শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩১ পি.এম
ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রেক্ষিতে সউদী আরবকে সামরিক সহায়তা দিতে সরাসরি মাঠে নামার ইঙ্গিত দিচ্ছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে তিন দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রিয়াদে জরুরি বৈঠকে বসছেন সউদী, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সেনাপ্রধানরা।
শুক্রবার তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, তাদের চিফ অফ জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারোগলু রিয়াদ যাচ্ছেন। একইসঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরও শিগগিরই রিয়াদ পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদ, ইয়ানবুতে অবস্থিত সউদী আরামকোর তেল শোধনাগার এবং তায়েফ শহর লক্ষ্য করে একযোগে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় হুথিরা। এছাড়া মক্কা ও জেদ্দায় জরুরি সতর্কতা জারি করে সউদী কর্তৃপক্ষ। এর প্রেক্ষাপটে গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সহায়তা চেয়ে আঙ্কারা ও ইসলামাবাদের শরণাপন্ন হয় রিয়াদ। উক্ত চুক্তি অনুযায়ী—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে বাকি দুই দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে তিনটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পরেই সামরিক প্রধানদের এই জরুরি বৈঠকের ঘোষণা আসে। সউদী আরব জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মিত্রদের কাছ থেকে সরাসরি পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছে।
তবে প্রকাশ্যে কড়া বার্তা দিলেও হুথিদের সরাসরি হুমকি এবং নিজস্ব সামরিক বাস্তবতার কারণে সতর্ক পদক্ষেপ নিচ্ছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। ইতিমধ্যে হুথিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি সতর্ক করে বলেছেন, পাকিস্তান বা তুরস্ক যুদ্ধে অংশ নিলে তাদের "লোহার হাত" দিয়ে দমন করা হবে।
ইসলামাবাদের পলিসি স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষকদের মতে, আফগানিস্তান সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সামলাতে গিয়ে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এমনিতেই বেশ ব্যস্ত। অন্যদিকে তুরস্কও নেটোর প্রতিশ্রুতি এবং সিরিয়া সীমান্ত সুরক্ষায় ব্যস্ত থাকায় সরাসরি পদাতিক সৈন্য পাঠানো কঠিন হতে পারে। তবে প্রযুক্তিগত সহায়তা, সামরিক উপদেষ্টা প্রদান এবং আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারে বড় ভূমিকা রাখতে পারে দুই দেশ। ইতোমধ্যেই পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মাহমুদকে এই জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সউদী আরবের ধর্মীয় প্রধান গ্র্যান্ড মুফতি শেখ সালেহ আল-ফাওজান হুথিদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এটিকে প্রতিটি মুসলিমের দায়িত্ব বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে বাদশা সালমান এই হামলাকে পবিত্র ভূমির ওপর আঘাত বলে উল্লেখ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত সামরিক উপস্থিতির কারণে চাপে থাকা রিয়াদকে সহায়তা করতে ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্য রিফুয়েলিং সুবিধা এবং ফ্রান্স গুরুত্বপূর্ণ বন্দর রক্ষার জন্য সেনা পাঠাতে সম্মত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখতে পাকিস্তান ও তুরস্ক বড় ধরনের নীতিগত সিদ্ধান্তের দিকে এগোচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সোশ্যাল সিকিউরিটির অবসর ও সারভাইভার সুবিধার জন্য গঠিত ট্রাস্ট ফান্ডের রিজার্ভ দ্রুত হারে কমে যাচ্ছে। দেশটির কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও) সতর্ক করেছে যে, কংগ্রেস যদি সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তাহলে ২০৩২ সালে এই তহবিলের অর্থ সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়ে যেতে পারে।
সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, কর্মীদের বেতন থেকে সংগৃহীত পে-রোল ট্যাক্সের আয় এবং বর্তমান সুবিধা প্রদানের খরচের মধ্যে একটি বড় ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে ট্রাস্ট ফান্ডের রিজার্ভ ব্যবহার করা হলেও তা দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। তহবিল শূন্য হয়ে গেলে বর্তমান আইন অনুযায়ী সংগৃহীত রাজস্ব দিয়েই কেবল সুবিধা পরিশোধ করা সম্ভব হবে, যা পুরো অর্থ পরিশোধের জন্য যথেষ্ট নয়।
সিনেটর বিল ক্যাসিডি ও ডিক ডারবিনসহ কয়েকজন আইনপ্রণেতা সতর্ক করেছেন যে, তহবিলের অর্থ ফুরিয়ে গেলে অবসরপ্রাপ্তদের সুবিধার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, মাসে গড়ে ২ হাজার ৮৬ ডলার পাওয়া একজন ব্যক্তি ভবিষ্যতে কয়েকশ ডলার পর্যন্ত কম সুবিধা পেতে পারেন।
তবে, কংগ্রেস যদি আইন সংশোধন করে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তাহলে এই পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে। সংকট সমাধানের লক্ষ্যে ক্যাসিডি ও ডারবিন ‘প্রমিজ অ্যাক্ট’ (PROMISE Act) নামে একটি দ্বিদলীয় প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরি বোর্ডের মাধ্যমে এমন একটি প্রস্তাব তৈরি করা, যা ট্রাস্ট ফান্ডকে অন্তত ৫০ বছর টেকসই রাখবে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকদের মধ্যে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিয়ে বিভিন্ন মতপার্থক্য বিদ্যমান। কেউ উচ্চ আয়ের মানুষের ওপর কর বাড়ানোর পক্ষে, আবার কেউ অবসরের বয়সসীমা বা সুবিধার কাঠামোগত পরিবর্তনের কথা বলছেন। শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তার ওপরই নির্ভর করছে দেশটির লাখ লাখ অবসরপ্রাপ্ত মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার পাইকগাছায় পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৯টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আওয়াল কবিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে এসআই ওবায়দুর রহমান এবং এএসআই নুর আলমসহ অন্যান্য সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অভিযানের ফলস্বরূপ উত্তর সলুয়া গ্রামের মো. রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মো. রবিউল ইসলাম উত্তর সলুয়া গ্রামের মৃত সবুর মল্লিকের পুত্র।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, মো. রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে ৪টি সিআর মামলায় সাজা রয়েছে এবং আরও ৫টি সিআর মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট রয়েছে। ফলে, মোট ৯টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি তিনি।
পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আওয়াল জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জ, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : চুনারুঘাট উপজেলার একটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত হয়েছেন। নিহতদের নাম মুহাদ্দিস খান (২০) এবং শেখ নয়ন মিয়া (২১)।
আজ শুক্রবার বিকেলে চুনারুঘাট-সাতছড়ি সড়কের চানপুর বাগান এলাকায় মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মুহাদ্দিস খান হলহলিয়া গ্রামের আলী আজগর খানের সন্তান। অপরদিকে, শেখ নয়ন মিয়া সতং গ্রামের শেখ কাইয়ুম মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানায়, আজ শুক্রবার বিকেলে দুই যুবক মোটরসাইকেলে সাতছড়ি যাওয়ার পথে চানপুর বাগান এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইকের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনার ফলে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মুহাদ্দিস খান এবং শেখ নয়ন মিয়া মারা যান।
এ ঘটনায় ইজিবাইকের দুই যাত্রীও আহত হন এবং তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল লঞ্চ টার্মিনালে আজ লঞ্চ থেকে নামার সময় মেঘনা নদীতে পড়ে এক যুবক নিখোঁজ হয়ে গেছেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। তবে নিখোঁজ যুবকের সন্ধান এখনো মেলেনি।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে চাঁদপুরগামী মুকবিল-২ লঞ্চটি ষাটনল লঞ্চঘাটে যাত্রী নামাচ্ছিল। এ সময় ওই যুবক লঞ্চ থেকে নামার পর নিজের ব্যাগ লঞ্চে রেখে যাওয়ার কথা মনে পড়লে আবার লঞ্চে ওঠেন। পরে ফের লঞ্চ থেকে নামার সময় লঞ্চটি পেছনের দিকে চালিয়ে দেওয়া হলে ঘাটে লাফ দিয়ে নামার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় মেঘনা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ওই যুবক।
ঘটনার পর মুকবুল-২ লঞ্চটি দ্রুত মোহনপুর লঞ্চঘাটের দিকে চলে যায়। পরে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা লঞ্চটি ও এর দুই স্টাফকে আটক করেন। ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. রুহুল আমিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সৈকত মন্তব্য করেন যে, লঞ্চ চালকদের ভুলের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তারা মনে করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ষাটনল লঞ্চ ঘাটে আগে এমন ঘটনা ঘটেনি এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। লঞ্চ যাত্রীরাও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। ষাটনল লঞ্চ ঘাটের ইজারাদার মো.ইমন জানান, ঘটনার পরপরই বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে এবং নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চলছে।
বেলতলী নৌ পুলিশের ইনচার্জ মোজাম্মেল হক জানান, নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে নৌ পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে বেলতলী নৌ পুলিশ, মোহনপুর নৌ পুলিশ এবং মতলব উত্তর থানা পুলিশের সদস্যরাও স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় ৪৫ মিনিট পর সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে চাঁদপুর নদী ফায়ার সার্ভিস খবর পায়। এরপর আবহাওয়া ও নদীর পরিস্থিতির কারণে সড়ক পথে ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয় ফায়ার সার্ভিসের দল। প্রায় তিন ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস এবং বিআইডব্লিউটিএ’র ডুবুরি দল।
চাঁদপুর নদী ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. রাকিবুল ইসলাম বাসস’তে বলেন, সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে ষাটনল লঞ্চ ঘাটে একজন যাত্রী নদীতে পড়ে যাওয়ার খবর পান তারা। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় সড়ক পথে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি অনুকূলে আসার পর ডুবুরি দলকে দিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ’র ডুবুরি দলও একই সঙ্গে উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছে।
ঘটনাস্থলে চারজন ডুবুরি দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানান চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ’র সহকারী পরিচালক সঞ্জয় দেবনাথ। তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পর চাঁদপুর থেকে ডুবুরি দল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আমরা পৌঁছেছি। নদীতে স্রোত থাকায় ঘটনাস্থলে না পাওয়া গেলে ভাটির দিকে তল্লাশি চালানো হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালানোর কথাও জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বাসস’কে জানান, বিষয়টি জানার পরপরই নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ইউনিটের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে প্রয়োজনীয় উদ্ধার তৎপরতা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ