মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধি
১০:৪০ পি.এম
জামালপুর পৌরসভার রাণীগঞ্জ বাজার এলাকার যৌনপল্লীতে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযান চালিয়ে ১ কেজি ৫৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৪০ মিনিট থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত রাণীগঞ্জ বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, এসআরবি, ব্যাটালিয়ন আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে গঠিত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রাণীগঞ্জ বাজার এলাকার মমতা (৫০) এবং রশিদপুর এলাকার মফিজ উদ্দিন (৫০)। অভিযানে মমতার কাছ থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম এবং মফিজ উদ্দিনের কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জামালপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হায়দার এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুর রহমান।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মমতাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড এবং মফিজ উদ্দিনকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জামালপুরের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ কারবার প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বালু ব্যবসার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় দুই বালু ব্যবসায়ীকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) উপজেলার পশ্চিম শিকারমঙ্গল নদীর পাড়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধিত) আইন, ২০২৩-এর ১৫ ধারায় মো. সুমন বেপারী ও মো. মাসুদুর রহমানকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নদী ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, মজুদ ও পরিবহনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার উত্তর আইচা বাজারে একটি ভিটার মালিকানা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রচারিত তথ্যের প্রতিবাদে সংবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী মাসুদ রানা। মঙ্গলবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি ফেসবুকে প্রকাশিত তথ্যকে ভিত্তিহীন, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ রানা বলেন, উত্তর আইচা বাজারের ১২৬৯ নম্বর দাগ ও ২০২৬-১০০২২৩ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ভিটার মূল মালিক তিনি। তার বাবা আব্দুল জলিল ব্যাপারী ১৯৯৪ সালে ওই সম্পত্তি হালিমা খাতুনের কাছে বিক্রি করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয় করেন এবং বর্তমানে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
মাসুদ রানা বলেন, তার স্বত্বাধিকার ও বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কীভাবে অন্য কেউ ওই সম্পত্তির মালিকানা দাবি করছেন, তা তার বোধগম্য নয়। সংবাদকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কাগজপত্র যাচাই করে যদি প্রমাণিত হয় যে সম্পত্তিটি তার নয়, তাহলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে নিজের দাবি ছেড়ে দেবেন।
তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ‘সিটিএম’ নামের একটি ফেসবুক পেজে তাকে জড়িয়ে ওই জমি অবৈধভাবে দখলের পাঁয়তারা করছেন—এমন তথ্য প্রচার করা হয়েছে। তার দাবি, এসব তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য এবং এর মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি ওই প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
তবে একই জমির মালিকানা দাবি করে সাবেক চেয়ারম্যান হাজি আব্দুর রব বলেন, সম্পত্তিটির প্রকৃত মালিক তিনিই। তার দাবি, কোনোভাবেই অন্য কেউ ওই সম্পত্তির মালিক হতে পারেন না।
এদিকে জমিটির মালিকানা নিয়ে বিরোধ নিরসনে উভয় পক্ষের দায়িত্ব পাওয়া চরফ্যাশন আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরন বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্দেশ্যে উভয় পক্ষই তার ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন। সে অনুযায়ী কাগজপত্র পর্যালোচনার সময় মাসুদ রানা জমির দলিলপত্র উপস্থাপন করতে সক্ষম হলেও সাবেক চেয়ারম্যান হাজি আব্দুর রব কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনার বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী জিয়া উদ্দিন বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান হাজি আব্দুর রব তাকে বিষয়টি সমাধানের জন্য দায়িত্ব প্রদান করেন, যাতে করে তিনি জমিটি পেতে পারেন যদি তার বিনিময়ে কোন মূল্য পরিশোধ করতে হয় তাহলে তিনি রাজি আছেন।
তবে জমির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের দাবির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়া মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ রানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের অনুরোধ জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পেশাগত উৎকর্ষ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে সম্মান জানাতে ‘নগদ-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হবে মোট ২৬টি ক্যাটাগরিতে, যা প্রিন্ট, অনলাইন, টেলিভিশন ও রেডিও বিভাগে বিতরণ করা হবে। ডিআরইউ সদস্যদের রিপোর্ট জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা প্রদান করা হয়। দেশের অন্যতম মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ এবং ডিআরইউর যৌথ আয়োজনে এবারও এ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সেরা প্রতিবেদনগুলো নির্বাচন করার জন্য ১০ জন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সমন্বয়ে একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ডিআরইউর সদস্যরা ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত ও প্রচারিত প্রতিবেদন এ অ্যাওয়ার্ডের জন্য জমা দিতে পারবেন।
এছাড়া, প্রিন্ট ও অনলাইন বিভাগে ১৫টি এবং টেলিভিশন ও রেডিও বিভাগে ১১টি, মোট ২৬টি বিষয়ে পুরস্কার প্রদান করা হবে। প্রিন্ট ও অনলাইন বিভাগে ১৫টির মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি, শিক্ষা (মহামান্য রাষ্ট্রপতির সৌজন্যে), স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আর্থিক খাত (ব্যাংক, বিমা ও পুঁজিবাজার), অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, রাজনীতি, প্রশাসন, বিচার ও নির্বাচন কমিশন, ক্রীড়া, কৃষি ও পরিবেশ, নারী, শিশু ও মানবাধিকার, সুশাসন ও দুর্নীতি (অনুসন্ধানী), নগরীর সমস্যা ও সম্ভাবনা, বৈদেশিক সম্পর্ক (কূটনীতি ও জনশক্তি)-সৌজন্যে মনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ডিআরইউ এবং সামগ্রিক অর্থনীতি।
টেলিভিশন ও রেডিও বিভাগের ১১টি বিষয় হলো- শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সেবা খাত, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আর্থিক খাত ও সামগ্রিক অর্থনীতি, অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা; আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, রাজনীতি, প্রশাসন, বিচার ও নির্বাচন কমিশন, ক্রীড়া, কৃষি ও পরিবেশ, নারী, শিশু, মানবাধিকার ও সুশাসন এবং অনুসন্ধানীমূলক তথ্যচিত্র/অনুষ্ঠান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২১ সালে নগদ প্রথম ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়। এরপর ২০২৫ সালে দ্বিতীয়বার এবং এ বছর তৃতীয়বারের মতো এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হলো প্রতিষ্ঠানটি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, নগদের হেড অব মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশনস মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, অ্যাওয়ার্ডের সমন্বয়ক ও ডিআরইউর সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে। অভিজ্ঞ পেসার ভুবনেশ্বর কুমার চার বছর পর আবার ভারতীয় দলে ডাক পেলেন। নির্বাচক কমিটি মঙ্গলবার নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য ভারত ও ভারত ‘এ’ দলের নাম ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ভারত ‘এ’ দল নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে তিনটি এক দিনের ম্যাচ খেলবে।
এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভুবনেশ্বর কুমার ২০২২ সালে অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ভারতের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। চার বছর পর তিনি আবার স্কোয়াডে স্থান পেলেন।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) হয়ে ভুবনেশ্বর স্বরূপে ফিরে এসেছেন। তিনি ৩১ ম্যাচে ২২.৫৫ গড়ে ও ৮.৫২ ইকোনমি রেটে ৪৫ উইকেট নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে ২০২৫ এবং ২০২৬ সালে টানা দুটি শিরোপা জিততে সাহায্য করেছেন।
এই ‘সুইং কিং’ ভারতের হয়ে ৮৭টি টি-টোয়েন্টিতে অংশ নিয়ে ২৩.১০ গড়ে ৯০টি উইকেট নিয়েছেন। এই ফরম্যাটে তিনি দুটি পাঁচ উইকেট ও তিনটি চার উইকেট শিকার করেছেন।
২২শে অক্টোবর থেকে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে সফর শুরু হবে। এরপর পাঁচটি ওয়ানডে এবং দুটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ভারতীয় টেস্ট তারকা যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পান্ত, ওয়াশিংটন সুন্দর এবং কেএল রাহুল ভারত ‘এ’ দলে রয়েছেন।
১৯শে নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগে ২৪শে অক্টোবর থেকে ১০ই নভেম্বর পর্যন্ত এই একদিনের ম্যাচগুলো খেলা হবে।
ভারতের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: শ্রেয়াস আইয়ার (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার), বৈভব সূর্যবংশী, ইশান কিষাণ (উইকেটকিপার), তিলক ভার্মা (সহ-অধিনায়ক), অক্ষর প্যাটেল, শিবম দুবে, নীতীশ কুমার রেড্ডি, নমন ধীর, প্রিন্স যাদব, মায়াঙ্ক সিং, ময়ঙ্ক কুমার, অরণ্য কুমার, প্রিন্স যাদব চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব।
ভারতের ‘এ’ দলের স্কোয়াড: যশস্বী জয়সওয়াল, কেএল রাহুল, দেবদত্ত পাডিক্কল, রবিচন্দ্রন স্মরণ, ঋষভ পান্ত* (উইকেটকিপার), ধ্রুব জুরেল (অধিনায়ক), ওয়াশিংটন সুন্দর, আকিব নবী, আকাশ দীপ, আনশুল কাম্বোজ, মানব সুথার, মুকেশ কুমার, শশষ কুমার, সুদ্ধার, মুকেশ চৌধুরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ