বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:৫৩ পি.এম
দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সুশাসনসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলি তদারকি ও সমন্বয়ে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হয়েছে। গেজেটে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
নতুন দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে আছেন ইকবাল হাসান মাহমুদ (রাজশাহী, নাটোর), ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন (লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড়), জনাব আব্দুল আউয়াল মিন্টু (লক্ষ্মীপুর), নিতাই রায় চৌধুরী (চুয়াডাঙ্গা), খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (হবিগঞ্জ), আরিফুল হক চৌধুরী (মৌলভীবাজার), মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি (চট্টগ্রাম), এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা), আসাদুল হাবিব দুলু (ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর), মো. আসাদুজ্জামান (খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট) ও জাকারিয়া তাহের (ফেনী, নোয়াখালী)।
দায়িত্ব পাওয়া অন্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা হলেন— সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল (মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ), সাচিং প্রু (কক্সবাজার), মো. শরীফুল আলম (টাঙ্গাইল, নরসিংদী), মিজ্ শামা ওবায়েদ ইসলাম (মাদারীপুর, শরীয়তপুর), অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ), আব্দুল বারী (বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ), সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (ঢাকা), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি), হাবিবুর রশিদ (গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ) ও মো. রাজীব আহসান (বরগুনা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর)।
নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে এছাড়াও আছেন মীর শাহে আলম (রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম), মিজ্ ফারজানা শারমিন (সিরাজগঞ্জ, পাবনা), শেখ ফরিদুল ইসলাম (যশোর, মাগুরা, নড়াইল), ইয়াসের খান চৌধুরী (জামালপুর, কিশোরগঞ্জ), আহমেদ সোহেল মঞ্জুর (বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি), মোহাম্মদ শামীম কায়সার (জয়পুরহাট, নওগাঁ), আলহাজ্ব মো. জি কে গউস (সিলেট, সুনামগঞ্জ), মিয়াঁ নুরুদ্দিন আহম্মেদ (রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ) ও এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর)।
৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া প্রসঙ্গে গেজেটে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত এসব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপগণ মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ, গুরুতর অপরাধ দমনসহ জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। সেইসঙ্গে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের তদারকি ও পরামর্শ প্রদান করবেন।
এছাড়া, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপগণ প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সভায় অংশগ্রহণ এবং পরামর্শ দিতে পারবেন বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে এতে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর পোরশায় ভূমি অফিস সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপবাদ দেওয়ার অভিযোগে আমির উদ্দিন বাবুর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নওগাঁর আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সাংবাদিক সবুজ হোসেন।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবাদ প্রকাশের পর আমির উদ্দিন বাবু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাংবাদিকদের ছবি প্রকাশ করে বিভিন্ন মিথ্যা ও মানহানিকর অপপ্রচার চালান। একই সঙ্গে, সংবাদ সংগ্রহের জন্য ওই এলাকায় সাংবাদিকদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এবং সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য এসব অপপ্রচার ও হুমকি দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক সবুজ হোসেন বলেন, “সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো ধরনের হুমকি, হয়রানি বা মানহানিকর অপপ্রচার মেনে নেওয়া হবে না। এ ঘটনায় ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় আদালতের আশ্রয় নিয়েছি।”
এদিকে, মামলায় করা অভিযোগের বিষয়ে আমির উদ্দিন বাবুর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) টিএসসিসির চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনায় গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে আগামী রোববারের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে তদন্ত কমিটির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত একাডেমিক ভবনসমূহের দরজা-জানালা ও অন্যান্য স্থাপনা ঘুরে দেখার পাশাপাশি বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।
তদন্ত কমিটির প্রধান কৃষি অনুষদের সাবেক ডিন ও ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমাদের কাছে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
তিনি বলেন, সংঘর্ষে রসায়ন বিভাগের পাঁচজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমরা ঘটনাস্থলে এসে ভাঙচুর হওয়া দরজা-জানালা পরিদর্শন করেছি এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছি।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সহকারী প্রক্টর ও প্রক্টরের সঙ্গে আমরা কথা বলব। তদন্তে যারা দোষী ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত হিসেবে শনাক্ত হবেন, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে সুপারিশ করা হবে। আশা করছি, রোববারের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রশাসনের কাছে জমা দিতে পারব।
এর আগে বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। অন্য দুই সদস্য হলেন দর্শন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম এবং আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সাহাল উদ্দিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিভারপুল ফরাসি উইঙ্গার ব্রাডলি বারকোলাকে দলে ভেড়ানোর জন্য প্যারিস সেন্ট-জার্মেইর সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছেছে। এই উইঙ্গারকে পেতে লিভারপুলকে ১২০ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত খরচ করতে হবে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা অগ্রসর হয়েছে। ফলে ফ্রান্সের এই তারকার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি এখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
পিএসজি ২৩ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের মূল্য ১৪৫ মিলিয়ন পাউন্ড নির্ধারণ করেছিল। তবে লিভারপুল এমন একটি প্যাকেজে সম্মত হতে যাচ্ছে, যার মূল্য হবে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড এবং ব্যক্তিগত ও দলীয় উল্লেখযোগ্য সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে তা বেড়ে ১২০ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত হতে পারে।
বারকোলা ডান পায়ের খেলোয়াড় হলেও তিনি বাম উইংয়ে খেলতে বেশি পছন্দ করেন। তার সম্ভাব্য আগমন অ্যানফিল্ডে কোডি গাকপোর ভবিষ্যৎ নিয়ে আরো অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ষাকাল শেষ হয়ে গেছে। ভাদ্র মাসে কুড়িগ্রামে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা মিলছে না।
টানা বৃষ্টিহীনতার কারণে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের আমনখেত শুকিয়ে যাচ্ছে। কিছু জায়গায় জমিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। এর ফলে ধানগাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে এবং কৃষকরা ফলন নিয়ে উদ্বেগে আছেন।
বৃষ্টির অভাবে জমিতে প্রয়োজনীয় পরিচর্যাও করা যাচ্ছে না।
অনেক কৃষক সময়মতো আগাছা পরিষ্কার, সার এবং বালাইনাশক প্রয়োগ করতে পারছেন না। উঁচু জমিগুলো দ্রুত শুকিয়ে যাওয়ার কারণে কেউ কেউ সেচ দিয়ে ধানগাছ টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। এতে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রামে ১ লাখ ১০ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়েছে।
এ বছর আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২১ হাজার ৬০০ হেক্টর।
সরেজমিনে কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, নিচু জমির কিছু অংশে পানি থাকলেও উঁচু জমিগুলো শুকিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও মাটি সাদা হয়ে ফেটে গেছে। পানির অভাবে ধানগাছও বিবর্ণ হয়ে পড়েছে।
উলিপুর উপজেলার মধুপুর গ্রামের কৃষক তৈয়ব আলী বলেন, ‘আমন ধান লাগানোর উপযুক্ত সময়েই পানির সংকট দেখা দেয়।
সেচ দিয়ে চারা রোপণ করেছি। এরপর আর জমিতে পানি দিতে পারিনি।’
চিলমারীর থানাহাট ইউনিয়নের মজারটারী গ্রামের কৃষক সেকেন্দার আলী ও নাজমুল হক জানান, পানির অভাবে তাঁরা সময়মতো সার দিতে পারেননি। পরে শুকনা জমিতে সার দিতে হয়েছে। সার না গলার কারণে তাঁরা ছেউতি দিয়ে জমিতে পানি দিচ্ছেন।
কৃষক শমশের আলী বলেন, ‘পানির অভাবে জমি শুকিয়ে যাচ্ছে। সেচ দিলে খরচ বাড়ছে। বৃষ্টির অপেক্ষায় আছি। আবার পানি না থাকায় ধানগাছও ঠিকমতো বাড়ছে না।’
পানি সংকটের পাশাপাশি আমন মৌসুমে সার নিয়েও কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। সরকারি বরাদ্দ থাকলেও প্রয়োজনের সময় ইউনিয়ন পর্যায়ে সার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেকে। এর ফলে তাঁদের বেশি দামে খোলা বাজার থেকে সার কিনতে হচ্ছে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামে বিএডিসির আওতায় ১১৪ জন এবং বিসিআইসির আওতায় ৯৪ জন সার ডিলার রয়েছেন। প্রতি ইউনিয়নে বিএডিসির তিনজন ও বিসিআইসির একজন ডিলার থাকার কথা। তবে বাস্তবে কোথাও কোথাও এর ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে।
আগস্ট মাসে জেলায় ইউরিয়া সারের চাহিদা ছিল ৫ হাজার ৮৭৫ মেট্রিক টন। সেপ্টেম্বরে চাহিদা ৪ হাজার ৬৪৪ মেট্রিক টন। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমনখেতে ইউরিয়া সার প্রয়োগের সময়সীমা শেষ হবে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, আপাতত সারের কোনো সংকট নেই। বৃহস্পতিবার থেকে ডিলাররা আগাম সেপ্টেম্বরের সার উত্তোলন করতে পারবেন। পানির অভাবে কৃষকরা কিছুটা সমস্যায় পড়েছেন। তবে আগামী সপ্তাহে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টি হলে পানির সমস্যাও কেটে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ