ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার দেশের সব সার কারখানা খুব দ্রুত চালু করতে চায়: বিসিআইসি চেয়ারম্যান


সরকার দেশের সব সার কারখানা খুব দ্রুত চালু করতে চায়: বিসিআইসি চেয়ারম্যান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : সরকার দেশের সকল সার কারখানার উৎপাদন পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে কাজ করছে, যা ইউরিয়া সার আমদানি বাবদ ২২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে আশুগঞ্জ সার কারখানা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

গ্যাস সংকটের কারণে গত বছরের ১ মার্চ থেকে আশুগঞ্জ সার কারখানা বন্ধ রয়েছে। তবে বিসিআইসি চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেছেন যে চলতি বছর গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে সার কারখানার উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার তুলনায় কম

তিনি বলেন, "বিসিআইসির কারখানাগুলোকে আমরা সচল করতে চাই। আমাদের ২৬-২৭ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করতে হয়। আমাদের কারখানাগুলো যদি সচল থাকে, আমরা যদি কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ পাই, তাহলে আমরা দেশের চাহিদার পরিমাণ উৎপাদন করেও রপ্তানি করার সক্ষমতা রাখি।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, "আমাদের মূল সমস্যা হচ্ছে গ্যাসের সংকট। তবে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে আমাদের কারখানাগুলো চালু করতে চাই। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। কারখানাগুলো চালু করতে পারলে আমাদের আর সার আমদানি করতে হবে না।"

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আশুগঞ্জ সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মো. আলী আশরাফ এবং উপ মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) তাজুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ কারখানার অন্যান্য কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: বিশ্বব্যাপী সাইবার সতর্কতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট দ্বিতীয় দিনও বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাটা গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব চরমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


টাটা গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব চরমে

১৫৮ বছরের পুরোনো টাটা গ্রুপে কর্মীসংখ্যা ১০ লাখের বেশি, বার্ষিক আয় প্রায় ১৮০ বিলিয়ন ডলার। ভারতের অন্যতম বৃহৎ এই শিল্পগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখন তীব্র ক্ষমতার লড়াই চলছে। এ দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে সামনে এসেছে ভারতীয় পুঁজিবাদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একটি মৌলিক প্রশ্ন—দেশের বৃহৎ করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃত্ব কার হাতে থাকবে? মালিকপক্ষ, পেশাদার ব্যবস্থাপক, নাকি সরকার?

টাটা গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধে একদিকে রয়েছে পরিবার পরিচালিত দাতব্য ট্রাস্টগুলো, যেগুলোর হাতে গোষ্ঠীটির হোল্ডিং কোম্পানি টাটা সন্সের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মালিকানা। অন্যদিকে রয়েছেন গ্রুপটির ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা শক্তিশালী চেয়ারম্যান এন. চন্দ্রশেখরন। ভারত সরকারও এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ হয়ে উঠেছে। সরকার টাটা সন্সকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এ ধরনের পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে কোম্পানিটির মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে, যা প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের প্রভাবকে দুর্বল করতে পারে। খবর দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত এক বছর ধরে টাটা গ্রুপের অভ্যন্তরে এ বিরোধ দানা বাঁধছিল। গত আগস্টে তা প্রকাশ্যে আসে, যখন ভারতের অন্যতম সফল করপোরেট নির্বাহী চন্দ্রশেখরন ঘোষণা দেন, তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে আরেকটি পাঁচ বছর মেয়াদি দায়িত্ব নিতে চান না। তিনি জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির পরও তার দায়িত্বে থাকা নিয়ে বোর্ডের একজন সদস্য আপত্তি জানিয়েছেন।

সে সময় এক চিঠিতে চন্দ্রশেখরন সতর্ক করে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কৌশলগত প্রকল্প যখন বাস্তবায়নের সংকটময় পর্যায়ে, তখন নেতৃত্ব নিয়ে ‘সর্বসম্মত সমর্থনের অভাব’ কোম্পানির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কর্মী, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়িক অংশীদারসহ সংশ্লিষ্ট সবার স্বার্থে নেতৃত্বের বিষয়ে স্পষ্টতা থাকা জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তবে এক মাসের ব্যবধানে অবস্থান বদলান চন্দ্রশেখরন। গত ১৭ সেপ্টেম্বরের এক সভায় পরিচালনা পর্ষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য তাকে পুনর্নিয়োগের পক্ষে ভোট দেন। এর বিরোধিতা করেন টাটা ট্রাস্টের প্রধান ও টাটা সন্সের বোর্ড সদস্য নোয়েল টাটা। টাটা সন্সের প্রায় ৬৬ শতাংশ শেয়ারের মালিক এই দাতব্য ট্রাস্টগুলোর নেতৃত্বে থাকা নোয়েল দাবি করেন, তার ভেটো দেওয়ার অধিকার উপেক্ষা করা হয়েছে। তিনি পুনর্নিয়োগের ভোটকে ‘অবৈধ’ বলেও অভিহিত করেন।

সেদিনই নোয়েল লেখেন, চন্দ্রশেখরন স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এখন নতুন অধ্যায় শুরুর সময় এসেছে। এরপর থেকে নোয়েলের কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট পক্ষ ভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একাধিক আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টাটা গ্রুপের এই বিরোধের প্রভাব ভারতের বৃহত্তর ব্যবসায়িক অঙ্গনেও পড়তে পারে। দেশটির অনেক বড় কোম্পানির দৈনন্দিন কার্যক্রম পেশাদার ব্যবস্থাপকেরা পরিচালনা করলেও চূড়ান্ত মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ থাকে প্রতিষ্ঠাতা পরিবারগুলোর হাতে। ফলে টাটার বিরোধটি শুধু একটি শিল্পগোষ্ঠীর নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব নয়; বরং পারিবারিক মালিকানা ও পেশাদার ব্যবস্থাপনার ক্ষমতার সীমা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলেছে।

মুম্বাইভিত্তিক ইনস্টিটিউশনাল ইনভেস্টর অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেসের প্রতিষ্ঠাতা অমিত ট্যান্ডনের ভাষ্য, ভারতে কোনো নিয়ন্ত্রণকারী শেয়ারহোল্ডারের বিরুদ্ধে পরিচালনা পর্ষদের এমন বিদ্রোহের নজির তার জানা নেই। দেশটির বৃহত্তম কোম্পানিগুলোর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ পারিবারিক মালিকানাধীন। তার মতে, এই বিরোধ ব্যবসায়ী পরিবারগুলোর জন্য সতর্কবার্তা—শুধু মালিকানা থাকলেই কোম্পানির ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত হয় না।

ভারতের ব্যবসায়ী পরিবারগুলোর আশঙ্কা, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃত্ব একসময় তাদের নিয়োগ দেওয়া পেশাদার ব্যবস্থাপকদের হাতে চলে যেতে পারে। অন্যদিকে চন্দ্রশেখরনের সমর্থকদের যুক্তি, টাটা গ্রুপ ভারতের অর্থনীতি ও জনজীবনের সঙ্গে এত গভীরভাবে যুক্ত যে, এর ভবিষ্যৎ কেবল পুরোনো মালিকানা কাঠামো কিংবা প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না।

টাটা সন্সের মালিকানাধীন সাতটি দাতব্য সংস্থার ট্রাস্টি এবং ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব বিজয় সিং মালিকানা ও ব্যবস্থাপনার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্যের কথা তুলে ধরেছেন। তার বক্তব্য, ট্রাস্টিরা কোম্পানির মালিক হতে পারেন, কিন্তু সে কারণে কোম্পানি পরিচালনার অধিকার তাদের হাতে থাকা উচিত নয়। দাতব্য কার্যক্রম ও ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনাকে আলাদা রাখার কথা ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

টাটা গ্রুপের গুরুত্ব বুঝতে হলে ভারতের দৈনন্দিন জীবনে এর বিস্তৃতি বিবেচনায় নেওয়াই যথেষ্ট। বিমান পরিবহন, হোটেল, ট্যাক্সি, রিয়েল এস্টেট, জীবনবিমা, চা, ঘড়ি ও গয়নাসহ নানা খাতে রয়েছে গোষ্ঠীটির ব্যবসা। ভারতের আইফোন উৎপাদন ও সংযোজন কার্যক্রমেও টাটার ভূমিকা রয়েছে। ফলে টাটার সিদ্ধান্তের প্রভাব শুধু বিনিয়োগকারী বা ব্যবসায়িক মহলে সীমাবদ্ধ নয়; তা দেশটির বিপুলসংখ্যক কর্মী, ভোক্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওপরও পড়তে পারে।

ব্যবসার পাশাপাশি জনহিতকর কার্যক্রমের জন্যও টাটা গ্রুপ ভারতের মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। টাটা ট্রাস্ট ক্যানসার চিকিৎসা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পুষ্টি কর্মসূচি ও শিল্পকলার বিকাশে সহায়তা দেয়। এসব উদ্যোগের কয়েকটির শিকড় ভারতের স্বাধীনতারও আগের সময়ে। বর্তমানে ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য ও দাতব্য ট্রাস্ট—টাটা গ্রুপের এই দুই গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভই যেন মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে।

মুম্বাইয়ের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার থেকে প্রতিষ্ঠাতা জামশেদজি টাটার বংশধর নোয়েল টাটা ট্রাস্টগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ট্রাস্টগুলো টাটা সন্সের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের মালিক। টাটা সন্স আবার শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একাধিক টাটা কোম্পানির বড় অংশের শেয়ার ধারণ করে। পাশাপাশি গ্রুপটির বেসরকারি ব্যবসা, রিয়েল এস্টেট সম্পদ ও সামগ্রিক ব্র্যান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

অন্যদিকে, সেখান থেকে প্রায় দেড় মাইল দূরে অবস্থিত ‘বোম্বে হাউস’ থেকে টাটা গ্রুপের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করেন চন্দ্রশেখরন ও তার ব্যবস্থাপনা দল। ১৯২৪ সালে নির্মিত এই সদর দপ্তর ২০১৭ সালে চন্দ্রশেখরন দায়িত্ব নেওয়ার পর সংস্কার করা হয়। ভবনটির চতুর্থ তলার বোর্ডরুমে তার সহযোগীরা এমন এক পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যেটিকে তারা নোয়েল টাটার ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ হিসেবে দেখছেন।

টাটা গ্রুপের ইতিহাস ঊনবিংশ শতাব্দীতে বিস্তৃত হলেও বর্তমান বিরোধের তাৎপর্য শুধু ঐতিহ্যবাহী একটি শিল্পগোষ্ঠীর নেতৃত্ব পরিবর্তনের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। এর কেন্দ্রে রয়েছে টাটা সন্সকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মালিকানা, জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে পারে। ফলে পরিচালনা পর্ষদের বিরোধ ক্রমেই বৃহত্তর মালিকানা ও কর্তৃত্বের লড়াইয়ে রূপ নিচ্ছে—যার পরিণতি ভারতের করপোরেট জগতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ভালো লোকের নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই’ স্পিকারের সমর্থনে ডা. তাসনিম জারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


‘ভালো লোকের নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই’ স্পিকারের সমর্থনে ডা. তাসনিম জারা

ডা. তাসনিম জারা জাতীয় সংসদের স্পিকারের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, "ভালো লোকের নির্বাচনে দাঁড়ানোরই সুযোগ নেই।" তবে তিনি মনে করেন, স্পিকার তার পদমর্যাদা ব্যবহার করে সংসদ সদস্যদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা উল্লেখ করেন, স্পিকারের বক্তব্যের সঙ্গে তিনি একমত। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ভালো বা যোগ্য ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেয় না এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গেলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষের জন্য আক্ষেপ করার সুযোগ রয়েছে, কিন্তু স্পিকারের উচিত তার অবস্থান থেকে কার্যকর পরিবর্তন আনা।

তিনি সংসদ সদস্যদের আর্থিক স্বচ্ছতার বিষয়টি তুলে ধরেন এবং জানান, বর্তমান সংসদের প্রায় ৬০ শতাংশ সদস্য ব্যবসায়ী এবং ৮০ শতাংশ কোটিপতি। তিনি বলেন, ব্যবসা করা বা কোটিপতি হওয়া অপরাধ নয়, তবে তাদের আয়ের উৎস সম্পর্কে জনগণের জানা প্রয়োজন। অনেক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর দামি গাড়ি, ঘড়ি বা নতুন ফ্ল্যাট ব্যবহার শুরু করেন এবং সেগুলোকে "উপহার" বলে দাবি করেন। তিনি সতর্ক করেন যে, যদি এসব উপহারের উৎস স্পষ্ট না হয়, তাহলে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে।

তাসনিম জারা যুক্তরাজ্যের আদলে একটি প্রকাশ্য ‘রেজিস্টার’ তৈরির প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে এমপিদের সম্পদের বিবরণ, উপহার ও বিদেশ সফরের তথ্য নিয়মিতভাবে আপডেট করে অনলাইনে প্রকাশ করা হয়। সেখানে তথ্যের গরমিল হলে কঠোর শাস্তির নজিরও রয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে পাঁচ বছরে একবার নির্বাচনের আগে হলফনামা দেওয়া হয়, যার সঠিক যাচাই-বাছাইও হয় না। নিয়মিত হালনাগাদ হওয়া রেজিস্টার চালু হলে এমপিদের "উপহার" বলে পার পাওয়ার সুযোগ কমবে এবং মিথ্যা প্রমাণ করা সহজ হবে।

স্পিকারের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি এবং সংসদ সচিবালয় কমিশনের চেয়ারম্যান হলেন স্পিকার। তাই সংসদ সচিবালয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও ওয়েবসাইটে প্রকাশের নিয়ম প্রণয়নে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

স্পিকারের অতীত রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে বীর বিক্রম খেতাব এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তাসনিম জারা আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান পদে থেকে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার এই সুযোগটি স্পিকার কাজে লাগাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির উদ্ধারকৃত ১১৭টি মোবাইল ফোনের মালিকানা শনাক্তের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


ডিএমপির উদ্ধারকৃত ১১৭টি মোবাইল ফোনের মালিকানা শনাক্তের আহ্বান

ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম শাহবাগ থানার একটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১১৭টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে।

আজ ডিএমপির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, উদ্ধারকৃত ফোনগুলোর মধ্যে স্যামসাং, ভিভো, রিয়েলমি, রেডমি, অপ্পো, টেকনো, ইনফিনিক্স, আইফোন, হুয়াওয়ে, অনারসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, হারানো বা চুরি হওয়া ফোনগুলোর তালিকায় শনাক্ত হলে, মালিকদের সংশ্লিষ্ট আদালতে মালিকানা প্রমাণসহ আবেদন করতে হবে। আদালতের আদেশ পাওয়ার পর, আদেশের কপি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ফোনটি গ্রহণ করতে হবে।

এ বিষয়ে যোগাযোগের জন্য ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মনজিল সিদ্দিকীর সঙ্গে ০১৬৭৬-২৭১৫২৯ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ বছর পর ছেলের সাথে ফোনে কথা বললেন অং সান সু চি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ পি.এম


৫ বছর পর ছেলের সাথে ফোনে কথা বললেন অং সান সু চি

মিয়ানমারের কারাবন্দি নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবার ফোনে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন তার ছেলে কিম আরিস। যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী কিম আরিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই আবেগঘন মুহূর্তের কথা শেয়ার করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) তিনি জানান, দীর্ঘ সময় পর মায়ের কণ্ঠস্বর শোনা অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

ফ্রান্স টুয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সু চি বর্তমানে দেশটির রাজধানী নেপিডোতে গৃহবন্দি আছেন। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের ফলে তাকে বন্দি করা হয়েছে।

তবে মা-ছেলের মধ্যে এই কথোপকথন কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

মায়ের মুক্তি ও মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে সমর্থন জানানো ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কিম আরিস বলেন, "যারা আমার মা ও আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।"

তিনি আরও যোগ করেন, "আমি বিশ্বাস করি, আপনাদের কণ্ঠস্বরই এই মুহূর্তটিকে বাস্তবে সম্ভব করতে সাহায্য করেছে।"

তবে দীর্ঘদিন পর কথা বলার সুযোগ পেলেও, কিম আরিস তার মায়ের বয়স ও বন্দিজীবন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, তার মায়ের বয়স ৮১ বছর এবং তিনি এখনো বন্দি রয়েছেন। কিম আরিস উল্লেখ করেন, একবার কথা বলার সুযোগ নিয়মিত পারিবারিক যোগাযোগের বিকল্প হতে পারে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%