ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সাবেক ফুটবল খেলোয়াড়দের ৭৫ শতাংশের মস্তিষ্কে রোগের লক্ষণ: গবেষণা


সাবেক ফুটবল খেলোয়াড়দের ৭৫ শতাংশের মস্তিষ্কে রোগের লক্ষণ: গবেষণা

যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার ফুটবল লিগ এনএফএলের যেসব খেলোয়াড় ২০০৮ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশের মস্তিষ্কে দীর্ঘমেয়াদি আঘাতজনিত রোগের লক্ষণ দেখা গেছে। এই তথ্য নতুন একটি গবেষণায় উঠে এসেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত গবেষণাটি এ রোগের উপস্থিতি নিয়ে এখন পর্যন্ত পাওয়া সর্বোচ্চ আনুমানিক হিসাব তুলে ধরেছে।

দীর্ঘমেয়াদি আঘাতজনিত মস্তিষ্কের রোগটি ‘সিটিই’ নামে পরিচিত। মাথায় বারবার আঘাত লাগার ফলে মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটতে পারে, যা স্মৃতিশক্তি হ্রাস, বিষণ্নতা ও আচরণগত সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত।

আরও পড়ুন: বার্সেলোনার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, আলাভেসকে ৬-১ গোলে পরাজিত

গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের আলঝেইমার রোগ ও সিটিই গবেষণাকেন্দ্রের গবেষকেরা। তারা ৩৯৬টি দান করা মস্তিষ্কের তথ্য এবং মারা যাওয়া ১ হাজার ৯৬৬ জন সাবেক এনএফএল খেলোয়াড়ের তথ্য বিশ্লেষণ করেন।

দান করা মস্তিষ্কগুলোর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশে সিটিইর লক্ষণ পাওয়া গেছে। তবে গবেষকেরা উল্লেখ করেছেন, যাদের স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাভাবনায় অবনতির লক্ষণ ছিল, তাদের পরিবারের মস্তিষ্ক দান করার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। এই পক্ষপাত বিবেচনায় নিয়ে তারা হিসাব করেছেন, মৃত সাবেক খেলোয়াড়দের প্রায় ৭৫ শতাংশের মস্তিষ্কে রোগটির লক্ষণ থাকতে পারে।

গবেষকেরা আরও জানিয়েছেন, মস্তিষ্কে সিটিইর লক্ষণ থাকা মানে প্রত্যেকের স্মৃতিশক্তি কমবে বা স্মৃতিভ্রম হবে, এমন নয়। গবেষণায় সাবেক খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রায় ২৭ শতাংশের স্মৃতিভ্রংশের সম্ভাব্য হিসাব পাওয়া গেছে।

বারবার মাথায় আঘাত লাগলে মস্তিষ্কে টাউ নামের এক ধরনের প্রোটিন জমা হতে পারে। সময়ের সঙ্গে এ ধরনের ক্ষতি বাড়তে পারে, গবেষকেরা এ কথা জানিয়েছেন। তবে জীবিত অবস্থায় বর্তমানে সিটিই নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি নেই; মস্তিষ্কের ময়নাতদন্তের মাধ্যমেই রোগটি নিশ্চিত করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: এবার ইতিহাদে ব্রাইটনের কাছে ১-০ ব্যবধানে হারল সিটি

সূত্র: এনবিসি নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্প-এরদোয়ান ফোনালাপে হরমুজ প্রণালি ও ইয়েমেনের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


ট্রাম্প-এরদোয়ান ফোনালাপে হরমুজ প্রণালি ও ইয়েমেনের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। বুধবার অনুষ্ঠিত এই ফোনালাপে তারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তুরস্কের যোগাযোগ অধিদপ্তর এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফোনালাপে এরদোয়ান ট্রাম্পকে জানান যে, হরমুজ প্রণালি ও ইয়েমেনের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আঙ্কারা হরমুজ প্রণালি এবং ইয়েমেনের চলমান পরিস্থিতি নিরসনে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজছে।

এ সময়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করার এবং সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য তুরস্কের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এরদোয়ান।

ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরু এবং যুদ্ধের অবসান ঘটানোর প্রচেষ্টায় তুরস্ক সহায়তা করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফোনালাপে তুরস্কের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে এরদোয়ান ও তুর্কি জনগণকে অভিনন্দন জানান ট্রাম্প। এছাড়া, অর্গানাইজেশন অব তুর্কিক স্টেটসের শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য তুরস্কের সাফল্য কামনা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সূত্র: আনাদোলু

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘূর্ণিঝড়ের নাম কে রাখে, কীভাবে নির্বাচন হয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ এম


ঘূর্ণিঝড়ের নাম কে রাখে, কীভাবে নির্বাচন হয়

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। এই ঝড়ের নাম নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, যেখানে প্রশ্ন উঠেছে ঘূর্ণিঝড়ের নাম কে রাখে, কীভাবে এই নাম নির্বাচন করা হয় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের নামকরণের প্রয়োজনীয়তা কী?

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ কোনো ব্যক্তি বা একটি দেশের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। বরং, এটি বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) এবং সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে করা হয়।

নাম প্রস্তাব করে ১৩টি দেশ

বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে। এই অঞ্চলে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করে। অন্যান্য দেশগুলো হলো ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।

প্রতিটি দেশ আগে থেকেই নির্দিষ্ট কিছু নাম জমা দেয়। পরে, নির্ধারিত ক্রম অনুযায়ী সেই তালিকা থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নাম ব্যবহার করা হয়। যখন উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কোনো ঘূর্ণিঝড় নামকরণের উপযুক্ত পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন ভারতের আবহাওয়া বিভাগের আঞ্চলিক বিশেষায়িত আবহাওয়া কেন্দ্র (আরএসএমসি) সেই নাম নির্ধারণ করে।

বাংলাদেশও এই তালিকার জন্য নাম প্রস্তাব করে। তবে, কোনো দেশ নাম প্রস্তাব করলেই ঘূর্ণিঝড়টি সেই দেশেই আঘাত হানবে, এমন নয়। ঝড়ের নামকরণের সঙ্গে এর সম্ভাব্য গতিপথের কোনো সম্পর্ক নেই।

কেন ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয়?

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ঝড়কে সহজে শনাক্ত করা এবং এর বিষয়ে সতর্কবার্তা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শুধুমাত্র অবস্থানাঙ্ক বা কারিগরি পরিচয় দিয়ে ঝড়ের বিষয়ে তথ্য জানানো হলে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা মনে রাখা কঠিন হতে পারে। একটি পরিচিত নাম ব্যবহার করলে সংবাদমাধ্যম, আবহাওয়াবিদ, উদ্ধারকর্মী ও সাধারণ মানুষ সহজেই নির্দিষ্ট ঝড়টিকে শনাক্ত করতে পারেন।

একই সময়ে একাধিক সামুদ্রিক ঝড় তৈরি হলে আলাদা নাম ব্যবহার করে প্রতিটির গতিপথ, সম্ভাব্য প্রভাব এবং সতর্কবার্তা সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে তথ্য দেওয়া যায়। এতে যোগাযোগের বিভ্রান্তি কমে এবং দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়।

নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে কী নিয়ম রয়েছে?

ঘূর্ণিঝড়ের নাম সাধারণত সংক্ষিপ্ত, সহজে উচ্চারণযোগ্য এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে বোধগম্য হওয়ার উপযোগী করে নির্বাচন করা হয়। নামটি যেন আপত্তিকর না হয় কিংবা অন্য নামের সঙ্গে সহজে গুলিয়ে না যায়, সেটিও বিবেচনায় রাখা হয়।

উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১৩টি দেশের প্রস্তাবিত নাম নির্ধারিত ক্রমে ব্যবহার করা হয়। কোনো নাম একবার ব্যবহার হয়ে গেলে সাধারণত সেটি আবার এই অঞ্চলের নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। ফলে তালিকা থেকে পরবর্তী নামটি নেওয়া হয়।

নামের উৎসও এক রকম নয়। বিভিন্ন ভাষার শব্দ, প্রকৃতি বা সংশ্লিষ্ট দেশের প্রস্তাবিত অন্য কোনো নাম তালিকায় থাকতে পারে।

নামের সঙ্গে কি ঘূর্ণিঝড়ের শক্তির সম্পর্ক আছে?

না। ঘূর্ণিঝড়ের নামের সঙ্গে এর শক্তি বা ধ্বংসক্ষমতার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। নামটি মূলত ঝড়কে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। ঝড় কতটা শক্তিশালী, বাতাসের গতি কত, কোথায় আঘাত হানতে পারে এবং কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, এসব নির্ভর করে আবহাওয়াগত পরিস্থিতির ওপর।

তাহলে, কোনো ঝড়ের নাম আকর্ষণীয় বা পরিচিত হলেই সেটি বেশি শক্তিশালী হবে, এমন ধারণা সঠিক নয়। ঝড়ের নামের চেয়ে এর অবস্থান, তীব্রতা, সম্ভাব্য গতিপথ এবং সরকারি সতর্কবার্তাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ কেবল পরিচিতির জন্য নয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় যোগাযোগ সহজ করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। কোনো ঘূর্ণিঝড়ের নাম সংবাদে শোনার পর সেটি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানা, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা অনুসরণ করা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কয়ার গ্রুপে আকর্ষণীয় বেতনে চাকরি, কর্মস্থল গাজীপুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ এম


স্কয়ার গ্রুপে আকর্ষণীয় বেতনে চাকরি, কর্মস্থল গাজীপুর

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি, স্কয়ার গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি গ্লোবাল রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগে এক্সিকিউটিভ পদে জনবল নিয়োগের উদ্দেশ্যে এই বিজ্ঞপ্তিটি জারি করেছে। আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে বুধবার, ২৮ অক্টোবর থেকে এবং চলবে আগামী ০৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

এক নজরে স্কয়ার গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের নাম: স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ

বিভাগ: গ্লোবাল রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এম.ফার্ম / বি.ফার্ম

অন্যান্য যোগ্যতা: গ্লোবাল রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বা ফর্মুলেশনস আরঅ্যান্ডডি-তে দক্ষতা।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১ থেকে ২ বছর

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর

কর্মস্থল: গাজীপুর (কালিয়াকৈর)

বেতন: আকর্ষণীয় পারিশ্রমিক প্যাকেজ

অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।

আবেদনের শেষ সময়: ০৫ নভেম্বর ২০২৬

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবুরহাটে ফুটপাত দখলদার চিহ্নিত করতে আদালতের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ এম


বাবুরহাটে ফুটপাত দখলদার চিহ্নিত করতে আদালতের নির্দেশ

চাঁদপুর, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাবুরহাট এলাকায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধিগ্রহণকৃত জমি এবং ফুটপাত দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন জেলার একটি আদালত। আদালত একইসঙ্গে আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে অবৈধ স্থাপনা ও দখলদারদের পরিচয় উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

গতকাল বুধবার বিকেলে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজাহিদুর রহমান সই করা আদেশে চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।

রাতে বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন আহমেদ।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৪ আগস্ট চাঁদপুর পৌরসভার বাবুরহাট এলাকায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধিগ্রহণকৃত জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল।

তবে চাঁদপুর-মতলব সড়কের বাবুরহাট বাজার সংলগ্ন পশ্চিম পাশে সড়ক বিভাগের জমি ও ফুটপাত দখল করে পুনরায় বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা বাবুরহাট সড়ক সংকুচিত হয়ে নিয়মিত যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে যানবাহন ও পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ বাড়ছে।

সরকারি জমি উচ্ছেদের পর পুনরায় দখল এবং সড়ক-ফুটপাত দখল করে পথচারিদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সরকারি জমি দখলমুক্ত করে যানবাহন এবং পথচারীদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আদালত।

আদেশ অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট এলাকার অবৈধ স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। পাশাপাশি দখলদারদের নাম-ঠিকানাসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%