ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কালকিনিতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ১ লাখ টাকা


কালকিনিতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ১ লাখ টাকা

মাদারীপুরের কালকিনিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বালু ব্যবসার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় দুই বালু ব্যবসায়ীকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) উপজেলার পশ্চিম শিকারমঙ্গল নদীর পাড়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধিত) আইন, ২০২৩-এর ১৫ ধারায় মো. সুমন বেপারী ও মো. মাসুদুর রহমানকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

আরও পড়ুন: শেরপুর জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের মেঝেতে বস্তাবন্দি পড়ে থাকা ভ্যাকসিনের খবরটা না করতে সাংবাদিককে হুমকি

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নদী ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, মজুদ ও পরিবহনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চরফ্যাশনে জমি নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এইচ এম নোমান চরফ্যাশন

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


চরফ্যাশনে জমি নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার উত্তর আইচা বাজারে একটি ভিটার মালিকানা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রচারিত তথ্যের প্রতিবাদে সংবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী মাসুদ রানা। মঙ্গলবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি ফেসবুকে প্রকাশিত তথ্যকে ভিত্তিহীন, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ রানা বলেন, উত্তর আইচা বাজারের ১২৬৯ নম্বর দাগ ও ২০২৬-১০০২২৩ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ভিটার মূল মালিক তিনি। তার বাবা আব্দুল জলিল ব্যাপারী ১৯৯৪ সালে ওই সম্পত্তি হালিমা খাতুনের কাছে বিক্রি করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয় করেন এবং বর্তমানে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
মাসুদ রানা বলেন, তার স্বত্বাধিকার ও বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কীভাবে অন্য কেউ ওই সম্পত্তির মালিকানা দাবি করছেন, তা তার বোধগম্য নয়। সংবাদকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কাগজপত্র যাচাই করে যদি প্রমাণিত হয় যে সম্পত্তিটি তার নয়, তাহলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে নিজের দাবি ছেড়ে দেবেন।
তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ‘সিটিএম’ নামের একটি ফেসবুক পেজে তাকে জড়িয়ে ওই জমি অবৈধভাবে দখলের পাঁয়তারা করছেন—এমন তথ্য প্রচার করা হয়েছে। তার দাবি, এসব তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য এবং এর মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি ওই প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।

তবে একই জমির মালিকানা দাবি করে সাবেক চেয়ারম্যান হাজি আব্দুর রব বলেন, সম্পত্তিটির প্রকৃত মালিক তিনিই। তার দাবি, কোনোভাবেই অন্য কেউ ওই সম্পত্তির মালিক হতে পারেন না।

এদিকে জমিটির মালিকানা নিয়ে বিরোধ নিরসনে উভয় পক্ষের দায়িত্ব পাওয়া চরফ্যাশন আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরন বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্দেশ্যে উভয় পক্ষই তার ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন। সে অনুযায়ী কাগজপত্র পর্যালোচনার সময় মাসুদ রানা জমির দলিলপত্র উপস্থাপন করতে সক্ষম হলেও সাবেক চেয়ারম্যান হাজি আব্দুর রব কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি।

ঘটনার বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী জিয়া উদ্দিন বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান হাজি আব্দুর রব তাকে বিষয়টি সমাধানের জন্য দায়িত্ব প্রদান করেন, যাতে করে তিনি জমিটি পেতে পারেন যদি তার বিনিময়ে কোন মূল্য পরিশোধ করতে হয় তাহলে তিনি রাজি আছেন।

তবে জমির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের দাবির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়া মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ রানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের অনুরোধ জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নগদ-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ডে প্রতিবেদন জমার শেষ সময় ১৪ অক্টোবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


নগদ-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ডে প্রতিবেদন জমার শেষ সময় ১৪ অক্টোবর

পেশাগত উৎকর্ষ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে সম্মান জানাতে ‘নগদ-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হবে মোট ২৬টি ক্যাটাগরিতে, যা প্রিন্ট, অনলাইন, টেলিভিশন ও রেডিও বিভাগে বিতরণ করা হবে। ডিআরইউ সদস্যদের রিপোর্ট জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা প্রদান করা হয়। দেশের অন্যতম মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ এবং ডিআরইউর যৌথ আয়োজনে এবারও এ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সেরা প্রতিবেদনগুলো নির্বাচন করার জন্য ১০ জন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সমন্বয়ে একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ডিআরইউর সদস্যরা ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত ও প্রচারিত প্রতিবেদন এ অ্যাওয়ার্ডের জন্য জমা দিতে পারবেন।

এছাড়া, প্রিন্ট ও অনলাইন বিভাগে ১৫টি এবং টেলিভিশন ও রেডিও বিভাগে ১১টি, মোট ২৬টি বিষয়ে পুরস্কার প্রদান করা হবে। প্রিন্ট ও অনলাইন বিভাগে ১৫টির মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি, শিক্ষা (মহামান্য রাষ্ট্রপতির সৌজন্যে), স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আর্থিক খাত (ব্যাংক, বিমা ও পুঁজিবাজার), অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, রাজনীতি, প্রশাসন, বিচার ও নির্বাচন কমিশন, ক্রীড়া, কৃষি ও পরিবেশ, নারী, শিশু ও মানবাধিকার, সুশাসন ও দুর্নীতি (অনুসন্ধানী), নগরীর সমস্যা ও সম্ভাবনা, বৈদেশিক সম্পর্ক (কূটনীতি ও জনশক্তি)-সৌজন্যে মনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ডিআরইউ এবং সামগ্রিক অর্থনীতি।

টেলিভিশন ও রেডিও বিভাগের ১১টি বিষয় হলো- শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সেবা খাত, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আর্থিক খাত ও সামগ্রিক অর্থনীতি, অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা; আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, রাজনীতি, প্রশাসন, বিচার ও নির্বাচন কমিশন, ক্রীড়া, কৃষি ও পরিবেশ, নারী, শিশু, মানবাধিকার ও সুশাসন এবং অনুসন্ধানীমূলক তথ্যচিত্র/অনুষ্ঠান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২১ সালে নগদ প্রথম ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়। এরপর ২০২৫ সালে দ্বিতীয়বার এবং এ বছর তৃতীয়বারের মতো এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হলো প্রতিষ্ঠানটি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, নগদের হেড অব মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশনস মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, অ্যাওয়ার্ডের সমন্বয়ক ও ডিআরইউর সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার বছর পর ভারত দলে ফিরলেন ভুবনেশ্বর কুমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ পি.এম


চার বছর পর ভারত দলে ফিরলেন ভুবনেশ্বর কুমার

ভারত নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে। অভিজ্ঞ পেসার ভুবনেশ্বর কুমার চার বছর পর আবার ভারতীয় দলে ডাক পেলেন। নির্বাচক কমিটি মঙ্গলবার নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য ভারত ও ভারত ‘এ’ দলের নাম ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ভারত ‘এ’ দল নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে তিনটি এক দিনের ম্যাচ খেলবে।

এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভুবনেশ্বর কুমার ২০২২ সালে অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ভারতের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। চার বছর পর তিনি আবার স্কোয়াডে স্থান পেলেন।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) হয়ে ভুবনেশ্বর স্বরূপে ফিরে এসেছেন। তিনি ৩১ ম্যাচে ২২.৫৫ গড়ে ও ৮.৫২ ইকোনমি রেটে ৪৫ উইকেট নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে ২০২৫ এবং ২০২৬ সালে টানা দুটি শিরোপা জিততে সাহায্য করেছেন।

এই ‘সুইং কিং’ ভারতের হয়ে ৮৭টি টি-টোয়েন্টিতে অংশ নিয়ে ২৩.১০ গড়ে ৯০টি উইকেট নিয়েছেন। এই ফরম্যাটে তিনি দুটি পাঁচ উইকেট ও তিনটি চার উইকেট শিকার করেছেন।

২২শে অক্টোবর থেকে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে সফর শুরু হবে। এরপর পাঁচটি ওয়ানডে এবং দুটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ভারতীয় টেস্ট তারকা যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পান্ত, ওয়াশিংটন সুন্দর এবং কেএল রাহুল ভারত ‘এ’ দলে রয়েছেন।

১৯শে নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগে ২৪শে অক্টোবর থেকে ১০ই নভেম্বর পর্যন্ত এই একদিনের ম্যাচগুলো খেলা হবে।

ভারতের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: শ্রেয়াস আইয়ার (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার), বৈভব সূর্যবংশী, ইশান কিষাণ (উইকেটকিপার), তিলক ভার্মা (সহ-অধিনায়ক), অক্ষর প্যাটেল, শিবম দুবে, নীতীশ কুমার রেড্ডি, নমন ধীর, প্রিন্স যাদব, মায়াঙ্ক সিং, ময়ঙ্ক কুমার, অরণ্য কুমার, প্রিন্স যাদব চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব।

ভারতের ‘এ’ দলের স্কোয়াড: যশস্বী জয়সওয়াল, কেএল রাহুল, দেবদত্ত পাডিক্কল, রবিচন্দ্রন স্মরণ, ঋষভ পান্ত* (উইকেটকিপার), ধ্রুব জুরেল (অধিনায়ক), ওয়াশিংটন সুন্দর, আকিব নবী, আকাশ দীপ, আনশুল কাম্বোজ, মানব সুথার, মুকেশ কুমার, শশষ কুমার, সুদ্ধার, মুকেশ চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ এশিয়া এআইনির্ভর প্রবৃদ্ধির পথে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


দক্ষিণ এশিয়া এআইনির্ভর প্রবৃদ্ধির পথে

দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি বিভিন্ন বৈশিক ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার মাঝে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে। বিশ্বব্যাংক জানায়, শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদার কারণে চলতি বছরে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি হতে পারে। তবে, দীর্ঘমেয়াদে প্রবৃদ্ধির নতুন উৎস তৈরি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা (এআই) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে সংস্থাটি মনে করে।

বিশ্বব্যাংকের অক্টোবর ২০২৬-এর ‘রিজিওনাল ইকোনোমিক আপডেট’ প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি ও এআই গ্রহণের সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, এ অঞ্চলে এআই ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পেলেও উন্নত অর্থনীতির তুলনায় তা এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে। সঠিক নীতি ও অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে, এআই দক্ষিণ এশিয়ার জন্য নতুন প্রবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

অভ্যন্তরীণ চাহিদায় ভরসা

বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির একটি প্রধান শক্তি হচ্ছে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বিভিন্ন ধরনের ধাক্কা সত্ত্বেও, এই অভ্যন্তরীণ চাহিদা অঞ্চলটির অর্থনীতিকে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করছে।

তবে ঝুঁকির বিষয়টিও উপেক্ষা করা যায় না। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ জ্বালানি মূল্য দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতিও অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

নতুন প্রবৃদ্ধির উৎস এআই

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধিতে এআইয়ের সম্ভাবনা। সংস্থাটির মতে, এআই গ্রহণের মাধ্যমে নতুন প্রবৃদ্ধির উৎস তৈরি করা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা সম্ভব।

বিশ্ব অর্থনীতিতে দ্রুত এআই প্রযুক্তির বিস্তার ঘটলেও দক্ষিণ এশিয়ায় এর ব্যবহার এখনও সীমিত। ফলে, এ অঞ্চলের দেশগুলোর সামনে একদিকে যেমন প্রযুক্তিগত পিছিয়ে থাকার ঝুঁকি রয়েছে, অন্যদিকে দ্রুত এআই গ্রহণ করে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর সুযোগও রয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানাচ্ছে, এআইয়ের সুফল পেতে হলে শুধুমাত্র প্রযুক্তি আমদানি করলেই হবে না। এর সঙ্গে প্রয়োজন দক্ষ মানবসম্পদ, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ এবং শক্তিশালী ভৌত ও ডিজিটাল অবকাঠামো।

দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব

এআই অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে সক্ষম। তবে, সেই পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত দক্ষতা। বিশ্বব্যাংক তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে কর্মসংস্থানের ধরন বদলে যেতে পারে। নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারলে, অনেক শ্রমিক ও কর্মী পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবেন। অপরদিকে, প্রয়োজনীয় দক্ষতা তৈরি করা গেলে এআই নতুন ধরনের কাজ ও উৎপাদনশীলতার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

ছোট ব্যবসায় এআই ব্যবহারে বাধা কমানোর তাগিদ

এআই গ্রহণে বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোকেও যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। প্রতিবেদনে ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে এআই গ্রহণের বাধা কমানোর পাশাপাশি স্থানীয় এআই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া, এআই ব্যবহারের জন্য একটি স্পষ্ট নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরির সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। এতে বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের অনিশ্চয়তা কমবে এবং একই সঙ্গে তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা

দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের এই মূল্যায়ন বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। বিশেষ করে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে মানবসম্পদের দক্ষতা, ডিজিটাল অবকাঠামো, ব্যবসার পরিবেশ এবং প্রযুক্তি গ্রহণের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণের মূল বার্তা হলো—এআই শুধুমাত্র প্রযুক্তি খাতের বিষয় নয়; এটি ভবিষ্যতের উৎপাদনশীলতা, প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো যদি দ্রুত এআই গ্রহণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অবকাঠামো তৈরি করতে পারে, তাহলে বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তনকে ঝুঁকি হিসেবে দেখার পাশাপাশি নতুন প্রবৃদ্ধির সুযোগেও পরিণত করা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%