মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩৫ পি.এম
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, বলেছেন, "প্রচলিত আইনকানুন মেনে সবাই মিলে দেশের উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করা, সুখে-শান্তিতে মিলেমিশে থাকা এবং মৌলিক অধিকার নির্বিঘ্নে ভোগ করাই গণতন্ত্রের আসল রূপ।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিএনপি শুরু থেকেই এই সুস্থ ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা লালন করে আসছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী অতীতের সরকারের সময়কালের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, "বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের সভা-সমাবেশ পণ্ড করতে ১৪৪ ধারা জারি এবং নির্মম নির্যাতন পরিচালনা করেছিল।" তবে তিনি দাবি করেন যে, শত অত্যাচার ও ধকল সয়ে হাটহাজারীর মাটিতে দাঁড়িয়ে বিএনপি পরিবার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে আসছে। তিনি বলেন, "দেশের জনগণ যেমন অতীতে পাশে ছিল, তেমনি বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।"
তিনি আরো বলেন, "বহুদলীয় গণতন্ত্রের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নীতি অনুসরণ করে বাংলাদেশে এই চর্চা অব্যাহত রাখতে কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি।" প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বিএনপি শুধুমাত্র সরকার হিসেবেই নয়, দলীয়ভাবেও দেশকে যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মুখ থেকে রক্ষা করতে প্রস্তুত। তিনি আশ্বাস দেন যে, বিগত সরকারের জঘন্য অত্যাচার ও অন্যায়ের অশুভ পুনরাবৃত্তি ভবিষ্যতে আর কখনোই ঘটার সুযোগ দেওয়া হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের (ইফা) নতুন বোর্ড অব গভর্নরস গঠন করা হয়েছে। এই নতুন বোর্ডে দেশের বিশিষ্ট আলেমদের মধ্যে কয়েকজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে নতুনভাবে তিনজন আলেম গভর্নর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। উল্লেখ্য, পদাধিকারবলে চার গভর্নরের মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যও রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশন আইন ১৯৮৩-এর ৬(১) ধারা অনুযায়ী ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংস্থা-১ শাখা থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, ধর্মমন্ত্রী পদাধিকারবলে বোর্ড অব গভর্নরসের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া, পদাধিকারবলে গভর্নর হিসেবে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক। মহাপরিচালক বোর্ডের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
নতুন বোর্ডে সরকার মনোনীত দুই সংসদ সদস্যও গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তারা হলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার এবং কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
নতুন বোর্ডে দেশের প্রখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত ও ধর্মীয় তাত্ত্বিকদের মধ্যে পাঁচজন আলেমকে গভর্নর হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন নতুনভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। নতুন যুক্ত তিন আলেম হলেন—জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা, ঢাকার মুহতামিম মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী; মারকাজুল হুদা আল-ইসলামী বাংলাদেশের মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মুফতি আজহারুল ইসলাম এবং নূরে মদিনা আল-আরাবিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও যাত্রাবাড়ীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের খতিব, সম্মিলিত ইমাম-খতিব পরিষদের মহাসচিব মুফতি শরীফ উল্লাহ।
এছাড়া বোর্ডে পূর্ব থেকে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক এবং চরমোনাই আহসানাবাদ রশীদিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পদাধিকারবলে নিযুক্ত গভর্নর ছাড়া অন্যান্য গভর্নরদের মেয়াদ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে তিন বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তবে তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পরেও তাদের স্থলে সরকার নতুন গভর্নর মনোনয়ন না দেওয়া পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করে যাবেন।
এছাড়া, সরকার প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় পদাধিকারবলে নিযুক্ত গভর্নর ছাড়া অন্য গভর্নর বা গভর্নরদের পরিবর্তন কিংবা তাদের পদ শূন্য ঘোষণা করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর সদর উপজেলার হোগলপাতিয়া গ্রামের আল আকসা জামে মসজিদের ইমামের থাকার কক্ষে বিকট বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণে কক্ষটির টিনের বেড়া ও চালার একাংশ উড়ে গেছে। পুড়ে গেছে ঘরে থাকা আসবাবসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে মালেক আকনের বাড়িতে অবস্থিত আল আকসা জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ আকাশ দুই দিন আগে ছুটিতে বাড়িতে যান। এরপর থেকে তাঁর থাকার কক্ষটি তালাবদ্ধ ছিল। কক্ষটির চাবি ছিল মসজিদ কমিটির কয়েকজন সদস্যের কাছে।
মঙ্গলবার বিকেলে আসরের নামাজ শেষে মুসল্লিরা মসজিদ থেকে বাড়ি ফিরে যান। এর কিছুক্ষণ পরই তালাবদ্ধ ওই কক্ষের ভেতর থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। শব্দ পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তাঁরা দেখতে পান, বিস্ফোরণের কারণে কক্ষটির টিনের চাল ও বেড়ার একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরের ভেতরে থাকা বিভিন্ন মালামালও পুড়ে গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ধারণা, কক্ষটির ভেতরে আগে থেকেই কোনো ধরনের বিস্ফোরক রাখা থাকতে পারে। তবে কে বা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে সেখানে বিস্ফোরক রেখেছে, সে বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত নন।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আকন বংশের লোকজন মসজিদের ভেতরে বোমা রেখে থাকতে পারেন। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের দাবি জানান।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাকিম আকন। তিনি বলেন, “মসজিদের মতো পবিত্র স্থানে কে বা কারা বোমা রেখেছে, আমরা জানি না। আমাদের ফাঁসানোর জন্য কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। প্রশাসনের কাছে আমরা সঠিক তদন্তের দাবি জানাই।”
মসজিদ কমিটির সদস্য মালেক আকন বলেন, “ইমামের থাকার কক্ষে কে বা কারা বিস্ফোরক রেখেছে, তা আমরা জানি না। নামাজরত অবস্থায় বোমাটি বিস্ফোরিত হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছেন। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তদন্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।”
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কে বা কারা এবং কী কারণে সেখানে বোমা রেখেছে, তদন্ত শেষে তা জানা যাবে। এটি নাশকতার ঘটনা কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামত ও বিস্ফোরণের ধরন পর্যালোচনা করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্ফোরণের উদ্দেশ্য বা এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘বিএনপির ৪৮ বছরের অর্জন জনগণের অর্জন—মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার অর্জন। কাজেই বিএনপিতে গর্ব করার আছে।
বিএনপিতে কোনো হতাশা নেই, বিএনপির ভবিষ্যৎ আছে। বিএনপি ভবিষ্যতের কথা বলে, বিএনপি জনগণের কথা বলে, আগামীর বাংলাদেশের কথা বলে।’
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দিনাজপুর শহরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘যারা আজ সার ও বিদ্যুৎ নিয়ে নানা কথা বলছেন এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চান, তাদের আশ্বস্ত করতে চাই।
দিনাজপুর কৃষির জন্য বিখ্যাত একটি অঞ্চল। বাংলাদেশের চাল উৎপাদনের প্রায় ১৯ শতাংশ দিনাজপুরে উৎপাদিত হয়। বর্তমান সরকার দিনাজপুরের প্রত্যেক কৃষক যেন সময়মতো সার পান, সে ব্যবস্থা করেছে। তাই সার নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ তো শেখ হাসিনার তৈরি করা সমস্যা। তারা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছেন, কিন্তু এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র কিভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’
জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের নামে মেগাপ্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, আর হয়েছে মেগালুটপাট। কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে গ্যাস, কয়লা ও তেলের প্রয়োজন—এর কোনো ব্যবস্থা করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন মন্তব্য করেছেন, দেশের বর্তমান দুর্দশা-দুর্দিনে বিএনপিই জাতির পথের দিশা। তিনি উল্লেখ করেছেন, অতীতে দেশের যেকোনো সংকটের সময় বিএনপি পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
বাগাতিপাড়া উপজেলা বিএনপি কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ফারজানা শারমীন বলেন, দেশের জনগণের ওপর যখনই দুর্দশা নেমে এসেছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে, তখন বিএনপি দেশ ও মানুষের জন্য পথের দিশা হয়ে উঠেছে। বিএনপি দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তাঁর শাহাদাতের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তাঁদের সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের নেতৃত্বে রয়েছেন এবং দল ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, "আমরা দলের নীতি ও আদর্শ, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, আপসহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার আদর্শ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আদর্শ ধারণ করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।"
ফারজানা শারমীন আরও বলেন, দেশের সবচেয়ে সংকটময় সময়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, "ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের বোঝা, বিদ্যুৎ, গ্যাস, তেল, দুর্নীতি ও মাদক সমস্যার সমাধান করতে আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে আমরা কাজ করছি।"
তিনি বলেন, "ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ, মানবিক বাংলাদেশ, সবার জন্যে বাংলাদেশ, সবার আগে বাংলাদেশ-এই চারটি স্লোগান ধারণ করে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।" তিনি সকলের সহযোগিতা, ঐক্য ও সহমর্মিতার আহ্বান জানান।
ফারজানা শারমীন আরও বলেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আনন্দের দিনে আমাদের মনে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তিনি বলেন, "দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ আমাদের মাঝে নেই। ফ্যাসিস্ট সরকারের ষড়যন্ত্রের কারণে আপসহীন এই নেত্রীকে পৃথিবী থেকে চলে যেতে হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানও আমাদের মাঝে নেই। আমাদের এই হৃদয়ের রক্তক্ষরণের শোককে শক্তিতে পরিণত করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।"
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান, গোপালপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. মোশাররফ হোসেন, বাগাতিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রশীদ চৌধুরী প্রমুখ।
প্রতিমন্ত্রী পরে বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সাত ব্যবসায়ীকে অনুদানের চেক প্রদান করেন।
তিনি দুপুরে লালপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত সাত ব্যক্তিকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুদানের চেক প্রদান করেন।
বিকেলে প্রতিমন্ত্রী লালপুরে শ্রী সুন্দরী মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ