নত করা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসীদের সুরক্ষা ও পুনঃএকত্রীকরণে সহায়তা প্রদান।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, আইওএম রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলাকে অগ্রাধিকার হিসেবে অব্যাহত রাখবে এবং কক্সবাজারে জীবনরক্ষাকারী সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় জনগণেরও সহায়তা করবে।

কানাডার নাগরিক ড. লরা টম্ বন্দ এর আগে সাড়ে ছয় বছর মোজাম্বিকে আইওএম-এর চিফ অব মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনা প্রণয়নে কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ পি.এম


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনা প্রণয়নে কর্মশালা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে, শিক্ষা এবং গবেষণার উৎকর্ষ সাধনের জন্য এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে ‘একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ফর ঢাকা ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ কর্মশালা বৃহস্পতিবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম কর্মশালাটির সভাপতিত্ব করেন। এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল মোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, শিক্ষকবৃন্দ এবং কর্মকর্তারা।

কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাবিত ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনার একটি প্রাথমিক রূপরেখা উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাহাদৎ হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. হাসিনা খান এবং অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদুর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন সহ বিভিন্ন জাতীয় অর্জনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অমূল্য। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে একটি দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যাবশ্যক।

উপাচার্য এও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের মেধা, দক্ষতা এবং সম্ভাবনা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এসব সম্পদের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে আগামী কয়েক দশকের উন্নয়ন-পরিকল্পনা প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়। তিনি উল্লেখ করেন, পরিকল্পনাটি এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে, যা সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকতে সক্ষম হবে এবং ধারাবাহিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি কর্মশালার অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে গঠনমূলক মতামত ও সুপারিশ প্রদানের জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি কার্যকর ও ভবিষ্যতপ্রবণ একাডেমিক রূপরেখা তৈরি করা সম্ভব হবে, যা আগামী দুই দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষকবৃন্দ প্রস্তাবিত পরিকল্পনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতামত ও সুপারিশ প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%