১০:৫৭ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ইবোলা-আক্রান্ত দেশ ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে চিলির প্রীতি ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কায়, স্পেনের স্থানীয় প্রশাসন এটি আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলের লা লিনিয়া দে লা কনসেপসিওনে আগামী ৯ জুন ডিআর কঙ্গো এবং চিলির মধ্যকার প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার লা লিনিয়ার মেয়র হুয়ান ফ্রাঙ্কো জানিয়েছেন যে, আঞ্চলিক সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে ম্যাচটি স্থগিত করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ফ্রাঙ্কো বলেছেন, ডিআর কঙ্গো এবং চিলির মধ্যকার ম্যাচ নিষিদ্ধ করার ডিক্রিতে আমি সই করেছি। স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে এবং ম্যাচটি আয়োজন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্প্যানিশ সংবাদ সংস্থা ইএফই জানিয়েছে যে, চিলি ফুটবল কর্তৃপক্ষ রুদ্ধদ্বার স্টেডিয়ামে ম্যাচটি আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন শেষ পর্যন্ত ঝুঁকি নিতে রাজি হয়নি।
অন্যদিকে, বিশ্বকাপ উপলক্ষে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজ টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু গিউলিয়ানি জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আগে ডিআর কঙ্গো দলকে ২১ দিন বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকতে হবে।
তিনি জানান, 'আমরা ডিআর কঙ্গোকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছি যে, ১১ জুন হিউস্টনে আসার আগে তাদের ২১ দিনের জন্য বাবলে থাকতে হবে।'
অন্যথায়, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জটিলতার মুখে পড়তে পারে। আমাদের লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সীমান্তের কাছাকাছিও পৌঁছাতে না দেওয়া।
ইবোলা আতঙ্কে আন্তর্জাতিক ফুটবলেও প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ডিআর কঙ্গোর বিশ্বকাপ প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক সূচি এখন স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর অনেকটা নির্ভর করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে। এই সফরে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তারা তিনটি টি-টোয়েন্টি এবং তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে। নিগার সুলতানা জ্যোতির অধীনে বাংলাদেশ নারী দলটি এই ম্যাচগুলিতে অংশগ্রহণ করবে।
২০২৬-২৭ মৌসুমের জন্য নতুন আন্তর্জাতিক সূচি প্রকাশ করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট। এই সূচির আওতায় ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ নারী দলকে আতিথ্য দেবে নিউজিল্যান্ড।
সফরের প্রথম পর্ব হিসেবে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এই সিরিজের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১০ ডিসেম্বর, নেলসনে। পরে সেই একই স্থানেই ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। তার পর সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ডিসেম্বর ওয়েলিংটনে।
টি-টোয়েন্টি সিরিজের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের লড়াই শেষে আগামী ১৮ ডিসেম্বর ওয়েলিংটনে শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ। ওয়ানডে সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২১ ও ২৩ ডিসেম্বর মাউন্ট মঙ্গানুইতে।
এই সফরে বাংলাদেশ নারী দল মোট ছয়টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে। আগামী দিনের বড় টুর্নামেন্টগুলোর জন্য এই সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, বাংলাদেশের পাশাপাশি নিউজিল্যান্ড ঘরের মাঠে ব্যস্ত সময় পার করবে। অক্টোবর থেকে ভারত নিউজিল্যান্ড সফরে পূর্ণাঙ্গ সফরে যাবে। সেই সফরে পাঁচ টি-টোয়েন্টি, পাঁচ ওয়ানডে এবং দুটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৯ সালের পর এবারই প্রথম ভারত নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে।
পরবর্তীতে জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে। ওই সফরে দুই দলের মধ্যে দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে, এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে দোকান বসানোর জন্য ইস্যুকৃত সকল সাময়িক কার্ড বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন। এ সময় নতুনভাবে কোনো অনুমতি না দেয়ার সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়েছে।
আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ইস্যু ও নবায়নকৃত সকল কার্ড ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আর নবায়ন করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। সম্প্রতি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পর্যটন সেলের সহকারী কমিশনার স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে একের পর এক ঝুপড়ি দোকান স্থাপন করে বস্তিতে পরিণত হওয়া ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
ওই আদেশে বলা হয়েছে, সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে নতুন কোনো ধরনের সাময়িক কার্ড ইস্যু করা হবে না। পাশাপাশি ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ইস্যু ও নবায়নকৃত সব কার্ড ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আর নবায়ন করা হবে না। কার্ডধারীরা নির্ধারিত শর্তাবলী যথাযথভাবে প্রতিপালন না করায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত এবং পরিবেশ অধিদফতরের সুপারিশের আলোকে এ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
এর আগে গত মার্চ মাসে কক্সবাজার সফরকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনার পর সৈকতের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১২ মার্চ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। চার দিনের অভিযানে সহস্রাধিক অস্থায়ী দোকান ও অবৈধ স্থাপনা অপসারিত করে বালিয়াড়িকে দখলমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে উচ্ছেদের তিন মাস না পেরোতেই আবারও বালিয়াড়িতে ফিরে আসে ঝুপড়ি দোকান। সুগন্ধা, লাবণী ও কলাতলীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে নতুন করে অবৈধ দখলের অভিযোগ ওঠে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সুগন্ধা পয়েন্টের প্রবেশমুখের দুই পাশের বালিয়াড়িতে শত শত দোকান বসানো হয়েছে। ত্রিপল, ভ্যানগাড়ি ও বাঁশের কাঠামো দিয়ে তৈরি এসব ঝুপড়ি দোকানে বিক্রি হচ্ছে শামুক-ঝিনুক, আচার, চা, পান ও বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী। দোকানগুলো বালিয়াড়ির স্বাভাবিক চলাচলের পথও সংকুচিত করে ফেলেছে।
কয়েকজন দোকান মালিক বলেছেন, ‘উচ্ছেদের পর তাদের পুনর্বাসনের কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। সৈকতকেন্দ্রিক ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল শত শত পরিবার জীবিকার সংকটে পড়েছে। ফলে তারা আবারও দোকান বসাতে বাধ্য হয়েছেন।’
শুধু সুগন্ধা পয়েন্ট নয়, কলাতলী এলাকার বিভিন্ন বালিয়াড়ি এবং প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা সাগরলতা ঘিরেও দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সৈকতের কলাতলী সংলগ্ন সড়কের দুই পাশেও কাঁচাবাজার বসানোর তথ্য পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে পরিবেশবাদী সংগঠন ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘বহু বছর ধরে বালিয়াড়ি দখলমুক্ত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হলেও তা স্থায়ী হয়নি। সম্প্রতি উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে সৈকত আবার প্রকৃত রূপে ফিরতে শুরু করেছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই পুনরায় দখল হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বালিয়াড়িকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।’
এ বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ‘পর্যটন ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন রিটের জবাব দাখিল করবে। আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
প্রসঙ্গত, কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত প্রায় ১২০ কিলোমিটার উপকূলীয় এলাকা ১৯৯৯ সালে সরকার প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে। সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী, সৈকতের জোয়ার-ভাটার সীমা থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ বা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা নিষিদ্ধ।
তবে পরিবেশবাদীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী মহলের দখল ও অব্যবস্থাপনার কারণে সৈকতের বালিয়াড়ি বারবার হুমকির মুখে পড়ছে। তাদের মতে, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত নজরদারি ছাড়া বালিয়াড়িকে স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইল সদরে স্বামীর মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় স্ত্রীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন পাঁচজন।
বুধবার (৩ জুন) সকালে সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-নড়াইল মহাসড়কের সদরের পূর্ব বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের (বাদশার গ্যারেজ) এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) তাহের হোসেনের মা জাহানারা বেগম (৫৫)। তিনি যশোরের পুলেরহাট এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী। অন্যজন অ্যাম্বুলেন্সচালক মো. আকবর হোসেন (২৯), তিনি লক্ষীপুরের রামগাতী উপজেলার পূর্ব চর কলা কোপা গ্রামের আব্দুল হাসিমের ছেলে।
পুলিশ এবং প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র থেকে জানা যায়, পুলিশ স্টাফ কলেজে কর্মরত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) তাহের হোসেনের বাবা ইসমাইল হোসেন বুধবার ভোরে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে মারা যান। তারপর তার মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে মা জাহানারা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি যশোরের উদ্দেশে রওয়ানা দেন।
অ্যাম্বুলেন্সটি যখন সদরের পূর্ব বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের এলাকায় পৌঁছে, তখন বিপরীত দিক থেকে আসা বেপরোয়াগতির একটি লোকাল বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষের ফলে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে জাহানারা মারা যান। আহতদের উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে অ্যাম্বুলেন্সচালক আকবরকেও চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আহত পুলিশের উপপরিদর্শক তাহের হোসেন এবং তাদের সঙ্গে থাকা সেলিম, মিন্টু, তানভীর ও বাসযাত্রী সায়েরাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অ্যাম্বুলেন্সে অবস্থানরত আনোয়ার কুমার লিটন সময় সংবাদকে জানান, ‘আমরা এসআই তাহেরের বাবার মরদেহ নিয়ে যশোর যাচ্ছিলাম। নড়াইলে পৌঁছালে দ্রুতগতির একটি লোকাল বাস ওভারটেক করতে গিয়ে আমাদের অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। রাস্তার অবস্থা খারাপ হলে আমাদের অ্যাম্বুলেন্সের গতি কম ছিল। চালক মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু লোকাল বাসটি এসে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুণ্ডু জানান, অ্যাম্বুলেন্স ও লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে ঘটনাস্থলেই পুলিশ কর্মকর্তার মা নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্স চালকও মারা যান। এই ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। অভিযুক্ত চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানিয়েছেন ওসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ