০৩:৩২ পি.এম
রুশ দম্পতি ইয়েলেনা ও দিমিত্রি ভোলগদায় ফিরে যাওয়ার পথে একে একে চারটি পেট্রোল পাম্প ঘুরতে বাধ্য হয়েছেন। অবশেষে তারা একটি পাম্পে গিয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করেন।
ভোলগদা শহর, যা মস্কো থেকে প্রায় ৪৮০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত, সেখানে রাশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলের মত জ্বালানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ইউক্রেনের হামলার কারণে রাশিয়ার তেল সংরক্ষণাগার এবং জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে, যার ফলে ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সবচেয়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি থেকে এসেছে।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা
রাশিয়া, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশ, এই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি আগে কখনও হয়নি। অতীতে দেশটিতে সহজেই জ্বালানি পাওয়া যেত এবং ইউরোপের তুলনায় এর দামও ছিল অনেক কম। কিন্তু বর্তমানে পেট্রোলের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো রাশিয়ার অনেক মানুষের জন্য দৈনন্দিন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গাড়িতে বসে অপেক্ষা করতে করতে বিরক্তি প্রকাশ করে ইয়েলেনা বলেন, ‘কী ভয়াবহ পরিস্থিতি! এখন অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই। দেখি, পেট্রোল আদৌ অবশিষ্ট আছে কি না।’
অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশাসন সংকটকে ততটা গুরুতর মনে করছে না। পুতিনের অভিযোগ, ইউক্রেনের লক্ষ্য হল রুশ জনগণের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া।
তবে রাজধানীর বাইরে সাধারণ চালকদের মধ্যে অসন্তোষ স্পষ্ট। বিশাল আয়তনের দেশ রাশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চলে ব্যক্তিগত গাড়িই প্রধান যাতায়াতের মাধ্যম। তাই, জ্বালানি সংকট মানুষকে সরাসরি প্রভাবিত করছে।
আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল
এএফপির হিসাব অনুযায়ী, জুন মাস থেকে রাশিয়ার ৯০ শতাংশের বেশি অঞ্চলে জ্বালানি রেশনিং অথবা সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। ভোলগদায় কিছু পেট্রোল পাম্প বন্ধ রয়েছে, আর যেগুলো চালু আছে, সেগুলোর সামনে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন চালকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন