মোঃ মাহবুব আলম শাওন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
০৭:৩৪ পি.এম
অদ্য ৪ জুলাই ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ মাদকমুক্ত বদলগাছী থানা গড়ার লক্ষ্যে বদলগাছী থানার উদ্যোগে এক মতবিনিময় ও কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন,জেলা প্রশাসন, কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্য, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ ফজলে হুদা, মাননীয় সংসদ সদস্য, নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর–বদলগাছী)। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। এর ভয়াবহতা থেকে তরুণ সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন এবং সর্বস্তরের জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সম্মানিত বিশেষ অতিথি জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান, পিপিএম (বার), পিএইচডি, ডিআইজি, রাজশাহী রেঞ্জ, বাংলাদেশ পুলিশ রাজশাহী বলেন, "সমাজকে মাদকমুক্ত করতে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, তথ্য প্রদান এবং পুলিশ-জনতার পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার মাধ্যমেই মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।" তিনি প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার, নওগাঁ। তিনি বলেন, জেলা পুলিশ নওগাঁ মাদক নির্মূলে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়ানো গেলে মাদক প্রতিরোধে একটি কার্যকর সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিক অংশগ্রহণ কামনা করেন।
সভায় মাদকের কুফল, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, অপরাধ প্রতিরোধে জনগণের ভূমিকা এবং পুলিশ-জনতার পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত সকলেই একটি মাদকমুক্ত, নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত বদলগাছী গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি চাকরিজীবী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটে অবশেষে নবম পে-স্কেল আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে। নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট বা সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এবং এই বাস্তবায়নের চূড়ান্ত রূপরেখা নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা কমিটি, যেটি মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে কাজ করছে, বেসামরিক প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্য পৃথক তিনটি পে-কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করার পর চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরি করেছে। চলতি সপ্তাহেই এই বাস্তবায়নের রোডম্যাপ অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার কথা।
কমিটির সুপারিশটি প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পাওয়ার পর, আগামী জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে অথবা তার পরের সপ্তাহে (১৫ থেকে ২৫ জুলাই, ২০২৬-এর মধ্যে) অর্থ মন্ত্রণালয় নতুন পে-স্কেলের অফিশিয়াল গেজেট প্রকাশ করবে বলে জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে বড় ধরনের প্রস্তুতি চলমান। নতুন অর্থবছরের শুরু, তথা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে এই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার কথা অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নিজেই ঘোষণা করেছেন। তবে এটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তের কারণে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের প্রক্রীয়া নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মনে এখনও নানা প্রশ্ন ও আলোচনা বিদ্যমান।
কত ধাপে ও কীভাবে বাড়বে বেতন? প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর নিশ্চিত করেছেন যে, নতুন পে-স্কেলের বেতন ও ভাতা একসাথে কার্যকর না করে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করা হবে।
প্রথম ও দ্বিতীয় বছর: নতুন বেতন কাঠামোর প্রথম দুই অর্থবছরে মূলত কর্মচারীদের মূল বেতন বৃদ্ধি করা হবে, যা প্রায় ৫০ শতাংশ হারে বাড়তে পারে। তৃতীয় বছর: শেষ ধাপে গিয়ে মূল বেতনের সাথে আনুষঙ্গিক অন্যান্য সরকারি ভাতা কার্যকর করা হবে।
নতুন পে-স্কেলে কোন কোন ভাতা কমছে? অন্তর্বর্তী সরকারের পে কমিশন বনাম বর্তমান কমিটির খসড়া ২০২৫ সালে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত 'জাতীয় বেতন কমিশন' সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। সেখানে বিদ্যমান সর্বনিম্ন স্কেল ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ধাপ ১,৬০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়।
তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে নতুন বেতন কাঠামোর খসড়া তৈরি করেছে, যার ওপর ভিত্তি করেই গেজেট চূড়ান্ত করার কাজ চলমান রয়েছে।
নতুন অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ মোট ৮৯,৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্রাচুইটিসহ এই বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়ায় ১,৪১,৪৩৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৪৪,০০০ কোটি টাকা মূলত সরকারি কর্মচারী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং পেনশনভোগীদের নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের জন্যই নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, প্রশাসনিক জটিলতায় গেজেট প্রকাশে সামান্য বিলম্ব ঘটলেও, যখনই এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে, সরকারি চাকরিজীবীরা বকেয়াসহ বেতন পাওয়ার সুবিধাটি পাবেন।
উল্লেখ্য, নবম জাতীয় পে ল নিয়ে চলতি সপ্তাহে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে পে মিশনের সুপারিশ পুনর্মূল্যায়নে গঠিত সচিব কমিটি। চলতি সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ওই বৈঠকেই পে-স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন আটটি ইউনিয়নকে নিয়ে নতুন ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন হওয়ায় এলাকায় উৎসবমুখর একটি পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার (৪ জুলাই) কান্দিপাড়া আস্কর আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনন্দ মিছিল, গণসমাবেশ এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চুকে গণসংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়।
এর আগে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে, যার নাম তারেক রহমান, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২১তম সভায় ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়। এই অনুমোদনের ফলে ময়মনসিংহ জেলায় বিদ্যমান ১৩টি উপজেলার সঙ্গে নতুন একটি উপজেলা যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, পাগলা অঞ্চলে পৃথক প্রশাসনিক ইউনিট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের বিষয়টি দীর্ঘদিনের। তাদের মানুষদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে গফরগাঁও থানাকে বিভক্ত করে নতুন থানা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
সে সময় প্রশাসনিক জরিপে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের কান্দিপাড়া এলাকাকে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছিল এবং ১৯৭৯ সালে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস কমিটির অনুমোদনও দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে তা বাস্তবায়িত হয়নি। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন পর নতুন উপজেলা গঠনের অনুমোদনের মাধ্যমে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এগোলো।
গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ ইসাহাক, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আবদুল্লাহ আল মামুন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আনসার উদ্দিন, যুবদলের আহ্বায়ক সরদার মো. খুররম, সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী শামীমা সুলতানা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, পাগলা অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি স্বতন্ত্র উপজেলা। তার মতে, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সেই দাবি বাস্তবায়নের পথ এখন সুগম হয়েছে।
তিনি বলেন, নতুন উপজেলা গঠনের পাশাপাশি এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ময়মনসিংহের সঙ্গে চার লেন সড়ক, একাধিক ডাবল লেন সড়ক, দুটি ১০১ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল, একটি ডায়াবেটিক হাসপাতাল, টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, কালচারাল সেন্টার, শিল্পকলা একাডেমি, সার্ভেয়ার ইনস্টিটিউটসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ গফরগাঁও অঞ্চলের যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
অনুষ্ঠান শেষে নতুন উপজেলা অনুমোদনের আনন্দে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি কান্দিপাড়া বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং এ সময় অংশগ্রহণকারীরা নতুন উপজেলা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের মক্কায় ওমরাহ পালন শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার প্রবাসী যুবক মো. হানিফ মিয়া (২৫)।
নিহত হানিফ মিয়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের মাঝিগাছা গ্রামের হিরন মিয়ার ছেলে। পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, হানিফ প্রায় ছয় বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। তিনি মক্কার একটি হাসপাতালে চাকরি করতেন। সম্প্রতি ওমরাহ পালন শেষে শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে মক্কার আল নাসিম এলাকায় মসজিদ আল রাজির সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হন।
মৃত্যুর খবরটি একই এলাকার আখাউড়া উপজেলা প্রবাসী বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া সুহেল পরিবারের সদস্যদের কাছে পৌঁছালে পুরো মাঝিগাছা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা।
কাঁদতে কাঁদতে নিহতের বোন সুমাইয়া বলেন, “আমার ভাই টানা ছয় বছর ধরে প্রবাসে ছিল। এই ছয় বছরে একবারও তাকে দেখতে পারিনি। বলেছিল, আর এক মাসের মধ্যেই দেশে আসবে। কিন্তু ভাই আর ফিরল না। আমাদের বাবা প্রায় ১০ বছর ধরে অসুস্থ। সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিল আমার ভাই। ভাই টাকা পাঠালে আমাদের সংসার চলত, ভালো কিছু খেতে পারতাম। এখন আমাদের কী হবে?”
পরিবার জানায়, অসুস্থ বাবার চিকিৎসা, সংসারের খরচ এবং পরিবারের ভবিষ্যতের আশায় নিজের যৌবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময় বিদেশে কাটিয়েছেন হানিফ। তিনি পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন নিয়েই প্রতিদিন কাজ করতেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের নির্দেশে নিহতের পরিবারের খোঁজখবর নিতে মাঝিগাছা গ্রামে যান স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ