বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৮:২১ এম
বিশ্বকাপে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে চেক প্রজাতন্ত্র এবং মেক্সিকো। ম্যাচের প্রথমার্ধে দুদলই কয়েকটি আক্রমণাত্মক সুযোগ তৈরি করলেও, কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। তাই হলো ০-০ গোলে সমতায় থেকে বিরতিতে গেছে প্রধান দুটি দল।
আগেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করা মেক্সিকো কিছু পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামলেও, বলের দখল ও আক্রমণে তারা যথেষ্ট সক্রিয় ছিল।
অন্যদিকে, শেষ ষোলোতে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে চেক প্রজাতন্ত্রের জয়ের বিকল্প নেই। এ কারণে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে তারা। তবে দুই দলের ফরোয়ার্ডরা সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়ে প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য অবস্থায়।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষভাবে চেক প্রজাতন্ত্রের জন্য এই ম্যাচের ফল নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এ’-এর ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে ০-০ গোলে সমতায় রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং দক্ষিণ কোরিয়া। দুই দলের জন্য এই ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য, শুরু থেকেই মাঠে সতর্ক ও সংগঠিত ফুটবল দেখা গেছে।
প্রথমার্ধে বল দখল নিয়ে লড়াইয়ে দুই দলই চেষ্টা করলেও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ পুরোপুরি ভাঙতে পারে নি কোনো দলই। দক্ষিণ কোরিয়া কিছুটা আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণভাগ ছিল দৃঢ়। অন্যদিকে, দ্রুত পাল্টা আক্রমণের প্রচেষ্টা চালিয়েও দক্ষিণ আফ্রিকা কাঙ্ক্ষিত সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি।
মাঝমাঠের লড়াইয়ে দুই দল সমানতালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার চেষ্টা করেছে। কিছু গোলের সুযোগ তৈরি হলেও প্রতিপক্ষের রক্ষণাত্মক দৃঢ়তায় স্কোরলাইন অপরিবর্তিত থাকে। ফলে, কোনো দলই এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা না দেখাতে পারায় গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় ম্যাচটি।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই জয়ের লক্ষ্যে আরও আক্রমণাত্মক কৌশল নিয়ে মাঠে নামবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। গ্রুপ পর্বের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত কোন দল হাসবে, তা জানতে শেষ বাঁশির জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মহোদয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে মহাসড়কে পরিচালিত রাত্রীকালীন টহল কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি টহলরত পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন, যানবাহন তল্লাশি, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর নজরদারি এবং মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদারের বিভিন্ন বিষয় সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
একই সঙ্গে তিনি রাণীনগর থানা-এর আওতাধীন একঢালা পুলিশ ক্যাম্প আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন। ক্যাম্পের সার্বিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডিউটি ব্যবস্থাপনা এবং উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি ক্যাম্পে দায়িত্বরত সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং জনগণের জানমাল রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও দ্রুত পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে সর্বদা সজাগ থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।
পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের সকল ইউনিট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের তদারকি ও পরিদর্শন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু চোখ রাঙাতে শুরু করেছে। চলতি মাসে ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি প্রায় দুই হাজার ব্যক্তির মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫৭ জন। এই পরিস্থিতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম জানিয়ে দেন, রাজধানীতে সপ্তাহে চারদিন ডেঙ্গুবিরোধী অভিযান চালানো হবে।
বুধবার (২৪ জুন) গুলশানে প্রথম দিনের মতো অভিযানে নামে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটি। এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী।
ডেঙ্গুবিরোধী অভিযানে গুলশানের চয়েস রেস্তোরাঁয় ড্রামে জমিয়ে রাখা পানিতে এডিসের লার্ভা পাওয়া যায়। এই কারণে রেস্তোরাঁটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, এবং মালিককে দুই মাসের কারাদণ্ডও দেয়া হয়। এরপর গুলশানের বিভিন্ন ভবন ও স্থাপনায় পরিদর্শন করে এডিসের লার্ভা ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি বাসাবাড়িতে লার্ভা ধ্বংসকারী ওষুধও বিতরণ করা হয়।
অভিযান শেষে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম জানান, সপ্তাহে তিন থেকে চারদিন এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে। জনস্বার্থে জমে থাকা পানি পরিষ্কারের জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানান।
এসময় ঢাকার উত্তর সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস জানান, অনেক ভবনে প্রবেশ করতে বাধার কারণে মশক নিধন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের সতর্ক অবস্থানের কারণে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) নওগাঁর আধাতলা সীমান্তের পাতারি শূন্যরেখায় পুশইন করা নয়জনকে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) ভোরে সীমান্তের ২৪৪ নম্বর পিলারসংলগ্ন কাঁটাতারের বেড়ার ফাঁক দিয়ে বিএসএফ নারী শিশুসহ নয়জনকে পুশইন করে। বিজিবি এবং গ্রামবাসী ওই পুশইন করা নয়জনকে আটকে দেয়। দিনভর এসব নারী শিশু শূন্যরেখায় তপ্ত রোদের মাঝে অবস্থান করতে দেখা যায়। তবে রাতের দিকে এসব নারী পুরুষ ধানের আইলের মাঝে অবস্থান নেয়, সেই সময় বিএসএফ সীমান্তের কাঁটাতারের আলো বন্ধ করে দেয় বলে জানান স্থানীয়রা।
তারা আরও বলেন, রাত ১০টার দিকে সীমান্তের আলো বন্ধ করে দিয়ে বিএসএফ পুশইন করা সব নারী-পুরুষদের ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে এলাকায় গিয়ে সেখানে কাউকে দেখা যায়নি।
নওগাঁ বিজিবি-১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ভোররাতের দিকে আদাতলা বিওপির আওতায় পাতাড়ী সীমান্ত এলাকার ৪৪ নম্বর মেইন পিলারের কাছে বিজিবি কয়েকজন ব্যক্তিকে ঘোরাঘুরি করতে দেখে সন্দেহ হলে তাদের শূন্যরেখায় আটকে দেয়। পরে জানা যায় তারা ভারতের বাংলা ভাষাভাষী মানুষ। বিএসএফ সদস্যরা তাদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছিল। তাদের মধ্যে মোট ৯ জন রয়েছে; তিন পুরুষ, তিন নারী ও তিন শিশু।
এর আগে গত ৫ জুন একই সীমান্তের কলমু ডাঙ্গা এলাকায় ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। পরে তাদের পুশ ব্যাক করে বিজিবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ