০৬:০০ পি.এম
‘বালাগাল উলা বি কামালিহি’ একটি আরবি নাত। এটি শুধু আরবি সাহিত্যেই উল্লেখযোগ্য নয়, বরং বিশ্বব্যাপী একটি খুব জনপ্রিয় কবিতাও। শেখ সাদী এই নাতটি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রশংসায় রচনা করেছেন, যা বিশ্বজুড়ে অগণিত মানুষের মুখে আলোচিত হয়।
আরবি সাহিত্যের পাশাপাশি, বিশ্বসাহিত্যেও সর্বাধিক জনপ্রিয় কবিতাগুলোর মধ্যে একটি এটি। কবিতাটি এরূপঃ
আরও পড়ুন: ডিএমপির উদ্ধারকৃত ১১৭টি মোবাইল ফোনের মালিকানা শনাক্তের আহ্বান
ﺑﻠﻎ ﺍﻟﻌﻼ ﺑﻜﻤﺎﻟﻪ -- ﻛﺸﻒ ﺍﻟﺪﺟﻰ ﺑﺠﻤﺎﻟﻪ
ﺣﺴﻨﺖ ﺟﻤﻴﻊ ﺧﺼﺎﻟﻪ-- ﻳﺼﻠﻮا ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺁﻟﻪ
উচ্চারণ: ‘বালাগাল উলা বি-কামালিহি-- কাশাফাদ্দুজা বি জামালিহি,
হাসুনাত জামিউ খিসালিহি-- সাল্লু আলাইহি ওয়া আলিহি।’
আরও পড়ুন: ‘ভালো লোকের নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই’—স্পিকারের সমর্থনে ডা. তাসনিম জারা
এর ভাবার্থ হলো: ‘সাধনায় যিনি সুউচ্চ মর্যাদায় পূর্ণতায় পৌঁছেছেন, যার সৌন্দর্যের প্রভাবের কারণে সব আঁধার বিদায় নিয়েছে, সব সচ্চরিত্রের সম্মিলন ঘটেছে যার মাঝে, তবে আসুন তার ও তার বংশধরদের প্রতি দরুদ ও সালাম জানাই।’
শেখ সাদী ৪ পদে এই কবিতাটি লিখেছিলেন। তাঁর সম্পূর্ণ নাম শায়খ আবু মুহাম্মদ মুসলেহুদ্দীন সাদি ইবনে আব্দুল্লাহ শিরাজি। তিনি ফারসি কবিদের মধ্যে একজন। ফারসিভাষী দেশের বাইরে থেকেও তিনি সুপরিচিত। ধ্রুপদী সাহিত্যের ক্ষেত্রে তাঁকে একজন উচ্চমানের কবি হিসেবে বিবেচনা করা হয় আমাদের। লেখার মান এবং সামাজিক ও নৈতিক চিন্তার গভীরতার জন্য তাঁকে প্রশংসেয় উল্লিখিত হয়।
‘গুলিস্তাঁ’ নামক বিশ্বখ্যাত গ্রন্থের একটি অংশে এই কবিতাটি পাওয়া যায়। শেখ সাদী আরবি ভাষায় যেসব কবিতা লিখেছিলেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই কবিতাটি। কবিতাটি উম্মতে মুসলিমার হৃদয়ে বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। যদিও কবিতাটি লেখার সময়কাল সঠিকভাবে জানা না গেলেও ধারণা করা হয় যে, এটি ১২৫৫-৫৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যেই লেখা হয়েছিল। কারণ ১২৫৭ খ্রিষ্টাব্দ তথা ৬৫৫ হিজরি সালে তিনি ‘গুলিস্তাঁ’ গ্রন্থটি রচনা শেষ করেছিলেন।
শেখ সাদির অমর কবিতা তথা নাতে রসুল শুধুমাত্র মুসলিমদের হৃদয়ে নয়, সারাবিশ্বের মুসলিমরা আজও অজান্তেই গেয়ে ওঠেন-
আরও পড়ুন: বিএনপি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে, এবারের দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ : রিজভী
(‘বালাগাল উলা বি কামালিহি...’)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন