মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
১১:০২ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের ২১৪ বোতল স্কাফ সিরাপসহ ফজলুর রহমান ওরফে ফজু নামে এক মাদক কারবারিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে উপজেলার ২ নম্বর চান্দুরা ইউনিয়নের জালালপুর এলাকায় একটি অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানাচ্ছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজয়নগর থানার একটি পুলিশ দল জালালপুর এলাকায় মৃত বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায়। এই বাড়িটি ফজলুর রহমানের শ্বশুরবাড়ি। এ সময় ওই বাড়ির উত্তর পাশে একটি কক্ষ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শয়নকক্ষের ভেতর থেকে ২১৪ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার করা সিরাপগুলো উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বিধি অনুযায়ী জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে আগে চারটি মাদক মামলাসহ মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত ফজলুর রহমান বিজয়নগর উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মৃত আবুল মাহজনের ছেলে। এই ঘটনায় বিজয়নগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সাতক্ষীরা জেলা উত্তর শাখার নবগঠিত কমিটির শপথ গ্রহণ ও পরিচিতি সভা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সম্পন্ন হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় গতকাল [বার] বাদ আসর [তারিখ] স্থানীয় একটি মিলনায়তনে। এই অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্বশীলগণ আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ পথচলা ও আদর্শিক লক্ষ্য অর্জনে নিজেদের উৎসর্গ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথিবৃন্দ নতুন কমিটিকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
কমটির নতুন বিন্যাস অনুযায়ী, মুহাদ্দিস মোস্তফা শামসুজ্জামান সভাপতি হিসেবে, এবং অধ্যাপক মোঃ রবিউল ইসলাম সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব পেয়েছেন: সহ-সভাপতি ডাঃ এমদাদুল ইসলাম, মোঃ ইউসুফ আলী এবং মীর জমির হোসেন। জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে মাওলানা মাহমুদুল হাসান এবং এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদে হাফেজ মাওলানা ওয়ালীউল্লাহ দায়িত্ব পেয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মোঃ খাইরুল ইসলাম। অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন আলহাজ্ব মোঃ দেলোয়ার হোসেন (রাজু)। আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হাফেজ মোঃ মফিজুল ইসলাম। কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলদের মধ্যে রয়েছেন দপ্তর সম্পাদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মোঃ আব্দুল মাজেদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাদ্দিস হাবিবুর রহমান, দাওয়াহ ও জনশক্তি সম্পাদক মোঃ মোখলেছুর রহমান, ছাত্র ও মহিলা ইউনিট সম্পাদক মোঃ আনারুল ইসলাম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এস. এম. আব্দুল আলিম, এবং শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ শাহাদাৎ হোসাইন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নতুন এই তরুণ ও অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি সাতক্ষীরা অঞ্চলে সংগঠনের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে এবং মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও বেগবান করবে। শপথ অনুষ্ঠান শেষে সংগঠনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দেশের শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নবনির্বাচিত সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ রবিউল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলার কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ছয়জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরের পর উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শাখারিকাঠী গ্রামে পুলিশের উপস্থিতিতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এই ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন—শাখারিকাঠী গ্রামের মোফাজ্জেল হোসেন জমাদ্দার (৫০), মো. মাসুম (৩৫), মো. স্বপন আকন (৪০), তাসলিমা আকন (৩০), রুনু বেগম (৪৫) এবং সেলিনা বেগম (৫০)।
স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, শাখারিকাঠী গ্রামের খালেক জোমাদ্দার ও হেমায়েত আকন গংয়ের মধ্যে একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলমান ছিল। এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে স্থানীয়দের দ্বারা একাধিকবার সালিশ বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে, কিন্তু কোনো সমাধান আসেনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবির ভিত্তিতে জানা যায়, বিরোধপূর্ণ জমিটি খালেক জোমাদ্দার গংয়ের দখলে ছিল এবং কয়েক দিন আগে তাঁরা সেই জমিতে ধানের চারা রোপণ করেছেন। শুক্রবার সালিশ বৈঠক চলাকালে, হেমায়েত আকন গং সেই জমিটি নিজেদের দাবি করে সেখানে রোপণ করা ধানের চারা তুলে ফেলতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এর পর বিষয়টি সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের ফলে উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হন। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন অংশ, মাথা ও হাতে আঘাত লেগেছে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে মোফাজ্জেল হোসেন জোমাদ্দারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। অন্য আহতরা বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
আহত রুনু বেগম বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই জমি নিয়ে সমস্যা চলছিল। পুলিশের উপস্থিতিতে সালিশ চলছিল এবং পুলিশ কয়েক মিনিটের জন্য চোখের আড়ালে চলে গেলে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
এদিকে, মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম সংঘর্ষের ঘটনা স্বীকার করেছেন, তবে পুলিশের উপস্থিতিতে সংঘর্ষ হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সংঘর্ষের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়ার খবরে নরসিংদীজুড়ে আনন্দ উচ্ছ্বাসের বাতাবরণ বিরাজ করছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) তার শপথ গ্রহণের খবর প্রকাশিত হলে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসীর অভিমত, ড. আবদুল মঈন খান হলেন একজন অভিজ্ঞ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক। তার পূর্বের কার্যকালেও তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নেতৃত্বে পলাশ তথা নরসিংদীর ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছিল। নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় তার পুনরায় যোগদানের ফলে এই অঞ্চলসহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি আরও বাড়বে।
পলাশ বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল এর মন্তব্য, ‘ড. আবদুল মঈন খান মন্ত্রী হওয়াতে পলাশবাসীর আশার প্রতিফলন ঘটেছে। তার মতো একজন দক্ষ, সৎ এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মানুষের হাতে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নিরাপদ। তার হাত ধরেই দেশের সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়ন সম্ভব।’
ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলম মোল্লা বলেন, ‘মঈন খানের একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়ে তিনবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।’
নরসিংদী আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি সারোয়ার হোসেন মৃধা বলেন, ‘মঈন খান স্যার মন্ত্রী হওয়ার খবর নরসিংদীবাসীর জন্য নিঃসন্দেহে একটি আনন্দের খবর। সৃষ্টিকর্তা যেন তাকে সুস্থ রাখেন এবং তিনি সুনাম ও সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের ৭/৯ পোল্ডারের চাকলা খেয়াঘাটের উত্তর পার্শ্বে কপোতাক্ষ নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রক ওয়াপদা ভেড়ীবাঁধ কেটে পাইপ বসিয়ে লোনা পানি ওঠানোর ফলে ফসল নষ্টের প্রতিকার দাবীতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বেলা ১১ টায় ওয়াপদা বেড়ী বাঁধের উপর এই মানববন্ধনের আয়োজন করে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
মানববন্ধন চলাকালীন বক্তব্য রাখেন মোঃ আবুল কালাম ঢালী, নুরমান সরদার, আশিকুল আলম, আমিরুল গাজী, ইমান আলী গাজী ও ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ সানা। বক্তাগণ বলেন, প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলা তেলিখালী গ্রামটি আশাশুনি উপজেলার সর্ব দক্ষিণে কপোতাক্ষ নদ ভাঙ্গনের প্রবণ এলাকায় অবস্থিত। বিগত সিডর, আইলা ও আম্পানের মতো প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে কপোতাক্ষ নদ ভাঙ্গনের ফলে প্লাবিত হয়ে জোয়ার-ভাটায় ২/৩টি খালের সৃষ্টি হয়। সরকারি ভাবে ২ বছর পর ওয়াপদা বাঁধ সংস্কার ও সৃষ্ট খাল বাঁধবন্ধি করা হয়। সরকারি ওয়াপদার বাঁধের মধ্যে লবণ পানির ঘের বন্ধ রাখার নীতিমালা ঘোষণা করা হয়েছে।
বক্তাগণ বলেন, সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে সুভদ্রাকাটি গ্রামের সাবেক মেম্বার আসলাম হোসেন গাজী দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ওয়াপদা বাঁধের মধ্যে অবৈধভাবে লবণ পানি ঢুকিয়ে মৎস্য ঘের করে আসছেন। পাশের ২৫০/৩০০ বিঘা জমিতে প্রতি বছর দুটি ধানের ফসল চাষ হয়ে থাকে। এখানে কোনো লবণ পানির ব্যবহার না থাকলেও সকলের মতামত উপেক্ষা করে অবৈধভাবে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ওয়াপদা বেড়ী বাঁধ কেটে পাইপ বসিয়ে তার দখলীয় ৩০/৩৫ বিঘা জমিতে লোনা পানি উঠানোর কাজ চলছে। কোন প্রকার আউটড্রেন না থাকায় লবন পানিতে শতশত বিঘা জমির উৎপাদিত সোনালী ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে বহু ক্ষেতের আমন ধান লবণাক্ততায় হলদে-লালসে হয়ে মরতে বসেছে। বক্তাগণ আক্ষেপ করে বলেন, গত ৫ আগস্ট সকালে আসলাম হোসেন ও তার ভাই এরশাদ আলী গাজী সহযোগী আরও ১০/১২ জনকে নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ওয়াপদার ভেঁড়িবাধ কেটে পাইপ বসায়। সংবাদ পেয়ে ১নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ আব্দুর রউফ সাহেব ঘটনাস্থলে গিয়ে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে ওয়াপদা রাস্তা কাটা ও পাইপ বসানোর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তারা ইউপি সদস্যের গায়ে ধাক্কাধাক্কি ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেয়। এই ঘটনাকে রঙ মাখিয়ে উল্টো মেম্বারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকার সচেতন মহল এই ষড়যন্ত্রের নিন্দা জানিয়েছে এবং প্রতিকার কামনা করছেন। ইউপি চেয়ারম্যান আবু দাউদ ঢালী জানতে পেরে তাৎক্ষণিক উর্ধ্বতন মহলকে অবহিত করেন। এলাকাবাসী ইউনিয়নের ইউপি সদস্যবৃন্দ ও চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর নিয়ে এমপি হাফেজ রবিউল বাশারের সুপারিশসহ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে ইউএনও, ওয়াপদা কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে গণ পিটিশন করেছেন বলে বক্তাগণ জানান।
তারা আরও জানান, উক্ত আসলাম বেড়ী বাঁধের ৮/১০ হাত চওড়া করে মাটি কেটে ১০ হাত গভীর করে মাটি কাটার কাজ করছেন এবং পাইপ বসাচ্ছেন। একইভাবে এনজিও উত্তরণ কর্তৃক ওয়াপদার বাইরে বসবাসকারী ১৬০ ঘর অধিবাসীদের রক্ষার্থে যে বিশাল প্রোটেকশন বাঁধ ও বনায়ন করা হয়েছে, সেই বাঁধ কেটেও পাইপ বসিয়ে লোনা পানি ঢোকানো হচ্ছে। ফলে চাকলা তেলিখালী মৌজার প্রান্তিক কৃষকদের মাথায় হাত উঠেছে। ওয়াপদা কেটে পানি ঢোকানোর ফলে বাঁধের কিছু অংশ অবশ্যই বসে গেছে। পাইপ বসানোর কারণে পুনরায় যদি এলাকায় লবণ পানিতে প্লাবিত হয় তা হবে উদ্বেগজনক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ