০২:২৯ পি.এম
কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসা মূলত একটি অস্থায়ী অনুমতিপত্র হিসেবে কাজ করে। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যদি বিদেশি শিক্ষার্থীর কাছে স্থায়ীভাবে বসবাসের (পিআর) বৈধ অনুমতি না থাকে, তাহলে তাকে দেশে ফিরতে হবে, জানালেন কানাডার আলবার্টা প্রদেশের প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় তিনি এই তথ্য জানান। প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ বললেন, কানাডায় পড়াশোনার উদ্দেশ্যে আসা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের দেওয়া স্টুডেন্ট ভিসা সবসময় একটি সাময়িক নথি হিসেবে গণ্য হয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাঁদের শিক্ষাজীবন শেষ করে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা নিয়ে দেশে ফিরে যাবেন—এটাই ভিসা নীতির মূল লক্ষ্য।
সম্প্রতি কানাডার পোর্টাজ কলেজের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করার পর পোস্ট-গ্র্যাজুয়েশন ওয়ার্ক পারমিট (পিজিডব্লিউপি) না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। এ প্রসঙ্গে আলবার্টার প্রিমিয়ার বলেন, কিছু ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কানাডায় স্থায়ীভাবে থাকবার সুযোগ নিয়ে অতিরঞ্জিত বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
কিছু অসাধু চক্র আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে ভুয়া বা নিম্নমানের ‘ডিপ্লোমা মিল’ পরিচালনা করেছে, যদিও স্মিথ পোর্টাজ কলেজকে এরকম একটি প্রতিষ্ঠান বলতে নারাজ। তিনি বলেন, কানাডার অভিবাসন ব্যবস্থায় স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট নিয়ম থাকা প্রয়োজন। কোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজের অনুমতি বা স্থায়ী বসবাসের সুযোগ নিশ্চিত হয় না—আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের এই বাস্তবতা বুঝতে হবে।
একই সুরে কানাডার কেন্দ্রীয় অভিবাসন কর্তৃপক্ষও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সতর্কবার্তা প্রদান করেছে। যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কোর্সে ভর্তি হওয়ার আগে ছাত্রদের ভালোভাবে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে, ওই প্রোগ্রামের আওতায় পড়াশোনা শেষে কাজের অনুমতি (পিজিডব্লিউপি) পাওয়া যাবে কি না। স্থায়ী বসবাসের নিশ্চয়তা দেওয়া ভুয়া ব্যক্তি বা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন