০৮:৪৪ এম
পলাতক সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নতুন তথ্য পেয়েছে।
তদন্ত শেষে কক্সবাজার ও রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় চলমান তদন্তে তার নামে জমি ও প্লটের সন্ধান পাওয়ার পর এসব সম্পদ জব্দের আইনি প্রক্রিয়া আরম্ভ হয়েছে।
দুদকের আবেদনের পর আদালত সম্পদগুলো জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: হাসিনার সম্পত্তি বিক্রির অর্ধেক অর্থ পাবেন অভ্যুত্থানে নিহতদের স্বজনেরা
বেসরকারি একটি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুদকের তথ্য অনুযায়ী, হারুন অর রশিদ রাজধানীর বনানী ও উত্তরাসহ বিভিন্ন অভিজাত ক্লাবের সদস্য ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে এসব ক্লাবের সদস্যপদ গ্রহণ করেছেন। তাছাড়া প্রভাব খাটিয়ে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সদস্যপদ নেওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে তদন্তে।
বর্তমানে দুদক হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার তদন্ত করছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পদ যেন হস্তান্তর, বিক্রি বা গোপন করা না যায়, সেই কারণে আদালতের কাছে সম্পদ জব্দ ও ফ্রিজ করার আবেদন করা হয়েছিল, যা আদালত মঞ্জুর করেছে।
এদিকে, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান মুরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এনএইচ স্পিনিং মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবুল হোসেনকে আগামী ১৪ জুন দুদকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সব অবৈধ ক্লিনিক চালু হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অনুসন্ধান কর্মকর্তার কাছে তার বক্তব্য গ্রহণ করতে এ তলবের ব্যবস্থা করেছে সংস্থাটি।
অন্যদিকে, দুদকের মামলার আসামি সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নূর মোহাম্মদের সম্পদের মূল্য নির্ধারণের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে।
দুদক জানিয়েছেন, আলোচিত এসব মামলার তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৫ পুলিশ সদস্য
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন