ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফাইনালে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের আচরণে বিস্ময় প্রকাশ স্প্যানিশ কোচের


ফাইনালে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের আচরণে বিস্ময় প্রকাশ স্প্যানিশ কোচের

বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণে ক্ষুব্ধ ও বিস্মিত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। ম্যাচের ১০৬ মিনিটে ফেররান তোরেসের করা গোলে দ্বিতীয়বারের জন্য শিরোপা জয় করেছে লামিন ইয়ামালরা।

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই দেখা যায় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে, যে স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া এবং মিডফিল্ডার গাভির সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। এই ঘটনার পর পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত হাতাহাতির আকার নেয়। খেলোয়াড়দের শান্ত করতে মেসিদের কোচ লিওনেল স্কালোনিকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তদন্তের জন্য ফিফা একজন শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিষয়ক প্রসিকিউটর নিয়োগ করেছে। স্পেনের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম টিভিই-কে সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণ ছিল অগ্রহণযোগ্য। এমন উচ্চমানের খেলোয়াড়দের কাছ থেকে এই আচরণ আমার কাছে অসহনীয় ও অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। যদিও এর আগের দিনগুলোতে আমি তাদের প্রশংসা করছিলাম এবং তাদের একজন চমৎকার কোচও রয়েছেন।

আরও পড়ুন: সাবেক মেয়র লিটনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৬ নভেম্বর

তিনি উল্লেখ করেন, আমি সেই ধরনের আগ্রাসন ও উসকানির মুখে আমাদের খেলোয়াড়দের আচরণের বিষয়টি তুলে ধরতে চাই। আমাদের খেলোয়াড়রা সবসময়ই সংযত ছিলেন এবং প্রকৃত পেশাদারের মতো আচরণ করেছেন। তবে ফাইনালের পরবর্তী ওই বিবাদের ঘটনায় আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা নিজের ভূমিকার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন।

দে লা ফুয়েন্তে, যিনি স্পেনের হয়ে ২০২৪ সালে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপও জিতেছেন, বলেন, ২০৩০ সালে যৌথভাবে আয়োজিত বিশ্বকাপে জাতীয় দলের কোচ হওয়া ‘যেকোনো কোচের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয় হবে’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বিএনপি নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করবে’: বিজন কান্তি সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১০ পি.এম


‘বিএনপি নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করবে’: বিজন কান্তি সরকার

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার বলেন, আপনারা অনেকেই কাছে এসে আমার কাছে বলেন, আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না, আপনারা এই দেশে থাকতে পারবেন না, আপনাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করা হবে না। এসব কথাগুলো মিথ্যা প্রমাণ করতেই আমরা আজ আপনাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছি।

তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কারও কথায় কান দেবেন না। আপনারা কান দেননি, আর কান না দিয়েই বিএনপিকে নির্বাচনে জয়ী করেছেন। এখন বিএনপির পালা। বিএনপি আপনাদের নিরাপত্তা দেবে, অধিকার দেবে, বিচার দেবে। আপনারা যেন বিচার পান, নিরাপত্তা পান, অধিকার পান। যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পান। শিক্ষা, হাসপাতালসহ সব জায়গায় আপনাদের ন্যায্য পাওনা যেন নিশ্চিত হয়।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে ঢাকার ধামরাই পৌর এলাকার কায়েতপাড়া রথখোলায় শ্রী শ্রী যশোমাধবের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার উল্টো রথ উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এদিন উল্টো টানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয় ধামরাইয়ের প্রায় ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী যশোমাধবের রথযাত্রা। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে হাজারো ভক্ত অংশ নেন। তবে রথযাত্রা শেষ হলেও এ উপলক্ষে আয়োজিত মাসব্যাপী মেলা চলবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-২০ ধামরাই আসনের সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন, ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ মন্দির কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল জীবন কানাই দাস (অব:)। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত বণিক।

বিজন কান্তি সরকার বলেন, আমরা বকশিশ চাই না, হিসাবের পাওনা চাই। আমি সনাতনী, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধসহ বিভিন্ন পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাই।

তিনি বলেন, এর আগেও আমি এখানে এসেছি। কিন্তু আজকের মতো এত সুন্দর সমাবেশ আমি আগে দেখিনি। আমি ঘুরে বেড়িয়েছি এবং এমন ভিড়ও আগে দেখিনি। আওয়ামী লীগের আমলেও একবার পরিবার নিয়ে সাধারণ মানুষ হিসেবে রথযাত্রায় এসেছিলাম। কিন্তু আজ যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখছি, তা আগে দেখিনি। এতে বুঝতে পারছি, আপনাদের মনে অনেক প্রশান্তি ও আস্থা তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতেও সেই আস্থা থাকবে, আমরাও আপনাদের পাশে থাকব। সবাই মিলে বলি, জগন্নাথ দেব আমাদের মঙ্গল করবেন, সুস্থভাবে চলতে সহায়তা করবেন, আমাদের ধারণ করবেন এবং লালন-পালন করবেন।

গত ১৬ জুলাই যশোমাধবকে নিজ মন্দির থেকে মাসির বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল এ বছরের রথযাত্রা। শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে শুরু হওয়া এ উৎসবের আট দিন পর শুক্রবার উল্টো রথ টানের আয়োজন করা হয়। যাত্রাবাড়ী মন্দির থেকে রথ টেনে যশোমাধবকে আবার কায়েতপাড়া রথখোলায় নিয়ে আসেন ভক্তরা। এ সময় নারী-পুরুষের ঢল নামে রথের পথে। ভক্তরা চিনি ও কলা ছিটিয়ে ভক্তি নিবেদন করেন।

রথযাত্রা শেষ হলেও জমজমাট হয়ে উঠেছে মেলাপ্রাঙ্গণ। ধামরাই পৌর এলাকায় মাসব্যাপী চলবে এই মেলা। সেখানে বিভিন্ন খাবার, প্রসাধনী, খেলনা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রায় দুই শতাধিক দোকান বসেছে।

জগন্নাথ মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত বণিক বলেন, উল্টো রথযাত্রার মধ্য দিয়ে এ বছরের রথযাত্রা উৎসবের সমাপ্তি ঘটেছে। সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সুন্দরভাবে আয়োজন শেষ হয়েছে। রথ শেষ হলেও মাসব্যাপী মেলা চলবে।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, গত ১৬ জুলাই শুরু হওয়া ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসব উল্টো রথের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। পুরো আয়োজন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর ছিল এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের নিরাপত্তা পোস্টে সন্ত্রাসী হামলা, সেনাসহ ২৭ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


পাকিস্তানের নিরাপত্তা পোস্টে সন্ত্রাসী হামলা, সেনাসহ ২৭ জন নিহত

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে বিস্ফোরকবোঝাই যানবাহন নিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা।

এ ঘটনায় ১২ সেনাসদস্যসহ মোট ১৫ জন নিহত হন।

আফগানিস্তান সীমান্তসংলগ্ন দেশটির ট্যাংক জেলায় এই হামলা হয়। হামলার পর পরই পাল্টা অভিযান চালিয়ে ১২ জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়।

জঙ্গিরা প্রথমে নিরাপত্তা চৌকিতে প্রবেশের চেষ্টা করে। তবে ব্যর্থ হলে তারা বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি চৌকির বাইরের দেয়ালে আঘাত করে বিস্ফোরণ ঘটায়।

হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানি তালেবান নামে পরিচিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। সংগঠনটি জানিয়েছে, অভিযানে ৪ জন আত্মঘাতী হামলাকারী অংশ নিয়েছিল।

২০০৭ সাল থেকে টিটিপি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে আসছে। সংগঠনটির লক্ষ্য হচ্ছে দেশটির বর্তমান সরকারকে উৎখাত করে তাদের কট্টরপন্থী ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গি হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইসলামাবাদের অভিযোগ, টিটিপি সদস্যরা আফগানিস্তানের ভেতরে নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে হামলার পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ নেয়। তবে কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, পাকিস্তানের জঙ্গিবাদ হচ্ছে তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্য প্রাণীর সুরক্ষায় পরিবেশ সচিবকে প্রধান করে ওয়াইল্ডলাইফ কমিশন গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


বন্য প্রাণীর সুরক্ষায় পরিবেশ সচিবকে প্রধান করে ওয়াইল্ডলাইফ কমিশন গঠন

দেশের সংকটাপন্ন বন্য প্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণ, বন্য প্রাণীর সুরক্ষা এবং বন্য প্রাণী বিষয়ক দেশব্যাপী জনসচেতনতা গড়ে তোলার জন্য সরকার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফাহমিদা খানমকে প্রধান করে ১০ সদস্যবিশিষ্ট ওয়াইল্ডলাইফ কমিশন গঠন করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদের সভায় কমিশনটি গঠন করা হয়। এ বিষয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন অধিশাখা–২ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন), প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, দুবাই সাফারি পার্কের সাবেক প্রিন্সিপাল বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ আলী রেজা খান, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ আশরাফুল হক নোবেল এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক জোট আইইউসিএন-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি।

এছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল এইচ খান এবং বন অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি অফিসার হাতেম সাজ্জাত মো. জুলকার নাইনও সদস্য হিসেবে থাকবেন।

প্রজ্ঞাপনে কমিশনের কার্যপরিধির বিস্তারিত বর্ণনা দিতে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, এ কমিশন হাতিসহ অন্যান্য বন্য প্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল সংরক্ষণের উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা ও সুরক্ষার লক্ষ্যে অবৈধভাবে দখলকৃত বন বিভাগের জমি পুনরুদ্ধারের বিষয়সহ সার্বিক বিষয়ের উপর পরামর্শ দেবে।

এছাড়া সুন্দরবনের বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, বন্য প্রাণীর খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য ফলদ গাছ রোপণের পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে পরামর্শ প্রদান করবে।

হাতিসহ অন্যান্য বন্য প্রাণীর সঙ্গে মানুষের নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করার জন্য সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে কমিশন কাজ করবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা খানম বলেন, "সরকার একটি কমিশন গঠন করেছে। হাতি, বাঘসহ অন্যান্য বন্য প্রাণীর সুরক্ষা, আবাসস্থল উন্নয়ন ও মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে এই কমিশন কাজ করবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তম কুমারের নামে কলকাতায় নির্মিত হচ্ছে ফিল্ম সেন্টার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


উত্তম কুমারের নামে কলকাতায় নির্মিত হচ্ছে ফিল্ম সেন্টার

বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়ক উত্তম কুমারের ৪৭তম প্রয়াণ দিবসে সম্মান জানানোর জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে একটি অন্যতম উদ্যোগ হলো, কলকাতায় উত্তম কুমারের নামে একটি আধুনিক ফিল্ম সেন্টার নির্মাণ এবং ঐতিহ্যবাহী 'উত্তম মঞ্চ' সংস্কার ও আধুনিকীকরণ।

এটি এমন একটি উদ্যোগ যা উত্তম কুমারের স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করতে সহায়তা করবে। শুক্রবার কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে মহানায়কের ফাইবারের মূর্তি ও একটি স্মারক ফলকের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে। সেই অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিভিন্ন মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি, চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, উত্তম কুমারের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি আর্টিস্ট ফোরামের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা মহানায়কের মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান যে, আগামী ৩ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্য সরকারের উদ্যোগে উত্তম কুমারের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। এই উদযাপনের অংশ হিসেবে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি তার নামে একটি ফিল্ম সেন্টার গড়ে তোলা হবে।

এছাড়া, কলকাতা পুরসভার অধীন 'উত্তম মঞ্চ' সংস্কার ও আধুনিকীকরণের দায়িত্বও সরকার গ্রহণ করেছে। জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রবীন্দ্র সদন বা নন্দনে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় গঠন করা হবে মূল উদযাপন কমিটি।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনের অনেক শিল্পী এবং মহানায়কের অনুরাগীরা দীর্ঘদিন ধরে তার জন্মদিন রাষ্ট্রীয়ভাবে বড় পরিসরে উদযাপনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেই আহ্বানেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি আরও জানান, মহানায়ককে ঘিরে সব আয়োজনই তার পরিবারের সম্মতি ও সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%