রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৯ পি.এম
আজ রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩, ৮ রবিউস সানি ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ প্রকাশিত হয়েছে—
জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১১টা ৫৫ মিনিটে।
আসরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ১৫ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে ৬টা ০০ মিনিটে।
এশার নামাজ শুরু হবে ৭টা ১৪ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ৩৫ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে ৫টা ৫৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ৫টা ৪৬ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) মন্তব্য করেছেন যে, পবিত্র মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তার প্রতি যদি কোনো হুমকি আসে অথবা সেখানে হামলার চেষ্টা হয়, তাহলে বিশ্বের মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
তিনি উল্লেখ করেন, পবিত্র মক্কা আল-মুকাররমা ও মদিনা আল-মুনাওয়ারা হলো বিশ্ব মুসলিমের জন্য সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত ও পবিত্রতার স্থান।
এই দুই নগরী সমগ্র মুসলিম উম্মাহর আবেগ, বিশ্বাস ও ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে কোনো ধরনের হামলা, আগ্রাসন বা নিরাপত্তার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আহমেদের পাঠানো এক বিবৃতিতে ধর্মমন্ত্রী বলেন, "প্রয়োজন হলে লাখ লাখ মুসলিম জীবন উৎসর্গ করে পবিত্র ভূমির মর্যাদা রক্ষা করবে।"
পবিত্র আল-হারামাইনের দুই ইমামের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মক্কা ও মদিনার পবিত্রতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর সম্মিলিত দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, "পবিত্র ভূমির বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসন বা ষড়যন্ত্র বিশ্বের মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।"
ধর্মমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণ পবিত্র দুই নগরীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও পবিত্রতা রক্ষায় আপসহীন। তিনি বিশ্বের সব মুসলিম রাষ্ট্র ও মুসলিম উম্মাহকে বিভেদ ভুলে ইসলামের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, বর্তমান ও ভবিষ্যতে মক্কা আল-মুকাররমা ও মদিনা আল-মুনাওয়ারার বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি বা হামলার অপচেষ্টা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করার লক্ষ্যে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য প্রয়োজন।
বিবৃতির শেষে ধর্মমন্ত্রী পবিত্র মক্কা ও মদিনার সার্বিক নিরাপত্তা এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সংহতি ও কল্যাণের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর লং মার্চকে দেশের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত করেছেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। তিনি মন্তব্য করেন, ‘রাস্তায় নামে, লং মার্চ করে তেল-গ্যাস দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে। সংসদে আবার বলে যে এই তেল-গ্যাস সৃষ্ট সমস্যা বর্তমান সরকারের আমলে হয়নি—এটা আগের সরকারের জন্য হয়েছে।'
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি যোগ করেন, ‘রাস্তায় নেমে মানুষকে ধোঁকা দিয়ে এত লাখ লাখ টাকার তেল-গ্যাস পুড়ে আমাদের বাংলাদেশকে তো ক্ষতিই করলেন।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আপনি রাস্তায় নেমে বক্তব্য দিলেন এক ধরনের, সংসদে আরেক ধরনের—এটা দ্বিমুখী আচরণ। বাংলাদেশের মানুষ আর আপনাদের কখনোই বাংলাদেশের পরিচালক হিসেবে দেখতে চায় না।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে গুম, আটক, নির্যাতন, হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই বেঞ্চে বিচারাধীন ২২টি মামলার মধ্যে আসামির সংখ্যা ২৭৫ জন। এর মধ্যে ২০৪ জন পলাতক রয়েছে। বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন ৭১ জন আসামি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিচারাধীন ২২ মামলার মধ্যে একটি মামলার রায় যেকোনো সময় ঘোষণা করা হতে পারে। জুলাই মাসে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চারজন আসামি রয়েছেন। গত ১০ জুন প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। উল্লেখ্য, চার আসামিই পলাতক।
আরো পড়ুন
আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের আধিপত্য রুখে দিতেই গ্রিনল্যান্ড চুক্তি?
সূত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একই সময়ে আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামল ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ৪৪টি মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব মামলায় আসামির সংখ্যা ১৪৪ জন।
বিচারাধীন মামলাগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গুম, আটক, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ছয়টি মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে র্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল ও ডিজিএফআইয়ের জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম, আটক ও নির্যাতনের অভিযোগে দুটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। পাশাপাশি শাপলা চত্বরের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, কল্যাণপুরের ‘জাহাজ বাড়ি’, গাজীপুরের জয়দেবপুর ও টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলি বিচারাধীন রয়েছে।
এসব মামলার মধ্যে ট্রাইব্যুনাল-১-এর অধীনে ৩৪টি এবং ট্রাইব্যুনাল-২-এর অধীনে ১০টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে গুম সংক্রান্ত ১১টি মামলা, কথিত ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধের দুটি মামলা, জঙ্গি দমনের নামে হত্যাকাণ্ডের একটি মামলা এবং চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ৩০টি মামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আরো পড়ুন
নতুন ২ প্রকল্প অনুমোদন, মিলবে ২৬৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম মন্তব্য করেন, গুমের মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তদন্ত করা হচ্ছে। অচিরেই ১১টি গুম সংক্রান্ত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে তদন্ত সংস্থা।
এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া আড়াই শতাধিক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে একটি নতুন মামলা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এসব অভিযোগের মধ্যে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমের গুমের ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে চলমান ড্রোন হামলার ফলে শহরের তেল শোধনাগারের একটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তায় সোবিয়ানিন উল্লেখ করেন, মস্কোতে ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে মস্কো তেল শোধনাগারের একটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর নেই।
তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে জরুরি সেবা কর্মীরা কাজ করছেন। হামলার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মস্কোর মেয়রের বক্তব্য অনুযায়ী, ড্রোন হামলায় শোধনাগারটির একটি স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং শোধনাগারের কার্যক্রমে এর প্রভাব সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
রাশিয়ার রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। রুশ কর্তৃপক্ষ এসব হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করে আসছে, তবে কিয়েভ সাধারণত এ ধরনের নির্দিষ্ট হামলার দায় স্বীকার করে না।
এদিকে, মস্কো ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকার কথা জানিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ। তবে চলমান হামলার সার্বিক ক্ষয়ক্ষতি এবং অন্যান্য স্থাপনায় এর প্রভাব পড়েছে কি না, সে বিষয়ে আরও তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে। তথ্যসূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ