মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৭ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের পাশে সরকার ও সেনাবাহিনী সব সময় থাকবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমাদের সেনাসদস্যরা প্রাণ দিয়েছেন। তাঁরা দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’
শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘এই শোকের সময়ে আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং পাশে থাকব। সরকার ও সেনাবাহিনী সব সময় আপনাদের পরিবারের পাশে থাকবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের দেখভালেও সরকার তার দায়িত্ব পালন করবে।’
পরে প্রধানমন্ত্রী শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।
এ ছাড়া সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদ সেনাসদস্যদের স্থায়ী ঠিকানায় তাঁদের পরিবারের জন্য একটি করে বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে তাঁদের স্ত্রীদের চাকরির ব্যবস্থা এবং সন্তানদের জন্য মাসিক ভাতা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে দুই সেনাসদস্য শহীদ হন। শহীদদের মধ্যে সৈনিক (অপারেটর) আবু বকর সিদ্দিক এবং সৈনিক (গানার) মো. তাসনিম রিফায়াত অন্তর্ভুক্ত।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে আবু বকর সিদ্দিকের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার জুতি, শিশু কন্যা ফাতেমা সিদ্দিকা, বাবা আব্দুল ওহাব ও মা পারভীন আক্তার।
মো. তাসনিম রিফায়াতের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী মোসা. ফাহমিদা আফরিন, শিশু কন্যা রাফসা তাসনিম ইফরা এবং বাবা মো. আসাদুল হক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, যিনি বছরের পর বছর ধরে বিশ্বের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত, তার দৈনন্দিন রুটিনের নানা দিক সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হয়ে থাকে। রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এবং বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তার খাদ্যাভাস সম্পর্কে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
৭৩ বছর বয়সী পুতিন শৃঙ্খল জীবনযাপনের জন্য পরিচিত। তিনি ভোরে ব্যায়াম করেন, শীতল পানিতে সাঁতার কাটেন এবং একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুসরণ করেন। খাদ্যাভাসের ক্ষেত্রেও তার নিয়ম মেনে চলার প্রবণতা রয়েছে।
পুতিনের খাদ্যতালিকায় মূলত প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার, ফারমেন্টেড বা গাঁজন করা দুগ্ধজাত খাবার, শাকসবজি এবং খুব কম পরিমাণে চিনি থাকে। তবে তার কাজের ব্যস্ততা এবং ভ্রমণের ওপর ভিত্তি করে দিনের অন্যান্য খাবারে কিছু পরিবর্তন আসে।
সকালের নাশতায় প্রোটিনের গুরুত্ব
পুতিনের সকালের নাশতা সবসময় নির্দিষ্ট থাকে। রাশিয়া বিয়ন্ডের তথ্য অনুযায়ী, তিনি সাধারণত এক বাটি পোরিজ দিয়ে দিন শুরু করেন। এর সঙ্গে থাকে টভোরগ, যা পূর্ব ইউরোপের একটি জনপ্রিয় টাটকা পনির, এবং এটি সাধারণত সামান্য মধুর সঙ্গে খাওয়া হয়।
এছাড়া, বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি কোয়েল পাখির কাঁচা ডিম পুরোটা খেয়ে থাকেন। নাশতায় বিটরুট ও হর্সর্যাডিশের ঝাঁঝালো জুসও থাকে।
চিনি প্রায় বাদ, মধুই প্রধান মিষ্টি
পুতিন সাধারণত অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলেন। নিয়মিত মিষ্টি হিসেবে তিনি মধুকেই প্রাধান্য দেন। তবে আইসক্রিম তার পছন্দের খাবারের একটি। তিনি নিজেও জানিয়েছেন, মাঝে মাঝে আইসক্রিম খান, কিন্তু এটি তার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার অংশ নয়।
তার খাদ্যাভাসের মূল লক্ষ্য হলো এমন খাবার খাওয়া, যা দীর্ঘ সময় শক্তি জোগায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে আবার কমিয়ে দেয় না।
মাছ ও সবজিতে বেশি আগ্রহ
পুতিনের খাদ্যতালিকায় নিয়মিত থাকে বিভিন্ন ধরনের সবজি। টমেটো, শসা ও সাধারণ সালাদ তার পছন্দের তালিকায় রয়েছে। মাংস ও মাছের মধ্যে তিনি মাছ বেশি পছন্দ করেন, তবে খাসির মাংস বা ল্যাম্বও তার পছন্দের খাবার বলে জানা গেছে।
তিনি ভাত ও বাকউইট (বাজরা বা কুট্টুর চাল) পছন্দ করলেও ওটসের প্রতি তেমন আগ্রহ নেই বলে বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছেন।
ব্যস্ত দিনে দুপুরের খাবারও হালকা
পুতিনের দুপুর বা বিকেলের খাবার অনেকটাই নির্ভর করে তার কাজের ব্যস্ততার ওপর। ব্যস্ত দিনে তিনি কখনো শুধু ফল অথবা এক গ্লাস কেফির খেয়েই সময় কাটান। কেফির হলো গাঁজন করা এক ধরনের দুধের পানীয়, যা হজমের জন্য উপকারী বলে পরিচিত।
দীর্ঘ সময় অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি সাধারণত সহজপাচ্য ও হালকা খাবার বেছে নেন।
রাতের খাবার অনেক সময় বাদই দেন
পুতিনের খাদ্যাভাসের সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো—তিনি প্রায়ই রাতের খাবার এড়িয়ে চলেন। বাড়িতে থাকা কিংবা বিদেশ সফর—দুই ক্ষেত্রেই সন্ধ্যার পর খাবার খুবই সীমিত রাখার চেষ্টা করেন।
বিদেশ সফরের সময় তিনি সংশ্লিষ্ট দেশের স্থানীয় খাবার চেখে দেখেন, তবে সেখানেও খাবারের পরিমাণ সাধারণত কম রাখেন।
তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হয়েছে টেলিভিশন শিল্পের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার এমি অ্যাওয়ার্ডসের ৭৮তম আয়োজন। এবারের অনুষ্ঠানে ড্রামা বিভাগের সেরা সিরিজ হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে দ্য পিট। কমেডি বিভাগে সেরা সিরিজের খেতাব অর্জন করেছে উইডোজ বে। অভিনয় এবং অন্যান্য বিভাগে উল্লেখযোগ্য কিছু জয়ও পরিলক্ষিত হয়েছে। চলুন, এবারের এমি অ্যাওয়ার্ডসের বিজয়ীদের তালিকা এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।
বিভিন্ন পর্যায়ে বিজয়ীদের পূর্ণ তালিকা:
সেরা ড্রামা সিরিজ: দ্য পিট
সেরা কমেডি সিরিজ: উইডোজ বে
ড্রামা সিরিজে সেরা অভিনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নোয়া ওয়াইল — দ্য পিট।
ড্রামা সিরিজে সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন রিয়া সিহর্ন — প্লুরিবাস।
ড্রামা সিরিজে সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন টম পেলফ্রে — টাস্ক।
ড্রামা সিরিজে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হয়েছেন অ্যালিসন জ্যানি — দ্য ডিপ্লোম্যাট।
কমেডি সিরিজে সেরা অভিনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ম্যাথিউ রিস — উইডোজ বে।
কমেডি সিরিজে সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন জিন স্মার্ট — হ্যাকস।
কমেডি সিরিজে সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন স্টিফেন রুট — উইডোজ বে।
কমেডি সিরিজে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কেট ও’ফ্লিন — উইডোজ বে।
সেরা লিমিটেড বা অ্যান্থোলজি সিরিজের পুরস্কার পেয়েছে ডিটিএফ সেন্ট লুইস।
লিমিটেড বা অ্যান্থোলজি সিরিজ/টেলিভিশন চলচ্চিত্রে সেরা অভিনেতা হয়েছেন ম্যাথিউ রিস — দ্য বিস্ট ইন মি।
লিমিটেড বা অ্যান্থোলজি সিরিজ/টেলিভিশন চলচ্চিত্রে সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন স্যালি ফিল্ড — রিমার্কেবলি ব্রাইট ক্রিয়েচার্স।
ড্রামা সিরিজে সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন সল মেটজস্টেইন — স্লো হর্সেস।
কমেডি সিরিজে সেরা পরিচালকের পুরস্কার অর্জন করেছেন হিরো মুরাই — উইডোজ বে।
ড্রামা সিরিজে সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার পেয়েছেন ভিন্স গিলিগান — প্লুরিবাস (উই ইজ আস)।
কমেডি সিরিজে সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার পেয়েছেন কেটি ডিপোল্ড — উইডোজ বে (ওয়েলকাম টু উইডোজ বে!)।
সেরা রিয়েলিটি প্রতিযোগিতামূলক সিরিজের পুরস্কার পেয়েছে দ্য ট্রেইটর্স।
সেরা ভ্যারাইটি সিরিজ হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে দ্য লেট শো উইথ স্টিফেন কলবার্ট।
লিমিটেড বা অ্যান্থোলজি সিরিজ/টেলিভিশন চলচ্চিত্রে সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হয়েছেন ডেভিড হারবার — ডিটিএফ সেন্ট লুইস।
লিমিটেড বা অ্যান্থোলজি সিরিজ/টেলিভিশন চলচ্চিত্রে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হয়েছেন লিন্ডা কার্ডেলিনি — ডিটিএফ সেন্ট লুইস।
ড্রামা সিরিজে সেরা অতিথি অভিনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শেইলেন উডলি — প্যারাডাইস।
কমেডি সিরিজে সেরা অতিথি অভিনেতা হয়েছেন রব রেইনার — দ্য বিয়ার।
লিমিটেড বা অ্যান্থোলজি সিরিজ/টেলিভিশন চলচ্চিত্রে সেরা পরিচালনার পুরস্কার পেয়েছে ডিটিএফ সেন্ট লুইস।
লিমিটেড বা অ্যান্থোলজি সিরিজ/টেলিভিশন চলচ্চিত্রে সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার পেয়েছে ডিটিএফ সেন্ট লুইস।
সেরা টেলিভিশন চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে রিমার্কেবলি ব্রাইট ক্রিয়েচার্স।
সেরা লাইভ ভ্যারাইটি স্পেশাল হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে দ্য অ্যাপল মিউজিক সুপার বোল এলএক্স হাফটাইম শো স্ট্যারিং ব্যাড বানি।
সেরা প্রি-রেকর্ডেড ভ্যারাইটি স্পেশাল হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে দ্য মাপেট শো।
ভ্যারাইটি সিরিজে সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার পেয়েছে দ্য লেট শো উইথ স্টিফেন কলবার্ট।
সেরা অ্যানিমেটেড প্রোগ্রাম হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে সাউথ পার্ক।
দ্য গার্ডিয়ান অবলম্বনে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিলিয়ান এমবাপ্পের ‘গড গিফটেড’ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন উসমান দেম্বেলে। যদিও তিনি সরাসরি আক্রমণ করেননি, তবুও পিএসজির ফরাসি ফরোয়ার্ডের বক্তব্যে এমবাপ্পের মন্তব্যের প্রতি তার জবাব স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
সম্প্রতি ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমবাপ্পে দাবি করেন, গত মৌসুমে তার চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স আর কেউ করেননি। সাবেক সতীর্থ দেম্বেলের সঙ্গে নিজের তুলনা টানতে গিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড বলেন, দেম্বেলেকে সবাই প্রতিভাবান হিসেবে দেখলেও তার ক্ষেত্রে শুরু থেকেই প্রত্যাশাটা ছিল ভিন্ন। এমবাপ্পে মন্তব্য করেন যে, তাকে বরাবরই ‘বিশেষ’ কিংবা ‘ঈশ্বরের নির্বাচিত’ একজন ফুটবলার হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
ব্রেস্টের বিপক্ষে পিএসজির ১-০ ব্যবধানের জয়ের পর দেম্বেলে এমবাপ্পের সেই বক্তব্যের বিষয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন। ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে তিনি নিজের ক্যারিয়ারকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে তুলে ধরেন।
দেম্বেলে বলেন, তিনি কখনোই নিজেকে বিশেষ প্রতিভা বা ‘গড গিফটেড’ খেলোয়াড় হিসেবে মনে করেননি। বরং তিনি তার ক্যারিয়ারের পুরো সময়জুড়ে কঠোর পরিশ্রমকেই নিজের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হিসেবে দেখেছেন। গত বছর পিএসজির হয়ে দুর্দান্ত একটি মৌসুম কাটানোর স্বীকৃতি হিসেবেই তিনি ব্যালন ডি’অর জিতেছেন বলে উল্লেখ করেন।
চলতি বছরের পুরস্কার নিয়ে দেম্বেলে বেশ নির্ভার। তিনি বাড়তি চাপ না নিয়ে নিজের স্বাভাবিক খেলায় মনোযোগ দিতে চান। একই সঙ্গে আগামী ব্যালন ডি’অরের সম্ভাব্য দাবিদার হিসেবে তিনি হ্যারি কেইন, খভিচা খাভারেস্খেলিয়া ও এমবাপ্পের নাম উল্লেখ করেছেন।
তবে দেম্বেলের বিশ্বাস, শেষ পর্যন্ত ব্যালন ডি’অরের ট্রফি পিএসজির কোনো খেলোয়াড়ের হাতেই থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে এক স্বামীকে কেন্দ্র করে দুই নারীর মধ্যে প্রকাশ্যে মারামারির ঘটনা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে লালমনিরহাটের তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে চুল ধরে টানাটানি ও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তারা। পরে স্থানীয়রা দুই নারীকে সরিয়ে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা লিটন সরকার রাজারহাট উপজেলার পশ্চিম দেবোত্তর মৌজার চায়না বাজার এলাকার মৃত ফজল কমান্ডারের পুত্র। তিনি ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিটন সরকারকে নিজের স্বামী দাবি করে দুই নারীর মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত ঘটে। দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেন, লিটন তার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তাকে বিয়ে করেছেন এবং এ সংক্রান্ত তালাকনামা তার কাছে রয়েছে বলেও জানান। তবে প্রথম স্ত্রী দাবি করেছেন, তাকে তালাক দেওয়া হয়নি এবং লিটন দ্বিতীয় বিয়েও করেননি।
তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে দুই নারীর মধ্যে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে মারামারি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শী হামিদুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, দুজন মারামারি করছিলেন এবং একে অপরকে বলছিলেন, "তোকে তালাক দিয়েছে লিটন।"
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা দুই নারীকে থামিয়ে গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন মেম্বারের জিম্মায় দেন। পরে তাদের চায়না বাজার এলাকায় নেওয়া হলে সেখানেও উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।
গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন বলেন, তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে দুই নারী মারামারি করছে শুনে সেখানে যাই। পরে দুজনকেই চায়না বাজারে নিয়ে আসি। তারা দুজনেই লিটনের বউ বলে দাবি করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের আমার জিম্মায় রাখা হয়।
গোকুন্ডা ইউনিয়নের মিঠু মিয়া বলেন, বাসস্ট্যান্ডে দুইটা মেয়ে চুল ধরে মারামারি শুরু করে। আমরা তাদের ঝগড়া থামিয়ে নিয়ে আসি।
লিটনের দ্বিতীয় স্ত্রী জানান, লিটনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তিনি জানতে পারেন, লিটন ঢাকায় নেই। পরে লিটন প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন কি না, তা যাচাই করতেই তিনি সেখানে আসেন বলে দাবি করেন। তার কাছে তালাকনামা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, লিটন তাকে বলেছিল, সে তার বউকে ডিভোর্স দিয়েছে। সেটি যাচাই করার জন্য এসেছি। তিনি নিজেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ফাইনাল ও ইন্টার্নি করা ব্যক্তি বলেও পরিচয় দেন।
অন্যদিকে, লিটন সরকার বিয়ে করার বিষয়টি স্বীকার করলেও তিস্তা বাসস্ট্যান্ড ও চায়না বাজারে দুই নারীর মারামারির বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য না দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় চায়না বাজারসহ রাজারহাটজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের কেউ ঘটনাটিকে পারিবারিক বিরোধ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বিষয়টির আইনগত ও সামাজিক দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ