০৯:০৪ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, নদী ও খালের জমি দখল করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, এটি যতো ক্ষমতাবান ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতেই হোক না কেন।
আজ বিকেলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বিভিন্ন নিষ্কাশন খাল ও সেচ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রূপগঞ্জের বিভিন্ন খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদে প্রশাসন মাঠে নেমেছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সকল ধরনের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে।
আরও পড়ুন: গুলশান-বনানীতে উওরা ডিএনসির অভিযান: নেপথ্যে মাসোহারা আদায় ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ
এ অবস্থায় তিনি এ অঞ্চলের সেচ ও জলাবদ্ধতার অতীত ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী অগ্রণী সেচ প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে জাপানি প্রযুক্তি ও জাইকার সহায়তায় প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।
কিন্তু সময়ের বিবর্তন ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে সেচ প্রকল্পের অনেক জমি ও খাল অবৈধ দখলের কবলে পড়েছে। বর্তমানে রূপগঞ্জে প্রায় ৭৪১টি শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় তীব্র জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রূপগঞ্জে সড়কপথের পাশাপাশি একটি আধুনিক নৌপথ চালু হবে। এতে সড়কে যানবাহনের চাপ কমবে, যানজট নিরসনে সহায়ক হবে এবং মানুষ অল্প সময়ে যাতায়াত করতে পারবে।
এ সময় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী মো. কাইছার আলম, পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ আহমেদ এবং রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ডার্ক ওয়েবে ১৮ লাখ বাংলাদেশির ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন