০৭:১৯ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলা নতুন উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে তৎপরতা আবারও শুরু হয়েছে। শুক্রবার(১০ জুলাই) সংকটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছিলেন যে, সমঝোতা চুক্তি সত্ত্বেও কাতার ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইরান আবারও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানের মতো আঞ্চলিক কিছু দেশের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এর পাশাপাশি, গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।
যদিও শুক্রবার সংঘাত কিছুটা স্তিমিত মনে হচ্ছে, তবে মধ্যস্থতার সাম্প্রতিক প্রচেষ্টাগুলো কি এই চক্রের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতে পারবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উভয়পক্ষ চেষ্টা করছে, যুদ্ধের দিকে ঠেলে না দিয়েই তারা হামলা সহ্য করতে এবং শক্তিশালী জবাব দিতে সক্ষম।
আরও পড়ুন: ইশরাকের পিস্তল উঁচানো দৃশ্য ত্রাসের রাজত্বের প্রতীক: জামায়াত
যদি যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অব্যাহত থাকে, তবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণের পরিধির ব্যাপারে ইরান হুমকি দিয়েছে। এর আগের দিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, যুদ্ধবিরতি ‘শেষ হয়ে গেছে’, কিন্তু তিনি এই কথাও উল্লেখ করেছেন যে, দীর্ঘস্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর আলোচনা চলতে থাকবে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী জানান, গত ৪৮ ঘণ্টায় তারা ইরানের অভ্যন্তরে ১৭০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে। এটি যুদ্ধবিরতি চলাকালে আগের সংঘাতগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশী। তারা আরো জানিয়েছে, ইরানের উপকূলীয় সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, যেটির উদ্দেশ্য ছিল প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের হুমকি সৃষ্টি করার ক্ষমতা কমিয়ে আনা।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য চলাকালে সংঘটিত দুই দিনের হামলায় ১৪ জন নিহত ও ৭৮ জন আহত হয়েছেন। তবে মন্ত্রণালয়টি হতাহতদের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
আরও পড়ুন: রাজনীতিকে সঠিক পথে পরিচালনায় সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর মন্তব্য
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন