ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ টানা ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়


আজ টানা ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

গোপালগঞ্জের কয়েকটি এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ টানা ৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে। গত সোমবার (৩ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ, ওজোপাডিকো।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, ঝড় বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এড়াতে বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ লাইনের আশেপাশের গাছের ডালপালা কাটা হবে। এর জন্য গোপালগঞ্জ পৌরসভা এলাকার ওজোপাডিকো দপ্তরের আওতায় কিছু এলাকায় সকালে ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এলাকাগুলো হলো- পাওয়া হাউজ বাউন্ডারি সংলগ্ন ১০তলা বন্ধন ভবন, আরামবাগ, শাহিন স্কুল, আমেনা স্কুল রোড, রেশমা ইন্টা: স্কুল, লায়েকের মোড়, নীচুপাড়া, ইতালি মোড়, গুল্লি বাড়ি মোড়, লোহার ব্রিজ, মানিক সড়ক, চেচানিয়াকান্দি এলাকা।

আরও পড়ুন: পানির মধ্যেই ঢালাই, বের হয়ে গেছে রড: কাঠালিয়ায় বিএডিসির স্লুইসগেট নির্মাণে অনিয়ম

এছাড়া বিদ্যুৎ লাইন একই পোলে থাকায় ১১কেভি মোহাম্মদ পাড়া ফিডারের বিদ্যুৎ সরবরাহ সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বন্ধ হতে পারে।

তবে কাজ যদি শেষ হয়, তাহলে বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে চালু হওয়া সম্ভব। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের সহযোগিতা কামনা করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ ইস্যুতে একমত ইরান-ওমান, ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ এম


হরমুজ ইস্যুতে একমত ইরান-ওমান, ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের একটি নির্দিষ্ট পথ নির্ধারণে সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান এবং ওমান। তবে তেহরান দাবি করেছে, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা নেই। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ভালোভাবেই এগিয়ে চলছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও ইউরো নিউজের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) ইরান ও ওমান হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রস্তাবিত জাহাজ চলাচলের পথের ভৌগোলিক অবস্থান চূড়ান্ত করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানিয়েছেন, এ বিষয়ে দুই দেশের একটি যৌথ বিবৃতি তৈরির কাজ চলছে। এই যৌথ বিবৃতিতে প্রযুক্তিগত, আইনি, নিরাপত্তা ও পরিবেশগত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তবে ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী আবারও উন্মুক্ত করা হবে না।

এই সমঝোতার সবচেয়ে বড় জটিলতা হলো, হরমুজ প্রণালীর ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে জাহাজ থেকে ফি আদায় করতে চায় তেহরান। তবে জাতিসংঘের সমুদ্রবিষয়ক কনভেনশনের নিয়মের সঙ্গে এ দাবি সাংঘর্ষিক। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর দাবি, এই জলপথে সব দেশের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

ইসমাইল বাঘেই যুক্তরাষ্ট্রকে ‘তৃতীয় পক্ষ’ উল্লেখ করে বলেন, কোনো বাধা না থাকলে ইরান এবং ওমান যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করবে। তবে মার্কিন নৌ অবরোধ এবং ইরানের বিরুদ্ধে অন্যান্য পদক্ষেপ বহাল থাকলে শুধু এই সমঝোতা দিয়ে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালীতে একটি মধ্য করিডোর গড়ে তোলা হবে, যা যৌথভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে ইরান ও ওমান। তেহরানের দাবি, এই আলোচনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পর্ক নেই এবং প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের আচরণের পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করছে।

অন্যদিকে, ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে এবং তা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, খুব দ্রুত হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হবে। অন্যথায়, তাদের কঠোর হামলার মুখোমুখি হতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হামলার পর ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি পরিবহন পথ বন্ধ করে দেয়। বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।

এ বিষয়ে ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা ড্যানি সিটিনোভিচ বলেন, ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধরনের ব্যয় এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি এড়াতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে এর বাইরে সহজ বা বাস্তবসম্মত কোনো বিকল্প ছিল না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ এম


বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতির খবর সামনে আসার পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে গেছে। পাঁচ মাসের যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে হরমুজ প্রণালী আবার চালু করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হবে কি না, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বিনিয়োগকারীরা।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩৭ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে এখন ব্যারেলপ্রতি ৭৯ দশমিক ০৮ ডলারে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে, একই সময় মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৫৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৪ দশমিক ৬৯ ডলারে দাঁড়িয়ে রয়েছে। বুধবার ব্রেন্টের দাম সামান্য বেড়ে গেলেও ডব্লিউটিআইয়ের দাম কিছুটা কমেছিল।

নোমুরা সিকিউরিটিজের অর্থনীতিবিদ ইউকি তাকাশিমা বলেন, ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতির খবর প্রকাশের পর বাজারে বিক্রির চাপ বেড়ে গেছে। গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তির সইয়ের সময় যেভাবে তেলের দাম ছিল, এখন আবার সেখানেই ফিরে এসেছে। প্রশ্ন এখন হলো, দুই দেশ শেষ পর্যন্ত একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে কি না, সেটিই বিনিয়োগকারীদের মূল নজরে আছে।

রয়টার্সকে ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং দুইজন আঞ্চলিক কর্মকর্তা জানাচ্ছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আসা জাহাজগুলোর নিয়ন্ত্রণ তেহরানের হাতে থাকবে। বিষয়টি ইরানের জন্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ধরনের ছাড়গুলোর অন্যতম বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর একটি চুক্তি শিগগিরই হতে পারে। কিন্তু মার্কিন কর্মকর্তারা বারবার স্পষ্টভাবে বলেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে দেওয়ার বিষয়টি তারা মেনে নেবেন না।

এদিকে, পাঁচটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোকে সতর্ক করে দিয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে এর জবাবে পুরো অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টা হামলা চালানো হবে। এর মাধ্যমে তেহরান ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী বুধবার দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলীয় বন্দর নগরী ইয়ানবুর কাছে একটি সৌদি তেলবাহী ট্যাংকার এবং এডেন উপসাগরে আরেকটি সৌদি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তবে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইউকি তাকাশিমা বলেন, হুথিদের হামলার ফলে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, সেটি কিছুটা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের (ইআইএ) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত বেড়ে গেছে। শোধনাগারগুলোতে তেল পরিশোধনের গতি কিছুটা কমে যাওয়ার কারণে এবং আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এই মজুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইআইএ জানিয়েছে, ৩১ জুলাই শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মজুত ২৫ লাখ ব্যারেল বেড়ে ৪০ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে। তবে রয়টার্সের জরিপে বিশ্লেষকরা ধারণা করেছিলেন, ওই সপ্তাহে মজুত ১৫ লাখ ব্যারেল কমবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে গরুর মাংসের রেকর্ড পরিমাণ দামের কারণ কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ এম


যুক্তরাষ্ট্রে গরুর মাংসের রেকর্ড পরিমাণ দামের কারণ কী

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপারমার্কেটগুলোতে গরুর মাংসের দাম বর্তমানে আকাশচুম্বী অবস্থায় রয়েছে। সাধারণ মূল্যস্ফীতিকে পেছনে ফেলে, গত এক বছরের ব্যবধানে এই মাংসের দাম প্রায় ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই অবস্থায় আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে যে দাম বৃদ্ধিতে খামারি ও ব্যবসায়ীরা ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সাউথ ডাকোটার প্রত্যন্ত এলাকার খামারি, শিকাগোর বিশাল প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা এবং স্থানীয় রেস্টুরেন্ট—এই তিনটি স্তরের সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এখন চরম আর্থিক সংকটে রয়েছে। রেকর্ড দামে মাংস বিক্রি করেও শেষ পর্যন্ত কারো পকেটেই বাড়তি টাকা নেই।

এই অচলাবস্থার মূল রহস্য গরুর তীব্র ঘাটতির মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে। খরা এবং বিভিন্ন দূরারোগ্য রোগের কারণে, যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছরের শুরুতে গবাদি পশুর সংখ্যা ১৯৫১ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। পশুর সংখ্যা কমলে সাউথ ডাকোটার খামারিরা পশু নিলামে ঐতিহাসিক সর্বোচ্চ মূল্য পাচ্ছেন। যেমন, দুই বছর আগে যে বাছুরটির দাম ছিল ২০০০ ডলার, সেটি বর্তমানে ২৫০০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।

কিন্তু এই বৃদ্ধি পেয়ে আসা আয় খামারি কিংবা পশুপালনকারীদের ঘরে ঠিকমতো রয়ে যায় না, কারণ পশুপালনের খরচও নতুন এক রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। মহামারী এবং খরার কারণে পশুখাদ্য, পানি, কাঠের খুঁটি বা বেড়ার কাঁটাতারের দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেড়ে গেছে। খামারিরা বলছেন, বাজারে পশু বিক্রির যে রেকর্ড দাম রয়েছে, তা না থাকলে তাদের খামারগুলো চূড়ান্ত দেউলিয়া হয়ে যেত।

খামার থেকে বাছুরগুলো কিনে নিয়ে মোটাতাজা করার পর সেগুলি পাঠানো হয় মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় (মিটপ্যাকিং প্ল্যান্ট)। আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ করণে চারটি বড় প্রতিষ্ঠান যেমন টাইসন, জেবিএস, কারগিল ও ন্যাশনাল বিফের অধিকার রয়েছে।

সাধারণ ধারণার বিপরীতে এই কর্পোরেট জায়ান্টগুলো হয়তো বাজার থেকে বিশাল মুনাফা অর্জন করছে, কিন্তু চমকপ্রদ তথ্য হলো, চারটি মধ্যে সবচেয়ে বড় কোম্পানি ‘টাইসন’ চলতি বছরের প্রথমার্ধে গরুর মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে ৫০০ মিলিয়ন বা ৫০ কোটি ডলারেরও বেশি লোকসান ভোগ করেছে। একদিকে তাদের জীবন্ত গবাদি পশুর জন্য রেকর্ড উচ্চ দামে ক্রয় করতে হচ্ছে, অন্যদিকে বাজারে মাংসের দাম অবাধে বাড়ানোর সুযোগ নেই, কারণ এর ফলে মার্কিন ভোক্তারা মুরগি কিংবা সস্তা আমদানি করা মাংসের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে।

সম্মুখীন হওয়া এই সমস্যার কারণে গবাদি পশুর অভাবে কারখানাগুলো তাদের পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করতে পারছে না, ফলে প্রতিটি পশুর পিছনে খরচও অনেক বেড়ে যাচ্ছে।

সরবরাহ শৃঙ্খলের শেষ প্রান্তে থাকা সুপারমার্কেট ও রেস্টুরেন্টগুলোর অবস্থাও একই। নেব্রাস্কার ওমাহায় একটি জনপ্রিয় বার্গার শপ ‘ব্লক ১৬’-এর মালিকদের মতে, মাংসের যে চড়া দাম, তাতে মুনাফা করতে গেলে বার্গারের দাম অনেক বাড়াতে হতো। কিন্তু গ্রাহকদের হারানোর ঝুঁকির কারণে তারা সেই পথে হাঁটছেন না, ফলে তাদের লাভের দিকে লক্ষ্য করে চলতে হচ্ছে।

তাহলে এত বৃহৎ পরিমাণ অর্থ কোথায় যাচ্ছে? অর্থনীতিবিদদের বিশ্লেষণ বলছে, আসলে টাকা কারোর পকেটে জমছে না, উল্টো এক হাত থেকে অন্য হাতে স্থানান্তরিত হচ্ছে। পশুখাদ্য ও সরঞ্জামের উর্ধ্বমুখী দাম খামারিদের বাড়তি আয়ের অংশ নিয়ে নিচ্ছে; এবং খামারিদের থেকে চড়া দামে পশু কিনে প্রক্রিয়াজাতকারী ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা বাজারের পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে লোকসান ভোগ করছেন। এই দুরাবস্থা থেকে দ্রুত মুক্তির কোনো উপায় নেই। কারণ, একটি নতুন বাছুর জন্মানোর পর তা জবাইয়ের উপযোগী হতে কমপক্ষে তিন বছর সময় প্রয়োজন। ফলে মার্কিন বাজারে গবাদি পশুর যোগান স্বাভাবিক হতে এবং মাংসের বাজার স্থিতিশীল হতে আরও বেশ কয়েক বছর সময় লাগবে বলেই সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুপোলি জগৎ থেকে সরে সংসার, মাতৃত্বকে প্রাধান্য দিয়েছেন, কী ভাবে স্বমহিমায় পর্দায় ফিরেছিলেন কাজল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০০ এম


রুপোলি জগৎ থেকে সরে সংসার, মাতৃত্বকে প্রাধান্য দিয়েছেন, কী ভাবে স্বমহিমায় পর্দায় ফিরেছিলেন কাজল?

সম্পূর্ণ নিজের যোগ্যতার ভিত্তিতে, সৌন্দর্য এবং গায়ের রং সংক্রান্ত তথাকথিত ধারণার মাপকাঠি অতিক্রম করে শুধুমাত্র অভিনয়ের মাধ্যমেই বলিউডে নিজের জাত চিনিয়েছেন এই নায়িকা। সংসার এবং মাতৃত্বকে ছেড়ে তিনি ফিরেছেন নিজের প্রথম ভালবাসার কাছে, অভিনয়ের জগতে।

কাজলের পরিবার বহুদিন ধরে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে জড়িত। তাঁর মা তনুজা একজন সমর্থ জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং বাবা সোমু মুখোপাধ্যায় একজন প্রযোজক-পরিচালক। মুখোপাধ্যায় পরিবারের সাংস্কৃতিক পরিবেশে তিনি বড় হয়ে উঠেছেন। কাজলের জন্য অভিনয় নতুন কোনও জগৎ ছিল না, কিন্তু ওই পরিচিত পরিবেশের মধ্যেই তাকে প্রতিষ্ঠা পেতে হয়েছে। সম্পূর্ণ নিজের যোগ্যতার উপর ভিত্তি করে, সৌন্দর্য এবং গায়ের রং সংক্রান্ত ধারণার সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে কেবলমাত্র অভিনয়ের মাধ্যমেই তিনি বলিউডে নিজের জাত চিনিয়েছেন।

১৯৯২ সালে তিনি প্রথম ছবিতে অভিনয় করেন। শুরুটা সহজ ছিল না এবং সাফল্যও তৎক্ষণাত আসেনি। তবে এক বছরের মাথায় ভাগ্যের মোড় ঘুরে যায়। 'বাজিগর' ছবিটি তাঁকে দর্শকের মনে পৌঁছে দেয়। এরপর একের পর এক সাফল্য আসে। সেই সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে 'দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে', 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়', 'গুপ্ত'— প্রতিটি ছবিতে তিনি নিজেকে নতুন নতুন চরিত্রে প্রকাশ করেছেন।

বলিউডের অন্যতম আলোচিত জুটি শাহরুখ এবং কাজল। কাজল কখনও নিজেকে একটি নির্দিষ্ট চরিত্রে আটকে রাখেননি। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে বড় পরিবর্তন এসেছে। ১৯৯৯ সালে তিনি অভিনেতা অজয় দেবগণকে বিয়ে করেন এবং সংসারে মনোযোগ দিতে শুরু করেন। তখন থেকেই ধীরে ধীরে কাজের পরিমাণ তিনি কমাতে শুরু করেন। পরে কন্যা নিশা এবং পুত্র যুগ তাঁর জীবনে আগমন ঘটায় এবং মাতৃত্বের দিকে তিনি মনোনিবেশ করেন।

খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছে স্বেচ্ছায় বিরতি নেওয়ার সাহস সকলের থাকে না, কিন্তু কাজল সেই ব্যতিক্রমীদের মধ্যে একজন। অভিনয় জীবনের স্বর্ণালী সময়ে তিনি সংসার এবং মাতৃত্বকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সঠিক সময় এলে তিনি আবার ফিরে এসেছেন অভিনয়ের কাছে, তাঁর প্রথম ভালবাসা। কাজলের জীবন শুধুমাত্র একজন সফল অভিনেত্রীর কাহিনি নয়, বরং সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজের পরিচয় নতুন করে গড়ার একটি গল্প।

মা হওয়ার পর কাজলের সিদ্ধান্ত অনেকের কাছে অবাক লাগে। কেরিয়ারের সবচেয়ে ব্যস্ত সময়ে, তখনই তিনি পরিবারকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সন্তানদের বেড়ে ওঠার মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে চেয়েছিলেন এবং সেই কারণেই বহু কাজ থেকে তিনি নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন। সঠিক সময়ে আবার ক্যামেরার সামনে ফিরেছেন তিনি স্বমহিমায়। 'দিলওয়ালে' দিয়েই তাঁর বলিউডে প্রত্যাবর্তন ঘটে। এরপর বেছে বেছে চরিত্র করেছেন কাজল, অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরিণত চরিত্রগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি কনটেন্ট-নির্ভর গল্পগুলোও তিনি বেছে নিয়েছেন। নারীকেন্দ্রিক চিত্রনাট্যে নিজেকে সম্পূর্ণ উদ্দীপ্ত করে তুলেছেন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং বলিউডেও এটি একটি উল্লেখযোগ্য ছাপ রেখেছে। তিনি আবার অভিনয়ের গভীরতায় প্রবাহিত হয়েছেন এবং সিনেপ্রেমীরা তাঁর অভিনয়ে মগ্ন হয়েছেন।

বর্তমানে তিনি বড়পর্দার পাশাপাশি ওটিটিতেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে কাজ করছেন। সঞ্চালনায়ও বেশ সাবলীল কাজল। নতুন প্রজন্মের জন্য যুগের সঙ্গে নিজের অভিনয়ের ধরন তিনি প্রতিনিয়ত বদলেছেন। তাই তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়েও এখনও কাজল একজন অন্যতম সেরা নাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%