০২:৩২ এম
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, পাকিস্তান ও কাতারসহ বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান এই মুহূর্তেও চলছে। তবে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তা রক্ষা করা।
অস্ট্রিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ওআরএফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসমাইল বাঘাই অভিযোগ করেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করতে সমঝোতা স্মারকের অধীনে ইরান নির্ধারিত সময়সীমা মেনে চলছিল। কিন্তু ৩০ দিনের সময় শেষ হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সামরিক হামলা চালায় এবং কয়েকটি কথিত নৌ-ঘটনাকে হামলার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে।
তিনি আরও বলেন, গত এক বছরে এটি তৃতীয়বারের মতো, যখন কূটনৈতিক আলোচনা চলাকালেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থা রাখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ
বাঘাই আরও অভিযোগ করেছেন, সমঝোতা স্মারকে থাকা শর্ত অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের জব্দ করা সম্পদ মুক্ত করে দেওয়ার কথা থাকলেও ওয়াশিংটন এখনও সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারেনি।
তবে এই সমস্ত উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ইসমাইল বাঘাই। তিনি আরও বলেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও ইরান তার জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন