ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদি কি সত্যিই পাকিস্তানের জন্য সামরিক পদক্ষেপে যাবে?


সৌদি কি সত্যিই পাকিস্তানের জন্য সামরিক পদক্ষেপে যাবে?

দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণের সূচনা ঘটিয়ে, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের মধ্যে 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিটির মূল কথা হলো, জোটভুক্ত যেকোনো একটি দেশের ওপর সামরিক হামলা হলে, তা তিনটি দেশের ওপরই হামলা হিসেবে গণ্য হবে। কাগজে কলমে এটিকে একটি প্রতিরক্ষামূলক ও সম্মিলিত নিরাপত্তার কাঠামো হিসেবে বর্ণনা করা হলেও, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকদের কাছে এটি একটি নতুন কূটনৈতিক ধোঁয়াশার জন্ম দিয়েছে। প্রধান প্রশ্ন উঠছে, সংকটকালে এই কৌশলগত প্রতিশ্রুতি কি সত্যিই সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপে রূপান্তরিত হবে, নাকি তা কেবল রাজনৈতিক সংহতি, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ এবং লজিস্টিক সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

এই চুক্তির আসল গভীরতা বুঝতে হলে, এটিকে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের বহু বছরের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা প্রয়োজন। এই সম্পর্কটি ২০২৫ সালে একটি আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিপক্ষীয় রূপ নিয়েছিল। কিন্তু ইতিহাস আমাদের শেখায় যে, কৌশলগত চুক্তি বা সামরিক সুসম্পর্ক থাকলেই, সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তার গ্যারান্টি পাওয়া যায় না। পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে দশকের পর দশক ধরে ঘনিষ্ঠ সামরিক যোগাযোগ রয়েছে এবং বহু বছর ধরে সৌদি ভূখণ্ডে পাকিস্তানি সেনা মোতায়েন রয়েছে।

এতে সত্ত্বেও, আঞ্চলিক সশস্ত্র সংঘাতের ক্ষেত্রে পাকিস্তান সবসময়ই একটি সতর্ক দূরত্ব বজায় রেখেছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৫ সালে যখন সৌদি আরবের নেতৃত্বে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু হয়, তখন পাকিস্তানের পার্লামেন্ট সে দেশে সেনা পাঠানো বা সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিল। এ থেকে স্পষ্ট হয় যে, জাতীয় স্বার্থ, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে প্রতিটি রাষ্ট্রই নিজেদের সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত হিসাব-নিকাশ করে চলে।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

সম্প্রতি এই দ্বিপক্ষীয় জোটে তুরস্ক যুক্ত হওয়ায় একটি নতুন ত্রিপক্ষীয় মাত্রা তৈরি হয়েছে। অনেকে একে রূপক অর্থে একটি ইসলামিক ন্যাটো বা সুন্নি নিরাপত্তা বলয় বলে অভিহিত করলেও, এটি একটি জটিল ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার অতিসরলীকরণ মাত্র। কারণ এই তিন দেশের প্রধান নিরাপত্তা হুমকি ও ভৌগোলিক গুরুত্বের ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ আলাদা। পাকিস্তানের সমস্ত কৌশলগত মনোযোগ কেন্দ্রীভূত দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর।

অন্যদিকে, তুরস্ক ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক থিয়েটারে নিজস্ব প্রভাব বিস্তারে ব্যস্ত। আবার সৌদি আরবের মূল নিরাপত্তা উদ্বেগ হলো, পারস্য উপসাগরের স্থিতিশীলতা রক্ষা, নিজের তেল অবকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ইরান সমর্থিত আঞ্চলিক গোষ্ঠীদের হামলা মোকাবিলা করা। সম্প্রতি সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখোমুখি হওয়ায়, রিয়াদ প্রথাগত পশ্চিমা নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে গিয়ে তাদের সামরিক অংশীদারত্বকে বহুমুখী করার তাগিদ অনুভব করছে।

ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে, এই চুক্তি দিল্লির নিরাপত্তার জন্য নিশ্চিতভাবেই একটি বাড়তি কৌশলগত জটিলতা তৈরি করে। পাকিস্তান এখন দুটি প্রধান আঞ্চলিক শক্তির আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সমর্থন লাভ করছে। যুদ্ধক্ষেত্রে সৌদি আরব বা তুরস্কের সরাসরি সৈন্য পাঠানোর সম্ভাবনা যদিও কম, তবুও সম্ভাব্য সংকটের সময় ইসলামাবাদ রিয়াদ বা আঙ্কারা থেকে কূটনৈতিক সমর্থন, গোয়েন্দা তথ্য, আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি এবং লজিস্টিক সহযোগিতা পেতে পারে।

তবে এর বিপরীতে সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক বাধাটি সৃষ্টি করে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বাস্তবতা। সৌদি আরব তাদের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক রূপান্তরের অংশ হিসেবে ভারতের মতো বৃহৎ অর্থনীতির সাথে গভীর ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। ভারতের বিশাল জ্বালানি বাজার এবং সেখানে সৌদি পুঁজির ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ রিয়াদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রিয়াদ কখনোই চাইবে না এমন কোনো কঠোর সামরিক অবস্থানের দিকে যেতে, যা নয়াদিল্লির সঙ্গে তাদের সুদৃঢ় বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে চিরতরে বিনষ্ট করে। ২০২৫ সালের পাহালগাম সন্ত্রাসী হামলা এবং ভারতের 'অপারেশন সিঁদুর'-এর প্রেক্ষাপটে ভারত-পাকিস্তান সামরিক উত্তেজনার সময়েও সৌদি আরব পাকিস্তানের পক্ষে সরাসরি কোনো সামরিক বা উস্কানিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থেকে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রেখেছিল।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ

মক্কা চুক্তিকে কোনো চূড়ান্ত সামরিক জোট হিসেবে দেখার সুযোগ যেমন নেই, তেমনি একে কেবল একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠান হিসেবে উড়িয়ে দেওয়াও সমীচীন হবে না। এটি মূলত পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার একটি প্রতিফলন, যেখানে রিয়াদ কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন খুঁজছে, আঙ্কারা তার আঞ্চলিক প্রভাব বাড়াতে চাইছে এবং ইসলামাবাদ নিজেদের নিরাপত্তা সহযোগীদের ক্ষেত্র বিস্তৃত করছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে পৃথক অভিযানে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার, আটক একজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩১ পি.এম


কক্সবাজারে পৃথক অভিযানে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার, আটক একজন

কক্সবাজারে পৃথক অভিযানে দেড় লাখ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। শুক্রবার উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)’র অধিনায়ক লে. কর্নেল জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃত আসামি হচ্ছে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন নাপমুরা পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আ. গফুর এর ছেলে মো. রাসেল (২০)।

বিজিবি জানাচ্ছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ উনচিপ্রাং বিওপি’র বিশেষ টহল দল মো. রাসেলকে আটক করে।

পরে তাকে তল্লাশি করে একটি পোটলার মধ্যে নীল রঙের বায়ুরোধী ১০ কাট (এক লক্ষ) পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে উক্ত স্থানে দীর্ঘ তল্লাশি করা সত্ত্বেও অন্য কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি।

আটককৃত ব্যক্তিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ইয়াবা মায়ানমার সীমান্ত থেকে কিনে অধিক দামে বিক্রয়ের উদ্দেশে বহন করা হচ্ছিল বলে স্বীকার করে।

এদিকে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর জীম্বংখালী বিওপি’র বিশেষ টহল দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শাকের এর ঘের নামক স্থানে ২ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করা হলে তারা হাতে থাকা ০১টি পোটলা ফেলে দৌঁড়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে পোটলার ভেতর থেকে নীল রঙের বায়ুরোধী ৫ কাট (পঞ্চাশ হাজার) পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ ব্যাটিং ধস, তবুও ১৫০ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ পি.এম


হঠাৎ ব্যাটিং ধস, তবুও ১৫০ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশ দারুণভাবে অবস্থান করছে। এই প্রতিবেদন লেখা অব্দি বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১০৫ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৪৭ রান সংগ্রহ করেছে। এর ফলে স্বাগতিক দলের প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানের চেয়ে বাংলাদেশ ১৪৯ রানে এগিয়ে যাচ্ছে।

এর আগে, নতুন বল হাতে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১১ রানে বাংলাদেশের তিন উইকেট তুলে নেয়। বাংলাদেশের স্কোর ২৯৭ রানে ৩ উইকেট থেকে কমে গিয়ে ৩০৮ রানে ৬ উইকেটে পরিণত হয়।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৮৪ রানে আউট হন এবং লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম দ্রুত ফিরে গিয়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দেয়। লিটন কোনো রান না করেই ১২ বলে মিচেল স্টার্কের ডেলিভারি ধরে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ দেন। এরপর, প্যাট কামিন্সের বলে ৩৬ রানে আউট হন মুশফিকুর রহিম এবং দুই ক্যাচই নেন স্মিথ।

এর আগে, তানজিদ হাসান ১৯৭ বলে ১০১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি অর্জন করেন। মুমিনুল হক ৪৯ রান করেন এবং শান্তর ব্যাট থেকে এসেছে ৮৪ রান।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজ ২৮ এবং হাসান মাহমুদ ১৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া দলের মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড দুটি করে উইকেট নিয়েছেন, প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়ন পেয়েছেন একটি করে উইকেট।

এর আগে, হাসান মাহমুদের ৬ উইকেটের দুর্দান্ত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ। ফলে সফরকারীরা প্রথম ইনিংসে বড় লিড নেয়ার পথে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে না দিলে লাখো মানুষের সমাবেশের হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৬ পি.এম


ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে না দিলে লাখো মানুষের সমাবেশের হুঁশিয়ারি

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকের ওপর নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকলে, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানী ইসলামাবাদে ২০ লাখ মানুষের বিশাল সমাবেশ করার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খাইবার পাখতুনখওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি।

গত বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে, তিনি মন্তব্য করেন যে, সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত ২৭ সেপ্টেম্বরের আগে তিনি আর কারাগারে যাবেন না। একই সঙ্গে, দেশের বর্তমান শাসনব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে উল্লেখ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরগুলোসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বন্ধ করে দেওয়ার আহ্বান জানান।

আদিয়ালা কারাগারের পরিস্থিতি তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী আফ্রিদি অভিযোগ করেন, কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই ইমরান খানের সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দিতে চায় না। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও, বারবার পিটিআই নেতা-কর্মী ও আইনজীবীদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করার চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, আদালত সপ্তাহে দুবার ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি দিলেও, সেই আদেশ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না, যা দেশের আইন ও বিচারব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের আঘাত। এমন পরিস্থিতিতে, রাজপথে নেমে তীব্র প্রতিবাদ জানানো ছাড়া দলের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই বলেও জানান এই পিটিআই নেতা।

হুঁশিয়ারি পুনর্ব্যক্ত করে সোহেল আফ্রিদি দেশজুড়ে পিটিআই কর্মী ও সাধারণ জনগণকে জাতীয় ও দলীয় পতাকা হাতে রাজপথে নামার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে নীরব থাকা সম্ভব নয় এবং সরকার বৈঠকে বাধা দিলে সারা দেশে কঠোর সড়ক অবরোধ কর্মসূচি জোরদার করা হবে। ইমরান খানকে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে উল্লেখ করে খাইবার পাখতুনখওয়ার মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, পাকিস্তানের চলমান সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার একমাত্র সমাধান কেবল ইমরান খানের নেতৃত্বেই সম্ভব। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদের দিকে এই গণপদযাত্রা কর্তৃপক্ষের জন্য একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সূত্র: ডন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লি হাইকোর্ট ও ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরসহ ৬ স্থানে বোমা হামলার হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


দিল্লি হাইকোর্ট ও ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরসহ ৬ স্থানে বোমা হামলার হুমকি

ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রাক্কালে দেশটির রাজধানী দিল্লিতে ছড়িয়ে পড়েছে চরম বোমা আতঙ্ক। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দিল্লি হাইকোর্ট, ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক (আইজিআই) বিমানবন্দরসহ রাজধানীর অন্তত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে একটি ইমেইল পাঠানো হয়েছে।

‘খালিস্তান’-এর নাম ব্যবহার করে পাঠানো ওই ইমেইলের বিষয়বস্তুতে শিরোনাম দেওয়া হয়েছিল ‘ব্লাস্ট দিল্লি হাইকোর্ট @২:১১ পিএম’। চিঠিটিতে নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে পুরো দিল্লি শহরজুড়ে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানোর এক বিশদ পরিকল্পনার কথা সূচিত হয়েছে।

হুমকিমূলক এই বার্তাটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানীজুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দিল্লি হাইকোর্ট ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ ছাড়াও শহরটির আরও অন্তত ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্রকে নিশানা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে ওই বার্তায়। তালিকায় সন্নিবিষ্ট রয়েছে জামনগর হাউস, ঝাণ্ডেওয়ালান ভবন, সাকেত অফিস, জেলা প্রশাসকের (ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট) কার্যালয় এবং দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট (এসডিএম) কার্যালয়। সংবেদনশীল এসব স্থানে বোমা শনাক্তকরণ ও নিষ্ক্রিয়কারী দল পাঠিয়ে কঠোর চিরুনি অভিযান শুরু হয়েছে।

হুমকির বার্তাটি পাওয়ার পরপরই স্থানীয় পুলিশ, বোম্ব স্কোয়াড এবং নিরাপত্তা এজেন্সিগুলো যৌথভাবে উল্লিখিত প্রতিটি এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি ও নিরাপত্তা পরীক্ষা চালিয়েছে। দিল্লির দিল্লি হাইকোর্ট এবং আইজিআই বিমানবন্দরের মতো জনবহুল এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল স্থানগুলোতে যাত্রীদের চলাচলে বাড়তি কড়াকড়ি আরোপের পর শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। তবে পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধানের পর বর্তমানে নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে সন্দেহজনক বা বিপজ্জনক কিছু উদ্ধারের খবর জানানো হয়নি।

এই ইমেইল বার্তার পেছনে কারা অথবা কাদের হাত রয়েছে এবং এটি কি কোনো ভুয়া তথ্য বা প্যানিক সৃষ্টি করার চেষ্টা, তা বের করতে কড়া তদন্ত শুরু করেছে দিল্লির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%