ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁপাইনবাবগঞ্জে লালন সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবসে সাধুসঙ্গ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান


চাঁপাইনবাবগঞ্জে লালন সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবসে সাধুসঙ্গ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

চাঁপাইনবাবগঞ্জে লালন সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে সাধুসঙ্গ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে চাঁপাই বাউল ভক্তকুল নামে একটি স্থানীয় সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সাধু শাহজাহান চিশতীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভার মাধ্যমে। আলোচনায় বক্তব্য রাখেন জনপ্রিয় লোকজ নানা-নাতির গম্ভীরা গানের শিল্পী মাহবুবুল আলম, কবি আনিফ রুবেদ, আলাউদ্দিন সাধু, হুমায়ুন সাধু, তানভীর সাধু প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক ভক্ত কাওসার রিপন।

বক্তারা লালনের বাণী, জীবনদর্শন ও চেতনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতা নিয়েও তাঁদের আলোচনা উঠে আসে। আলোচনায় লালনের গান ও দর্শনের বিষয়বস্তুও উঠে আসে।

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

সন্ধ্যায় সংগীত পরিবেশন করেন আবুল কালাম ভাণ্ডারী, ইসমাইল ভাণ্ডারী, ইমন ভাণ্ডারী, শফিকুল ইসলাম, তাজ মোহাম্মদের নেতৃত্বে মহানন্দা শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীসহ অন্যান্য শিল্পীরা। একক ও দলীয় লালনসংগীতে মঞ্চ মুখরিত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানটি জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাধু, বাউল, ভক্তদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং আমন্ত্রিত অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার তুলনায় কম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ এম


বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার তুলনায় কম

বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে দক্ষিণ এশিয়ার বেশিরভাগ দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম রয়েছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রাক্কলন অনুসারে, বাংলাদেশের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও ভুটানের ঋণের অনুপাত অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, ২০২৬ সালে ভারতের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৮৩ শতাংশ, পাকিস্তানের ৭০ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ৯৫ শতাংশ, মালদ্বীপের ১৩১ শতাংশ এবং ভুটানের ১১৬ শতাংশ হতে পারে। নেপালের ক্ষেত্রে এ হার প্রায় ৪৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ হতে পারে।

এই হিসাব অনুযায়ী, জিডিপির অনুপাতে বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার ভারতের অর্ধেকেরও কম। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশের ঋণের অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে কম। অন্যদিকে, মালদ্বীপ ও ভুটানের ক্ষেত্রে সরকারি ঋণ তাদের বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের আকারকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

অর্থনীতির আকারের তুলনায় ঋণের এই ব্যবধান বাংলাদেশের জন্য একটি স্বস্তিদায়ক সরকারি ঋণ পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং উন্নয়ন ব্যয়ের চাপের মধ্যেও জিডিপির অনুপাতে ঋণের হার তুলনামূলকভাবে কম থাকা দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, জিডিপির তুলনায় সরকারি ঋণের অনুপাত কম থাকলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও অন্যান্য উন্নয়ন খাতে ব্যয় বাড়ানোর জন্য সরকারের নীতিগত নমনীয়তা বজায় রাখার সুযোগ তৈরি হয়। তবে এই সুবিধা কাজে লাগাতে হলে ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে টেকসই নীতি অনুসরণ, সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঋণের অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার করা উচিত।

বাংলাদেশের এই তুলনামূলক অবস্থান ধরে রাখার জন্য রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, সরকারি ব্যয়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগ সম্প্রসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে নতুন ঋণ থেকে যথেষ্ট অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুফল পাওয়া এবং ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বর্তমানে মূল্যস্ফীতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং উন্নয়ন চাহিদা পূরণের চাপের মধ্যে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা বজায় রাখা এবং সীমিত সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরগঞ্জে আদিবাসীদের মিলনমেলায় বাঁশি-দোতারার সুরে শত বছরের ঐতিহ্য উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ এম


বীরগঞ্জে আদিবাসীদের মিলনমেলায় বাঁশি-দোতারার সুরে শত বছরের ঐতিহ্য উদযাপন

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বাঁশি, দোতারা, মাদল ও ধামসার সুরে সুরে উদযাপিত হয়েছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের বিশাল মিলনমেলা, যা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী এই মেলায় দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, রাজশাহী ও নওগাঁসহ উত্তরের বিভিন্ন জেলা থেকে ১০ হাজারের বেশি আদিবাসী নারী-পুরুষ ও তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেন।

বীরগঞ্জের গোলাপগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই মেলায় তরুণ-তরুণীরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়ে দলবদ্ধভাবে নিজস্ব কৃষ্টির নৃত্য ও গান পরিবেশন করেন। খোঁপার তাজা ফুল, কাচের চুড়ি ও রঙিন শাড়িতে সজ্জিত নারীদের অংশগ্রহণে মেলা প্রাঙ্গণ এক দারুণ উৎসবের রূপে পরিণত হয়।

মেলায় আদিবাসী ছাড়াও বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে। স্থানীয়ভাবে ‘বাসিয়াহাটি’ নামে পরিচিত এই মেলায় বসেছিল কুটিরশিল্প, বাহারি কাচের চুড়ি, রঙিন ফিতা, মাটির ও ঝিনুকের তৈরি তৈজসপত্র, খেলনা, দা-কুড়াল এবং নানা ধরনের খাবারের পসরা। নিরাপত্তা নিশ্চিতে মেলা প্রাঙ্গণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।

জনশ্রুতি রয়েছে, অতীতে এই মেলার বিশেষ আকর্ষণ ছিল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ছেলেমেয়েরা এখান থেকে পছন্দের জীবনসঙ্গী খুঁজে নিতে পারত। পছন্দ হলে পরিবারিকভাবে ধুমধামে বিয়ে দেওয়া হতো। তবে বাস্তব চিত্র একেবারেই ভিন্ন। মূলত এটি কোনো পছন্দ বা বিয়ের উদ্দেশ্যে আয়োজিত মেলা নয়, বরং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর এটি এখন সামাজিক বন্ধন, পুনর্মিলন ও সংস্কৃতি আদান-প্রদানের মাধ্যমে রূপ নিয়েছে।

বীরগঞ্জ আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়ক জোসেফ হেমরম জানান, আদিবাসী এ মেলার প্রচলন কবে শুরু হয়েছে, সেটি সঠিকভাবে বলা যাবে না। তবে তারা শুধু সংস্কৃতি, সামাজিক বন্ধন ও ঐতিহ্য ধারাবাহিকভাবে রক্ষা করে যাচ্ছেন।

এদিকে আয়োজক কমিটির আরেক নেতা রিতা হেমরম জানান, আদিবাসীরা ভিন্ন সত্তা নিয়ে এ দেশে বসবাস করে। তাদের কৃষ্টি-কালচার আলাদা, ভাষা আলাদা। কিন্তু কিছু মানুষ এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটররা আদিবাসী মিলনমেলাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে তাদের অসম্মানিত করেছে।

প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে থাকা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর এই উৎসব মেলায় আসা দর্শনার্থীদেরও মুগ্ধ করে বলে জানান শিক্ষক ও গবেষক সায়েদ আলী।

আদিবাসীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠানে সব রকম সহযোগিতার কথা জানান বীরগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি আমীরুল ইসলাম।

বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমা খাতুন মনে করেন, এ মিলনমেলা শুধু আনন্দের উৎসব নয়, এটি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি এবং নিজস্ব সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার একটি বড় মাধ্যম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ এম


রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের প্রাণহানি

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও কামরাঙ্গীরচরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন, যার মধ্যে একটি শিশু রয়েছে, নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, যাত্রাবাড়ী মোড় এলাকায় একটি বাসের চাপায় ইমরান ভূঁইয়া (৪০) এবং সায়েদাবাদের জনপথ মোড়ে আরেকটি বাসের ধাক্কায় মো. মতিউর রহমান (৫২) নিহত হন। এর পাশাপাশি, কামরাঙ্গীরচর পূর্ব রসুলপুর এলাকায় একটি অটোরিকশার ধাক্কায় মো. ইয়াছিন (৭) নামে এক শিশু প্রাণ হারায়।

যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর ইসলাম জানান, গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে যাত্রাবাড়ী মোড়ে ডেমরামুখী সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস ইমরানকে ধাক্কা দেয়। বাসের ধাক্কায় তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জাহাঙ্গীর ইসলাম আরও জানান, ময়নাতদন্তের জন্য ইমরানের লাশ ঢামেকের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় বাসচালককে আটক করা হয়েছে এবং বাসটি জব্দ করা হয়েছে। মৃত ইমরান বাসের লাইনম্যান ছিলেন এবং তিনি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় বাড়ি ছিলেন। যাত্রাবাড়ীর বিবির বাগিচা এলাকায় তিনি পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

এদিকে, যাত্রাবাড়ী থানার এসআই ইকবাল হোসেন জানান, জনপথ মোড়ে বাসের ধাক্কায় নিহত মতিউর রহমান আদমজী জুট মিলে কর্মরত ছিলেন। এই ঘটনায় বাসটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক পালিয়ে গেছেন। মতিউরের বাড়ি যশোরের কোতোয়ালির বকচর গ্রামে এবং তিনি ওয়ারী এলাকায় বাস করতেন।

কামরাঙ্গীর চর থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসআই শরিফ জানান, ইয়াছিনের মৃত্যুর ঘটনা এখনো থানায় রিপোর্ট হয়নি। তবে, শিশু ইয়াছিনের বাবা ইমদাদুল হক রাসেল গণমাধ্যমকে জানান, ইয়াছিন বাসার পাশে খেলছিল। এ সময় একটি দ্রুতগতির অটোরিকশা ইয়াছিনকে ধাক্কা দেয়। এতে সে রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে বিকেলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোমবার থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০২ এম


সোমবার থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদান করে আসা আন্তঃনগর ট্রেন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ এবার সরাসরি পর্যটন নগরী কক্সবাজার পর্যন্ত যাতায়াত করবে। আগামী সোমবার সন্ধ্যা ৮টায় ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনটির কক্সবাজারগামী প্রথম যাত্রার উদ্বোধন করবেন রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন। রেলওয়ের প্রকাশিত নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিদিন ঢাকা থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে মহানগর এক্সপ্রেস। অন্যদিকে, কক্সবাজার থেকে ফিরতি যাত্রা শুরু হবে সকাল ৮টায়; ট্রেনটি দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে এবং একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে এসে পৌঁছাবে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৫ সালের ৪ ডিসেম্বর মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীদের কাছে এটি অত্যন্ত পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যম হিসেবে পরিচিত ছিল। শুধু দুই নগরী নয়, যাত্রাপথের মধ্যবর্তী বিভিন্ন স্টেশনের যাত্রীরাও নিয়মিত এই ট্রেনে যাতায়াত করে আসছিলেন। রুট সম্প্রসারণের ফলে ট্রেনটির দীর্ঘদিনের যাত্রাপথের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হলো কক্সবাজার।

বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ও ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ‘সৈকত এক্সপ্রেস’ ও ‘প্রবাল এক্সপ্রেস’ চলাচল করছে। মহানগর এক্সপ্রেস যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে এই রুটে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দেশের দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের ভ্রমণের পাশাপাশি স্থানীয়দের যাতায়াতে নতুন দিগন্ত ও সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%